📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 আশা ধরে রাখা

📄 আশা ধরে রাখা


প্রায় সকল ধর্মেই পৃথিবী ছাড়া অন্য একটি জগতের কথা বলা আছে; কখনো আখিরাত নামে, কখনোবা পুনর্জন্ম নামে। ধর্মমতে, আমাদের প্রতিটি ভালো কাজের সমপরিমাণ পুরস্কার আমরা পাব, এই জীবনে অথবা পরবর্তী জীবনে। একইভাবে প্রতিটি কষ্টের জন্য সমপরিমাণ প্রতিদান আমরা অবশ্যই পাব। অধিকাংশ সময় আমরা হতাশ হয়ে যাই এটা ভেবে যে, আমি কেন আমার ভালো কাজের জন্য প্রতিদান পাচ্ছি না। কিন্তু আমরা যদি এই বিশ্বাসে বিশ্বাসী হই যে, এই পৃথিবীতে প্রতিদান না পেলে আমি অবশ্যই কোনো না কোনো জায়গায় পুরস্কৃত হব, তাহলে অনেকখানি হতাশাই কেটে যাবে। ভালো থাকার জন্য আশা ধরে রাখা বেশ জরুরি।

প্রায় সকল ধর্মেই পৃথিবী ছাড়া অন্য একটি জগতের কথা বলা আছে; কখনো আখিরাত নামে, কখনোবা পুনর্জন্ম নামে। ধর্মমতে, আমাদের প্রতিটি ভালো কাজের সমপরিমাণ পুরস্কার আমরা পাব, এই জীবনে অথবা পরবর্তী জীবনে। একইভাবে প্রতিটি কষ্টের জন্য সমপরিমাণ প্রতিদান আমরা অবশ্যই পাব। অধিকাংশ সময় আমরা হতাশ হয়ে যাই এটা ভেবে যে, আমি কেন আমার ভালো কাজের জন্য প্রতিদান পাচ্ছি না। কিন্তু আমরা যদি এই বিশ্বাসে বিশ্বাসী হই যে, এই পৃথিবীতে প্রতিদান না পেলে আমি অবশ্যই কোনো না কোনো জায়গায় পুরস্কৃত হব, তাহলে অনেকখানি হতাশাই কেটে যাবে। ভালো থাকার জন্য আশা ধরে রাখা বেশ জরুরি।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 নিজের সঙ্গে অন্যের তুলনা না করা

📄 নিজের সঙ্গে অন্যের তুলনা না করা


আমাদের জীবনে হতাশা বা বিষণ্ণতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো তুলনা। আমরা সব সময়ই মনে করি, বাকিদের ধন-দৌলত সৌন্দর্য-জ্ঞান আমার কেন নেই? হাদিসে বলা আছে, ‘ততক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের পূর্ণ মুমিন বলা যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি নিজের জন্য যা চাও, অন্যের তা অর্জন হলে তুমি সেই পরিমাণ খুশি হও, যে পরিমাণ খুশি তুমি নিজের সেটি অর্জিত হলে হতো।' সব সময় সমপরিমাণ আনন্দ অনুভব করা সম্ভব না হলেও, আমাদের চেষ্টায় সেই উদ্দেশ্য সব সময় থাকতে হবে। আমরা যদি প্রত্যেকে এই বিশ্বাস ধারণ করতে পারি তাহলে বিষণ্ণতা অনেকাংশেই কেটে যাওয়া সম্ভব।

আমাদের জীবনে হতাশা বা বিষণ্ণতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো তুলনা। আমরা সব সময়ই মনে করি, বাকিদের ধন-দৌলত সৌন্দর্য-জ্ঞান আমার কেন নেই? হাদিসে বলা আছে, ‘ততক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের পূর্ণ মুমিন বলা যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি নিজের জন্য যা চাও, অন্যের তা অর্জন হলে তুমি সেই পরিমাণ খুশি হও, যে পরিমাণ খুশি তুমি নিজের সেটি অর্জিত হলে হতো।' সব সময় সমপরিমাণ আনন্দ অনুভব করা সম্ভব না হলেও, আমাদের চেষ্টায় সেই উদ্দেশ্য সব সময় থাকতে হবে। আমরা যদি প্রত্যেকে এই বিশ্বাস ধারণ করতে পারি তাহলে বিষণ্ণতা অনেকাংশেই কেটে যাওয়া সম্ভব।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 ক্ষমা প্রার্থনা

