📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 অহংকার থেকে বেরিয়ে আসা

📄 অহংকার থেকে বেরিয়ে আসা


হাদিসে বর্ণিত আছে, ‘কারও মধ্যে সরিষার দানা পরিমাণ অহংকারবোধ বিদ্যমান থাকলেও সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।' আমাদের ধন-দৌলত-সৌন্দর্য-মেধা-জ্ঞান-সন্তান সবই সৃষ্টিকর্তার দান। এতে আমাদের গর্বের কিছুই নেই! কিন্তু এত কিছুর পরেও কত কিছু নিয়েই-না কত গর্ব আমাদের! কখনো জ্ঞান, প্রজ্ঞা, রূপ, ধন; কখনো আবার ধর্মই হয়ে দাঁড়ায় আমাদের অহংকারের কারণ। একটু চিন্তা করলে দেখবেন, আমাদের হিংসা ও রাগের মূল কারণও কিন্তু আমাদের এই অহংকার। অহংকার থেকে বের হয়ে আসার জন্য তিনটি উপায় খুবই কার্যকর—

১. কখনো চিন্তা করে দেখেছেন, আমরা কত তুচ্ছ যে, মৃত্যুর পরে আমাদের দেহ পোকা-মাকড়ের খাবার হবে। মৃত্যুর পরে আসলে আমাদের কাজগুলো ব্যতীত কিছুই জীবিত থাকবে না। তাই মানুষের মনে স্থান তৈরি করতে না পারা আর অহংকার নিয়ে মৃত্যুবরণ করা নিতান্তই বোকামি।

২. কিছু চমৎকার অভ্যাসের নিয়মিত অনুশীলন আমাদের অহংকারবোধকে ভেতর থেকে দূর করতে পারে। যেমন, আমাদের থেকে আর্থিকভাবে নিচু অবস্থানে যারা আছেন এমন কাউকে (যেমন: দারোয়ান) টানা সাত দিন নিজে আগে থেকে সালাম দেওয়া। সাহায্যকারীকে একই পরিধেয় পোশাক বা খাবার দেওয়া, যা আমরা নিজের জন্য ব্যবহার করি। এমন কিছু অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাবে যে, আমাদের অহংকার কমতে শুরু করেছে।

৩. এবার ধরুন, আপনার কাছে একটি চাবি আছে, যা আপনি আমাকে দিলেন। আমি সেই চাবি দিয়ে দরজা খুলে রুমের ভেতরের সিন্দুক থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হলাম। বলুন তো, এই সম্পদের সত্যিকারের হকদার কি আমি নিজে না কি আপনি, যে আমাকে চাবিটা দিয়েছিলেন? একইভাবে, আমাদের ধন-সম্পদ, রূপ-সৌন্দর্যের আসল হকদার তিনিই, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং নিয়ামত হিসেবে এই জিনিসগুলো আমাদের দিয়েছেন। তাহলে আমরা কিসের জন্য অহংকার করি, যেখানে এই সবকিছুর আসল হকদার আমরা কেউই নই!

নিজেদের ভেতরের অহংকারবোধ নিয়ে তাই আমাদের সচেতন হতে হবে। কারণ, অল্প পরিমাণ অহংকার আমাদের ভালো কাজ নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। অহংকার সরাসরি বিষণ্নতার সঙ্গে জড়িত। আমরা যখন নিজেকে বড়ো মনে করি, তখন স্বাভাবিকভাবেই অন্যদের ছোটো মনে হয় এবং বাকিরা ভালো কিছু অর্জন করলে গ্রহণ করতে কষ্ট হয়। তাই অহংকার দূর করা, বিষণ্নতা দূরীকরণের জন্যও জরুরি।

হাদিসে বর্ণিত আছে, ‘কারও মধ্যে সরিষার দানা পরিমাণ অহংকারবোধ বিদ্যমান থাকলেও সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।' আমাদের ধন-দৌলত-সৌন্দর্য-মেধা-জ্ঞান-সন্তান সবই সৃষ্টিকর্তার দান। এতে আমাদের গর্বের কিছুই নেই! কিন্তু এত কিছুর পরেও কত কিছু নিয়েই-না কত গর্ব আমাদের! কখনো জ্ঞান, প্রজ্ঞা, রূপ, ধন; কখনো আবার ধর্মই হয়ে দাঁড়ায় আমাদের অহংকারের কারণ। একটু চিন্তা করলে দেখবেন, আমাদের হিংসা ও রাগের মূল কারণও কিন্তু আমাদের এই অহংকার। অহংকার থেকে বের হয়ে আসার জন্য তিনটি উপায় খুবই কার্যকর—

