📄 পিতা-মাতার সম্মুখে উঁচু স্বরে কথা না বলা
পিতা-মাতার মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতে আগমন করে। এক সময় তারাও বার্ধক্যে উপনীত হন। তখন তাদের মন-মানসিকতা শিশুদের মত হয়ে যায়। শিশুরা যেমন উচ্চবাক্য শুনলে কষ্ট পেয়ে কান্নাকাটি করে, তেমনি পিতা-মাতারও এমন অবস্থা হয়। সেজন্য তাদের সামনে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন। আল্লাহ তা'আলা বলেন, إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِنْدَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُلْ لَهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُلْ لَهُمَا قَوْلًا كريما 'তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়ে যদি তোমার নিকট বার্ধক্যে উপনীত হন, তাহ'লে তুমি তাদের প্রতি উহ্ শব্দটিও উচ্চারণ করো না এবং তাদেরকে ধমক দিয়ো না। তুমি তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বল' (ইসরা ১৭/২৩)।
পিতা-মাতার সেবাযত্ন ও আনুগত্য করা কোন সময়ই বয়সের গণ্ডীতে সীমাবদ্ধ নয়। সর্বাবস্থায় এবং সব বয়সেই পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা ওয়াজিব। কিন্তু বার্ধক্যে উপনীত হলে পিতা-মাতা সন্তানের সেবাযত্নের বেশী মুখাপেক্ষী হয়ে পড়ে এবং তাদের জীবন কোন কোন সময় সন্তানদের দয়া ও কৃপার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। তখন সন্তানের পক্ষ থেকে সামান্য অবহেলা দেখলেও তাদের অন্তরে তা গভীর বেদনা ও ক্ষতের সৃষ্টি করে। অপরদিকে বার্ধক্যের উপসর্গসমূহ স্বভাবগতভাবে মানুষের মেজাজকে খিটখিটে করে দেয়। তদুপরি বার্ধক্যের শেষ প্রান্তে যখন বুদ্ধি-বিবেচনাও লোপ পায়, তখন পিতা-মাতার চাওয়া-পাওয়া পূরণ করা অনেক সময় সন্তানের পক্ষে কষ্টকর হয়। আল্লাহ তা'আলা এসব অবস্থাতেও পিতা-মাতার মনোতুষ্টি ও সুখ-শান্তি বিধানের আদেশ দেয়ার সাথে সাথে সন্তানকে তার শৈশবকাল স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, আজ পিতা-মাতা তোমার যতটুকু মুখাপেক্ষী, এক সময় তুমিও তদপেক্ষা বেশী তাদের মুখাপেক্ষী ছিলে। তখন তাঁরা যেমন নিজেদের আরাম-আয়েশ ও কামনা-বাসনা তোমার জন্যে কুরবান করেছিলেন এবং তোমার অবুঝ কথাবার্তাকে স্নেহমমতার আবরণ দ্বারা ঢেকে নিয়েছিলেন, তেমনি মুখাপেক্ষিতার এই দুঃসময়ে বিবেক ও সৌজন্যবোধের দাবী হল, তাদের পূর্ব ঋণ শোধ করা। র্ ী বাক্যে এদিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে, যদ্দারা বিরক্তি প্রকাশ পায়। এমনকি তাদের কথা শুনে বিরক্তিবোধক দীর্ঘশ্বাস ছাড়াও এর অন্তর্ভুক্ত। মোটকথা, যে কথায় পিতা-মাতার সামান্য কষ্ট হয়, তাও নিষিদ্ধ। বিশেষ করে বার্ধক্যে তাঁদেরকে ধমক দিতে এমনকি তাদের প্রতি উহঃ শব্দটি ব্যবহার করতেও নিষেধ করেছেন। কেননা বার্ধক্যে তাঁরা দুর্বল ও অসহায় হয়ে যান। পক্ষান্তরে সন্তানরা হয় সবল, উপার্জনক্ষম ও সংসারের সব কিছুর ব্যবস্থাপক। এছাড়া