📄 পিতা-মাতার সেবা করা জিহাদ অপেক্ষা উত্তম
দ্বীন রক্ষার জন্য অনেক সময় জিহাদে যেতে হয়। আর আল্লাহর পথে জিহাদের ফযীলত কত বেশী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ এই ফযীলতপূর্ণ আমলের উপর পিতা-মাতার সেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। যেমন হাদীছে এসেছে-
عَنْ عَبْدِ الله بن عمرو رضى الله عنهما يَقُولُ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَأْذَنَهُ فِي الْجِهَادِ، فَقَالَ : أَحَى وَالِدَاكَ؟ قَالَ : نَعَمْ. قَالَ: فَفِيهِمَا فَجَاهِدٌ
আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট এসে জিহাদে যাবার অনুমতি প্রার্থনা করল। তখন তিনি বললেন, তোমার পিতা-মাতা কি জীবিত আছেন? সে বলল, হ্যাঁ। নবী করীম (ছাঃ) বললেন, তাহলে তাঁদের খিদমতের চেষ্টা কর'। ৪৮ হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহঃ) বলেন, এর অর্থ হ'ল, 'তোমার পিতা-মাতা জীবিত থাকলে তাদের সেবা ও খিদমতে সর্বোচ্চ চেষ্টা কর। কারণ এটি জিহাদের স্থলাভিষিক্ত হবে' (ফাহুল বারী ১০/৪০৩)।
অন্য হাদীছে এসেছে,
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ أَقْبَلَ رَجُلٌ إِلَى نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : أُبَايِعُكَ عَلَى الْهَجْرَةِ وَالْجِهَادِ أَبْتَغِي الأَجْرَ مِنَ اللَّهُ. قَالَ : فَهَلْ مِنْ وَالِدَيْكَ أَحَدٌ حَيٍّ؟ قَالَ نَعَمْ، بَلْ كِلاَهُمَا، قَالَ : فَتَبْتَغِي الْأَجْرَ مِنَ اللَّهُ. قَالَ : نَعَمْ. قَالَ : فَارْجِعْ إِلَى وَالِدَيْكَ فَأَحْسِنْ صُحْبَتَهُمَا -
আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আছ (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আমি আপনার হাতে হিজরত ও জিহাদের জন্য বায়'আত গ্রহণ করব। এতে আমি আল্লাহর কাছে পুরস্কার ও বিনিময় আশা করি। তিনি বললেন, তোমার পিতা-মাতার মধ্যে কেউ জীবিত আছেন কি? সে বলল, হ্যাঁ, বরং উভয়ে জীবিত আছেন। তিনি বললেন, তাহ'লে তুমি আল্লাহ্র কাছে বিনিময় প্রত্যাশা করছ? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহ'লে তুমি তোমার পিতামাতার কাছে ফিরে যাও এবং তাদের দু'জনের সঙ্গে সদাচরণপূর্ণ জীবন যাপন কর'।
অন্য বর্ণনায় রয়েছে, আমি তাদের উভয়কে ক্রন্দনরত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি। রাসূল (ছাঃ) বললেন, এরপরেও তুমি আল্লাহ্র নিকট পুরস্কার আশা কর? লোকটি বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, 'তুমি তোমার পিতা-মাতার নিকট ফিরে যাও ও সর্বোত্তম সাহচর্য দান কর এবং তাদের কাছেই (খিদমতে) জিহাদ কর'। ৫০ তিনি আরও বলেন, فَارْجِعْ إِلَيْهِمَا فَأَضْحِكُهُمَا ،كَمَا أَبْكَيْتَهُمَا، وَأَبِي أَنْ يُبَايِعَهُ 'তুমি তাদের কাছে ফিরে যাও। অতঃপর তাদেরকে হাসাও, যেমনভাবে তাদেরকে কাঁদিয়েছ। অতঃপর তিনি তার বায়'আত নিতে অস্বীকার করলেন'।
