📘 প্যারেন্টিং এই আধুনিক যুগে সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো 📄 আমার সন্তানকে কিভাবে গাইড করবো?

📄 আমার সন্তানকে কিভাবে গাইড করবো?


১. আমি কি চাই আমার সন্তান একজন ভাল মুসলিম হবার পাশাপাশি একজন ভাল প্রফেশনাল হোক?
২. আমি কি চাই আমার সন্তানের মনে ভাল উপাদানগুলো বেশী করে ঢুকুক?
৩. আমি কি চাই দুনিয়া এবং আখিরাত দুই দিকেরই সফলতা?
৪. আমরা কি জানি ঈমানের অন্যতম দাবী হলো দ্বীনের জ্ঞানার্জন করা?
৫. আমার যদি নূন্যতম জ্ঞানই না থাকে তাহলে কিভাবে নিজ পরিবারকে দ্বীনের আলোকে গাইড করবো?
৬. কিভাবে সন্তানদের অন্তরে সামান্য হলেও দ্বীনের আলো ঢুকাবো?
৭. আমরা কি সচেতন? যুগ পরিবর্তন হয়ে গেছে, আমার ভাসাভাসা আর আবোলতাবোল দ্বীনি জ্ঞান দিয়ে নিজ সন্তানদের বুঝ দিতে পারবো না।
৮. আমরা কি জানি তারা এখন লজিক চায়, তারা দ্বীন ইসলামের ইনটেলেকচুয়াল ব্যাখ্যা চায়?

📘 প্যারেন্টিং এই আধুনিক যুগে সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো 📄 সত্যিকার মানুষের সংজ্ঞা কী?

📄 সত্যিকার মানুষের সংজ্ঞা কী?


সন্তানের ভবিষ্যতের জন্যে, সন্তানকে মানুষ করার জন্যে আমরা সবাই চিন্তিত, সবাই ব্যস্ত। এখন আমাদের প্রশ্ন এই মানুষের সংজ্ঞা কি? আমার সন্তান ভাল ইউনিভার্সিটিতে পড়বে, একজন ব্যাংকার বা ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হবে আর এতেই সে মানুষ হয়ে গেল? আসলে মানুষের সঠিক সংজ্ঞা হলো আমার সন্তান একজন ভাল মুসলিম হবার পাশাপাশি একজন ভাল প্রফেশনাল হবে, সে দুনিয়া এবং আখিরাত দুইদিকেই সফলতা অর্জন করবে。

তাহলে এবার দেখি কিভাবে একজন পরিপূর্ণ মুসলিম হওয়া যায়। মা হচ্ছেন সন্তানদের বুনিয়াদী শিক্ষক, বাবার পাশাপাশি সন্তানকে মানুষ করার পিছনে মায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে আধুনিকতার নামে সন্তানকে আগুনের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছি, আর বলছি ঠিক থাকতে! আমরা নিজেও এই বয়সে এই পরিবেশে কী ঠিক থাকতে পারতাম? আমরা খুব ভাল করেই জানি যে আমাদের দেশে আর আগের মতো পরিবেশ নেই, সকলেই কেমন যেন ওয়েষ্টার্ন আর ইন্ডিয়ান কালচার ফলো করছে, ক্যাবল কানেকশনের বদৌলতে ঘরে ঘরে চলে এসেছে অনৈসলামী কার্যক্রম। একটা সাধারণ ফর্মূলা আমরা জানি, আগুনের পাশে ঘি রেখে ঘি কে বলছি না গলতে, কিন্তু ঘি একসময় গলবেই。

একটি বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টা পরিষ্কার হওয়া যাক। যেমন ক্যানাডায় শীতকালে প্রচন্ড শীতে (-২০০/-৩০° সেন্টিগ্রেডে) আমরা যখন বাইরে যাই তখন সারা শরীর খুব ভালভাবে প্রটেশন দিয়ে যাই, সবই ঢাকা থাকে শুধু চোখ দুটো খোলা থাকে, কারণ ঠান্ডা এতো যে কোথাও একফোঁটা পানি থাকলেও তা বরফ হয়ে যায়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় আমাদের চোখের পানি বরফ হয় না, এর কারণ আমাদের চোখের পানির মধ্যে লবণ দেয়া আছে, তাই এতো শীতেও তা বরফ হয় না। সেরকম আমার সন্তানের ভিতর এমন কোন উপাদান ঢুকিয়ে দিতে হবে যার কারণে এই প্রতিকূল পরিবেশে থেকেও সে নষ্ট হবে না, আর তা হলো মজবুত ঈমান এবং তাকওয়া বা আল্লাহভীতি। সন্তানের ঈমান মজবুত করতে আর তাকওয়া তৈরি করতে হলে আগে মা-বাবার ঈমান ও তাকওয়া উন্নত করতে হবে এবং বাসায় একটা সুন্দর ইসলামী পরিবেশ তৈরি করতে হবে। রসূল বলেছেন মানুষ যখন মরে যায় তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু তিনটি আমলের সুফল সে কিয়ামত পর্যন্ত পেতে থাকে。

