📄 সন্তানদের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে সাহায্য করা
মেধা বিকাশে সাহায্য করা: ছেলেমেয়েদের মেধা বিকাশে সর্বপ্রথমে বাবা- মাকে এগিয়ে আসতে হবে। অতঃপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। অনেক ছেলেমেয়েদেরই ভাল মেধা আছে কিন্তু সঠিক সহযোগীতা এবং গাইডেন্সের অভাবে তারা তাদের মেধা বিকাশের সুযোগ পায় না। এ বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপ্স পাওয়ার জন্য আমাদের প্রকাশিত ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট প্যাকেজের ৮ নং বইটি পড়ার পরামর্শ রইল।
ক্যারিয়ার পছন্দে সহায়তা করা: অনেক ছেলেমেয়েরা নিজেরাই নিজেদের ক্যারিয়ার কী হবে তা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। অবশ্যই তারা তাদের ভবিষ্যতের ক্যরিয়ারের সিদ্ধান্ত নিবে কিন্তু বাবা-মাকেও এই বিষয়ে সাহায্য করতে হবে। ছেলেমেয়েদের ক্যারিয়ার নিয়ে যেন একমুখি চিন্তা না হয় যে তারা শুধু অনেক বড় হবে অনেক টাকা কামাবে বা অনেক নামকরা একজন হবে ইত্যাদি!
সময়কে কাজে লাগানো: সন্তানদের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা-ভাবনা অনেক আগে থেকেই শুরু করা উচিত, যাতে তারা সময়কে সঠিক কাজে লাগাতে হবে। ভাল ক্যারিয়ারের জন্য অনেক সময় ব্যয় করতে হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনে সফলতা অর্জনের বাস্তবভিত্তিক গাইডলাইন হিসেবে আমাদের প্রকাশিত "ছাত্র- ছাত্রীরা জীবনে কীভাবে উন্নতি করবে” এই বইটি সহায়তা করবে। এই বইটি সংগ্রহ করে ছেলেমেয়েদেরকে দেয়ার অনুরোধ রইলো।
উৎসাহ প্রদান ও মোটিভেশন: উৎসাহ মানুষকে অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। ছেলেমেয়েদেরকে সব সময় ভাল কাজের উৎসাহ প্রদান করতে হবে, কোন একটি বিষয়ে খারাপ করলেও তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য না করে তাকে উৎসাহ দিলে সে পরবর্তীতে অনেক ভাল করে। মোটিভেশন হচ্ছে ম্যানেজমেন্ট থিউরী। কোন একটি অর্গানাইজেশনের উদ্বর্তন কর্মকর্তাগণ তাদের কর্মচারীদেরকে দিয়ে আরো ভাল প্রডাকশন পাওয়ার জন্য সব সময় মোটিভেশন দিয়ে থাকেন। ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে মোটিভেশন একটি সফল ঔষধ। মোটিভেশন হতে পারে কথা দিয়ে, পুরস্কৃত করে, কিছু আয়োজন করে।
সঠিক কোর্স পছন্দ করার বিষয়ে সাহায্য করা: ইউনিভার্সিটি লেভেলে ছেলেমেয়েদের সঠিক কোর্স নির্ধারণে বাবা-মাকে এগিয়ে আসা উচিত। সঠিক কোর্স বাছাইয়ে ভুলের কারণে অনেক ছেলেমেয়েরাই জীবনে ভাল করতে পারে না। তাই এই বিষয়টিতে খুবই গুরুত্ব দেয়া উচিত।
সফল ব্যক্তিদের সাথে দেখা করা: যে সকল ব্যক্তিরা জীবনে সফলতা অর্জন করেছেন তাদের সাথে ছেলেমেয়েদেরকে আলাপ-পরিচয় করিয়ে দেয়া যেতে পারে। এতে ছেলেমেয়েরা তাদের জীবনেও অনেক উৎসাহ পাবে।
রাজনীতি থেকে দূরে রাখা: ছেলেমেয়েদেরকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে তারা যেন কোন রাজনীতির সাথে জড়িয়ে না যায়। হ্যাঁ তারা রাজনীতি বুঝবে, এই বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করবে, কোন দলকে সাপোর্ট করবে, কিন্তু মাঠে ময়দানে যেন কোন রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ডে সংযুক্ত না হয়। যখন তারা পড়ালেখা শেষ করে প্রফেশনাল লাইফে যাবে তখন চাইলে দেশ গড়ার জন্য সুস্থ রাজনীতি করতে পারে।