📄 ভালো কাজের নিয়ত
যেকোনো কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়ত। আপনার কোনো ভালো কাজের উদ্দেশ্য যদি সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করা হয়, তবে কাজটি করে আপনার মানসিক শান্তি পাওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। কিন্তু অন্য কাউকে দেখানোর জন্য বা খুশি করার জন্য কোনো কাজ করলেই আপনার মধ্যে প্রশংসা, স্বীকৃতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা চলে আসবে, আর সব মানুষকে কখনোই খুশি করা সম্ভব না। আজ আপনার কাজে যদি কোনো মানুষ খুশি হয়, হয়তোবা কাল সে কোনো কাজে বিরক্ত হবে।
ফলে একসময় আপনার হতাশা সৃষ্টি হবে। যা রূপ নেবে বিষণ্ণতায়। তাই মানুষকে খুশি করার উদ্দেশ্যের চেয়ে বরং আমাদের উচিত কাজ করার মূল উদ্দেশ্য কী তা সব সময় মনে রাখা। প্রত্যেকেরই উচিত আমাদের আত্মিক বন্ধন যেন সব সময় সৃষ্টিকর্তার প্রতি যুক্ত থাকে সে দিকে নজর রাখা।
যেকোনো কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়ত। আপনার কোনো ভালো কাজের উদ্দেশ্য যদি সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করা হয়, তবে কাজটি করে আপনার মানসিক শান্তি পাওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। কিন্তু অন্য কাউকে দেখানোর জন্য বা খুশি করার জন্য কোনো কাজ করলেই আপনার মধ্যে প্রশংসা, স্বীকৃতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা চলে আসবে, আর সব মানুষকে কখনোই খুশি করা সম্ভব না। আজ আপনার কাজে যদি কোনো মানুষ খুশি হয়, হয়তোবা কাল সে কোনো কাজে বিরক্ত হবে।
ফলে একসময় আপনার হতাশা সৃষ্টি হবে। যা রূপ নেবে বিষণ্ণতায়। তাই মানুষকে খুশি করার উদ্দেশ্যের চেয়ে বরং আমাদের উচিত কাজ করার মূল উদ্দেশ্য কী তা সব সময় মনে রাখা। প্রত্যেকেরই উচিত আমাদের আত্মিক বন্ধন যেন সব সময় সৃষ্টিকর্তার প্রতি যুক্ত থাকে সে দিকে নজর রাখা।
📄 ব্যক্তিগত সময় কাটানো
হেলথি স্পিরিচুয়ালিটির (Healthy Spirituality) জন্য একান্ত ব্যক্তিগত সময় কাটানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ এ সময়ে আপনি শুধু আধ্যাত্মিক অবস্থান সম্পর্কে ভাববেন। আপনি কোন কোন ক্ষেত্রে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে নিজের আত্মিক বন্ধন বাড়াতে চান এবং সেই লক্ষ্যে এগোতে পারেন— এই বিষয়গুলো নিয়ে যদি নিজের সঙ্গে বসে কিছুক্ষণ চিন্তা করা হয়, তবে তা সার্বিকভাবে আমাদের মানসিক সুস্থতা বাড়ায়।
হেলথি স্পিরিচুয়ালিটির (Healthy Spirituality) জন্য একান্ত ব্যক্তিগত সময় কাটানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ এ সময়ে আপনি শুধু আধ্যাত্মিক অবস্থান সম্পর্কে ভাববেন। আপনি কোন কোন ক্ষেত্রে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে নিজের আত্মিক বন্ধন বাড়াতে চান এবং সেই লক্ষ্যে এগোতে পারেন— এই বিষয়গুলো নিয়ে যদি নিজের সঙ্গে বসে কিছুক্ষণ চিন্তা করা হয়, তবে তা সার্বিকভাবে আমাদের মানসিক সুস্থতা বাড়ায়।
📄 হীনম্মন্যতায় না ভোগা
