📘 পারিবারিক বন্ধন প্রাণবন্ত রাখবেন যেভাবে 📄 একে অপরকে বিশ্বাস রাখুন

📄 একে অপরকে বিশ্বাস রাখুন


সঙ্গীর প্রতি আপনার বিশ্বাস খুবই জরুরি একটি বিষয়। এটা না থাকলে দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া সুখময় হয় না। যে পরিবারে সন্দেহের রোগ বাসা বাঁধে সেখানে সুখের আশা করা বৃথা। কাতাদাহ রহ. বলেন

لَا تَقُلْ رَأَيْتُ وَلَمْ تَرَ وَسَمِعْتُ وَلَمْ تُسْمِعْ وَعَلِمْتُ وَلَمْ تَعْلَمْ فَإِنَّ اللَّهَ سَائِلُكَ عَنْ ذَلِكَ كُلِّهِ

না দেখে দেখেছি বলো না। না শুনে শুনেছি বলো না। না জেনে জেনেছি বলো না। কেননা এসব বিষয় সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। ২০ ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেন

سُوءُ الظَّنِّ يورِثُ الإنسان الأخلاق السَّيِّئَةَ

অহেতুক ধারণা বিভিন্ন অসৎ চরিত্র সৃষ্টি করে। ২১

টিকাঃ
২০ ইবনু কাসীর: ৫/৭৫
২১ কিতাবুর রূহ: ১/২৩৭

📘 পারিবারিক বন্ধন প্রাণবন্ত রাখবেন যেভাবে 📄 তৃতীয় পক্ষকে নাক গলানোর সুযোগ দিবেন না

📄 তৃতীয় পক্ষকে নাক গলানোর সুযোগ দিবেন না


আমাদের বড়রা বলেন, অধিকাংশ সময় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয় তৃতীয় পক্ষের কারণে। আর যদি এই ঝগড়ার মাঝে আপনি নিজের ভাই বোন প্রমুখদের টেনে আনেন, তাহলে ঝামেলা গুরুতর আকার নিবে। যদি বন্ধুবান্ধবকে টানেন, তাহলে সম্পর্কের 'ইন্নালিল্লাহ' হয়ে যাবে। তাছাড়া একটু আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলাম, আপনাদের দাম্পত্যজীবনে আপনার বোনের কিংবা আপনার মায়ের মাধ্যমে আপনার স্ত্রীর বিচারক হয়ে উঠতে পারে আপনার ভগ্নীপতি। এটা কক্ষনো হতে দিবেন না। মনে রাখবেন, যারা অন্যের প্রাইভেট জীবন নিয়ে নাক গলায় এদের দৃষ্টান্ত রাস্তায় চলা বেয়াড়া ট্রাকের মত। ট্রাকের পিছনে যেমনিভাবে লেখা থাকে, ১০০ গজ দূরে থাকুন। অনুরূপভাবে এ জাতীয় লোক থেকেও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।

📘 পারিবারিক বন্ধন প্রাণবন্ত রাখবেন যেভাবে 📄 নিজেকে পরিপাটি রাখুন

📄 নিজেকে পরিপাটি রাখুন


পুরুষরা তাদের সঙ্গিনীকে সুন্দরভাবে দেখতে পছন্দ করে। ঠিক একইভাবে তারা তাদের সঙ্গীকেও সুন্দরভাবে দেখতে পছন্দ করে। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাযি. বলতেন

إِنِّي أُحِبُّ أَنْ أَتَزَيَّنَ لِلْمَرْأَةِ ، كَمَا أُحِبُّ أَنْ تَتَزَيَّনَ لِي الْمَرْأَةُ

আমি আমার স্ত্রীর জন্য পরিপাটি থাকা পছন্দ করি, যেমন পছন্দ করি আমার স্ত্রী আমার জন্য পরিপাটি থাকাকে। ২২

টিকাঃ
২২ মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবা: ১৫৭১২

📘 পারিবারিক বন্ধন প্রাণবন্ত রাখবেন যেভাবে 📄 বলবেন কম, শুনবেন বেশি

📄 বলবেন কম, শুনবেন বেশি


আপনার সঙ্গী কী বলছেন, সেই কথাগুলি মন দিয়ে শুনুন। তাঁর দুটো কথা শুনেই নিজের মতামত দিতে শুরু করবেন না। এতে আপনাদের মধ্যে সমস্যা বাড়বে বৈ কমবে না।

আমরা সবাই নিজের কথা বলতে ভালোবাসি, কিন্তু বিপরীতের মানুষটির বক্তব্য শোনার কোনো ইচ্ছেই আমাদের মধ্যে থাকে না। তাই ঝগড়া-অশান্তিও বাড়ে। সব সময়ই যে আপনাকে ডিফেন্সিভ হতে হবে, এমন কোনো অর্থ নেই। বরং এবার থেকে শোনার অভ্যাসও গড়ে তুলুন। তাঁর মতামতকে সম্মান করুন। আপনার এই ব্যবহারে তিনিও খুশি হবেন। জনৈক মনীষী বলেছিলেন

خلق الله لنا أذنين ولساناً واحداً لنسمع أكثر مما نقول

আল্লাহ আমাদেরকে কান দিয়েছেন দুটি আর জিহ্বা দিয়েছেন একটি, যেন আমরা বলার চেয়ে শোনার কাজ বেশি করি। ২২

টিকাঃ
২২ মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবা: ১৫৭১২

ফন্ট সাইজ
15px
17px