📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 শিশুদের জন্য মায়ের দুধ উত্তম খাদ্য

📄 শিশুদের জন্য মায়ের দুধ উত্তম খাদ্য


মায়ের বুকের দুধ পান করলে শিশু মানসিক এবং শারীরিক দিক হতে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বারোটি উন্নয়নশীল দেশে শিশু মৃত্যুর হার রোধ করার উদ্দেশে ইউনিসেফ একটি কর্মসূচি গ্রহণ করে। এ কর্মসূচির নামকরণ করা হয় 'মায়ের দুধই সেরা'। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মায়ের দুধ না পাওয়ার কারণে প্রতি বছর ১০ লাখ শিশুর মৃত্যু ঘটে। কয়েক মিলিয়ন শিশু মায়ের দুধ না পাওয়ার কারণে ইনফেকশনের শিকার হয় এবং নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হয়ে যায়।
এ কর্মসূচি যেসব দেশে বাস্তবায়ন করা হয়েছিলো সেগুলো হচ্ছে, পাকিস্তান, বিলোটিয়া, ব্রাজিল, মিসর, ঘানা, আইভরি কোস্ট, কেনিয়া, মেক্সিকো, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড এবং তুরস্ক। এ পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশুদের দুধ খাওয়ানোর বিজ্ঞানসম্মত সুযোগ বৃদ্ধি করা।
জাতিসংঘের সাহায্যপুষ্ট এ সংস্থার বক্তব্য হচ্ছে, বহু হাসপাতালে মায়ের দুধ না পাওয়ার কারণে শিশুদের প্রাথমিক পর্যায়ে দুধ সরবরাহ করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে ইউনিসেফ জানিয়েছে, মায়ের বুকের দুধ যেসব শিশু পান করে তাদের বোতলের দুধ পান করা শিশুদের চেয়ে শতকরা দশ ভাগ কম হাসপাতালে নিতে হয়। একথা একশভাগ প্রমাণিত হয়েছে যে, যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করে তারা মানসিক দিক হতে সুস্থ থাকে। কারণ মায়ের দুধ স্বাভাবিকভাবে শিশুদের পুষ্টি ও শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। ইউনিসেফ নারী সংগঠনগুলোর কাছে অনুরোধ জানিয়েছে তারা যেন ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালায় যে, মায়ের দুধ পান করা শিশুর স্বাভাবিক অধিকার। বিশেষত গর্ভবতী মায়েদের এ বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে। তারা যেন তাদের সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়ানোর মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

মায়ের বুকের দুধ পান করলে শিশু মানসিক এবং শারীরিক দিক হতে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বারোটি উন্নয়নশীল দেশে শিশু মৃত্যুর হার রোধ করার উদ্দেশে ইউনিসেফ একটি কর্মসূচি গ্রহণ করে। এ কর্মসূচির নামকরণ করা হয় 'মায়ের দুধই সেরা'। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মায়ের দুধ না পাওয়ার কারণে প্রতি বছর ১০ লাখ শিশুর মৃত্যু ঘটে। কয়েক মিলিয়ন শিশু মায়ের দুধ না পাওয়ার কারণে ইনফেকশনের শিকার হয় এবং নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হয়ে যায়।
এ কর্মসূচি যেসব দেশে বাস্তবায়ন করা হয়েছিলো সেগুলো হচ্ছে, পাকিস্তান, বিলোটিয়া, ব্রাজিল, মিসর, ঘানা, আইভরি কোস্ট, কেনিয়া, মেক্সিকো, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড এবং তুরস্ক। এ পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশুদের দুধ খাওয়ানোর বিজ্ঞানসম্মত সুযোগ বৃদ্ধি করা।
জাতিসংঘের সাহায্যপুষ্ট এ সংস্থার বক্তব্য হচ্ছে, বহু হাসপাতালে মায়ের দুধ না পাওয়ার কারণে শিশুদের প্রাথমিক পর্যায়ে দুধ সরবরাহ করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে ইউনিসেফ জানিয়েছে, মায়ের বুকের দুধ যেসব শিশু পান করে তাদের বোতলের দুধ পান করা শিশুদের চেয়ে শতকরা দশ ভাগ কম হাসপাতালে নিতে হয়। একথা একশভাগ প্রমাণিত হয়েছে যে, যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করে তারা মানসিক দিক হতে সুস্থ থাকে। কারণ মায়ের দুধ স্বাভাবিকভাবে শিশুদের পুষ্টি ও শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। ইউনিসেফ নারী সংগঠনগুলোর কাছে অনুরোধ জানিয়েছে তারা যেন ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালায় যে, মায়ের দুধ পান করা শিশুর স্বাভাবিক অধিকার। বিশেষত গর্ভবতী মায়েদের এ বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে। তারা যেন তাদের সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়ানোর মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করে তারা মেধাবী হয়

