📘 পার্থিব জীবনে জান্নাতি সুখ > 📄 পাপাচার বর্জনকারী পাপাচার থেকে সরে পড়া ব্যক্তির চেয়ে উত্তম

📄 পাপাচার বর্জনকারী পাপাচার থেকে সরে পড়া ব্যক্তির চেয়ে উত্তম


তবে যে ব্যক্তি পাপাচার বিলুপ্ত করে, সে পাপাচার থেকে নীরবে সরে পড়া ব্যক্তির চেয়ে উঁচু স্তরের। এ জন্যই ইমাম বান্না নম্রতামিশ্রিত ইখলাস এবং ভালোবাসাপূর্ণ বিচক্ষণতার মাধ্যমে পাপাচার বিলুপ্ত করার চেষ্টা করতেন। তাঁর জীবনীর পাতা উল্টালে ভালো কাজের আদেশ এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধের ব্যাপারে তাঁর চমৎকার অবস্থান তোমার কাছে স্পষ্টরূপে প্রতিভাত হবে। সে ধরনের একটি ঘটনার বিবরণ শোনো:
রমাদানের এক রাতে ইমাম বান্না ইসমাইলিয়ার শরয়ি কাজির বাড়িতে উপস্থিত হলেন। সে মজলিশে কেন্দ্রীয় কর্মকর্তা, সাধারণ কোর্টের বিচারপতি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক ও শিক্ষা-নিরীক্ষকসহ একদল সাহিত্যিক ও জ্ঞানীগুণী লোক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আইনজীবী এবং গণ্যমান্য নেতৃস্থানীয় লোকজনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ইমাম বান্না সেদিনের ঘটনা বর্ণনা করে বলেন:
'কাজি মহোদয় আমাদের জন্য চায়ের অর্ডার করলেন। অতঃপর আমাদের সামনে রুপার পাত্রে চা পরিবেশন করা হলো। আমাকে চা দিতে আসলে আমি চায়ের পাত্র না নিয়ে কেবল একটি কাচের পাত্র দিতে বললাম। তখন কাজি মহোদয় আমার দিকে মুচকি হেসে তাকালেন এবং বললেন, “মনে হয় তুমি চায়ের পাত্র রুপার বলেই চা পান করতে চাইছ না।” আমি বললাম, “জি, বিশেষ করে কাজির বাড়িতে বসে আমি রুপার পাত্র দিয়ে চা পান করি কীভাবে?” তখন তিনি বললেন, “এই মাসআলায় তো ইখতিলাফ আছে এবং এ সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা আছে। তাই এ বিষয়ে এতটা কঠোর হওয়া ঠিক হবে না।” আমি বললাম, “হে শ্রদ্ধেয়, রুপার পাত্র ব্যবহারের ব্যাপারে ইখতিলাফ আছে ঠিক, তবে তা থেকে খানা ও পান করা সম্পর্কে কোনো ইখতিলাফ নেই। কেননা, মুত্তাফাক আলাইহ হাদিসে এ ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। নবিজি ইরশাদ করেছেন:
وَلَا تَشْرَبُوا فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ، وَلَا تَأْكُلُوا فِي صِحَافِهِمَا
"তোমরা স্বর্ণ ও রুপার পাত্রে পান করো না এবং স্বর্ণ ও রুপার থালায় আহার করো না।”

অন্য হাদিসে তিনি ইরশাদ করেছেন :
الَّذِي يَشْرَبُ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ إِنَّمَا يُجَرْجِرُ فِي بَطْنِهِ نَارَ جَهَنَّمَ
“যে ব্যক্তি স্বর্ণ ও রুপার পাত্র থেকে পান করে, সে পেটের মধ্যে জাহান্নামের আগুন ভরে।”

আর যে বিষয়ে স্পষ্ট নস থাকে, সেখানে কিয়াস করার কোনো প্রয়োজন নেই। সুতরাং আপনি আমাদের সবাইকে কাচের পাত্রে পান করার নির্দেশ দিলে কতই না উত্তম হতো!'