অন্য হাদীছে এসেছে, عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ : أَنَّ رَجُلاً هَاجَرَ إِلَى رَسُولِ الله صلى الله عليه وسلم مِنَ الْيَمَنِ فَقَالَ : هَلْ لَكَ أَحَدٌ بِالْيَمَنِ؟ قَالَ : أَبْوَايَ. قَالَ : أَذِنَا لَكَ؟ قَالَ : لا . قَالَ : ارْجِعْ إِلَيْهِمَا فَاسْتَأْذِنْهُمَا فَإِنْ أَذِنَا لَكَ فَجَاهِدْ وَإِلَّا فَبِرَّهُمَا আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি ইয়েমেন থেকে হিজরত করে রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট চলে আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়েমেনে কি তোমার কেউ আছে? সে বলল, আমার পিতা- মাতা আছেন। তিনি বললেন, তারা তোমাকে অনুমতি দিয়েছেন? সে বলল, না। তিনি বললেন, তুমি তাদের নিকট ফিরে গিয়ে তাদের কাছে অনুমতি প্রার্থনা কর। যদি তারা অনুমতি দেন তাহলে জিহাদে যাও। অন্যথা তাদের সাথে সদাচরণ করো'। ৫২
অন্য একটি আছারে বর্ণিত হয়েছে,
عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ: إِنِّي أَرَدْتُ أَنْ أَغْزُوَ الرُّوْمَ، وَإِنَّ أَبَوَيَّ يَمْنَعَانِي قَالَ : أَطِعْ أَبَوَيْكَ، وَاجْلِسْ فَإِنَّ الرُّوْمَ سَتَجِدُ مَنْ يَغْزُوهَا غَيْرَكَ -
যুরারাহ বিন আওফা হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আমি রোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চাই। অথচ আমার পিতা-মাতা আমাকে বাধা দেন। তিনি বললেন, পিতা-মাতার অনুগত্য কর এবং অপেক্ষা কর। কেননা খুব শীঘ্রই রোমকরা তুমি ছাড়া এমন ব্যক্তির সাক্ষাৎ লাভ করবে, যে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে'।
এর দ্বারা বুঝা যায় যে, পিতা-মাতার সেবা কখনো কখনো জিহাদের চেয়ে উত্তম হয়ে থাকে। জমহুর বিদ্বানের নিকটে সন্তানের উপর জিহাদে যাওয়া হারাম হবে, যদি তাদের মুসলিম পিতা-মাতা উভয়ে কিংবা কোন একজন জিহাদে যেতে নিষেধ করেন। কেননা তাদের সেবা করা সন্তানের জন্য 'ফরযে আইন'। পক্ষান্তরে জিহাদ করা তার জন্য 'ফরযে কিফায়াহ'। যা সে না করলেও অন্য কেউ করবে ইসলামী রাষ্ট্রের আমীরের হুকুমে।
টিকাঃ
৪৮. বুখারী হা/৩০০৪; মুসলিম হা/২৫৪৯; মিশকাত হা/৩৮১৭।
৪৯. মুসলিম হা/২৫৪৯; ছহীহ আত-তারগীব হা/২৪৮০।
৫০. মুসলিম হা/২৫৪৯; মিশকাত হা/৩৮১৭ (৫-৬)।
৫১. আবুদাউদ হা/২৫২৮; ছহীহ আত-তারগীব হা/২৪৮১।
৫২. আবুদাউদ হা/২৫৩০; আহমাদ হা/১১৭৩৯; ছহীহ আত-তারগীব হা/২৪৮২।
৫৩. ইবনু আবী শায়বাহ হা/৩৩৪৫৯; মারওয়াযী, আল-বিরু ওয়াছ ছিলাহ হা/৭১, সনদ ছহীহ।
৫৪. ত্বাহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার ৫/৫৬৩; খাতাবী, মা'আলিমুস সুনান ৩/৩৭৮।
📄 পিতা-মাতার সেবা করা অন্যতম নেক আমল
হাদীছে বিভিন্ন আমলকে শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে। কতগুলো ইবাদত রয়েছে যা আল্লাহর সাথে সংশ্লিষ্ট। আবার কতগুলো ইবাদত রয়েছে যা বান্দার সাথে সংশ্লিষ্ট। বান্দার সাথে সংশ্লিষ্ট ইবাদতগুলোর মধ্যে পিতা-মাতার সাথে সুন্দর আচরণ করা সর্বশ্রেষ্ঠ আমল। যেমন হাদীছে এসেছে-
