📄 প্রথম পথ্য: টেকসই নিয়ত
এমন কোনো কাজ করবে না, যার সাথে উত্তম নিয়ত নেই। এ ব্যাপারে মালিক বিন দিনার কলবের মর্যাদা বৃদ্ধিকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন:
'মুমিনের নিয়ত তার আমলের চেয়ে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। '
অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোন কাজে তোমার সময় বেশি ব্যয় হয়? নিশ্চয় তা ঘুম, কাজ ও পানাহার ছাড়া অন্য কিছু নয়। এই তিন কাজে নিয়তের পথ্য সেবন করার পদ্ধতি শিখে নাও:
• ঘুম : ঘুমের ব্যাপারে তোমার প্রতি আমার উপদেশ হচ্ছে, ফজরের নামাজ এবং তাহাজ্জুদের শক্তি অর্জনের নিয়তে তুমি প্রতিদিন রাতে ঘুমাবে। যেমনটি মুআজ বিন জাবাল করতেন। তিনি রাতের প্রথম অংশে ঘুমাতেন। অতঃপর নামাজের জন্য দাঁড়িয়ে বলতেন, 'আমি তাহাজ্জুদের জন্য যেভাবে সাওয়াবের প্রত্যাশা রাখি, সেভাবে ঘুমের বিনিময়েও সাওয়াবের প্রত্যাশা রাখি। '
• কাজ : কাজ করার সময় মনের মধ্যে রাসুল -এর নিম্নোক্ত হাদিসটি উপস্থিত রাখবে :
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُؤْمِنَ الْمُحْتَرِفَ
'নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা পেশাজীবী মুমিন বান্দাকে ভালোবাসেন।'
• পানাহার : পানাহার করার সময় এর মাধ্যমে ইবাদতের শক্তি অর্জনের নিয়ত করবে। যেমনটি আব্দুর রহমান বিন আসওয়াদ করতেন। তিনি নিয়ত ছাড়া একটি রুটিও খেতেন না। তার ছাত্রকে কেউ জিজ্ঞাসা করল, 'তিনি রুটি খাওয়ার সময় কীভাবে নিয়ত করতেন?' ছাত্র উত্তর দিলেন, 'তিনি যথারীতি খাবার গ্রহণ করতেন। অতঃপর খাওয়ার কারণে যদি নামাজ পড়তে অলসতা অনুভব করতেন, তখন খানা হালকা করে দিতেন, যাতে পূর্ণ উদ্যমে নামাজ পড়তে পারেন। আবার কম খাবার খাওয়ার কারণে একসময় তিনি দুর্বল হয়ে পড়তেন। তখন শক্তি অর্জনের জন্য খাবার গ্রহণ করতেন। অর্থাৎ তিনি ইবাদতের জন্যই খাবার গ্রহণ করতেন এবং ইবাদতের জন্যই খাবার ত্যাগ করতেন। '
পরিবারের খাবার-দাবারের ব্যবস্থা গ্রহণের সময় নিচের হাদিসটি স্মরণ করবে :
دِينَارُ أَنْفَقْتَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَدِينَارُ أَنْفَقْتَهُ فِي رَقَبَةٍ، وَدِينَارٍ تَصَدَّقْتَ بِهِ عَلَى مِسْكِينٍ، وَدِينَارٌ أَنْفَقْتَهُ عَلَى أَهْلِكَ، أَعْظَمُهَا أَجْرًا الَّذِي أَنْفَقْتَهُ عَلَى أَهْلِكَ
'একটি দিনার তুমি আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করেছ, আরেকটি দিনার দিয়ে কোনো গোলাম আজাদ করেছ, আরেকটি দিনার কোনো মিসকিনকে সদাকা করেছ, আরেকটি দিনার তুমি নিজের পরিবারের জন্য ব্যয় করেছ—এগুলোর মধ্যে যে দিনারটি তুমি পরিবারের লোকদের জন্য ব্যয় করেছ, তার বিনিময়ে সবচেয়ে বেশি সাওয়াব পাবে।'
এমনকি স্ত্রীর সাথে তোমার জৈবিক চাহিদা পূরণ করার সময়েও নিয়ত করবে। এখানে উমর -এর শিখিয়ে দেওয়া নিয়তটি করতে পারো। তিনি বলেন, 'আমি এ আশা নিয়ে স্ত্রীর সাথে সঙ্গমরত হই যে, এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা একটি প্রাণ সৃষ্টি করবেন, যে তাঁর তাসবিহ ও জিকির করবে।'
আল্লাহর ফরজ বিধানসমূহ যথাযথরূপে আদায় করার পর এ বিষয়গুলোর প্রতি যদি একটু যত্নবান হও, তাহলে তোমার মাঝে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন দেখতে পাবে ইনশাআল্লাহ।
টিকাঃ
২৮৫. ২৯ নং ফায়দা : সময়ের অপচয়ের ব্যাপারে কবি মাহমুদ গুনাইম সবচেয়ে সুন্দর কথাটি বলেছেন। তার থেকে নষ্ট হয়ে যাওয়া একটি সময়ের ব্যাপারে দ্ব্যর্থবোধক ভাষায় তিনি বলেন: 'হে সময়, তুমিই প্রথম সময় নয়, যাকে আমি নষ্ট করেছি। আরে আমি তো বছরের পর বছর নষ্ট করে এসেছি। কয়েকটি ক্ষণ নষ্ট করার জন্য নিজেকে আর কী তিরস্কার করব!'
