📘 পর্দার বিধান 📄 সাদা-মাঠা পোশাক পরলেও কি পর্দা জরুরী?

📄 সাদা-মাঠা পোশাক পরলেও কি পর্দা জরুরী?


'আমি পর্দা না করলেও আকর্ষণীয় প্রসাধন ও সাজগোজ ক'রে নিজেকে প্রদর্শন করি না। খুব স্বাভাবিকভাবে বাইরে যাই। তাতেও কি পাপ হবে?'

অবশ্যই। নারীর দেহটাই পুরুষের নজরে বড় আকর্ষণীয়। নারী নিজে তা অনুভব নাও করতে পারে। সাজগোজে আকর্ষণ বেশি বাড়ায় তাই। তাছাড়া বিনা সাজেও মহিলার দেহ কমনীয় ও রমণীয়। আর মহানবী ﷺ বলেছেন, "রমণী গুপ্ত জিনিস; সুতরাং যখন সে (বাড়ি হতে) বের হয়, তখন শয়তান তাকে পুরুষের দৃষ্টিতে রমণীয় ক'রে দেখায়।” (সহীহ তিরমিযী ৯৩৬নং)

📘 পর্দার বিধান 📄 পাপী মহিলার পর্দায় কী লাভ?

📄 পাপী মহিলার পর্দায় কী লাভ?


অনেকে বলে, 'আমি অন্য পাপ বর্জন করতে পারি না, তাহলে পর্দা করেই বা কী হবে?'

আমরা বলব, পর্দা ক'রে অন্ততঃ একটি অতিরিক্ত পাপ থেকে তো বাঁচা যাবে। সেই সাথে চেষ্টা রাখতে হবে, যাতে সকল পাপ থেকে দূরে থাকা যায়। আর যদি তোমার চরিত্রে পুরনো কলঙ্কও থাকে, তবুও পর্দা না করে কলঙ্কের কালিমার পরিসরকে বাড়িয়ে তুলো না। আল্লাহর কাছে সঠিকভাবে তওবা কর। তওবা তোমার সকল পাপকে পুণ্যরাশিতে পরিণত ক'রে দেবে। শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে পানাহ চাও, কারণ সে তোমাকে সৎপথে ফিরে আসতে বাধাদান করবে। সমাজের কথাকে পরোয়া করো না, সমাজ তোমার হয়ে হিসাব দেবে না।

শৈথিল্য করো না বোনটি! এখনও সময় আছে। পাপের বোঝা হাল্কা কর, নচেৎ তার শাস্তি বড় কঠিন! মহান আল্লাহর এই বাণী পাঠ ক'রে একান্তে একটু চিন্তা কর,

[وَهُمْ يَصْطَرِخُونَ فِيهَا رَبَّنَا أَخْرِجْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا غَيْرَ الَّذِي كُنَّا نَعْمَلُ أَوَلَمْ نُعَمِّرْকুম مَّا يَتَذَكَّرُ فِيهِ مَن تَذَكَّرَ وَجاءَكُمُ النَّذِيرُ فَذُوقُوا فَمَا لِلظَّالِمِينَ مِن نَّصِيرٍ ] (ফাত্বিরঃ ৩৭)

অর্থাৎ, সেখানে (জাহান্নামে) তারা আর্তনাদ ক'রে বলবে, 'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে (এখান হতে) বের কর, আমরা সৎকাজ করব; পূর্বে যা করতাম, তা আর করব না।' আল্লাহ বলবেন, 'আমি কি তোমাদেরকে এত দীর্ঘ জীবন দান করিনি যে, তখন কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে চাইলে উপদেশ গ্রহণ করতে পারত? তোমাদের নিকট তো সতর্ককারীও এসেছিল। সুতরাং শাস্তি আস্বাদন কর; সীমালংঘনকারীদের কোন সাহায্যকারী নেই।'

📘 পর্দার বিধান 📄 পর্দা করলে আপন পর হয়ে যায়

📄 পর্দা করলে আপন পর হয়ে যায়


অনেকে বলে, 'আমি পর্দা করলে অনেক আত্মীয় পর হয়ে যাবে। আর সেটা আমার জন্য ক্ষতিকর হবে।'