📄 ক্ষমা প্রার্থনা


মানুষমাত্রই ভুল করে। আমরা প্রত্যেকেই জীবনে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে থাকি। উপযুক্ত সময়ে আমরা প্রত্যেকেই আল্লাহ্‌-তাআলা-ঈশ্বর বা নিজ সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি। যেখানে আমরা আশা করি আমাদের বড়ো ভুলগুলো সৃষ্টিকর্তা ক্ষমা করে দেবেন, সেখানে অন্যের ছোটো ভুলও কেন আমরা ক্ষমা করতে পারি না? ক্ষমা আসলে আমাদের সামনের ব্যক্তির জন্য নয়; বরং এটি আমাদের নিজেদেরকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখে।

মানুষমাত্রই ভুল করে। আমরা প্রত্যেকেই জীবনে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে থাকি। উপযুক্ত সময়ে আমরা প্রত্যেকেই আল্লাহ্‌-তাআলা-ঈশ্বর বা নিজ সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি। যেখানে আমরা আশা করি আমাদের বড়ো ভুলগুলো সৃষ্টিকর্তা ক্ষমা করে দেবেন, সেখানে অন্যের ছোটো ভুলও কেন আমরা ক্ষমা করতে পারি না? ক্ষমা আসলে আমাদের সামনের ব্যক্তির জন্য নয়; বরং এটি আমাদের নিজেদেরকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখে।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 অহংকার থেকে বেরিয়ে আসা

📄 অহংকার থেকে বেরিয়ে আসা


হাদিসে বর্ণিত আছে, ‘কারও মধ্যে সরিষার দানা পরিমাণ অহংকারবোধ বিদ্যমান থাকলেও সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।' আমাদের ধন-দৌলত-সৌন্দর্য-মেধা-জ্ঞান-সন্তান সবই সৃষ্টিকর্তার দান। এতে আমাদের গর্বের কিছুই নেই! কিন্তু এত কিছুর পরেও কত কিছু নিয়েই-না কত গর্ব আমাদের! কখনো জ্ঞান, প্রজ্ঞা, রূপ, ধন; কখনো আবার ধর্মই হয়ে দাঁড়ায় আমাদের অহংকারের কারণ। একটু চিন্তা করলে দেখবেন, আমাদের হিংসা ও রাগের মূল কারণও কিন্তু আমাদের এই অহংকার। অহংকার থেকে বের হয়ে আসার জন্য তিনটি উপায় খুবই কার্যকর—

১. কখনো চিন্তা করে দেখেছেন, আমরা কত তুচ্ছ যে, মৃত্যুর পরে আমাদের দেহ পোকা-মাকড়ের খাবার হবে। মৃত্যুর পরে আসলে আমাদের কাজগুলো ব্যতীত কিছুই জীবিত থাকবে না। তাই মানুষের মনে স্থান তৈরি করতে না পারা আর অহংকার নিয়ে মৃত্যুবরণ করা নিতান্তই বোকামি।

২. কিছু চমৎকার অভ্যাসের নিয়মিত অনুশীলন আমাদের অহংকারবোধকে ভেতর থেকে দূর করতে পারে। যেমন, আমাদের থেকে আর্থিকভাবে নিচু অবস্থানে যারা আছেন এমন কাউকে (যেমন: দারোয়ান) টানা সাত দিন নিজে আগে থেকে সালাম দেওয়া। সাহায্যকারীকে একই পরিধেয় পোশাক বা খাবার দেওয়া, যা আমরা নিজের জন্য ব্যবহার করি। এমন কিছু অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাবে যে, আমাদের অহংকার কমতে শুরু করেছে।