২৮৬. সিফাতুস সাফওয়াহ: ১/২৬১।
২৮۷. সহিহুল বুখারি: ৪০৮৬।
২৮৮. শুআবুল ইমান: ৮৯৩৪, জয়িফুল জামি: ১৭০৪ (হাদিসটি জয়িফ)
২৮৯. বুসতানুল আরিফিন: পৃ. ৩২।
২৯০. সহিহু মুসলিম: ৯৯৫।
২৯১. আদ-দারারি ফি জিকরির জারারি: পৃ. ১৫।
📄 দ্বিতীয় পথ্য: একের ভেতর দুই
এখানে আমি তোমাকে চারজন মনীষীর গল্প শোনাব, যাদের গল্প পড়ে তুমি শিখে নিতে পারবে, কীভাবে একই সময়ে দুটি কাজ করে দুটি বিনিময় অর্জন করে নেওয়া যায়।
আবু বকর বিন খাইয়াত নাহবি
তিনি সব সময় পড়তেন। এমনকি পথচলার সময়েও পড়া অব্যাহত রাখতেন। এ জন্য অনেক সময় তিনি খাদে পড়ে যেতেন অথবা কোনো জন্তু এসে তাকে আঘাত করত。
আল-ফাতহ বিন খাকান
তিনি জামার আস্তিন বা মোজার মধ্যে কিতাব রাখতেন। মুতাওয়াক্কিলের সামনে থেকে যখনই প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য অথবা নামাজ পড়ার জন্য উঠতেন, তখন কিতাব বের করে পড়তে পড়তে উদ্দিষ্ট জায়গায় গমন করতেন। ফিরে আসার সময়েও একই কাজ করতেন। অনুরূপভাবে মুতাওয়াক্কিল যখন কোনো কাজের জন্য বের হতেন, তিনি আস্তিন বা মোজা থেকে কিতাব বের করে মুতাওয়াক্কিলের মজলিশেই পড়া শুরু করতেন। মুতাওয়াক্কিলের ফিরে আসা পর্যন্ত পড়া অব্যাহত রাখতেন。
সালাব আহমাদ বিন ইয়াহইয়া শাইবানি
তার মৃত্যুর কারণ ছিল, এক জুমআর দিন তিনি আসরের পর জামে মসজিদ থেকে বের হলেন। তিনি একটু বধির টাইপের ছিলেন। তার ওপর তিনি হাতে একটি কিতাব নিয়ে গভীর মনোনিবেশ সহকারে তা পড়তে পড়তে পথ চলছিলেন। তখনই পেছন থেকে একটি ঘোড়া এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে খাদে ফেলে দিল। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হলেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে গর্ত থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হলো। সে সময় তার মুখ থেকে উহ আহ শব্দ বের হচ্ছিল। পরের দিন তিনি মারা গেলেন。
আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান
তার ছেলে বর্ণনা করেন, এক সামরিক কনভয়ে আমরা আমাদের পিতার সাথে চলছিলাম। তখন তিনি আমাদের বললেন, 'ওই গাছটি পর্যন্ত “সুবহানাল্লাহ” পাঠ করতে করতে চলো। আমরা তাসবিহ পাঠ করতে করতে সে গাছটির নিকট পৌঁছালাম। তারপর আমাদের সামনে আরেকটি গাছ দৃষ্টিগোচর হলে তিনি আমাদের বললেন, 'ওই গাছটিতে পৌঁছানো পর্যন্ত "আল্লাহু আকবার" বলতে থাকো।' আমরা তাকবির বলতে বলতে পথ চললাম। আমাদের সাথে প্রায় সময় তিনি এমন করতেন。
এদের জীবনী থেকে শিখে নাও, কীভাবে সময়ের মূল্যায়ন করতে হয়, কীভাবে সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হয়। এ শিখে নেওয়া খুবই জরুরি। কারণ, সময়ের চেয়ে কর্তব্য বেশি এবং জীবনের সর্বশেষ যাত্রাটি কখন শুরু হবে, তা তোমার অজানা। আকস্মিকভাবে তা এসে উপস্থিত হবে। তখন আর সময় পাওয়া যাবে না।