১. কখনো চিন্তা করে দেখেছেন, আমরা কত তুচ্ছ যে, মৃত্যুর পরে আমাদের দেহ পোকা-মাকড়ের খাবার হবে। মৃত্যুর পরে আসলে আমাদের কাজগুলো ব্যতীত কিছুই জীবিত থাকবে না। তাই মানুষের মনে স্থান তৈরি করতে না পারা আর অহংকার নিয়ে মৃত্যুবরণ করা নিতান্তই বোকামি।

২. কিছু চমৎকার অভ্যাসের নিয়মিত অনুশীলন আমাদের অহংকারবোধকে ভেতর থেকে দূর করতে পারে। যেমন, আমাদের থেকে আর্থিকভাবে নিচু অবস্থানে যারা আছেন এমন কাউকে (যেমন: দারোয়ান) টানা সাত দিন নিজে আগে থেকে সালাম দেওয়া। সাহায্যকারীকে একই পরিধেয় পোশাক বা খাবার দেওয়া, যা আমরা নিজের জন্য ব্যবহার করি। এমন কিছু অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাবে যে, আমাদের অহংকার কমতে শুরু করেছে।

৩. এবার ধরুন, আপনার কাছে একটি চাবি আছে, যা আপনি আমাকে দিলেন। আমি সেই চাবি দিয়ে দরজা খুলে রুমের ভেতরের সিন্দুক থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হলাম। বলুন তো, এই সম্পদের সত্যিকারের হকদার কি আমি নিজে না কি আপনি, যে আমাকে চাবিটা দিয়েছিলেন? একইভাবে, আমাদের ধন-সম্পদ, রূপ-সৌন্দর্যের আসল হকদার তিনিই, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং নিয়ামত হিসেবে এই জিনিসগুলো আমাদের দিয়েছেন। তাহলে আমরা কিসের জন্য অহংকার করি, যেখানে এই সবকিছুর আসল হকদার আমরা কেউই নই!

নিজেদের ভেতরের অহংকারবোধ নিয়ে তাই আমাদের সচেতন হতে হবে। কারণ, অল্প পরিমাণ অহংকার আমাদের ভালো কাজ নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। অহংকার সরাসরি বিষণ্নতার সঙ্গে জড়িত। আমরা যখন নিজেকে বড়ো মনে করি, তখন স্বাভাবিকভাবেই অন্যদের ছোটো মনে হয় এবং বাকিরা ভালো কিছু অর্জন করলে গ্রহণ করতে কষ্ট হয়। তাই অহংকার দূর করা, বিষণ্নতা দূরীকরণের জন্যও জরুরি।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 সমালোচনা সহ্য করা

📄 সমালোচনা সহ্য করা


আমরা অনেকেই সমালোচনা সহ্য করতে পারি না। কেউ আমাদের বদনাম করলে বিষণ্ন হয়ে পড়ি। ধর্মে আছে, যে ব্যক্তি গিবত করে, তার পুণ্য যার নামে গিবত করা হয়েছে সেই ব্যক্তির খাতায় জমা হয়। অর্থাৎ, কেউ আপনার নামে বদনাম করলে আসলে আপনার পুণ্য বাড়ছে, আর তার ভালো কাজের পরিমাণ কমছে। তাই বিষণ্ন না হয়ে ভাবতে পারেন, পরোক্ষভাবে আপনিই লাভবান হচ্ছেন।

আমরা অনেকেই সমালোচনা সহ্য করতে পারি না। কেউ আমাদের বদনাম করলে বিষণ্ন হয়ে পড়ি। ধর্মে আছে, যে ব্যক্তি গিবত করে, তার পুণ্য যার নামে গিবত করা হয়েছে সেই ব্যক্তির খাতায় জমা হয়। অর্থাৎ, কেউ আপনার নামে বদনাম করলে আসলে আপনার পুণ্য বাড়ছে, আর তার ভালো কাজের পরিমাণ কমছে। তাই বিষণ্ন না হয়ে ভাবতে পারেন, পরোক্ষভাবে আপনিই লাভবান হচ্ছেন।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 নিজেকে দোষ না দেওয়া

