📘 পারিবারিক বন্ধন প্রাণবন্ত রাখবেন যেভাবে 📄 নিজের মেয়েকে ও বউমাকে এক দৃষ্টিতে দেখুন

📄 নিজের মেয়েকে ও বউমাকে এক দৃষ্টিতে দেখুন


অনেক শাশুড়ি আছেন, ঘরে যদি কোনো অবিবাহিত মেয়ে থাকে তাহলে তার কোনো দোষ আছে বলে মনেই করেন না। মনে করে সব দোষ কেবল পুত্রবধূর। এটা জঘন্য অন্যায়।

আইন দিয়ে জীবন-সংসার চলে না
মুহতারাম হাজেরীন! এবার আসা যাক, বউমার প্রতি বিশেষ কিছু পরামর্শ সম্পর্কে। একটু আগে বলেছিলাম, পুত্রবধূর ওপর শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা ফরজ করা হয়নি। এটা তো আইনের কথা। বাস্তবতা হল আইনের রুক্ষ বাঁধনের ওপর ভিত্তি করে হয়ত 'তালাক' ঠেকানো যাবে- যদিও অনেক সময় তাও সম্ভব হয় না; কিন্তু সুখ-শান্তি কখনই আসবে না।

কেননা এটা যেমন আইন তেমনিভাবে এটাও আইন যে, স্ত্রীকে তার মা- বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করানোর জন্য নিয়ে যাওয়া কিংবা ব্যবস্থা করে দেওয়া স্বামীর দায়িত্ব নয়। বরং ফকিহগণ এ পর্যন্তও বলেছেন, স্ত্রীর মা-বাবা সপ্তাহে মাত্র একবার আসবে, তাও মেয়েকে দূর থেকে দেখে চলে যাবে। তাদেরকে ঘরে বসিয়ে সাক্ষাৎ করতে দেয়া স্বামীর দায়িত্ব নয়।

সুতরাং আইনের এসব চৌহদ্দিতে পড়ে থাকা মানে অশান্তি ডেকে আনা। বরং বউমাকেও ভাবতে হবে যে, তাকেও একদিন শাশুড়ি হতে হবে। হতে হবে বৃদ্ধা। আর বৃদ্ধাবস্থায় পুত্রবধূর কাছ থেকে কীরূপ আচরণ প্রত্যাশা করে- এ প্রশ্ন নিজেকে করলে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে কেমন আচরণ করবে তার জবাব সে পেয়ে যাবে।

বউমার প্রতি বিশেষ পরামর্শ
তাই পারিবারিক সুখ-শান্তি যেন বিনষ্ট না হয় এ লক্ষে বউমার প্রতি সংক্ষেপে কিছু বিশেষ পরামর্শ পেশ করছি। যদি মানতে পারেন তাহলে ইনশাআল্লাহ শ্বশুরকে 'বাবা' এবং শাশুড়িকে 'মা' হিসেবে পাবেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px