📘 প্যারেন্টিং এই আধুনিক যুগে সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো 📄 সন্তানদের সকাল-সন্ধ্যার দু’আ শিক্ষা দেয়া

📄 সন্তানদের সকাল-সন্ধ্যার দু’আ শিক্ষা দেয়া


আমাদের প্রিয় নাবী (ﷺ) দৈনন্দিন জীবনে কিছু দু'আ পাঠ করতেন। যদি কুরআন ও হাদীসের আমলকারী আল্লাহর কোন বান্দা সে সমস্ত দু'আ পাঠ করেন তাহলে তিনিও আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ লাভে ধন্য হতে পারবেন। আমাদের সন্তানদের জন্য এই সকল দু'আ আরবী, অর্থ এবং উচ্চারণসহ আমাদের ছোটদের জন্য প্রকাশিত দু'আর বইতে পাওয়া যাবে। এই দু'আগুলো মুখস্থ করানোর বিষয়েও মা-বাবাকে সিরিয়াস হতে হবে এবং প্রতিদিন অন্ততপক্ষে দু'টি বা একটি দু'আ অর্থসহ সন্তানদের মুখস্থ করাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যে আমার সন্তান প্রতিদিন এই দু'আগুলো তার বাস্তব জীবনে ব্যবহার করছে কিনা। যেমন, খাওয়ার সময় বা টয়লেটে ঢুকার সময় যদি যে দু'আ না পড়ে তাহলে তাকে মনে করিয়ে দিতে হবে। এভাবে প্রথম প্রথম তাকে কিছু দিন দু'আগুলো আমল করার বিষয়ে তাগাদা দিতে হবে এবং এক সময় সে এগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে যাবে। যেমন :

* ঘুমানোর সময় দু'আ
* ঘুম থেকে উঠে দু'আ
* খাওয়া শুরুর ও শেষে দু'আ
* পায়খানার দু'আ
* ওযু করার পর দু'আ
* সলাতের মধ্যে দু'আ
* পাঁচ ওয়াক্ত সলাত শেষে দু'আ
* বিপদ-আপদের দু'আ
* আযানের দু'আ
* বাড়ী থেকে বের হওয়ার দু'আ
* বাড়ীতে প্রবেশের দু'আ
* যানবাহনে চড়ার দু'আ
* মা-বাবার জন্য সন্তানের দু'আ
* স্মরণশক্তি বৃদ্ধির দু'আ
* মুখের জড়তা দূর করার দু'আ
* সকাল-সন্ধ্যার দু'আ

📘 প্যারেন্টিং এই আধুনিক যুগে সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো 📄 সন্তানদের পড়ালেখায় ভাল করার বিষয়ে বাবা-মায়ের সহায়তা

📄 সন্তানদের পড়ালেখায় ভাল করার বিষয়ে বাবা-মায়ের সহায়তা


সন্তানের জন্য দু'আ করা: সন্তানের জন্য সব সময় দু'আ করতে হবে। অনেক বাবা-মায়েরাই সন্তানের জন্য নিয়মিত দু'আ করেন না। সন্তান যেন সব বিষয়েই ভাল করে সেজন্য প্রতি ওয়াক্তের সলাতের শেষে দু'আ করা উচিত।

ভাল স্কুল/কলেজ নির্বাচন: এই বিষয়টি আমাদের দেশে বলার অপেক্ষা রাখে না। সকল বাবা-মায়েরাই চান তার সন্তান একটি ভাল স্কুলে বা কলেজে পড়বে। তবে যে সকল স্কুল বা কলেজ কর্তৃপক্ষ সেকুলার বা ইসলাম বিদ্বেষী সেই সকল প্রতিষ্ঠান যতো ভালই হোক না কেন সেগুলোতে সন্তানদেরকে ভর্তি না করালেই ভাল। কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রভাবও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পরে।

পড়ালেখায় মনোযোগ নষ্ট করতে পারে তা থেকে সতর্কতা: ঘরে যদি এমন কিছু থাকে যার কারণে সন্তানদের পড়ালেখায় ক্ষতি হতে পারে তা সরিয়ে নেয়া উচিত। অনেক সময় টেলিভিশন সন্তানদের পড়ালেখার প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করে। বাসার বড়রা কেউ হয়তো ড্রইংরুমে বসে টিভিতে নাটক দেখছে তখন ছেলেমেয়েদের পড়ায় মন বসে না, তাদেরও নাটক দেখতে ইচ্ছে করে, তাদের মন পড়ে থাকে টিভির মধ্যে।