যৌবনের উন্মাদনাময় উদ্যম এবং বার্ধক্যের ভুক্তপূর্ব স্নিগ্ধ ও উষ্ণ অভিজ্ঞতার মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এরূপ ক্ষেত্রে পিতা-মাতার প্রতি আদব ও শ্রদ্ধার দাবীসমূহের প্রতি খেয়াল রাখার অত্যন্ত কঠিন য়ে দাঁড়ায়। তাই আল্লাহ্র কাছে সন্তোষভাজন সেই-ই হবে, যে তাঁদের শ্রদ্ধার দাবী পূরণ ও প্রাপ্য অধিকার আদায়ের ব্যাপারে যত্নবান হবে। এরপর বলা হয়েছে, وَلَا تَنْهَرْهُمَا । এখানে এ শব্দের অর্থ ধমক দেয়া। এটা যে কষ্টের কারণ তা বলাই বাহুল্য।
টিকাঃ
৩০. তাফসীরে ইবনু কাছীর ৫/৬৪; তাফসীরে কুরতুবী ১০/২৪২-৪৩。
📄 পিতা-মাতা যুলুম করলেও তাদের খিদমত করা
পিতা-মাতা যেমন বয়োবৃদ্ধ, তেমনি তারা জ্ঞানেও বৃদ্ধ। সেজন্য তারা যেকোন সিদ্ধান্ত বুঝে ও জেনে গ্রহণ করে থাকেন। আর যুবকেরা কাজ করে জোশে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে পিতা-মাতার সিদ্ধান্ত সন্তানের নিকট সঠিক মনে নাও হতে পারে। তার নিকট মনে হতে পারে এটি যুলুম। এই অবস্থাতেও পিতা-মাতার আনুগত্য করা ও তাদের সেবা করা আবশ্যক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, وَأَطِعْ وَالِدَيْكَ، وَإِنْ أَمَرَاكَ أَنْ تَخْرُجَ مِنْ دُنْيَاكَ، فَاخْرُجْ لَهُمَا ‘তোমার পিতা-মাতার আনুগত্য করবে, তারা যদি তোমাকে দুনিয়া ছাড়তেও আদেশ করেন তবে তাই করবে’। ৩১ অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তিনি বলেন, وَأَطِعْ وَالِدَيْكَ وَإِنْ أَخْرَجَاكَ مِنْ مَالِكَ وَكُلِّ شَيْءٍ هُوَ لَكَ পিতা-মাতার আনুগত্য করবে, যদিও তারা তোমাকে তোমার সম্পদ থেকে ও কেবল তোমার জন্য নির্দিষ্ট যাবতীয় বস্তু থেকে বঞ্চিত করে’।
টিকাঃ
৩১. আল-আদাবুল মুফরাদ হা/১৮; মু'জামুল কাবীর হা/১৫৬; আওসাত্ব হা/৭৯৫৬, সনদ ছহীহ।
৩২. মু'জামুল আওসাত্ব হা/৭৯৫৬; মু'জামুল কাবীর হা/১৫৬; ছহীহ আত-তারগীব হা/৫৬৯।
📄 পিতা-মাতার প্রতি খরচ করা
ভালো পথে সম্পদ ব্যয় করার ক্ষেত্রে পিতা-মাতাকে সর্বাগ্রে স্থান দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন,
يَسْأَلُونَكَ مَاذَا يُنْفِقُونَ قُلْ مَا أَنْفَقْتُمْ مِنْ خَيْرٍ فَلِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ وَالْيَتَامَى وَالْمَسَاكِينِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَمَا تَفْعَلُوا مِنْ خَيْرٍ فَإِنَّ اللَّهَ بِهِ عَلِيمٌ
'লোকেরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে, কিভাবে খরচ করবে? তুমি বলে দাও যে, ধন-সম্পদ হ'তে তোমরা যা ব্যয় করবে, তা তোমাদের পিতা-মাতা, নিকটাত্মীয়, ইয়াতীম, মিসকীন ও মুসাফিরদের জন্য ব্যয় কর। আর মনে রেখ, তোমরা যা কিছু সৎকর্ম করে থাক, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যকরূপে অবগত' (বাক্বারাহ ২/২১৫)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ابْدَأُ بِنَفْسِكَ فَتَصَدَّقْ عَلَيْهَا فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٍ فَالأَهْلِكَ فَإِنْ فَضَلَ عَنْ أَهْلِكَ شَيْءٌ فَلِذِي قَرَابَتِكَ فَإِنْ فَضَلَ عَنْ ذِي قَرَابَتِكَ شَيْءٌ فَهَكَذَا وَهَكَذَا. يَقُولُ فَبَيْنَ يَدَيْكَ وَعَنْ يَمِينِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ 'প্রথমে নিজের জন্য ব্যয় কর। এরপর অবশিষ্ট থাকলে পরিজনের জন্য ব্যয় কর। নিজ পরিজনের জন্য ব্যয় করার পরও যদি কিছু অবশিষ্ট থাকে তবে নিকটাত্মীয়দের জন্য ব্যয় কর। আত্মীয়-স্বজনদেরকে দান করার পরও যদি কিছু অবশিষ্ট থাকে তাহ'লে এদিক অর্থাৎ সম্মুখে-ডানে-বামে ব্যয় করবে'।
আর পিতা-মাতা পরিজনের অন্যতম সদস্য। হাদীছে এসেছে, আবু হুরায়রা (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, بَيْنَمَا نَحْنُ جُلُوسٌ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ طَلَعَ عَلَيْنَا شَابٌ مِنَ الثَّنِيَّةِ فَلَمَّا رَأَيْنَاهُ بِأَبْصَارِنَا قُلْنَا : لَوْ أَنَّ هَذَا الشَّابَ جَعَلَ شَبَابَهُ وَنَشَاطَهُ وَقُوَّتَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ فَسَمِعَ مَقَالَتَنَا رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم قَالَ : وَمَا سَبِيلُ اللَّهِ إِلَّا مَنْ قُتِلَ؟ مَنْ سَعَى عَلَى وَالِدَيْهِ فَفِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَمَنْ سَعَى عَلَى عِيَالِهِ فَفِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَمَنْ سَعَى عَلَى نَفْسِهِ لِيُعِفُّهَا فَفِي سَبِيلِ اللهِ، وَمَنْ سَعَى عَلَى التَّكَاثُرِ فَهُوَ فِي سَبِيلِ - الشَّيْطَانِ 'একদা আমরা রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে বসা ছিলাম। হঠাৎ করে একজন যুবক ছানিয়া নিম্ন ভূমি থেকে আগমন করল। তাকে গভীর দৃষ্টিতে অবলোকন করে বললাম, হায়! যদি এই যুবকটি তার যৌবন, উদ্যম ও শক্তি আল্লাহ্ পথে ব্যয় করত! বর্ণনাকারী বলেন, রাসূল (ছাঃ) আমাদের বক্তব্য শুনে বললেন, কেবল নিহত হ'লেই কি সে আল্লাহ্ পথে থাকবে? যে ব্যক্তি মাতা-পিতার খেদমতে সচেষ্টা থাকবে সে আল্লাহ্ পথে। যে পরিবার-পরিজনের কল্যাণের জন্য চেষ্টায় রত থাকবে সে আল্লাহ্ পথে। যে ব্যক্তি নিজেকে গোনাহ থেকে রক্ষার চেষ্টায় রত থাকবে সে আল্লাহর পথে। আর যে ব্যক্তি সম্পদের অধিকতর প্রাচুর্যের নেশায় মত্ত থাকবে সে শয়তানের পথে।
আরেকটি হাদীছে এসেছে,
عَنْ عَمْرُو بْن شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَجُلاً أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُوْلُ اللَّهِ إِنَّ لِي مَالاً وَوَلَدًا وَإِنَّ وَالِدِي يَجْتَاحُ مَالِي. قَالَ أَنْتَ وَمَالُكَ لِوَالِدِكَ، إِنَّ أَوْلَادَكُمْ مِنْ أَطْيَبَ كَسْبِكُمْ، فَكُلُوا مِنْ كَسْبِ أَوْلَادِكُمْ