📄 নিজেকে দোষ না দেওয়া


আমাদের দেশে অভিভাবকদের বিষণ্নতার একটি বড়ো কারণ হলো সন্তান- সন্ততি। সন্তানের সবকিছুর জন্যই তারা নিজেকে দোষারোপ করেন এবং সবকিছুর নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে চান। কিন্তু সন্তান অসুস্থ হলে, সঠিক পথে না চললে সব সময় যে তার সম্পূর্ণ দায় অভিভাবকদের এমনটা নয়। সন্তানেরা পরিবার ছাড়াও সমাজ, প্রতিষ্ঠান, বন্ধুদের থেকেও শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। সন্তান সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত এবং তাকে আপনি শুধু পথ দেখাতে পারেন, কিন্তু পথ বেছে নেওয়া তার ওপর নির্ভর করে। অভিভাবকেরা ব্যতিক্রম কিছু হলেই মনে করেন, 'আমার সঙ্গেই কেন এমন হয়', 'সৃষ্টিকর্তা আমাকে ভালোবাসেন না'। আমরা জানি যে, সৃষ্টিকর্তা যাদের ভালোবাসেন নানাতাবে তাদের পরীক্ষা নেন। তাই পৃথিবীতে সবকিছু পারফেক্ট হবে, এটা আশা করাও ঠিক নয়।

আমাদের দেশে অভিভাবকদের বিষণ্নতার একটি বড়ো কারণ হলো সন্তান- সন্ততি। সন্তানের সবকিছুর জন্যই তারা নিজেকে দোষারোপ করেন এবং সবকিছুর নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে চান। কিন্তু সন্তান অসুস্থ হলে, সঠিক পথে না চললে সব সময় যে তার সম্পূর্ণ দায় অভিভাবকদের এমনটা নয়। সন্তানেরা পরিবার ছাড়াও সমাজ, প্রতিষ্ঠান, বন্ধুদের থেকেও শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। সন্তান সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত এবং তাকে আপনি শুধু পথ দেখাতে পারেন, কিন্তু পথ বেছে নেওয়া তার ওপর নির্ভর করে। অভিভাবকেরা ব্যতিক্রম কিছু হলেই মনে করেন, 'আমার সঙ্গেই কেন এমন হয়', 'সৃষ্টিকর্তা আমাকে ভালোবাসেন না'। আমরা জানি যে, সৃষ্টিকর্তা যাদের ভালোবাসেন নানাতাবে তাদের পরীক্ষা নেন। তাই পৃথিবীতে সবকিছু পারফেক্ট হবে, এটা আশা করাও ঠিক নয়।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 ভালো কাজের নিয়ত

📄 ভালো কাজের নিয়ত


যেকোনো কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়ত। আপনার কোনো ভালো কাজের উদ্দেশ্য যদি সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করা হয়, তবে কাজটি করে আপনার মানসিক শান্তি পাওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। কিন্তু অন্য কাউকে দেখানোর জন্য বা খুশি করার জন্য কোনো কাজ করলেই আপনার মধ্যে প্রশংসা, স্বীকৃতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা চলে আসবে, আর সব মানুষকে কখনোই খুশি করা সম্ভব না। আজ আপনার কাজে যদি কোনো মানুষ খুশি হয়, হয়তোবা কাল সে কোনো কাজে বিরক্ত হবে।

ফলে একসময় আপনার হতাশা সৃষ্টি হবে। যা রূপ নেবে বিষণ্ণতায়। তাই মানুষকে খুশি করার উদ্দেশ্যের চেয়ে বরং আমাদের উচিত কাজ করার মূল উদ্দেশ্য কী তা সব সময় মনে রাখা। প্রত্যেকেরই উচিত আমাদের আত্মিক বন্ধন যেন সব সময় সৃষ্টিকর্তার প্রতি যুক্ত থাকে সে দিকে নজর রাখা।

যেকোনো কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়ত। আপনার কোনো ভালো কাজের উদ্দেশ্য যদি সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট করা হয়, তবে কাজটি করে আপনার মানসিক শান্তি পাওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। কিন্তু অন্য কাউকে দেখানোর জন্য বা খুশি করার জন্য কোনো কাজ করলেই আপনার মধ্যে প্রশংসা, স্বীকৃতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা চলে আসবে, আর সব মানুষকে কখনোই খুশি করা সম্ভব না। আজ আপনার কাজে যদি কোনো মানুষ খুশি হয়, হয়তোবা কাল সে কোনো কাজে বিরক্ত হবে।

ফলে একসময় আপনার হতাশা সৃষ্টি হবে। যা রূপ নেবে বিষণ্ণতায়। তাই মানুষকে খুশি করার উদ্দেশ্যের চেয়ে বরং আমাদের উচিত কাজ করার মূল উদ্দেশ্য কী তা সব সময় মনে রাখা। প্রত্যেকেরই উচিত আমাদের আত্মিক বন্ধন যেন সব সময় সৃষ্টিকর্তার প্রতি যুক্ত থাকে সে দিকে নজর রাখা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00