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَيُّ الْعَمَل أَحَبُّ إِلَى اللهِ ؟ قَالَ : الصَّلَاةُ عَلَى وَقْتِهَا . قَالَ : ثُمَّ أَيُّ قَالَ : ثُمَّ بِرُّ الْوَالِدَيْنِ. قَالَ : ثُمَّ أَيُّ قَالَ : الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ . قَالَ حَدَّثَنِي بِهِنَّ وَلَوِ اسْتَرَدْتُهُ لَزَادَنِي -
আব্দুল্লাহ্ (ইবনু মাসউদ) (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্ রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! কোন আমল সর্বোত্তম? তিনি বললেন, সময়মত ছালাত আদায় করা। আমি বললাম, অতঃপর কোনটি? তিনি বলেন, অতঃপর পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করা। আমি বললাম, অতঃপর কোনটি? তিনি বলেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। অতঃপর আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ)-কে আর কিছু জিজ্ঞেস না করে আমি চুপ রইলাম। আমি যদি আরো বলতাম, তবে তিনি আরও অধিক বলতেন'।
উল্লেখ্য যে, আল্লাহ্র নিকট প্রিয় কাজের স্থানে কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে, এমন আমল যা জান্নাতের নিকটবর্তী করে বা শ্রেষ্ঠ আমলের কথা বলা হয়েছে। ৫৬ অন্য বর্ণনায় এসেছে, আউয়াল ওয়াক্তে ছালাত আদায় করা, এরপর পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করা, এরপর জিহাদে গমন করা'। ৫৭ এর দ্বারা বুঝা যায় যে, পিতা-মাতার সেবা করার স্থান ছালাতের পরে এবং জিহাদে গমন করার উপরে।
টিকাঃ
৫৫. বুখারী হা/২৭৮২; মুসলিম হা/৮৫; মিশকাত হা/৫৬৮।
৫৬. মুসলিম হা/৮৫।
৫৭. তিরমিযী হা/১৭০; আহমাদ হা/২৭১৪৮; মিশকাত হা/৬০৭; ছহীহ আত-তারগীব হা/৩৯৯।
📄 পিতা-মাতার সেবায় আল্লাহর সন্তুষ্টি
সন্তানের নিকট মায়ের যেমন বিশেষ মর্যাদা রয়েছে, তেমনি পিতারও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। পিতা যদি কোন বৈধ কারণে সন্তানের উপর অসন্তুষ্ট থাকেন, তাহ'লে আল্লাহ তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে যান। কারণ একজন সন্ত নিকে আদর্শবান হিসাবে গড়ে তুলতে পিতার আর্থিক ও মানসিক অবদান রয়েছে। যেমন হাদীছে এসেছে, عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : رِضَا الرَّبِّ فِي رِضَا الْوَالِدِ وَسَخَطُ الرَّبِّ فِي سَخَطِ الْوَالِدِ
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি নবী করীম (ছাঃ) হ'তে বর্ণনা করেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, 'পিতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহ্র সন্তুষ্টি এবং পিতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহ তা'আলার অসন্তুষ্টি রয়েছে'। ৫৮ অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসূল (ছাঃ) বলেন, طَاعَةُ اللَّهِ طَاعَةُ الْوَالِدِ وَمَعْصِيَةُ اللَّهِ مَعْصِيَةُ الْوَالِدِ 'পিতার আনুগত্যে আল্লাহ্ আনুগত্য রয়েছে এবং পিতার অবাধ্যতায় আল্লাহ্ অবাধ্যতা রয়েছে'। ৫৯ এই হাদীছের ব্যাখ্যায় মোল্লা আলী কারী হানাফী বলেন, মাতাও এর মধ্যে শামিল। বরং মায়ের বিষয়টি আরো গুরুত্ববহ। যেমন অন্য বর্ণনায় এসেছে, رِضَا اللَّهُ فِي رِضَا الْوَالِدَيْنِ وَسَخَطُ اللَّهِ فِي سَخَطِ الْوَالِدَيْنِ 'পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহ্র সন্তুষ্টি এবং পিতা-মাতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহ্ তা'আলার অসন্তুষ্টি রয়েছে'। ৬০ ব্যাখ্যাকার আল্লামা মানাভী বলেন, আল্লাহ সন্তানকে পিতার আনুগত্য ও তাকে সম্মান করতে আদেশ করেছেন। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ্র নির্দেশ বাস্তবায়ন করল সে কার্যতঃ আল্লাহ্র সাথে সুন্দর আচরণ করল এবং তাঁকে সম্মান ও মর্যাদা প্রদান করল। এতে আল্লাহ্ তার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার আদেশকে অমান্য করবে তিনি তার প্রতি রাগান্বিত হবেন'।
টিকাঃ
৫৮. তিরমিযী হা/১৮৯৯; মিশকাত হা/৪৯২৭; ছহীহাহ হা/৫১৬।
৫৯. তাবারাণী, মু'জামুল আওসাত্ব হা/২২৫৫; মাজমা'উয যাওয়ায়েদ হা/১৩৩৯১; ছহীহ আত-তারগীব হা/২৫০২।
৬০. শু'আবুল ঈমান হা/৭৮৩০; ছহীহুল জামে' হা/৩৫০৭; ছহীহ আত-তারগীব হা/২৫০৩।
৬১. ফায়যুল বারী হা/৪৪৫৬-এর ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য।
📄 পিতা-মাতার সেবায় জান্নাত লাভ
পিতা-মাতার আদেশ-নিষেধ পালন করলে এবং তাদের আদেশ-নিষেধকে যথাযথভাবে হেফাযত করলে জান্নাত লাভ করা যায়। কারণ তারা সন্তানের জন্য জান্নাতে যাওয়ার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। যেমন হাদীছে এসেছে-
عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ أَنَّ رَجُلاً أَتَاهُ فَقَالَ : إِنَّ لِي امْرَأَةً وَإِنَّ أُمِّي تَأْمُرُنِي بِطَلَاقِهَا. قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ سَمِعْتُ رَسُوْلَ الله صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ : الْوَالِدُ أَوْسَطُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ فَإِنْ شِئْتَ فَأَضِعْ ذَلِكَ الْبَابَ أَوِ احْفَظْهُ আবুদ্দারদা (রাঃ) হ'তে বর্ণিত, জনৈক ব্যক্তি তার নিকটে এসে বলল, আমার স্ত্রী আছে। আর আমার মা আমার স্ত্রীকে তালাক দানের নির্দেশ দিচ্ছেন। এমতাবস্থায় আমি কি করব? জবাবে আবুদ্দারদা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, 'পিতা হ'লেন জান্নাতের সর্বোত্তম দরজা। এক্ষণে তুমি তা হেফাযত করতে পার অথবা বিনষ্ট করতে পার'। ৬২ অত্র হাদীছে পিতা দ্বারা জিনস তথা পিতা-মাতা উভয়কে বুঝানো হয়েছে।
টিকাঃ
৬২. আহমাদ হা/২৭৫৫১; তিরমিযী হা/১৯০০; ইবনু মাজাহ হা/২০৮৯; মিশকাত হা/৪৯২৮; ছহীহাহ হা/৯১৪।
৬৩. মিরকাত ৭/৩০৮৯, হা/৪৯২৮-এর ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য।