পারিবারিক রুটিন থাকা উচিত: আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা সাধারণত প্রতিদিন সন্ধ্যার পর পড়তে বসে। কিন্তু সেই সময় যদি প্রায়ই বাসায় মেহমান আসে বা বাবা-মায়ের বন্ধু-বান্ধব আসে তাহলেও ছেলেমেয়েদের পড়ালেখায় ক্ষতি হয়। পারিবারিক রুটিন এমন হওয়া উচিত যেন তারা পড়তে বসে বাধার সম্মুখিন না হয়। পরিচিতরাও যেন পারিবারিক রুটিন সম্পর্কে অবগত থাকে।

ভাল ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে সম্পর্ক গড়ে দেয়া: আমি যেনো আমার সন্তানদের ভালভাল ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেই, পরিচয় করিয়ে দেই, পরিবারিকভাবে তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে দেই। এতে ছেলেমেয়েদের মধ্যে ভাল করার উৎসাহ বাড়বে।

অর্থ খরচ করার মানসিকতা: আর্থিক সমস্যা না থাকার পরও কোন কোন বাবা-মা সন্তানদের প্রয়োজনীয় খাতা, বই, কলম, পেন্সিল ইত্যাদি স্টেশনারী কিনে দিতে চান না। গাফিলতি করে সন্তানদের স্কুল-কলেজের বেতন দেরী করে দেন, প্রাইভেট শিক্ষক বা কোচিংয়ের বেতন ঠিক মতো দিতে চান না। এই ধরনের মনমানসিকতাও পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

স্পেশাল কেয়ার (তত্ত্বাবধান) : যে সন্তানটি কম মেধা সম্পন্ন বা একটু দেরীতে বুঝে বা একটু কম বুঝে, তাদের পিছনে অতিরিক্ত সময় দেয়া উচিত। তাকে অবহেলা করা ঠিক না বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা একেবারেই ঠিক না। তাকে প্রচুর পরিমানে উৎসাহ দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের প্রকাশিত ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট প্যাকেজের ৮ নং বইটি সংগ্রহ করে পড়ার অনুরোধ রইল।

স্বাস্থ্যগত সমস্যায় করণীয় : কোন কোন ছেলেমেয়েরা স্বাস্থ্যগতভাবে দুর্বল, প্রায়ই অসুস্থ থাকে। তাদের দিকেও স্পেশাল কেয়ার নিতে হবে। তার স্বাস্থ্যগত দুর্বলতার কারণে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা যাবে না। তাকে ডাক্তার দেখিয়ে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে হবে।

স্টাডি টুরের ব্যবস্থা করা : অনেক স্কুল-কলেজে স্টাডি টুরের ব্যবস্থা থাকে। সন্তানদের স্টাডি টুরে যাওয়ার জন্য অনুমতি দেয়া যেতে পারে। স্টাডি টুরের মাধ্যমে মেধার বিকাশ ঘটে। তবে একটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে যে স্টাডি টুরে গিয়ে ছেলেমেয়েরা অবাধ মেলামেশায় সুযোগ না পায়।

স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা : ছাত্র-ছাত্রীরা স্কলারশিপ পেলে পড়ালেখায় আরো উৎসাহ পায়। তাই তাদের স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য উৎসাহ দেয়া উচিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কলারশিপ ছাড়াও আরো অনেক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের স্কলারশিপ দিয়ে থাকে, খোঁজ-খবর নিয়ে সেগুলোর ব্যবস্থা করে দেয়া যেতে পারে।

অতিরিক্ত বোঝা না চাপানো : বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদেরকে পড়ালেখার পাশাপাশি পরিবারের আরো অনেক কাজ করতে হয়। যেমন ঘরের কাজ, বাজার করা, বিল দেয়া, বাবার ব্যবসা দেখা ইত্যাদি। এই কাজগুলো করা ভাল তবে খেয়াল রাখতে হবে যে এই কাজগুলোর যেন একটা সীমা থাকে। তাদের ঘারে অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেয়া যাবে না এতে পড়ালেখার ক্ষতি হতে পারে।