উপস্থিত লোকদের কয়েকজন আমাদের আলোচনায় মনোযোগ দিলেন এবং বলতে চাইলেন যে, বিষয়টি যেহেতু মতবিরোধপূর্ণ, তাই সেটা অস্বীকার করার তেমন প্রয়োজন নেই। সাধারণ কোর্টের বিচারপতিও নিজের মত ব্যক্ত করতে চাইলেন এবং শরিয়া কোর্টের বিচারপতিকে লক্ষ্য করে বললেন, 'শ্রদ্ধেয় বিচারপতি, যখন আপনার সামনে নস আছে, তখন নসকে সম্মান করা উচিত। নসের হিকমত বা অভ্যন্তরীণ রহস্য স্পষ্ট না হলে তা বের করা এবং নস অনুযায়ী আমল পরিত্যাগ করা আমাদের ওপর আবশ্যক নয়। তাই নসে যা বলা হয়েছে, তা মেনে নেওয়াই আমাদের জন্য বাঞ্ছনীয়। হ্যাঁ, যদি নসের হিকমত সম্পর্কে আমরা পরে কিছু জানতে পারি, সেটা তখন বিবেচনা করা হবে। এখন সর্বাবস্থায় আমল করা আমাদের ওপর ওয়াজিব।'

তার এ মন্তব্যকে আমি সুযোগ হিসেবে নিলাম এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তার আঙুলের দিকে ইশারা করে বললাম, 'আপনি এখন যে কথা বলেছেন, তা যদি ঠিক হয়, তাহলে আপনার হাতের স্বর্ণের আংটিটি খুলে ফেলুন। কারণ স্বর্ণের আংটি হারাম হওয়ার ব্যাপারেও নস আছে।' এ কথা শুনে তিনি হাসলেন এবং বললেন, 'উস্তাজ, আমি নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বিধান অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করি, আর আমাদের শরয়ি বিচারপতি মহোদয় কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করেন। আমরা দুজনই নিজ নিজ বিধান মানতে বাধ্য। তাই আমাকে ছেড়ে দিন এবং শরিয়া বেঞ্চের বিচারপতি সাহেবকে ধরুন।'

আমি বললাম, 'বিধানটি সকল মুসলিমের জন্য এসেছে। যেহেতু আপনি একজন মুসলিম, তাই এ বিধানটি আপনার জন্যও প্রযোজ্য।'

তখন তিনি আংটিটি খুলে ফেললেন। সব মিলিয়ে মজলিশটি চরম উপভোগ্য ছিল। সেদিনের মজলিশের মাধ্যমে উপস্থিত সবাই একটি বার্তা লাভ করেছিলেন যে, ভালো কাজের আদেশ, মন্দ কাজ থেকে নিষেধ এবং আল্লাহর বিধান সম্পর্কিত যেকোনো উপদেশ দানের ক্ষেত্রে এমন অবস্থান গ্রহণ করা উচিত।

টিকাঃ
২৬০. আস-সুনানুল কুবরা লিন নাসায়ি : ৬৫৯৭।
২৬১. আল-মুজামুল আওসাত: ৩৩৩৩, আল-মুজামুল কাবির: ৩১৯।

📘 পার্থিব জীবনে জান্নাতি সুখ > 📄 দুজনেই সমান অপরাধী!

📄 দুজনেই সমান অপরাধী!


যে হারামে লিপ্ত হয় এবং যে তাকে হারামে লিপ্ত দেখে নিশ্চুপ থাকে, দুজনই সমানভাবে অপরাধী। অনেক সময় একটি গুনাহে একাধিক শরিকদার থাকে। এ জন্যই ইমাম কুরতুবি ؒ আল্লাহ তাআলার বাণী )إِنَّكُمْ إِذَا مِثْلُهُمْ( 'তা না হলে তোমরাও তাদেরই মতো হয়ে যাবে।' -এর ব্যাখ্যায় বলেছেন:
'যেসব মানুষ পাপের মজলিশে বসে, কিন্তু পাপীদের পাপকর্ম থেকে বাধা দেয় না, তারা (সরাসরি পাপকর্মে লিপ্ত না হয়েও) সমান অপরাধী বিবেচিত হবে। তাই কোনো মজলিশে পাপাচার হতে দেখলে বাধা দেওয়া উচিত। বাধা দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে সেখান থেকে চলে যেতে হবে। যাতে এ আয়াতে উদ্দিষ্ট লোকদের অন্তর্ভুক্ত না হতে হয়।'

তাহির বিন আশুর পাপীর গুনাহ এবং পাপ দেখে চুপ থাকা ব্যক্তির গুনাহের মিল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা পেশ করেছেন:
'পাপীদের সাথে পাপ দেখে চুপ থাকা ব্যক্তিদের যে মিল ও অনুরূপতা, তা মারাত্মক পর্যায়ের কঠোর ও ভীতিকর বিষয় নয়। কেবল মুনাফিকদের সাথে ওঠাবসা করার মাধ্যমেই কোনো মুমিন মুনাফিক হয়ে যায় না। উভয়ের মাঝে যে সাদৃশ্যের কথা বলা হয়েছে, তা কেবল পাপের ক্ষেত্রে; পাপের পরিমাণের ক্ষেত্রে নয়। অর্থাৎ (যদি তোমরা তাদের সাথে বসো, তখন) তোমরা তাদের মতো গুনাহে জড়িয়ে পড়বে।'

