📄 চার. সন্তানদের আগলে রাখুন, না হয় জন্ম দেওয়া থেকেই বিরত থাকুন
রাসূলুল্লাহ (সা) বাবা-মাকে দায়িত্বশীল বা রাখাল বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রত্যেক দায়িত্বশীলকে তার দায়িত্বের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। রাখালের মূল কাজ দুটি: এক. বিপদ আপদ থেকে আগলে রাখা। দুই. উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করা। একইভাবে বাবা-মায়ের কাজও দুটি। প্রথমত, সন্তানদের দুনিয়া ও আখিরাতের বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করা। দ্বিতীয়ত, তাদের জন্য উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করা। এখন ভেবে দেখুন তো, আপনি কি আপনার সন্তানের জন্য উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করছেন? তার সামনে কি হালাল-হারামের বিধান তুলে ধরছেন? তার অন্তরে কি আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করছেন?
যদি আপনার কাছে মনে হয়, আপনি এসব পারবেন না, তাহলে সন্তান জন্ম দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ, এটি আপনার ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনো বিষয় নয়। বরং এটি আপনারই গ্রহণ করা একটি ঐচ্ছিক বিষয়। আপনিই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিয়ে করার, আপনিই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সন্তান জন্ম দেওয়ার। অতএব, এর দায়ভার আপনাকেই গ্রহণ করতে হবে।
রাসূলুল্লাহ (সা) বাবা-মাকে দায়িত্বশীল বা রাখাল বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রত্যেক দায়িত্বশীলকে তার দায়িত্বের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। রাখালের মূল কাজ দুটি: এক. বিপদ আপদ থেকে আগলে রাখা। দুই. উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করা। একইভাবে বাবা-মায়ের কাজও দুটি। প্রথমত, সন্তানদের দুনিয়া ও আখিরাতের বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করা। দ্বিতীয়ত, তাদের জন্য উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করা। এখন ভেবে দেখুন তো, আপনি কি আপনার সন্তানের জন্য উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করছেন? তার সামনে কি হালাল-হারামের বিধান তুলে ধরছেন? তার অন্তরে কি আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করছেন?
যদি আপনার কাছে মনে হয়, আপনি এসব পারবেন না, তাহলে সন্তান জন্ম দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ, এটি আপনার ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনো বিষয় নয়। বরং এটি আপনারই গ্রহণ করা একটি ঐচ্ছিক বিষয়। আপনিই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিয়ে করার, আপনিই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সন্তান জন্ম দেওয়ার। অতএব, এর দায়ভার আপনাকেই গ্রহণ করতে হবে।
📄 পাঁচ. আল্লাহর ব্যাপারে সন্তানদের মনে খারাপ ধারণা তৈরি করবেন না
বাবা-মা যখন সন্তানের সাথে কোনো বিষয়ে কথা বলেন, তখন যদি কথায় কথায় আল্লাহর নাম ব্যবহার করেন, কিন্তু সেই কথা না রাখেন, তাহলে সন্তানের মনে আল্লাহ সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। যেমন, কোনো বাবা যদি বলেন, ‘আল্লাহর কসম, কাল তোমাকে খেলনা কিনে দেবো’, কিন্তু পরদিন তিনি তা কিনে দেন না, তখন সন্তানের মনে হতে পারে—আল্লাহর নামে কসম করলেও তা রক্ষা না করলে কিছু হয় না। এভাবে সে আল্লাহকে গুরুত্বহীন ভাবতে শুরু করে।