📄 যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করে তারা মেধাবী হয়


যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করে তারা অধিক মেধাবী হয়ে গড়ে ওঠে। তারা নানা প্রকার রোগ হতে মুক্ত থাকে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করেনি তারা স্কুলের ক্লাসে প্রায়ই চুপচাপ থাকে। তাদের বন্ধুর সংখ্যাও কম। গবেষণা অনুযায়ী মস্তিষ্ক রোগ সিজোফ্রেনিয়ার শিকার ৭০ ভাগ শিশুর আইকিউ রেকর্ড করা হয়েছে ১১০ এবং গাভীর দুধপানকারী শিশুদের আইকিউ রেকর্ড করা হয়েছে ১০০। একজন বৃটিশ বিশেষজ্ঞের হিসাব অনুযায়ী মায়ের দুধের মধ্যে এমন কিছু অংশ থাকে, যা শিশুর মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। অথচ গাভীর দুধে এরকম শক্তি থাকে না। (রিসার্চ রিপোর্ট)

যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করে তারা অধিক মেধাবী হয়ে গড়ে ওঠে। তারা নানা প্রকার রোগ হতে মুক্ত থাকে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করেনি তারা স্কুলের ক্লাসে প্রায়ই চুপচাপ থাকে। তাদের বন্ধুর সংখ্যাও কম। গবেষণা অনুযায়ী মস্তিষ্ক রোগ সিজোফ্রেনিয়ার শিকার ৭০ ভাগ শিশুর আইকিউ রেকর্ড করা হয়েছে ১১০ এবং গাভীর দুধপানকারী শিশুদের আইকিউ রেকর্ড করা হয়েছে ১০০। একজন বৃটিশ বিশেষজ্ঞের হিসাব অনুযায়ী মায়ের দুধের মধ্যে এমন কিছু অংশ থাকে, যা শিশুর মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। অথচ গাভীর দুধে এরকম শক্তি থাকে না। (রিসার্চ রিপোর্ট)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 যেসব মা শিশুকে দুধ পান করায় তাদের স্তন ক্যান্সার কম হয়

