📄 শ্বশুরবাড়ির বদনাম বাবার বাড়িতে করবেন না
আপনার শ্বশুরবাড়ি হলেও সেটি আপনার স্বামীর নিজের বাড়ি। তাছাড়া বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িই হয়ে যায় নিজের বাড়ি। আর নিজের বাড়ির বদনাম কেউ সহ্য করতে পারে না। তাই শ্বশুরবাড়ির বদনাম করলে আপনার স্বামী রেগে যাবেন, এটাই স্বাভাবিক। কারণ সেই বাড়ির সব সদস্য তার আপনজন। তাই শ্বশুরবাড়ির বদনাম করবেন না। যদি সুযোগ পান তবে প্রশংসা করুন। এতে আপনার স্বামী খুশি থাকবেন। ভালো থাকবে আপনার সম্পর্ক। সংসারও সুখের হবে।
📄 মাঝে মাঝে শাশুড়িকে তার পছন্দের কিছু উপহার দেয়া
হাদীসে আছে, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
تَهَادَوْا فَإِنَّ الْهَدِيَّةَ تُذْهِبُ وَغَرَ الصَّدْرِ
তোমরা পরস্পরে হাদিয়া বিনিময় করো। এর দ্বারা অন্তরের সঙ্কীর্ণতা ও হিংসা-বিদ্বেষ দূর হয়ে যায়। ১৬
এই হাদিয়া নিজেই কিনে দিতে হবে তা জরুরি নয়। বরং মাঝে মাঝে স্বামীকে কিনে দিতে বলা। এতে শাশুড়ি মনে মনে অনেক খুশি হবেন এবং পুত্রবধূকে বেশি স্নেহ করবেন।
টিকাঃ
১৬ মুসনাদে আহমদ: ৯২৫০
📄 শ্বশুরালয়ের বদনাম প্রতিবেশীর কাছে করবেন না
এটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই প্রতিবেশী আপনার বদনামের কথা তার পেটে রাখবে না- এটা শত ভাগ নিশ্চিত। সন্দেহ নেই, যার কারণে আপনার সংসারে আগুন জ্বলে ওঠবে। তাছাড়া এর কারণে গীবতের গোনাহ যে হয় এটা আমরা সকলেই বুঝি।
📄 শাশুড়ির কাছ থেকে তার অতীতের সুখ-দুঃখের গল্প শুনবেন
এতে সম্পর্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়বে। শাশুড়ির প্রতি এক প্রকার আবেগ তৈরি হবে। শাশুড়ি আপনাকে শাসন কিংবা বকাঝকা করে থাকলে তার কারণ কী; এটাও বোঝা সহজ হবে।