খালাতো ভাইকে পর্দা করলে, সে ভাই তো রাগ করেই, খালাও রাগ করে এবং সেই জেরে মাও রাগ করে! নন্দাইকে পর্দা করলে ননদ ও শ্বাশুরী রাগ করে! যাদেরকে পর্দা করি, তারা আমাদের বাড়ি আসাই বন্ধ ক'রে দেয়। আমরা বলি, আল্লাহর আনুগত্য করলে যে আত্মীয় পর হয়ে যায়, সে আত্মীয় তোমার আত্মীয় থাকাই ভাল নয়। ভাল কাজ করলে যে তোমাকে ভালবাসে এবং খারাপ কাজ করলে যে তোমাকে ঘৃণা করে, সেই হল পরম আত্মীয়; যদিও তার সাথে তোমার কোন রক্তের সম্পর্ক নেই।

ধৈর্য ধর বোনটি আমার! আর জেনে রেখো, যারা ভাল কাজ করে, তাদেরকে আল্লাহ ভালবাসেন। আর যাদেরকে আল্লাহ ভালবাসেন, তারা অন্য কারো ভালবাসার মুখাপেক্ষী নয়। তবুও মহান আল্লাহ বলেছেন,

[إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ سَيَجْعَلُ لَهُمُ الرَّحْمَنُ وُدًّا ] (মারয়্যামঃ ৯৬)

অর্থাৎ, যারা বিশ্বাস করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, পরম দয়াময় তাদের জন্য (পারস্পরিক) সম্প্রীতি সৃষ্টি করবেন।

অর্থাৎ, পৃথিবীতে মানুষের অন্তরে সৎকর্ম ও পরহেযগারীর জন্য ভালবাসার সৃষ্টি করবেন। যেমন হাদীসে এসেছে, "যখন আল্লাহ কোন বান্দাকে নিজের প্রিয় করে নেন, তখন তিনি জিবরীল (আ)-কে বলেন যে, আমি অমুক বান্দাকে ভালবাসি, তুমিও তাকে ভালবাস। সুতরাং জিবরীলও তাকে ভালবাসতে শুরু করেন। অতঃপর তিনি সারা আকাশে ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তোমরাও তাকে ভালবাস। আকাশের সমস্ত ফিরিশতা তাকে ভালবাসতে শুরু করেন। তারপর পৃথিবীতে তার বরণ ও গ্রহণযোগ্যতা স্থাপন করা হয়। (বুখারী)

আস্থা রাখো, তুমি যদি সত্যিসত্যিই ভাল কাজ কর এবং শরয়ী পর্দা করার মতো জিহাদী ভাল কাজ কর, তাহলে তোমার আত্মীয়-পর সকলে তোমাকে ভালবাসবে। তবে একটি কথা মনে রেখে সান্ত্বনা নিয়ো, সবচেয়ে বেশি ভাল কাজ যিনি ক'রে গেছেন, সবচেয়ে বেশি আল্লাহর ভালবাসা যিনি লাভ করেছেন, তাঁরও শত্রু ছিল। আর তুমি কে?

ভাল লোকের হিংসুক থাকে। তুমি পর্দানশীন বলে তোমারও হিংসুক থাকতে পারে। হিংসুককে নিজের জ্বালায় পুড়ে মরতে দাও। সে যত জ্বলে, তত তার জ্বালায় আরো ঘি ঢালো।

যদি তুমি তাদের হিংসায় কষ্ট পাও, তাহলে ধৈর্য ধরো এবং পর্দা বর্জন করো না। মানুষের সাময়িক কষ্টদানকে আল্লাহর আযাবের মতো ভেবো না। কারণ সে আযাব আরো কঠিন। মহান আল্লাহ বলেন,

[وَمِنَ النَّاسِ مَن يَقُولُ آمَنَّا بِالله فَإِذَا أُوذِيَ فِي اللَّهُ جَعَلَ فِتْنَةَ النَّاسِ كَعَذَابِ اللَّهُ ]

অর্থাৎ, মানুষের মধ্যে কিছু লোক বলে, 'আমরা আল্লাহকে বিশ্বাস করি'; কিন্তু আল্লাহর পথে যখন ওদেরকে কষ্ট দেওয়া হয়, তখন ওরা মানুষের পীড়নকে আল্লাহর শাস্তির মত গণ্য করে। (আনকাবুতঃ ১০)

তুমি যদি তোমার আত্মীয়কে খোশ করতে গিয়ে পর্দার ফরয বর্জন কর, তাহলে শত ধিক্ তোমাকে। সর্বনাশ তোমার!

