📄 ব্রেইন ফুড এবং স্মরণ-শক্তি বৃদ্ধি
মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে ব্রেইনের কিছু কিছু নার্ভ শুকিয়ে যেতে থাকে, যার কারণে স্মরণ-শক্তি আস্তে আস্তে কমে যেতে থাকে। আর পানি কম পান করার দরুন এগুলো আরো দ্রুত শুকিয়ে যায়। তবে সব ধরনের বেরী ফল হিউম্যান ব্রেইনের উন্নতি সাধন করে স্মরণ-শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। তাই আমাদের নিজেদের এবং সন্তানদের বেশী বেশী করে এই ফলগুলো নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। যেমন: কালোজাম, লেবু, আমড়া, আমলকি, স্ট্রবেরী, ব্লুবেরী, ব্ল্যাকবেরী, রাসবেরী ইত্যাদি।
মানসিক শান্তির জন্য স্বাস্থ্য ভাল রাখা খুবই প্রয়োজন
১) খাওয়ার শুরু ও শেষে দু'আ পড়া। ২) খুব ক্ষুধা না লাগলে না খাওয়া। প্রতি তিন ঘন্টা পরপর হালকা কিছু খাওয়া। ৩) অতিরিক্ত পরিমাণ আহার না করা। ৪) অতিরিক্ত চর্বি-মশলা ও লবণযুক্ত খাদ্য এবং নেশা-জাতীয়/উত্তেজক পানীয় গ্রহণ না করা। ৫) প্রতিদিন টক-ঝাল-মিষ্টি-তেতো স্বাদের খাদ্য খাওয়া। ৬) পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া, প্রচুর পরিমাণে সবজী খাওয়া। ৭) সারাদিন প্রচুর পানি পান করা। ৮) খাওয়ার পরপরই শুতে না যাওয়া অথবা কোন ব্যায়াম না করা। ৯) খাদ্য ভাল করে চিবিয়ে খাওয়া। ১০) রেগে থাকলে অথবা কোন কারণে মেজাজ খারাপ (আপসেট) থাকলে ঐমুহূর্তে না খাওয়া, এতে হজমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। ১১) দ্রুত খাবার না খাওয়া, ধীরে-সুস্থে এন্জয় করে খাওয়া। ১২) দিনে দু'বার দাঁত ব্রাশ করা। রাতে ঘুমাবার আগে অবশ্যই।
📄 স্ট্রেস কন্ট্রোল করা
পরিমাণ মত খাবার-দাবার গ্রহণ: আমাদের ধারণা আছে অ্যালকোহল গ্রহণ করলে বা বেশি পরিমাণে খাওয়া-দাওয়া করলে স্ট্রেস থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া-দাওয়ায়ের অভ্যাস স্ট্রেস কমানোর বদলে তা বাড়িয়ে তোলে। তাই স্ট্রেস বেশি হলে পরিমাণমত খাবার খেতে হবে। খুব বেশি খাবার খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
নিজের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিতে হবে : অন্যদের ইচ্ছা পূরণ করার পাশাপাশি নিজের ইচ্ছা পূরণের দিকেও নজর দিতে হবে। প্রত্যেকেরই কিছু কিছু নিজস্ব ইচ্ছা আছে এবং তা পূরণ করা বা সেই ইচ্ছা অনুসারে জীবনধারণ করার অধিকার সবারই আছে, তবে অবশ্যই কুরআন ও সুন্নার বিপরীত নয়।
খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করা : স্ট্রেস-ফ্রি হতে গিয়ে খুব বেশি চা বা কফি পান বা সিগারেট খাওয়ার মতো বদ অভ্যাসে অভ্যস্ত হওয়া যাবে না। এর মধ্যে যে নিকোটিন থাকে তা স্ট্রেস বাড়িয়ে তোলে।
নিয়মিত ব্যায়াম করা : খুব কঠিন নয় এমন কিছু ব্যায়াম দৈনিক চর্চা করা যার ফলে শরীর থেকে ‘এন্ডোফিন’ নির্গত হয় যা স্ট্রেস কমে যায় এবং পজিটিভ চিন্তা-ভাবনা জাগিয়ে তোলে। নিয়মিত পড়াশোনা করা, নিজেকে রিল্যাক্স রাখা। রিল্যাক্সেশনে বিভিন্ন প্রক্রিয়া জেনে নেয়া। অবসর সময় নষ্ট না করে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান বাড়ানের জন্য নিয়মিত পড়াশোনার চর্চা করা। স্ট্রেসের কারণ কম করার চেষ্টা করা।
নিজের গুরুত্ব উপলদ্ধি করা : নিজের কাজে নিজের চিন্তাধারা বা বিচার বুদ্ধির বাস্তব রূপ তুলে ধরা। আমি কতটা ব্যস্ত তা কারো কাছে বেশী গুরুত্বপূর্ণ নাও হতে পারে। তাই নিজের গুরুত্ব এবং ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করা।
জীবাণুর বিস্তার রোধ : হাত পরিষ্কার রাখা
হাত পরিষ্কার রাখা এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?
