📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 নিজেকে দোষ না দেওয়া

📄 নিজেকে দোষ না দেওয়া


আমাদের দেশে অভিভাবকদের বিষণ্নতার একটি বড়ো কারণ হলো সন্তান- সন্ততি। সন্তানের সবকিছুর জন্যই তারা নিজেকে দোষারোপ করেন এবং সবকিছুর নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে চান। কিন্তু সন্তান অসুস্থ হলে, সঠিক পথে না চললে সব সময় যে তার সম্পূর্ণ দায় অভিভাবকদের এমনটা নয়। সন্তানেরা পরিবার ছাড়াও সমাজ, প্রতিষ্ঠান, বন্ধুদের থেকেও শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। সন্তান সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত এবং তাকে আপনি শুধু পথ দেখাতে পারেন, কিন্তু পথ বেছে নেওয়া তার ওপর নির্ভর করে। অভিভাবকেরা ব্যতিক্রম কিছু হলেই মনে করেন, 'আমার সঙ্গেই কেন এমন হয়', 'সৃষ্টিকর্তা আমাকে ভালোবাসেন না'। আমরা জানি যে, সৃষ্টিকর্তা যাদের ভালোবাসেন নানাতাবে তাদের পরীক্ষা নেন। তাই পৃথিবীতে সবকিছু পারফেক্ট হবে, এটা আশা করাও ঠিক নয়।

আমাদের দেশে অভিভাবকদের বিষণ্নতার একটি বড়ো কারণ হলো সন্তান- সন্ততি। সন্তানের সবকিছুর জন্যই তারা নিজেকে দোষারোপ করেন এবং সবকিছুর নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে চান। কিন্তু সন্তান অসুস্থ হলে, সঠিক পথে না চললে সব সময় যে তার সম্পূর্ণ দায় অভিভাবকদের এমনটা নয়। সন্তানেরা পরিবার ছাড়াও সমাজ, প্রতিষ্ঠান, বন্ধুদের থেকেও শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। সন্তান সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত এবং তাকে আপনি শুধু পথ দেখাতে পারেন, কিন্তু পথ বেছে নেওয়া তার ওপর নির্ভর করে। অভিভাবকেরা ব্যতিক্রম কিছু হলেই মনে করেন, 'আমার সঙ্গেই কেন এমন হয়', 'সৃষ্টিকর্তা আমাকে ভালোবাসেন না'। আমরা জানি যে, সৃষ্টিকর্তা যাদের ভালোবাসেন নানাতাবে তাদের পরীক্ষা নেন। তাই পৃথিবীতে সবকিছু পারফেক্ট হবে, এটা আশা করাও ঠিক নয়।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 ভালো কাজের নিয়ত

📄 ভালো কাজের নিয়ত


যেকোনো কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়ত। আপনার কোনো ভালো কাজের উদ্দেশ্য যদি সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করা হয়, তবে কাজটি করে আপনার মানসিক শান্তি পাওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। কিন্তু অন্য কাউকে দেখানোর জন্য বা খুশি করার জন্য কোনো কাজ করলেই আপনার মধ্যে প্রশংসা, স্বীকৃতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা চলে আসবে, আর সব মানুষকে কখনোই খুশি করা সম্ভব না। আজ আপনার কাজে যদি কোনো মানুষ খুশি হয়, হয়তোবা কাল সে কোনো কাজে বিরক্ত হবে।

ফলে একসময় আপনার হতাশা সৃষ্টি হবে। যা রূপ নেবে বিষণ্ণতায়। তাই মানুষকে খুশি করার উদ্দেশ্যের চেয়ে বরং আমাদের উচিত কাজ করার মূল উদ্দেশ্য কী তা সব সময় মনে রাখা। প্রত্যেকেরই উচিত আমাদের আত্মিক বন্ধন যেন সব সময় সৃষ্টিকর্তার প্রতি যুক্ত থাকে সে দিকে নজর রাখা।

যেকোনো কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়ত। আপনার কোনো ভালো কাজের উদ্দেশ্য যদি সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করা হয়, তবে কাজটি করে আপনার মানসিক শান্তি পাওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। কিন্তু অন্য কাউকে দেখানোর জন্য বা খুশি করার জন্য কোনো কাজ করলেই আপনার মধ্যে প্রশংসা, স্বীকৃতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা চলে আসবে, আর সব মানুষকে কখনোই খুশি করা সম্ভব না। আজ আপনার কাজে যদি কোনো মানুষ খুশি হয়, হয়তোবা কাল সে কোনো কাজে বিরক্ত হবে।