পরীক্ষায় খারাপ করলে করণীয়: সন্তান পরীক্ষায় খারাপ করলে তার জন্য চেঁচামেচি করে বাসা মাথায় করা যাবে না। তার সাথে দূর্ব্যবহার করা যাবে না। তার সাথে সময় নিয়ে বসতে হবে, বুঝতে হবে কেন সে পরীক্ষায় খারাপ করেছে, তার প্রকৃত কারণগুলো খুঁজে বের করে তার সমাধানের দিকে যেতে হবে। তাকে আরো উৎসাহ দিয়ে তার পেছনে বাবা-মাকে আরো অতিরিক্ত সময় দিয়ে তার দুর্বলতাগুলো দূর করতে হবে।

পরিমিত ঘুম প্রয়োজন: অনেক ছেলেমেয়েরাই রাতে দেরীতে ঘুমোতে যায়, এটি মোটেও ঠিক না। সেদিকে বাবা-মাকে খেয়াল রাখতে হবে। ছেলেমেয়েরা যেন বেশী রাত না করে। ঘুম পরিমিত না হলে সকালে উঠতে কষ্ট হয়, ফজর সলাত মিস হতে পারে এছাড়া সারা দিন ক্লাসেও মন বসবে না।

সন্তানের পড়ার স্থান কেমন হবে: পড়ার স্থানে যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো- বাতাস থাকে, জানালা থাকলে খুবই ভাল। পড়ার জন্য রিডিং টেবিল এবং হাইট অনুযায়ী চেয়ারও প্রয়োজন। এতে তার পড়ালেখায় মনোযোগ আসবে। অনেক মা-বাবা আছেন বৈদ্যুতিক বিল কমাবার জন্য বাসায় সব সময় স্বল্প আলোর ব্যবস্থা করে থাকেন। পরামর্শ থাকবে যে, যদি সামর্থ থাকে অন্তত সন্তানদের পড়ালেখার সময় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা।

দারিদ্রতা দূর করা: দারিদ্রতার কারণে অনেক ছেলেমেয়েরা ঠিক মতো পড়ালেখায় মন বসাতে পারে না। সন্তানের ভবিষ্যত চিন্তা করে দারিদ্রতামুক্ত হওয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে। দারিদ্রতা থেকে মুক্তির জন্য সবসময় মহান আল্লাহর নিকট দু'আ করতে হবে।

পারিবারিক দাওয়াত: পারিবারিক দাওয়াত প্রায় সকল পরিবারেই রয়েছে, বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে। অতিরিক্ত পারিবারিক দাওয়াত ছেলেমেয়েদের পড়ালেখায় ক্ষতি করে। তাই বলে কোনো দাওয়াতেই না যাওয়া উচিতও নয়। এমনিতেই আজকালকার সন্তানরা অনেকটা অসামাজিক হয়ে যাচ্ছে অনলাইন যোগাযোগে অভ্যস্ত হবার কারণে। এই দাওয়াত খাওয়া এবং দাওয়াত দেয়া দুটোই কন্ট্রোল করা উচিত। যখন তখন ছেলেমেয়েদেরকে বাসায় রেখে দাওয়াতে চলে যাওয়া ঠিক না আবার তাদেরকে হঠাৎ করে পড়া বাদ দিয়ে সাথে নিয়ে যাওয়াও ঠিক না। দাওয়াতের বিষয়ে সন্তানদের প্রতিদিনের ক্লাসের হোমওয়ার্ক এবং পরের দিনের ক্লাস ও সামনের পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে প্ল্যান করতে হবে।

সন্তানদের বন্ধু-বান্ধবদের সাথে খারাপ ব্যবহার না করা: কোন কোন বাবা- মা সন্তানদের বন্ধু-বান্ধবদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। এই কাজটি মোটেও ঠিক না। এটি সন্তানের মনে আঘাত হানে। সন্তানের কোন বন্ধু যদি ভাল না হয় তাহলে তার সাথে খারাপ আচরণ না করে নিজ সন্তানকে তার বন্ধুর খারাপ দিকগুলো বুঝাতে হবে এবং সে যেন আস্তে আস্তে এই বন্ধু থেকে সরে আসে।

📘 প্যারেন্টিং এই আধুনিক যুগে সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো 📄 সন্তানদের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে সাহায্য করা