অনেক পাপিষ্ঠের ওপর তাদের অজান্তেই অনবরত অভিশাপ পড়তে থাকে। তারা পরিণত হয় বিপদাপদের উৎসমুখে। যেন তাদের প্রত্যেকের হাতে একটি করে ছুরি আছে, সেটি দিয়ে তারা নিজেদের এবং নিজেদের আশপাশে অবস্থান করা লোকদের ইমানকে ছিন্নভিন্ন করতে থাকে। এমন অবস্থায় কোনো এক আল্লাহর বান্দা যদি কোনো পাপীর কর্ণকুহরে আল্লাহর নির্দেশ শুনিয়ে দেয় এবং তার হাত থেকে ছুরিটি ছিনিয়ে নেয়, সে ওই বীরসেনানীর সমমর্যাদা লাভ করবে, যে একাই পুরো বাহিনীকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে নিয়ে আসে।

উপকারিতা ও ক্ষতি-দুটি বিষয়ই আশপাশে সংক্রমিত হয়। কুফার ফকিহ ইবরাহিম নাখয়ি তার সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন:
'এক ব্যক্তি কোনো মজলিশে বসে আল্লাহকে সন্তুষ্টকারী কোনো বাক্য বলল। তখন তার ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়, সে রহমতে তার চারপাশের লোকজনও সিক্ত হয়। অনুরূপভাবে যখন কোনো মজলিশে কোনো ব্যক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে এমন কোনো বাক্য বলে, তখন তার ওপর আল্লাহ ক্রোধ পতিত হয় এবং সে ক্রোধ তার আশপাশের লোকদেরও আক্রান্ত করে。

একজন প্রকৃত আল্লাহর বান্দা কখনো পাপ সংঘটিত হতে দেখে নিষেধ করা থেকে চুপ থাকতে পারে না। কারণ তার অন্তরের সুগভীরে রাসুল -এর নিচের হাদিসটি অবস্থান করে :
لَا يَمْنَعَنَّ أَحَدَكُمْ هَيْبَةُ النَّاسِ أَنْ يَقُولَ فِي حَقٌّ إِذَا رَآهُ، أَوْ شَهِدَهُ أَوْ سَمِعَهُ
'কেউ যখন কোনো সত্য কথা দেখবে বা অবগত হবে অথবা শুনবে, তখন তাকে মানুষের ভয় যেন সত্য বলা থেকে কক্ষনো বিরত না রাখে।'

টিকাঃ
২৬২. সুরা আন-নিসা, ৪: ১৪০।
২৬৩. আল-জামি লি আহকামিল কুরআন: ৫/৪১৮।
২৮ নং ফায়দা: উমর বিন আব্দুল আজিজ ؒ-এর ব্যাপারে বর্ণিত আছে যে, একদিন তিনি মদপানরত একদল লোককে আটক করলেন। তাদের একজনের ব্যাপারে বলা হলো যে, সে রোজা রেখেছে। কিন্তু তিনি তাকেও শাস্তি দিলেন এবং তিলাওয়াত করলেন: إِنَّكُمْ إِذًا مِثْلُهُمْ 'তা না হলে তোমরাও তাদেরই মতো হয়ে যাবে।' (সুরা আন-নিসা, ৪: ১৪০)
২৬৪. আত-তাহরির ওয়াত তানবির: ৫/২৩৬।
২৬৫. জাদুল মাসির ফি ইলমিত তাফসির : ১/৪৮৮।
২৬৬. মুসনাদু আহমাদ : ১১০১৭।

📘 পার্থিব জীবনে জান্নাতি সুখ > 📄 মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করার বরকতে সাওয়াব বৃদ্ধি পায়

📄 মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করার বরকতে সাওয়াব বৃদ্ধি পায়


রাসুল-এর মধুরতর একটি সুসংবাদ হচ্ছে :
إِنَّ مِنْ أُمَّتِي قَوْمًا يُعْطَوْنَ مِثْلَ أُجُورِ أَوَّلِهِمْ فَيُنْكِرُونَ الْمُنْكَرَ
'নিশ্চয় আমার উম্মতের মধ্যে এমন একদল লোক আসবে, যাদেরকে তাদের পূর্ববর্তীদের (সাহাবিদের) মতো সাওয়াব দান করা হবে। তারা মন্দ কাজ থেকে বাধা প্রদান করবে।'