এসব ক্ষেত্রে, বাবা-মা অজান্তে সন্তানের কচি মনে আল্লাহ সম্পর্কে একটি ভুল বার্তা পৌঁছে দেন। তারা হয়তো নিজেরা বুঝতেও পারেন না যে, তাদের ছোট ছোট মিথ্যা বা ওয়াদাখেলাপি সন্তানের বিশ্বাসে কতটা বড় আঘাত হানছে। ফলে, সন্তান বড় হওয়ার সাথে সাথে আল্লাহর প্রতি তার আস্থা ও ভয় কমে যেতে পারে। তাই, সন্তানের সামনে আল্লাহকে এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়, যাতে তাঁর সম্মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়।
বাবা-মা যখন সন্তানের সাথে কোনো বিষয়ে কথা বলেন, তখন যদি কথায় কথায় আল্লাহর নাম ব্যবহার করেন, কিন্তু সেই কথা না রাখেন, তাহলে সন্তানের মনে আল্লাহ সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। যেমন, কোনো বাবা যদি বলেন, ‘আল্লাহর কসম, কাল তোমাকে খেলনা কিনে দেবো’, কিন্তু পরদিন তিনি তা কিনে দেন না, তখন সন্তানের মনে হতে পারে—আল্লাহর নামে কসম করলেও তা রক্ষা না করলে কিছু হয় না। এভাবে সে আল্লাহকে গুরুত্বহীন ভাবতে শুরু করে।
এসব ক্ষেত্রে, বাবা-মা অজান্তে সন্তানের কচি মনে আল্লাহ সম্পর্কে একটি ভুল বার্তা পৌঁছে দেন। তারা হয়তো নিজেরা বুঝতেও পারেন না যে, তাদের ছোট ছোট মিথ্যা বা ওয়াদাখেলাপি সন্তানের বিশ্বাসে কতটা বড় আঘাত হানছে। ফলে, সন্তান বড় হওয়ার সাথে সাথে আল্লাহর প্রতি তার আস্থা ও ভয় কমে যেতে পারে। তাই, সন্তানের সামনে আল্লাহকে এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়, যাতে তাঁর সম্মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়।
📄 ছয়. ঢেঁড়সের বাটি নাকি আল্লাহর হক
একটি ছোট্ট ছেলে আসরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে যেতে প্রস্তুত। বাবা তাকে ডেকে বললেন, ‘বাবা, আগে বাজার থেকে ঢেঁড়স নিয়ে এসো, তারপর সালাত পড়তে যেয়ো।’ ছেলেটি বলল, ‘বাবা, আমি সালাত পড়ে এসে ঢেঁড়স নিয়ে আসব। এখন গেলে জামাআত ছুটে যাবে।’ বাবা রেগে গিয়ে বললেন, ‘তোমাকে যা বলেছি তাই করো। আগে ঢেঁড়স, তারপর সালাত।’
ছেলেটি বাবার কথা শুনে কাঁদতে কাঁদতে বাজারের দিকে রওনা হলো। তার মনে প্রশ্ন জাগল—আমার কাছে কি আল্লাহর হকের চেয়ে এক বাটি ঢেঁড়সের মূল্য বেশি? বাবার এই আচরণে ছেলেটির কচি মনে বিরাট এক ধাক্কা লাগল। সে ভাবতে শুরু করল, বাবা তো নিজেই সালাত পড়েন, তাহলে আমাকে কেন এমন একটি কাজের জন্য সালাত থেকে বিরত রাখছেন, যা পরেও করা যেত? এই ঘটনাটি ছেলেটির মনে دین ও দুনিয়ার অগ্রাধিকার নিয়ে একটি গভীর সংশয় তৈরি করে দিল। আসর সালাতের সময় আর মাত্র মিনিট দশেক বাকি।¹
টিকাঃ
১. বুখারি, আস-সহিহ: ৮৯৩
একটি ছোট্ট ছেলে আসরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে যেতে প্রস্তুত। বাবা তাকে ডেকে বললেন, ‘বাবা, আগে বাজার থেকে ঢেঁড়স নিয়ে এসো, তারপর সালাত পড়তে যেয়ো।’ ছেলেটি বলল, ‘বাবা, আমি সালাত পড়ে এসে ঢেঁড়স নিয়ে আসব। এখন গেলে জামাআত ছুটে যাবে।’ বাবা রেগে গিয়ে বললেন, ‘তোমাকে যা বলেছি তাই করো। আগে ঢেঁড়স, তারপর সালাত।’
ছেলেটি বাবার কথা শুনে কাঁদতে কাঁদতে বাজারের দিকে রওনা হলো। তার মনে প্রশ্ন জাগল—আমার কাছে কি আল্লাহর হকের চেয়ে এক বাটি ঢেঁড়সের মূল্য বেশি? বাবার এই আচরণে ছেলেটির কচি মনে বিরাট এক ধাক্কা লাগল। সে ভাবতে শুরু করল, বাবা তো নিজেই সালাত পড়েন, তাহলে আমাকে কেন এমন একটি কাজের জন্য সালাত থেকে বিরত রাখছেন, যা পরেও করা যেত? এই ঘটনাটি ছেলেটির মনে دین ও দুনিয়ার অগ্রাধিকার নিয়ে একটি গভীর সংশয় তৈরি করে দিল। আসর সালাতের সময় আর মাত্র মিনিট দশেক বাকি।¹
টিকাঃ
১. বুখারি, আস-সহিহ: ৮৯৩