আমাদের অনেকেরই মন খারাপ বা বিষণ্ণতার একটি বড়ো কারণ হলো— পৃথিবীতে আমাদের নিজেদের অবস্থান সম্বন্ধে হীনমন্যতায় ভোগা। আমরা অনেকেই মনে করি, আমি আসলে যা-ই করি তাতে কিছুই যায়-আসে না। কিন্তু আসলে এ বিষয়টি সত্য নয়; বরং আমাদের প্রত্যেকটি কাজ পৃথিবীতে গুরুত্বপূর্ণ। আমার একটি ভালো কাজ যেমন পৃথিবীতে ভালো কাজের সংখ্যা বাড়ায়, একইভাবে প্রতিটি খারাপ কাজও পৃথিবীকে কলুষিত করে। আমরা সম্পূর্ণ পৃথিবীর একজন মানুষকেও যদি সাহায্য করতে পারি, তার নিয়ত পরিবর্তন করতে পারি, তা নিঃসন্দেহে আমাদের পুণ্যের খাতায় পৃষ্ঠা যোগ করে এবং পৃথিবীর খাতায় যোগ করে পূর্ণতা।
আমাদের অনেকেরই মন খারাপ বা বিষণ্ণতার একটি বড়ো কারণ হলো— পৃথিবীতে আমাদের নিজেদের অবস্থান সম্বন্ধে হীনমন্যতায় ভোগা। আমরা অনেকেই মনে করি, আমি আসলে যা-ই করি তাতে কিছুই যায়-আসে না। কিন্তু আসলে এ বিষয়টি সত্য নয়; বরং আমাদের প্রত্যেকটি কাজ পৃথিবীতে গুরুত্বপূর্ণ। আমার একটি ভালো কাজ যেমন পৃথিবীতে ভালো কাজের সংখ্যা বাড়ায়, একইভাবে প্রতিটি খারাপ কাজও পৃথিবীকে কলুষিত করে। আমরা সম্পূর্ণ পৃথিবীর একজন মানুষকেও যদি সাহায্য করতে পারি, তার নিয়ত পরিবর্তন করতে পারি, তা নিঃসন্দেহে আমাদের পুণ্যের খাতায় পৃষ্ঠা যোগ করে এবং পৃথিবীর খাতায় যোগ করে পূর্ণতা।
📄 মৃত্যুচিন্তা
আধ্যাত্মিকতার স্বাস্থ্যকর চিন্তাগুলোর একটি বড়ো অংশজুড়ে রয়েছে 'মৃত্যুচিন্তা'। মৃত্যুকে তাচ্ছিল্য করে জীবনযাপন করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি অতিরিক্ত মৃত্যুভয়ও সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমরা সব সময় বলি, যেন আমাদের প্রত্যেকেরই এমনভাবে মৃত্যু হয়, যাতে মৃত্যুর পরে সৃষ্টিকর্তাও আমাদের দেখে খুশি হন এবং আমরাও সৃষ্টিকর্তাকে দেখে খুশি হই। মৃত্যুকে আমরা কখনোই নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। কিন্তু এই জীবনকাল আমরা কীভাবে অতিবাহিত করব এবং মৃত্যুর পরের জন্য কী পুঁজি সংগ্রহ করব তার অনেকখানিই আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। তাই বর্তমানে এমনভাবে উপস্থিত থেকে কাজ করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কখনোই বর্তমানের জন্য আফসোস না হয়।
আধ্যাত্মিকতার স্বাস্থ্যকর চিন্তাগুলোর একটি বড়ো অংশজুড়ে রয়েছে 'মৃত্যুচিন্তা'। মৃত্যুকে তাচ্ছিল্য করে জীবনযাপন করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি অতিরিক্ত মৃত্যুভয়ও সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমরা সব সময় বলি, যেন আমাদের প্রত্যেকেরই এমনভাবে মৃত্যু হয়, যাতে মৃত্যুর পরে সৃষ্টিকর্তাও আমাদের দেখে খুশি হন এবং আমরাও সৃষ্টিকর্তাকে দেখে খুশি হই। মৃত্যুকে আমরা কখনোই নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। কিন্তু এই জীবনকাল আমরা কীভাবে অতিবাহিত করব এবং মৃত্যুর পরের জন্য কী পুঁজি সংগ্রহ করব তার অনেকখানিই আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। তাই বর্তমানে এমনভাবে উপস্থিত থেকে কাজ করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কখনোই বর্তমানের জন্য আফসোস না হয়।