📄 দুই অন্তরের মধ্যে জোড়া লাগানোর পদ্ধতি
আমাদের বড়রা বলেন, একেক বস্তুর মধ্যে জোড়া দেওয়ার একেক পদ্ধতি রয়েছে। যেমন দুই ইটের মধ্যে জোড়া দেওয়া হয় সিমেন্ট দিয়ে। দুই কাপড়ের মধ্যে জোড়া দেওয়া হয় সুঁই-সুতা দিয়ে। দুই কাঠের মধ্যে জোড়া লাগানো হয় পেরেক দিয়ে।
বোঝা গেল প্রত্যেক বস্তুর মধ্যে জোড়া লাগানোর পদ্ধতি এক নয়।
অনুরূপভাবে দুই অন্তরের মধ্যে জোড়া লাগানোর পদ্ধতি টাকা-পয়সা নয়। শিক্ষা কিংবা বংশও নয়। দুই অন্তরের মধ্যে জোড়া লাগানোর একটাই পদ্ধতি- দীন। দীন ও দীনদারিই পারে দুই অন্তরের মাঝে বন্ধন তৈরি করতে। আল্লাহর ভয়ই পারে উভয়ের মাঝে সম্পর্ক অটুট রাখতে।
📄 শাশুড়িকে হতে হবে মা, বৌমাকে হতে হবে মেয়ে
দ্বিতীয়ত ইসলামের শিক্ষা হল, শাশুড়ি মনে করবে, একটা মেয়ে তার মা- বাবা ভাই-বোন ও অন্যান্য আপনজন রেখে আমাদের পরিবারে এসেছে। এটা তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশ। সুতরাং এখন থেকে সে আমাদের পরিবারের মেয়ে-আমার মেয়ে।
অনুরূপভাবে স্ত্রী মনে করবে, বিয়ের আগে আমার মা ছিলেন একজন। বিয়ের পর আমার জীবনে আরেকজন নতুন মা এসেছেন- শাশুড়ি মা। এভাবে শাশুড়ি যদি পুত্রবধূকে নিজের মেয়ের মতো আদর ও মমতায় আবদ্ধ করে নিতে পারেন, তার সুখ আনন্দ ও সুবিধার প্রতি সবিশেষ মনোযোগ দেন, অনুরূপভাবে স্ত্রী যদি স্বামীর মাকে নিজের মায়ের মতো সম্মান ও সমীহের চোখে দেখে, মনপ্রাণে তাকে ভালোবাসে, শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা-যত্নকে নিজের জন্য পরম সৌভাগ্য মনে করে তাহলে বউ-শাশুড়ির সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যাবে। তিক্ততা অনেকাংশে কমে যাবে।