মহানবী ﷺ বলেন, “যে ব্যক্তি লোকেদেরকে অসন্তুষ্ট করেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, সে ব্যক্তির জন্য লোকেদের কষ্টদানে আল্লাহই যথেষ্ট হন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট ক'রে লোকেদের সন্তুষ্টি খোঁজে, সে ব্যক্তিকে আল্লাহ লোকেদের প্রতিই সোপর্দ ক'রে দেন।” (তিরমিযী, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৩১১নং)

“যে ব্যক্তি লোকেদেরকে অসন্তুষ্ট করেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, সে ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হন এবং লোকদেরকেও তার প্রতি সন্তুষ্ট করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট ক'রে লোকদের সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, সে ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন এবং লোকদেরকেও তার প্রতি অসন্তুষ্ট ক'রে দেন।” (ইবনে হিব্বান প্রমুখ)

📘 পর্দার বিধান 📄 পর্দা কেবল নবী-পত্নীদের জন্য

📄 পর্দা কেবল নবী-পত্নীদের জন্য


কিছু শিক্ষিত মহিলার ধারণা যে, পর্দার আয়াতগুলিতে কেবল নবী-পত্নীদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে। আর তার মানে পর্দার বিধান কেবল তাঁদের জন্য ছিল। সাধারণ মহিলাদের জন্য তা নয় এবং তাদের জন্য তা বড় কঠিনও বটে! যেমন মহান আল্লাহ বলেছেন, "হে নবী-পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পরপুরুষের সাথে কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলো না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধি আছে সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা সদালাপ কর। (স্বাভাবিকভাবে কথা বল।) তোমরা স্বগৃহে অবস্থান কর এবং (প্রাক-ইসলামী) জাহেলী যুগের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়িয়ো না। তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর ও যাকাত প্রদান কর এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অনুগতা হও; হে নবী-পরিবার! আল্লাহ তো কেবল তোমাদের মধ্য থেকে অপবিত্রতা দূর করতে চান এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে চান।” (আহমাবঃ ৩২-৩৩)

“তোমরা তার পত্নীদের নিকট হতে কিছু চাইলে পর্দার অন্তরাল হতে চাও। এ বিধান তোমাদের এবং তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্র। তোমাদের কারও পক্ষে আল্লাহর রসূলকে কষ্ট দেওয়া অথবা তার মৃত্যুর পর তার পত্নীদেরকে বিবাহ করা কখনও সঙ্গত নয়। নিশ্চয় আল্লাহর দৃষ্টিতে এ ঘোরতর অপরাধ।” (আহযাবঃ ৫৩)

কিন্তু মহিলার উক্ত ধারণা সঠিক নয়। তার কারণ প্রণিধানযোগ্য:-
(ক) নবী-পত্নীগণ সবচেয়ে বেশি ঈমানদার, সৎশীল ও পবিত্র মহিলা হওয়া সত্ত্বেও যদি ঐ হুকুম হয়, তাহলে সাধারণ মহিলাদের ক্ষেত্রে কী হুকুম হওয়া উচিত? পর্দার হুকুম কি সাধারণ মহিলাদের জন্য বেশি যথোপযুক্ত নয়?
(খ) পর্দার হুকুম সকল মহিলাদের জন্য। যেহেতু উক্ত আয়াতেই বলা হয়েছে, "তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর ও যাকাত প্রদান কর এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অনুগতা হও।” আর এ হুকুম কেবল নবী-পত্নীদের জন্য নয়।
(গ) পর্দার বিধান যে আমভাবে সকল মুসলিম নারীদের জন্য তার প্রমাণ অন্য আয়াতে রয়েছে। মহান আল্লাহ বলেছেন,

[يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاء الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَن يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللهُ غَفُورًا رَّحِيمًا ] (আহযাবঃ ৫৯)

অর্থাৎ, হে নবী! তুমি তোমার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মু'মিনদের রমণীগণকে বল, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের (মুখমন্ডলের) উপর টেনে দেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজতর হবে; ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আর আল্লাহ মহা ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (আহযাবঃ ৫৯)