টিকাঃ
২৯২. কিমাতুজ জামানি ইনদাল উলামা: পৃ. ৪৫-৪৬।
২৯৩. কিমাতুজ জামানি ইনদাল উলামা পৃ. ৩৯।
২৯৪. ওয়াফায়াতুল আইয়ান ওয়া আবনাউ আবাইজ জামান: ১/১০৪।
২৯৫. আজ-জুহদ, আহমাদ: ১/১৮৬।
📄 তৃতীয় পথ্য: কম ঘুমানো
হাম্মাম বিন হারিস দুআ করতেন : 'হে আল্লাহ, আমার জন্য অল্প ঘুম যথেষ্ট করুন। আমাকে আপনার ইবাদতের জন্য রাত্রি জাগরণ করার তাওফিক দান করুন।'
তিনি খুব অল্প সময়ের জন্য ঘুমাতেন। তাও বসাবস্থায়。
খেয়াল করো, তার মাঝে কেমন নামের প্রভাব পড়েছে? হাম্মাম নামের প্রভাবে তার মাঝে রবকে সন্তুষ্ট করার 'হাম্ম' তথা চিন্তা কাজ করেছে। 'হারিস' নামের প্রভাবে তার মাঝে আল্লাহর ইবাদতের 'হারস' তথা ফসল উৎপাদনের প্রবণতা কাজ করেছে। ফলে রাতদিন তিনি আল্লাহর ইবাদত ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের কাজে ব্যস্ত থেকেছেন। শুধু তিনিই নন, আমাদের অনেক সালাফ এভাবে ঘুমকে উপেক্ষা করে ইবাদত করেছেন, কাজ করেছেন। তারা অপারগতাবশত কিছুক্ষণের জন্য ঘুমাতেন মাত্র।
তাদের কম ঘুমানো নির্দেশ করে, তারা দিনেরাতে কাজে ব্যস্ত থাকতেন। এ ব্যাপারে আবু বকর সিদ্দিক-এর অভিজ্ঞতার কথাটি শোনো :
'আল্লাহর কসম, আমি ঘুমিয়েছি ঠিক, তবে স্বপ্ন দেখিনি (গভীর ঘুমে তলিয়ে পড়িনি)। (তা সত্ত্বেও) কোনো বিষয়ে চিন্তা করার পর তা থেকে উদাসীন থাকিনি। আমি পথের ওপর অটল ছিলাম, কখনো বিচ্যুত হইনি।'
উস্তাজ রাশিদ তাঁর কথার ব্যাখ্যা করে বলেন:
অর্থাৎ রিদ্দার যুদ্ধ, বিভিন্ন ভূখণ্ড বিজয় এবং রাষ্ট্রের অবকাঠামো সুসংগঠিত করার কাজে তিনি এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে, ভালোভাবে ঘুমানোর ফুরসত তিনি পাননি। নবিজি -এর অফাতের পর তাঁর সত্যনিষ্ঠায় আরও প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। যার ফলে আল্লাহ তাআলা তাঁকে এমন চৈতন্য দান করেছেন যে, উদাসীনতা, বিস্মৃতি ও অমনোযোগিতা তাঁকে আক্রান্ত করতে পারেনি।
তিনি তাঁর সময়কে আল্লাহর রাস্তায় কুরবান করেছেন, তাই কম ঘুমানো এবং বিশ্রামহীনতা সত্ত্বেও আল্লাহ তাআলা তাকে সজাগতা ও চৈতন্য দান করেছেন।
টিকাঃ
২৯৬. ৩০ নং ফায়দা : চারটি কারণে মানুষের ঘুমের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। ১. জন্মগত স্বভাবের ভিন্নতা : কিছু মানুষের ঘুম কম হয়, কিছু মানুষের বেশি হয়। তাই কারও জন্য দৈনিক পাঁচ ঘণ্টা ঘুম যথেষ্ট, কারও জন্য আট ঘণ্টা ঘুম যথেষ্ট হয়। ২. পরিবেশের ভিন্নতা: গরম আবহাওয়ার দেশসমূহের ঘুমের পরিমাণ ঠান্ডা আবহাওয়ার দেশসমূহের চেয়ে ভিন্ন হয়। ব্যস্ত এলাকা এবং প্রশান্ত এলাকার ঘুমের পরিমাণে তারতম্য হয়। ৩. বয়সের ভিন্নতা: বৃদ্ধ লোকদের ঘুম যুবকদের ঘুমের চেয়ে তুলনামূলক কম হয়। ৪. পেশার ভিন্নতা: যারা কায়িক শ্রম করে, তাদের ঘুমের প্রয়োজন তাদের চেয়ে বেশি যারা চিন্তাভিত্তিক শ্রম করে অথবা প্রকাশনাজগতে কাজ করে।