ফলে একসময় আপনার হতাশা সৃষ্টি হবে। যা রূপ নেবে বিষণ্ণতায়। তাই মানুষকে খুশি করার উদ্দেশ্যের চেয়ে বরং আমাদের উচিত কাজ করার মূল উদ্দেশ্য কী তা সব সময় মনে রাখা। প্রত্যেকেরই উচিত আমাদের আত্মিক বন্ধন যেন সব সময় সৃষ্টিকর্তার প্রতি যুক্ত থাকে সে দিকে নজর রাখা।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 ব্যক্তিগত সময় কাটানো

📄 ব্যক্তিগত সময় কাটানো


হেলথি স্পিরিচুয়ালিটির (Healthy Spirituality) জন্য একান্ত ব্যক্তিগত সময় কাটানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ এ সময়ে আপনি শুধু আধ্যাত্মিক অবস্থান সম্পর্কে ভাববেন। আপনি কোন কোন ক্ষেত্রে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে নিজের আত্মিক বন্ধন বাড়াতে চান এবং সেই লক্ষ্যে এগোতে পারেন— এই বিষয়গুলো নিয়ে যদি নিজের সঙ্গে বসে কিছুক্ষণ চিন্তা করা হয়, তবে তা সার্বিকভাবে আমাদের মানসিক সুস্থতা বাড়ায়।

হেলথি স্পিরিচুয়ালিটির (Healthy Spirituality) জন্য একান্ত ব্যক্তিগত সময় কাটানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ এ সময়ে আপনি শুধু আধ্যাত্মিক অবস্থান সম্পর্কে ভাববেন। আপনি কোন কোন ক্ষেত্রে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে নিজের আত্মিক বন্ধন বাড়াতে চান এবং সেই লক্ষ্যে এগোতে পারেন— এই বিষয়গুলো নিয়ে যদি নিজের সঙ্গে বসে কিছুক্ষণ চিন্তা করা হয়, তবে তা সার্বিকভাবে আমাদের মানসিক সুস্থতা বাড়ায়।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 হীনম্মন্যতায় না ভোগা

📄 হীনম্মন্যতায় না ভোগা


আমাদের অনেকেরই মন খারাপ বা বিষণ্ণতার একটি বড়ো কারণ হলো— পৃথিবীতে আমাদের নিজেদের অবস্থান সম্বন্ধে হীনমন্যতায় ভোগা। আমরা অনেকেই মনে করি, আমি আসলে যা-ই করি তাতে কিছুই যায়-আসে না। কিন্তু আসলে এ বিষয়টি সত্য নয়; বরং আমাদের প্রত্যেকটি কাজ পৃথিবীতে গুরুত্বপূর্ণ। আমার একটি ভালো কাজ যেমন পৃথিবীতে ভালো কাজের সংখ্যা বাড়ায়, একইভাবে প্রতিটি খারাপ কাজও পৃথিবীকে কলুষিত করে। আমরা সম্পূর্ণ পৃথিবীর একজন মানুষকেও যদি সাহায্য করতে পারি, তার নিয়ত পরিবর্তন করতে পারি, তা নিঃসন্দেহে আমাদের পুণ্যের খাতায় পৃষ্ঠা যোগ করে এবং পৃথিবীর খাতায় যোগ করে পূর্ণতা।

আমাদের অনেকেরই মন খারাপ বা বিষণ্ণতার একটি বড়ো কারণ হলো— পৃথিবীতে আমাদের নিজেদের অবস্থান সম্বন্ধে হীনমন্যতায় ভোগা। আমরা অনেকেই মনে করি, আমি আসলে যা-ই করি তাতে কিছুই যায়-আসে না। কিন্তু আসলে এ বিষয়টি সত্য নয়; বরং আমাদের প্রত্যেকটি কাজ পৃথিবীতে গুরুত্বপূর্ণ। আমার একটি ভালো কাজ যেমন পৃথিবীতে ভালো কাজের সংখ্যা বাড়ায়, একইভাবে প্রতিটি খারাপ কাজও পৃথিবীকে কলুষিত করে। আমরা সম্পূর্ণ পৃথিবীর একজন মানুষকেও যদি সাহায্য করতে পারি, তার নিয়ত পরিবর্তন করতে পারি, তা নিঃসন্দেহে আমাদের পুণ্যের খাতায় পৃষ্ঠা যোগ করে এবং পৃথিবীর খাতায় যোগ করে পূর্ণতা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00