আমর ইবনু শু'আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী (ছাঃ)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার সম্পদ ও সন্তান আছে। আমার পিতা আমার সম্পদের মুখাপেক্ষী। তিনি বলেন, তুমি ও তোমার সম্পদ উভয়ই তোমার পিতার। তোমাদের সন্তান তোমাদের জন্য সর্বোত্তম উপার্জন। সুতরাং তোমরা তোমাদের সন্ত ানদের উপার্জন থেকে খাবে'। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, إِنَّ أَطْيَبَ مَا أَكَلَ الرَّجُلُ مِنْ كَسْبِهِ وَإِنَّ وَلَدَهُ مِنْ كَسْبِهِ، পবিত্রতম হ'ল নিজের উপার্জন। আর সন্তান সন্ততি তার উপার্জনেরই অংশ'..।
عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَعْدِي عَلَى وَالِدِهِ قَالَ: إِنَّهُ أَخَذَ مِنْ مَالِي ، فَقَالَ لَهُ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَمَا عَلِمْتَ أَنَّكَ، وَمَالَكَ مِنْ كَسْبِ أَبيكَ -
ইবনু ওমর (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট এসে তার পিতার বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ির অভিযোগ করে বলল, তিনি আমার ধন-সম্পদ কেড়ে নিয়েছেন। তখন রাসূল (ছাঃ) তাকে বললেন, তুমি কি জান, তুমি এবং তোমার ধন-সম্পদ তোমার পিতারই উপার্জন?'।৩৭ অন্য বর্ণনায় রয়েছে وَإِنَّ أَمْوَالَ أَوْلَادِكُمْ مِنْ كَسْبِكُمْ فَكُلُوهُ - هَنِيئًا 'আর তোমাদের সন্তানদের সম্পদ তোমাদেরই উপার্জন। অতএব তোমরা তা স্বাচ্ছন্দ্যে খাও'।
টিকাঃ
৩৩. মুসলিম হা/৯৯৭; মিশকাত হা/৩৩৯২।
৩৪. মু'জামুল আওসাত্ব হা/৪২১৪; শু'আবুল ঈমান হা/৯৮৯২; ছহীহাহ হা/২২৩২, ৩২৪৮।
৩৫. আবুদাউদ হা/৩৫৩০; ইবনু মাজাহ হা/২২৯২; মিশকাত হা/৩৩৫৪; ছহীহুল জামে' হা/১৪৮৭।
৩৬. ইবনু মাজাহ হা/২১৩৭; মিশকাত হা/২৭৭০; ইরওয়া হা/২১৬২।
৩৭. তাবারানী, মু'জামুল কাবীর হা/১৩৩৪৫; ছহীহাহ হা/১৫৪৮; ছহীহুল জামে' হা/১৩৩১; মাজমা'উয যাওয়ায়েদ হা/৬৭৬৩।
৩৮. আহমাদ হা/৬৬৭৮; বায়হাকী, সুনানুল কুবরা হা/১৫৫২৬।
📄 পিতা-মাতার প্রতি খরচের ক্ষেত্রে মা‘কে অগ্রাধিকার দেওয়া
পিতা-মাতার উভয়ের প্রতি খরচ করা সন্তানের জন্য আবশ্যক। তবে মায়ের অধিক অবদান থাকার কারণে মাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। যেমন হাদীছে এসেছে,
عَنْ طَارِقِ الْمُحَارِبِيِّ قَالَ قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَائِمٌ عَلَى الْمِنْبَرِ يَخْطُبُ النَّاسَ وَهُوَ يَقُولُ : يَدُ الْمُعْطِي الْعُلْيَا وَابْدَأُ بِمَنْ تَعُولُ أُمَّكَ وَأَبَاكَ وَأُخْتَكَ وَأَخَاكَ ثُمَّ أَدْنَاكَ فَأَدْنَاكَ -
তারিকু মুহারিবী (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা মাদীনায় আগমন করলাম, আর তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছিলেন, তিনি তাতে বলছিলেন, দাতার হাত উঁচু (মর্যাদাসম্পন্ন)। তোমার পোষ্যদের মধ্যে দানের কাজ আরম্ভ কর। (যেমন) তোমার মা, তোমার বাবা, তোমার বোন, ভাই; এভাবে যে যত তোমার নিকটাত্মীয় (তাকে পর্যায়ক্রমে দানের ব্যাপারে অগ্রাধিকার দাও)।
টিকাঃ
৩৯. নাসাঈ হা/২৫৩২; আহমাদ হা/১৭৫৩০; ছহীহুত তারগীব হা/১৯৫৬।