২৯৭. সিফাতুস সাফওয়াহ : ২/২১।
২৯৮. আল-খারাজ, আবু ইউসুফ: ১/২১।
২৯৯. আর-রাকায়িক: পৃ. ২১।
📄 একটি ভুল ধারণা
কেউ কেউ মনে করে যে, রাতে দীর্ঘক্ষণ ঘুমালে সকালে খুব চাঙাভাব ও কর্মোদ্দীপনা নিয়ে জাগ্রত হওয়া যাবে। ফলে ফজরের নামাজের সময়টিও সে ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেয়। কিন্তু সে জানে না, এর কারণে তার মাঝে পুরো দিনের জন্য অলসতা চলে আসে। কেননা, বরকতের ভান্ডারের একমাত্র মালিক আল্লাহ তাআলা। তা ছাড়া ফজরের নামাজ না পড়ে ঘুমিয়ে থাকা ব্যক্তির ব্যাপারে হাদিসে এসেছে:
أَصْبَحَ خَبِيثَ النَّفْسِ كَسْلَانَ
'সে অলসতা ও কলুষতাপূর্ণ মন নিয়ে সকালে উপনীত হয়।'
হে ঘুমকাতুরে চোখ, তুমি জাগ্রত চোখের খবর জানো না! হায়, যদি তুমি বিনিদ্র থাকার স্বাদ ও আনন্দ উপভোগ করতে পারতে!
বিনিদ্র থাকার যে আনন্দ ও স্বাদ, তা যদি আমি প্রকাশ করতে চাই, তাহলে বলব:
যারা জাগ্রত থাকে, তাদের অন্তরসমূহে প্রবাহিত হয় জান্নাতের মৃদুমন্দ বাতাস। ঘুমের বিনিময়ে তারা লাভ করে মজাদার অনিদ্রা, যে অনিদ্রায় তারা ক্লান্ত হয় না। এ অনিদ্রায় যে স্বাদ ও আনন্দ পাওয়া যায়, তা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। অধিক নিদ্রা সীমিত আনন্দ উপভোগের এই দুনিয়াতেও নিন্দনীয়, তাহলে অসীম আখিরাতে তার শান্তি কী হবে, তা তো সহজেই অনুমেয়।
আর আমাদের পার্শ্বদেশ কেনই বা দূরে থাকবে না ধ্বংস ও লজ্জার বিছানা থেকে!?
হে গাফিলতির দীর্ঘ নিদ্রায় নিমজ্জিত, অধিক নিদ্রা তোমার আফসোসের কারণ হবে। মৃত্যুর পর যখন কবরে শায়িত হবে, তখন দীর্ঘ সময় ধরে ঘুমানো যাবে। যেখানে তোমার জন্য সজ্জিত হবে তোমার পাপ অথবা পুণ্যের শয্যা।
হাদিসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববি বলেন, হাদিস থেকে বোঝা যায়, যে ব্যক্তি ঘুম থেকে ওঠার পর দুআ, অজু এবং নামাজ—এই তিনটির কোনো একটিই ছেড়ে দেবে, তার সকাল কলুষতা ও অলসতা সহকারে হবে。
টিকাঃ
৩০০. ৩১ নং ফায়দা: সহিহ হাদিসে আছে: 'তোমাদের কেউ যখন ঘুমিয়ে পড়ে, তখন শয়তান তার ঘাড়ের পশ্চাদংশে তিনটি গিঁঠ দিয়ে দেয়। প্রতি গিঠে সে এ বলে চাপড়ায়, তোমার সামনে রয়েছে দীর্ঘ রাত, অতএব তুমি ঘুমিয়ে থাকো। অতঃপর সে যদি জাগ্রত হয়ে আল্লাহর জিকির (ঘুম থেকে ওঠার দুআ) পড়ে, তখন একটি গিঠ খুলে যায়। এরপর অজু করলে আরেকটি গিঠ খুলে যায়। এরপর নামাজ পড়লে অপর গিঠটিও খুলে যায়। তখন তার প্রভাত হয় উৎফুল্ল মনে ও অনাবিল চিত্তে। অন্যথায় তার সকাল হয় কলুষতা ও অলসতা সহকারে।' (সহিহুল বুখারি: ১১৪২)