(১) সদকায়ে জারিয়া (২) এমন সৎ জ্ঞান যা সে বিতরণ করেছে এবং তা মানুষের উপকারে লাগছে (৩) নেক সন্তান যে তার জন্য দু'আ করবে। (সহীহ্ মুসলিম)

এবার আমাদের আলোচনা ৩নং পয়েন্ট নিয়ে। নেক সন্তান কিভাবে রেখে যাব? আমাদের অনেকেরই ধারণা যে সন্তানকে বিকেলে হুজুরের কাছে কায়দা বা কুরআন পড়তে পাঠালেই সব হয়ে গেল, সে পাক্কা মুসুল্লি হয়ে গেল, সে ইসলাম শিখে ফেললো। আসলে ধারণাটা ভুল, সাধারণত ওখানে তিলাওয়াত ছাড়া আর তেমন কিছুই শেখানো হয় না। আমার সন্তানকে একজন পরিপূর্ণ মুসলিম বানানোর জন্য আমাকেই স্পেশাল প্রজেক্ট হাতে নিতে হবে। শুধু টাকা আর খ্যাতির পেছনে দৌড়ালে সব হারাবো, একসময় আফসোসের আর সীমা থাকবে না, তাই সময় থাকতে এখনই সচেতন হওয়া উচিত। আসুন চিন্তা করি,

এ সন্তানের জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য কী হবে?
তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কী হবে?
কোন ভাবাদর্শে আমি তাকে গড়ে তুলবো?
কোন মৌলিক উপাদান দিয়ে তার চিন্তা চেতনা গড়ে তুলবো?

📘 প্যারেন্টিং এই আধুনিক যুগে সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো 📄 আমি কি চাই না আমার সন্তানের মনে ভাল উপাদানগুলি বেশী করে ঢুকুক?

📄 আমি কি চাই না আমার সন্তানের মনে ভাল উপাদানগুলি বেশী করে ঢুকুক?


শিশু, বালক, যুবক, বৃদ্ধ সকলের মন এক চলমান মেশিন। এ মেশিন সর্বদা সচেতন ও অবচেতনমনে ইনপুট গ্রহণ করছে। সে ইনপুট প্রসেস হয়ে আউটপুট বেরোয় মানুষের কর্ম ও দৃষ্টিভঙ্গীর মাধ্যমে। ফলে কেউ হয় দানশীল, কেউ উদ্ধত, কেউ হয় আল্লাহর শোকরগুজার বান্দা আবার কেউ হয় বিপথগামী। আমার শিশু কোন না কোন কিছু শিখছে। প্রতিদিন সে নিত্য নতুন কায়দা রপ্ত করছে। এটা ভাবা যাবে না যে আমি যদি কিছু না শেখাই তাহলে কোথা হতে সে শিখবে? আসলে এই ধারণা ভুল, আশেপাশের পরিবেশ, টিভি, রেডিও, বাবা-মায়ের আচরণ সবকিছু হতে প্রতিনিয়ত সে ইনপুট সংগ্রহ করছে。

সুতরাং আমি কি সতর্ক হবো না? আমি কি চাই না আমার সন্তানের মনে ভাল উপাদানগুলি বেশী করে ঢুকুক? আমি কি চাই না আমার সন্তান একজন ভাল প্রফেশনাল হওয়ার পাশাপাশি একজন ভাল মুসলিম হোক? আমি কি চাই না সে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হয়ে মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করার পাশাপাশি কুরআন হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে দ্বীনের উপর অনর্গল বক্তৃতা দিয়ে অমুসলিমদের হিদায়াতের নূর দেখাক?

আসুন চোখ বন্ধ করে খানিক চিন্তা করি। হলিউড-বলিউড বা এর অন্ধ অনুসারী অন্য টিভি চ্যানেলগুলি প্রতিনিয়ত মুভি আর বিচিত্র অনুষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছে। বলিউডের প্রভাব এখন প্রযুক্তির আশীর্বাদে সর্বত্রই দৃঢ়ভাবে প্রসারিত। আমি এবং আমার সন্তানেরা প্রতিনিয়তই এগুলি হতে মনের খোরাক নিচ্ছি। শিশুরা অনুকরণ প্রিয় হবার কারণে এসব বিনোদনের মৌলিক বিষয়গুলির সাথে খুব সহজে পরিচিত হয়ে যায়। এভাবেই তাদের মননশীলতার উপর ঐসব উপাদানগুলির স্থায়ী প্রভাব পড়ে। আসুন এবার চিন্তা করি এসব অখাদ্য কুখাদ্যের বিপরীতে আমি নিজে ও আমার শিশু কী ইনপুট নিচ্ছি? খোদ হলিউডের জন্মস্থান হতেই এখন এর কুরুচি আর বিকৃত সংস্কৃতির বিরুদ্ধে শ্লোগান উঠেছে। এর বদৌলতে শিশুরা বইয়ের চাইতে বন্দুকের প্রতি বেশী আগ্রহী হয়ে উঠেছে। ড্রাগ, ভায়োলেন্স, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধার অভাব, পারিবারিক বন্ধন শিথিল হওয়া ইত্যাদির অবদানে হলিউড বেশ নাম করেছে。

হলিউড সংস্কৃতি আজ এমন এক টর্ণেডোর নাম যা সারা বিশ্বের আনাচে কানাচে লজ্জা শরমের অবশিষ্টাংশ ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে ফেলতে চায়। এক আমেরিকান আইডলই দুনিয়া কাঁপানোর জন্য যথেষ্ট। আমি এবং আমার পরিবারকে এগুলি হতে বিরত রাখার দায়িত্ব আমার নিজের। এটি আমার একান্ত বুঝ ও বিশ্বাসের গভীরতার উপর নির্ভর করে। তবে সন্তানের চরিত্র গঠনে একটি ভারসাম্যপূর্ণ স্ট্রাটেজীর অংশ হিসেবে হলিউড, বলিউডের কুখাদ্যের পাশাপাশি যদি কিছু সুস্থ খাবার সরবরাহ না করা হয় তাহলে এ সন্তানটি যে কি হবে তা ভবিষ্যতে টের পাওয়া যাবে যখন আমার বয়স ৫০/৬০ এর কোঠায় গিয়ে পৌঁছবে। তখন চিন্তা করে কোন কুলকিনারা করা যাবে না। কারণ আমার শিশু তখন বড় হয়ে যুবক হয়ে গেছে। তার নিজস্ব মূল্যবোধ তৈরী হয়ে গেছে। এখন তার নতুন বিশ্বাস (ঈমান) ও মূল্যবোধের দাওয়াতী কাজের প্রথম টার্গেট হবো আমরা নিজে。

একটি সত্য ঘটনার মাধ্যমে শিক্ষণীয় হিসেবে একজন অধ্যাপকের চিন্তা-চেতনা এখানে তুলে ধরা হলো। ইনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর। তিনি এখন সন্তানদের মূল্যবোধ নিয়ে চিন্তাক্লিষ্ট। কেবল ভাবেন আর ভাবেন। ইতিমধ্যে সন্তানগণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেছে। তিনি কি পারবেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া সন্তানদের মন আর বিশ্বাসের উপর নতুন কোন প্রলেপ দিয়ে নিজের মত করে নিতে? এটা সহজ হতো যদি তিনি শিশু বয়স থেকে সন্তানকে একজন আধুনিক মানুষ ও আল্লাহর একজন খাঁটি বান্দা হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করতেন。

আরেকটি সত্য ঘটনা: আমাদের পরিচিত একটি পরিবার, ভাই ভাবী দু'জনেই উচ্চ শিক্ষিত, দুই ছেলে এক মেয়ে, মেয়েটি বড় এবং হাইস্কুলে পড়ে। একদিন ভাইকে পরামর্শ দিলাম মেয়েটিকে সপ্তাহে বন্ধের একদিন ইসলামিক স্কুলে দেয়ার জন্য, পাঁচ ঘন্টা ক্লাস। যেন সে সাধারণ পড়ালেখার পাশাপাশি ইসলাম শিখতে পারে। এই প্রস্তাব শুনে বাবা বললেন, "আমার মেয়ে তো খুব ভাল স্টুডেন্ট, এই ইসলাম শিখতে গিয়ে তার পড়ালেখার কোন ক্ষতি হবে না তো?” শেষ পর্যন্ত বাবা মেয়েটিকে সপ্তাহে একদিন কয়েক ঘন্টার জন্য ইসলাম শিখতে দেননি। অনেক পরিবারেরই ভুল ধারণা, তাদের ভয় ইসলাম শিখতে গিয়ে সন্তানের পড়ালেখার ক্ষতি হতে পারে, সে যদি আবার ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে না পারে!