হাতের মাধ্যমেই জীবাণু বহন করে ও ছড়ায় সবচেয়ে বেশি। বাইরে থেকে এসে প্রথমেই হাত না ধুয়ে সে হাত দ্বারা চোখ, নাক অথবা মুখ স্পর্শ করলে শরীরে জীবাণু প্রবেশ করার সম্ভাবনা থাকতে পারে। যদি কোনও ব্যক্তি নিজের হাতের উপর হাঁচি দেন বা কাঁশেন এবং তারপর দরজার হাতল বা নব, সিড়ির রেলিং কিংবা টেলিফোন স্পর্শ করেন, তাহলেও জীবাণু ছড়ায়। অন্য কেউ ওগুলি ধরামাত্র জীবাণু তাঁর শরীরে উঠে যেতে পারে। যদি তিনি হাত পরিষ্কার না করেই সে হাত দিয়ে চোখ, নাক অথবা মুখ স্পর্শ করেন তবে জীবাণুর প্রকোপে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।
আমি কখন হাত সাবান ও পানি দিয়ে ধোব?
যখন হাত স্পষ্টত নোংরা থাকে।
আগে ও পরে :
• হাঁচি, কাশি, নাক ঝেড়ে - খাবার তৈরি করা ও খাবার খাওয়া।
• ওয়াশরুম ব্যবহার করে - কাঁটা বা ক্ষতস্থানে স্পর্শ করে।
• ময়লা ঘাঁটলে - চোখ, নাক অথবা মুখে স্পর্শ করে।
• ডায়াপার বদল করে।
• খোলা খাবারে হাত দিয়ে।
সাবান ও পানি দিয়ে সবচেয়ে ভাল ভাবে কী করে হাত ধোয়া যায়?
• কুসুম-কুসুম গরম পানিতে হাত ভেজান ও সাবান দেয়া।
• প্রায় ১৫ সেকেন্ড ধরে দুই হাত জোরে জোরে ঘষা।
• গোটা হাত, এমনকী হাতের পিছন দিকে, দুই আঙুলের মাঝে, নখের নীচেও ঘষে নেয়া।
• তোয়ালে দিয়ে ভাল করে মুছে হাত শুকিয়ে নেয়া (বাড়ির বাইরে পাবলিক ওয়াশরুম হলে ওয়ান টাইম টিসু বা পেপার টাউয়াল ব্যবহার করতে হবে) অথবা ব্লোয়ার চালিয়ে শুকিয়ে নিতে হবে।
• যদি প্রয়োজন হয়, পানির কল বন্ধ করতে হলে খালি হাত ব্যবহার না করে টিসু দিয়ে কল ধরতে হবে।
📄 প্রচন্ড গরম থেকে নিরাপদে থাকা
অত্যাধিক গরমের জন্য প্রত্যেক ব্যক্তিরই স্বাস্থের ক্ষতি হতে পারে। হীট স্ট্রোকে অনেকে মারাও যেতে পারে। প্রচন্ড গরমে যারা বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন তারা হলেন: বৃদ্ধরা, শিশু ও ছোট বাচ্চা, দীর্ঘকালীন রোগে আক্রান্ত রোগীরা, মানসিক রোগী।
প্রচন্ড গরমে কী করা যেতে পারে
• তেষ্টা পাওয়ার পূর্বেই ঠান্ডা পানি পান করা।
• অধিক পরিমাণে তরল পদার্থ পান করা।
• যতোটা সম্ভব ঠান্ডা বা ছায়াতল স্থানে থাকা।
• ঢিলা এবং হালকা রংয়ের কাপড় পরিধান করা।
• সূর্য থেকে দূরে থাকা এবং ছাতা ব্যবহার করা।
• বাইরের কাজগুলো দিনের ঠান্ডা সময়ে করে নেয়া।
• ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা এবং ভিজা টাউয়াল ব্যবহার করা।
• দিনে সূর্য থেকে বাঁচার জন্য জানালায় পর্দা ব্যবহার করা।
• কম গরমের সময় রান্না করে রাখা এবং রান্না ঘরের চুলা যতোটা সম্ভব কম জ্বালানো।
• জানালার পাশে অথবা জানালার মধ্যে টেবিল ফ্যান ফিট করা এতে বাইরে থেকে ঠান্ডা বাতাস ভিতরে নিয়ে আসবে এবং ভেতরের গরম বাতাস বাইরে বের করে দিবে।
• বদ্ধ ঘরে ফ্যান ব্যবহার করা ঠিক নয়।
📄 রসুন উপকারিতা
তাই হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে রসুন এক অসাধারণ ভেষজ। প্রতিদিন এককোয়া রসুন কাঁচা খেলে সাধারণত হার্ট এটাকের সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ কমে যায়।