📄 যেসব মা শিশুকে দুধ পান করায় তাদের স্তন ক্যান্সার কম হয়


বর্তমানে দেখা যায়, কোনো মহিলার স্তনে গুটি দেখা দিলে সে মহিলা আশংকা করে তার স্তনে ক্যান্সার হয়েছে। এমতাবস্থায় এটা ধারণা করা ভুল যে, তার আয়ু শেষ হয়ে এসেছে এবং চিকিৎসা অর্থহীন। কেউ কেউ স্তনের গুটি দেখানোর জন্যে ডাক্তারের কাছে যেতে বিলম্ব করে। অথচ এটা হওয়ার পর তিন মাসের মধ্যে যদি কোনো চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হয় তবে বিষয়টি জটিল হয়ে যায়। তার ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়।
স্তনে গুটি দেখা দিলে অস্থির হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে ডাক্তারের সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করতে হবে। গুটি ছোট থাকার সময়ে চিকিৎসায় ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বেশি বয়সে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে এর সাথে অন্য সমস্যা যুক্ত হয়ে মৃত্যু ত্বরান্বিত হতে পারে। স্তন ক্যান্সার শুনতে যতোটা গুরুতর মনে হয় বাস্তবে কিন্তু ততোটা গুরুতর নয়। বৃটেনের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের চিকিৎসায় এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব হয়েছে। বলাবাহুল্য, মহিলাদের যেসব গুটি দেখা দেয় তার ১০টির মধ্যে একটি ক্যান্সার বাকি ৯টি সাধারণ গুটি বা ফুসকুঁড়ি। যাদের স্তনে ক্যান্সার হয় তাদের অধিকাংশেরই স্তন কেটে ফেলার প্রয়োজন হয় না। যেসব মহিলার তাড়াতাড়ি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায় তাদের শতকরা ৮৫ ভাগ স্তন ক্যান্সার হওয়ার পরও ৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকে। এ সময়ে তারা থাকে সম্পূর্ণ সুস্থ করতে পারে। তবে রোগীর আত্মবিশ্বাসও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাকে চিন্তা করতে হবে, আমার কিছু হবে না, আমি পরাজিত হবো না। বর্তমানে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তদের জন্যে বিশেষ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। যেসব উপায় অনুসরণ করা হলে স্তন ক্যান্সার রোধ করা যায় এখানে সে বিষয়ে আলোকপাত করা হচ্ছে।
১. মোটাসোটা মহিলাদের স্তন ক্যান্সার বেশি হয়ে থাকে। সুস্থ থাকার সময় হতেই এদের চর্বিযুক্ত খাবার কম খেতে হবে। ওজন কমাতে হবে। খাদ্য তালিকায় সবজি, তরকারি, ডাল বাড়িয়ে দিতে হবে।
২. ত্রিশ বছর বয়স হওয়ার আগে যদি মহিলাদের প্রথম সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় তবে তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৩. যেসব মহিলা সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়ায় তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত মহিলাদের অধিকাংশ সুস্থ হওয়ার পর বার্ধক্যজনিত রোগে মৃত্যুবরণ করে। ডাক্তার এস এ-এর রিপোর্টে একথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বর্তমানে দেখা যায়, কোনো মহিলার স্তনে গুটি দেখা দিলে সে মহিলা আশংকা করে তার স্তনে ক্যান্সার হয়েছে। এমতাবস্থায় এটা ধারণা করা ভুল যে, তার আয়ু শেষ হয়ে এসেছে এবং চিকিৎসা অর্থহীন। কেউ কেউ স্তনের গুটি দেখানোর জন্যে ডাক্তারের কাছে যেতে বিলম্ব করে। অথচ এটা হওয়ার পর তিন মাসের মধ্যে যদি কোনো চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হয় তবে বিষয়টি জটিল হয়ে যায়। তার ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়।
স্তনে গুটি দেখা দিলে অস্থির হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে ডাক্তারের সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করতে হবে। গুটি ছোট থাকার সময়ে চিকিৎসায় ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বেশি বয়সে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে এর সাথে অন্য সমস্যা যুক্ত হয়ে মৃত্যু ত্বরান্বিত হতে পারে। স্তন ক্যান্সার শুনতে যতোটা গুরুতর মনে হয় বাস্তবে কিন্তু ততোটা গুরুতর নয়। বৃটেনের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের চিকিৎসায় এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব হয়েছে। বলাবাহুল্য, মহিলাদের যেসব গুটি দেখা দেয় তার ১০টির মধ্যে একটি ক্যান্সার বাকি ৯টি সাধারণ গুটি বা ফুসকুঁড়ি। যাদের স্তনে ক্যান্সার হয় তাদের অধিকাংশেরই স্তন কেটে ফেলার প্রয়োজন হয় না। যেসব মহিলার তাড়াতাড়ি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায় তাদের শতকরা ৮৫ ভাগ স্তন ক্যান্সার হওয়ার পরও ৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকে। এ সময়ে তারা থাকে সম্পূর্ণ সুস্থ করতে পারে। তবে রোগীর আত্মবিশ্বাসও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাকে চিন্তা করতে হবে, আমার কিছু হবে না, আমি পরাজিত হবো না। বর্তমানে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তদের জন্যে বিশেষ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। যেসব উপায় অনুসরণ করা হলে স্তন ক্যান্সার রোধ করা যায় এখানে সে বিষয়ে আলোকপাত করা হচ্ছে।
১. মোটাসোটা মহিলাদের স্তন ক্যান্সার বেশি হয়ে থাকে। সুস্থ থাকার সময় হতেই এদের চর্বিযুক্ত খাবার কম খেতে হবে। ওজন কমাতে হবে। খাদ্য তালিকায় সবজি, তরকারি, ডাল বাড়িয়ে দিতে হবে।
২. ত্রিশ বছর বয়স হওয়ার আগে যদি মহিলাদের প্রথম সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় তবে তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৩. যেসব মহিলা সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়ায় তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত মহিলাদের অধিকাংশ সুস্থ হওয়ার পর বার্ধক্যজনিত রোগে মৃত্যুবরণ করে। ডাক্তার এস এ-এর রিপোর্টে একথা উল্লেখ করা হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00