📄 সন্তানদের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে সাহায্য করা


মেধা বিকাশে সাহায্য করা: ছেলেমেয়েদের মেধা বিকাশে সর্বপ্রথমে বাবা- মাকে এগিয়ে আসতে হবে। অতঃপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। অনেক ছেলেমেয়েদেরই ভাল মেধা আছে কিন্তু সঠিক সহযোগীতা এবং গাইডেন্সের অভাবে তারা তাদের মেধা বিকাশের সুযোগ পায় না। এ বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপ্স পাওয়ার জন্য আমাদের প্রকাশিত ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট প্যাকেজের ৮ নং বইটি পড়ার পরামর্শ রইল।

ক্যারিয়ার পছন্দে সহায়তা করা: অনেক ছেলেমেয়েরা নিজেরাই নিজেদের ক্যারিয়ার কী হবে তা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। অবশ্যই তারা তাদের ভবিষ্যতের ক্যরিয়ারের সিদ্ধান্ত নিবে কিন্তু বাবা-মাকেও এই বিষয়ে সাহায্য করতে হবে। ছেলেমেয়েদের ক্যারিয়ার নিয়ে যেন একমুখি চিন্তা না হয় যে তারা শুধু অনেক বড় হবে অনেক টাকা কামাবে বা অনেক নামকরা একজন হবে ইত্যাদি!

সময়কে কাজে লাগানো: সন্তানদের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা-ভাবনা অনেক আগে থেকেই শুরু করা উচিত, যাতে তারা সময়কে সঠিক কাজে লাগাতে হবে। ভাল ক্যারিয়ারের জন্য অনেক সময় ব্যয় করতে হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনে সফলতা অর্জনের বাস্তবভিত্তিক গাইডলাইন হিসেবে আমাদের প্রকাশিত "ছাত্র- ছাত্রীরা জীবনে কীভাবে উন্নতি করবে” এই বইটি সহায়তা করবে। এই বইটি সংগ্রহ করে ছেলেমেয়েদেরকে দেয়ার অনুরোধ রইলো।

উৎসাহ প্রদান ও মোটিভেশন: উৎসাহ মানুষকে অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। ছেলেমেয়েদেরকে সব সময় ভাল কাজের উৎসাহ প্রদান করতে হবে, কোন একটি বিষয়ে খারাপ করলেও তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য না করে তাকে উৎসাহ দিলে সে পরবর্তীতে অনেক ভাল করে। মোটিভেশন হচ্ছে ম্যানেজমেন্ট থিউরী। কোন একটি অর্গানাইজেশনের উদ্বর্তন কর্মকর্তাগণ তাদের কর্মচারীদেরকে দিয়ে আরো ভাল প্রডাকশন পাওয়ার জন্য সব সময় মোটিভেশন দিয়ে থাকেন। ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে মোটিভেশন একটি সফল ঔষধ। মোটিভেশন হতে পারে কথা দিয়ে, পুরস্কৃত করে, কিছু আয়োজন করে।

সঠিক কোর্স পছন্দ করার বিষয়ে সাহায্য করা: ইউনিভার্সিটি লেভেলে ছেলেমেয়েদের সঠিক কোর্স নির্ধারণে বাবা-মাকে এগিয়ে আসা উচিত। সঠিক কোর্স বাছাইয়ে ভুলের কারণে অনেক ছেলেমেয়েরাই জীবনে ভাল করতে পারে না। তাই এই বিষয়টিতে খুবই গুরুত্ব দেয়া উচিত।

সফল ব্যক্তিদের সাথে দেখা করা: যে সকল ব্যক্তিরা জীবনে সফলতা অর্জন করেছেন তাদের সাথে ছেলেমেয়েদেরকে আলাপ-পরিচয় করিয়ে দেয়া যেতে পারে। এতে ছেলেমেয়েরা তাদের জীবনেও অনেক উৎসাহ পাবে।

রাজনীতি থেকে দূরে রাখা: ছেলেমেয়েদেরকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে তারা যেন কোন রাজনীতির সাথে জড়িয়ে না যায়। হ্যাঁ তারা রাজনীতি বুঝবে, এই বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করবে, কোন দলকে সাপোর্ট করবে, কিন্তু মাঠে ময়দানে যেন কোন রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ডে সংযুক্ত না হয়। যখন তারা পড়ালেখা শেষ করে প্রফেশনাল লাইফে যাবে তখন চাইলে দেশ গড়ার জন্য সুস্থ রাজনীতি করতে পারে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px