এই হাদিসের ব্যাখ্যায় আহমাদ আল-বান্না বলেন, 'অর্থাৎ উম্মাহর প্রথম দল- যারা ইসলামকে সাহায্য করেছেন এবং ইসলামের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন- তাদের অনেক পরে আসা সত্ত্বেও, মন্দ কাজ থেকে বাধা প্রদানকারী এই সম্প্রদায়কে আল্লাহ তাআলা প্রথম দলের মতো সাওয়াব দান করবেন।'

এখানে স্বাভাবিকভাবে একটি প্রশ্ন আসতে পারে যে, মন্দকাজ থেকে বাধা প্রদানকারী এই সম্প্রদায় কি সাহাবিদের মর্যাদায় উন্নীত হবে? তারা কি সাহাবিদের সমান সাওয়াব পাবে?

ইমাম কুরতুবি প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন :
'নষ্ট যুগ-যে যুগ থেকে আলিম ও দ্বীনদার লোকদের উঠিয়ে নেওয়া হবে, যে যুগে নষ্টামি ও গোলযোগ বেড়ে যাবে, মুমিন লাঞ্ছিত হবে, পাপিষ্ঠ হবে সম্মানিত, দ্বীন তার শুরুর অবস্থার মতো বিরল ও অপরিচিত হয়ে যাবে এবং দ্বীনের ওপর অটল থাকা জলন্ত অঙ্গার হাতে নেওয়ার মতো কঠিন হবে—সে যুগের ইমান এবং নেক আমল উম্মাহর প্রথম দলের (সাহাবিদের) ইমান ও নেক আমলের সমমর্যাদার হবে। তবে বদর ও হুদাইবিয়ার অভিযানে শরিক থাকা সৌভাগ্যবান দলের মর্যাদায় কেউ পৌঁছাতে পারবে না।'

অবশ্য, তারা সাহাবিদের সমান সাওয়াব পেলেও রাসুল -এর সাহচর্য লাভের মর্যাদায় সাহাবিগণ অনন্য। এই মর্যাদার আসনে উম্মাহর আর কেউই পৌঁছাতে পারবে না। কোনো আমলও এই সাহচর্যের সমান হতে পারে না।

টিকাঃ
২৬৭. মুসনাদু আহমাদ : ১৬৫৯২।
২৬৮. আল-ফাতহুর রব্বানি : ১৯/১৭২।
২৬৯. আল-জামিউ লি আহকামিল কুরআন: ৪/১৭৩।

📘 পার্থিব জীবনে জান্নাতি সুখ > 📄 খুশির ওপর খুশি

📄 খুশির ওপর খুশি


আলি মাহির পাশা ইখওয়ানুল মুসলিমিনের ‘আল-মুরশিদুল আম’ তথা প্রধান মুরব্বিকে আলেকজান্দ্রিয়ায় তার ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াত করলেন। নির্ধারিত দিনে শাইখ আলেকজান্দ্রিয়ায় উপস্থিত হলেন। তবে সরাসরি বিয়ের অনুষ্ঠানে না গিয়ে প্রথমে ইখওয়ানুল মুসলিমিনের সদস্যদের নিকট অবস্থান করলেন। অতঃপর একজন ভাইকে বিয়ের অনুষ্ঠানে পাঠালেন এবং বললেন, 'যদি দেখো, সেখানে শরিয়তবিরোধী কোনো কিছু হচ্ছে না, তাহলে আমাকে ফোন করবে, আমি সেখানে যাব। আর যদি কোনো সমস্যা দেখতে পাও, তাহলে আমার হয়ে তুমি দায়িত্ব পালন করবে।'

এরপর শাইখ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেন; কিন্তু ভাইটির পক্ষ থেকে কোনো ফোন এলো না। তখন শাইখ উপস্থিত ভাইদের বললেন, 'আজকে আমাদের ইখওয়ানের কোনো ভাইয়ের বাড়িতে কোনো আয়োজন আছে?'
তারা বলল, 'হ্যাঁ, অমুকের বিয়ে আছে আজ।'

অতঃপর সবাই তার বিয়েতে উপস্থিত হলো। এভাবে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে মুরশিদে আমের আগমনে বিয়েবাড়িতে আনন্দের বন্যা বয়ে গেল。

টিকাঃ
২৭০. মিশরের ২৩ তম প্রধানমন্ত্রী।
২৭১. ইখওয়ানুল মুসলিমিনের সর্বোচ্চ পদ।
২৭২. মিআতু মাওকিফিন মিন মাওয়াকিফিল মুরশিদিন লি জামাআতিল ইখওয়ানিল মুসলিমিন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00