(ঘ) পর্দার হুকুম নবী-পত্নীদের জন্য হলেও তাঁদের অনুসরণ করা সকল মুসলিম নারীর কর্তব্য। মহান আল্লাহ বলেন,

[لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لَّن كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا ] (আহযাবঃ ২১)

অর্থাৎ, তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালকে ভয় করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য রাসূলুল্লাহর (চরিত্রের) মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। (আহযাবঃ ২১)

(ঙ) পর্দার হুকুম সকল মহিলার জন্য ব্যাপক বলেই উম্মে সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, 'উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হলে (মদীনার) আনসারদের মহিলারা যখন বের হল, তখন তাদের মাথায় (কালো) চাদর (বা মোটা ওড়না) দেখে মনে হচ্ছিল যেন ওদের মাথায় কালো কাকের ঝাঁক বসে আছে!' (আবু দাউদ ৪১০১ নং)

আল্লাহ তাআলার আদেশ, “মুমিন মেয়েরা যেন তাদের ঘাড় ও বুককে মাথার কাপড় দ্বারা ঢেকে নেয়---।” (নূর: ৩১)
আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, 'পূর্বের মুহাজির মহিলাদের প্রতি আল্লাহ রহম করেন। উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হলে তারা তাদের পরিধেয় কাপড়সমূহের মধ্যে সবচেয়ে মোটা কাপড়টিকে ফেড়ে মাথার ওড়না বানিয়ে মাথা (মুখ-ঘাড়-গলা-বুক) ঢেকেছিল।' (আবু দাউদ ৪১০২নং)

(চ) “হে নবী-পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও”---এর অর্থ এই নয় যে, তাঁদের প্রকৃতি ও চরিত্র অন্য মহিলাদের থেকে ভিন্নতর। উদ্দেশ্য হল, তোমরা আদর্শ মহিলা। তোমাদেরকে আল্লাহর আদেশ সবার আগে ও সবচেয়ে বেশি মানতে হবে। যেমন সাধারণতঃ প্রত্যেক নেতৃস্থানীয় ও ইমাম-আলেমগণের জন্য বলা হয়, আমলে তাঁরা জনসাধারণের আদর্শ হবেন। আর তার মানে এই নয় যে, তাঁরা যা করবেন, তা অন্যকে করতে হবে না।

দ্বিতীয় খলীফা উমার বিন খাত্ত্বাব নিজের পরিবার-পরিজনকে বলতেন, 'তোমাদের মধ্যে যে কেউ কোন অপরাধে আমার কাছে আনীত হবে, আমি তাকে ডবল শাস্তি দেব। যেহেতু লোকেরা তোমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে, যেমন চিল-শকুনি গোশতের দিকে তাকিয়ে থাকে। তোমরা অপরাধে পতিত হলে, তারাও পতিত হবে।'

অর্থাৎ, তোমরা আদর্শ হয়ে যদি পাপ কর, তাহলে তা দেখে সাধারণ মানুষ পাপে বেশি দুঃসাহসিকতা প্রদর্শন করবে।

(ছ) শরীয়তের যে হুকুম নবী বা তাঁর পত্নী অথবা কোন সাহাবীকে সম্বোধন ক'রে অবতীর্ণ হয়, তা আসলে তাঁদের জন্য খাস হয় না। তবে খাস হওয়ার যদি দলীল থাকে, তাহলে তা খাস মানতে হবে। আর পর্দার বিধান যে কেবল নবী-পত্নীদের জন্য খাস, তার কোন দলীল তো নেইই, বরং দলীল আছে তার বিপরীত।

(জ) মহান আল্লাহ পর্দার বিধানের যৌক্তিকতা ও উপকারিতা বর্ণনা করেছেন। আর তা হল এই যে, “এ বিধান তোমাদের এবং তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্র।” সুতরাং কেউ এ কথা বলতে পারে না যে, সাধারণ মুসলিম পুরুষ-মহিলাগণ সে পবিত্রতার মুখাপেক্ষী নয়। এ থেকেও স্পষ্ট হয় যে, এ বিধান সকলের জন্য।

ফন্ট সাইজ
15px
17px