অথচ বাস্তবতা ভিন্ন। হাইস্কুল পাস মেয়েরা আজকাল নিজেরাই একটা আদর্শ তৈরী করে নেয়। সেটি হতে পারে Rock n Roll এর আদর্শ, কিংবা আমেরিকান আইডলের আদর্শ, কিংবা ইন্ডিয়ান কোন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী গায়ক বা গায়িকার আদর্শ। শুধু তাই নয়, এর বাইরে কোন কিছুকে তারা সেকেলে বা নিম্নস্তরের জিনিস মুখে না বললেও ভাবে তা প্রকাশ করে দেয়। অন্যদের সে আদর্শের অনুসারী বানানোর চেষ্টা করে। আফসোস, এই পরিবারটি বিষয়টি বুঝলেন না। তাই আসুন শিশুদের উপযোগী ইসলামী ডিভিডি ইত্যাদি সংগ্রহ করি। সন্তানদের সেগুলি উপভোগ করার জন্য উৎসাহিত করি। হিকমতের সাথে ও তাদের স্বতন্ত্র সত্তার কথা বিবেচনা করে ধীরে ধীরে এগুতে থাকি। এসব ইসলামী শিক্ষামূলক বই, ডিভিডি খুব সহজেই আজকাল পাওয়া যায়। এছাড়া ইউটিউবতো রয়েছেই।

📘 প্যারেন্টিং এই আধুনিক যুগে সন্তানকে কিভাবে মানুষ করবো 📄 আমি কি চাই এই প্রতিকূল পরিবেশে আমার সন্তানের ঈমানী শক্তি বৃদ্ধি হোক?

📄 আমি কি চাই এই প্রতিকূল পরিবেশে আমার সন্তানের ঈমানী শক্তি বৃদ্ধি হোক?


একসময় আধুনিক ছেলেমেয়েরা রেডিও শুনতো না। কিন্তু যুগ পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন ছেলেমেয়েরা নিয়মিত রেডিও শুনে মোবাইলের মাধ্যমে। বাংলাদেশে এখন কয়েকটি রেডিও চ্যানেল চালু হয়েছে। এই চ্যানেলগুলো উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। কারণ এই চ্যানেলগুলো ছেলেমেয়েদের অবাধ প্রেম নিবেদনের মিডিয়া হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে তারা তাদের ভালবাসা-ভালোলাগার কথা ব্যক্ত করতে পারে। এছাড়া টিভি চ্যানেলগুলোতেও এই জাতীয় প্রোগ্রামও চালু হয়েছে যার মাধ্যমে ছেলেমেয়েরা তাদের প্রথম (ক্রাস) ভালোলাগার কথা ব্যক্ত করে। এছাড়া আরো রয়েছে মোবাইল কোম্পানীগুলোর রাত বারটার পর ফ্রী টক টাইম ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ প্যাকেজ যার মাধ্যমে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের অবাধ এবং সীমাহীন কথোপকথোন। এরপর তো রয়েছে ফেইসবুকের মাধ্যমে অবাধ বুন্ধুত্ব। সারাদিন স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি এবং বাইরের পরিবেশ তারপর ডিসের মাধ্যমে ঘরে ঘরে হিন্দি চ্যানেলে সিনেমা, নাচ, গান, সিরিয়াল。

চারিদিক দিয়ে আমাদের সন্তানদের আক্রমণ করছে! কোথায় যাবে তারা? পালাবার কোন রাস্তা নেই! কুরআনের ইতিহাস থেকে আমরা দেখেছি যে, পূর্বে যখন একেকটা জাতি এভাবে পাপের সীমা ছাড়িয়ে গেছে তখন আল্লাহ সেই জাতিগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছিল, যেমন আদ জাতি, সামুদ জাতি, লুত জাতি। আমাদের সামনেও মহাবিপদ! চারিদিকে আগুন, আমাদের সন্তানরা এই আগুনের মধ্যে বসবাস করছে。

আমাদের সন্তানদেরকে এই আগুন থেকে রক্ষা করতে হলে একটিই পথ আর তা হচ্ছে তাদের ঈমানী শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে। ঈমানী শক্তি বৃদ্ধি করতে হলে সর্বপ্রথমে তাদেরকে ঈমানের উপর সঠিক জ্ঞান দিতে হবে। এর পাশাপাশি তাদের মধ্যে আল্লাহ ভীতি এবং আল্লার প্রতি ভালবাসা বাড়াতে হবে। এই দু'টি বিষয় সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জনের জন্য আমাদের ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট প্যাকেজ সিরিজের প্রকাশিত ১ম ও ২য় বই ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা ও তাকওয়া জোগাড় করে খুব ভালভাবে পড়তে হবে। ইনশাআল্লাহ এর মাধ্যমে আমরা শিখতে পারবো কীভাবে ঈমানকে মজবুত করা যায়, কীভাবে ঈমানকে renew করা যায়, কীভাবে ঈমানের উপর টিকে থাকা যায় ইত্যাদি। আর তাকওয়ার মাধ্যমে জানতে পারবো কীভাবে আল্লাহকে ভালবাসা যায় এবং তাঁর ভালবাসা অর্জন করা যায়, কীভাবে আল্লাহর প্রতি ভয় বাড়ানো যায়, কীভাবে আল্লাহর প্রতি সচেতনতা বাড়ানো যায় ইত্যাদি।

ফন্ট সাইজ
15px
17px