৩. এবার ধরুন, আপনার কাছে একটি চাবি আছে, যা আপনি আমাকে দিলেন। আমি সেই চাবি দিয়ে দরজা খুলে রুমের ভেতরের সিন্দুক থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হলাম। বলুন তো, এই সম্পদের সত্যিকারের হকদার কি আমি নিজে না কি আপনি, যে আমাকে চাবিটা দিয়েছিলেন? একইভাবে, আমাদের ধন-সম্পদ, রূপ-সৌন্দর্যের আসল হকদার তিনিই, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং নিয়ামত হিসেবে এই জিনিসগুলো আমাদের দিয়েছেন। তাহলে আমরা কিসের জন্য অহংকার করি, যেখানে এই সবকিছুর আসল হকদার আমরা কেউই নই!

নিজেদের ভেতরের অহংকারবোধ নিয়ে তাই আমাদের সচেতন হতে হবে। কারণ, অল্প পরিমাণ অহংকার আমাদের ভালো কাজ নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। অহংকার সরাসরি বিষণ্নতার সঙ্গে জড়িত। আমরা যখন নিজেকে বড়ো মনে করি, তখন স্বাভাবিকভাবেই অন্যদের ছোটো মনে হয় এবং বাকিরা ভালো কিছু অর্জন করলে গ্রহণ করতে কষ্ট হয়। তাই অহংকার দূর করা, বিষণ্নতা দূরীকরণের জন্যও জরুরি।

হাদিসে বর্ণিত আছে, ‘কারও মধ্যে সরিষার দানা পরিমাণ অহংকারবোধ বিদ্যমান থাকলেও সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।' আমাদের ধন-দৌলত-সৌন্দর্য-মেধা-জ্ঞান-সন্তান সবই সৃষ্টিকর্তার দান। এতে আমাদের গর্বের কিছুই নেই! কিন্তু এত কিছুর পরেও কত কিছু নিয়েই-না কত গর্ব আমাদের! কখনো জ্ঞান, প্রজ্ঞা, রূপ, ধন; কখনো আবার ধর্মই হয়ে দাঁড়ায় আমাদের অহংকারের কারণ। একটু চিন্তা করলে দেখবেন, আমাদের হিংসা ও রাগের মূল কারণও কিন্তু আমাদের এই অহংকার। অহংকার থেকে বের হয়ে আসার জন্য তিনটি উপায় খুবই কার্যকর—

১. কখনো চিন্তা করে দেখেছেন, আমরা কত তুচ্ছ যে, মৃত্যুর পরে আমাদের দেহ পোকা-মাকড়ের খাবার হবে। মৃত্যুর পরে আসলে আমাদের কাজগুলো ব্যতীত কিছুই জীবিত থাকবে না। তাই মানুষের মনে স্থান তৈরি করতে না পারা আর অহংকার নিয়ে মৃত্যুবরণ করা নিতান্তই বোকামি।

২. কিছু চমৎকার অভ্যাসের নিয়মিত অনুশীলন আমাদের অহংকারবোধকে ভেতর থেকে দূর করতে পারে। যেমন, আমাদের থেকে আর্থিকভাবে নিচু অবস্থানে যারা আছেন এমন কাউকে (যেমন: দারোয়ান) টানা সাত দিন নিজে আগে থেকে সালাম দেওয়া। সাহায্যকারীকে একই পরিধেয় পোশাক বা খাবার দেওয়া, যা আমরা নিজের জন্য ব্যবহার করি। এমন কিছু অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাবে যে, আমাদের অহংকার কমতে শুরু করেছে।

৩. এবার ধরুন, আপনার কাছে একটি চাবি আছে, যা আপনি আমাকে দিলেন। আমি সেই চাবি দিয়ে দরজা খুলে রুমের ভেতরের সিন্দুক থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হলাম। বলুন তো, এই সম্পদের সত্যিকারের হকদার কি আমি নিজে না কি আপনি, যে আমাকে চাবিটা দিয়েছিলেন? একইভাবে, আমাদের ধন-সম্পদ, রূপ-সৌন্দর্যের আসল হকদার তিনিই, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং নিয়ামত হিসেবে এই জিনিসগুলো আমাদের দিয়েছেন। তাহলে আমরা কিসের জন্য অহংকার করি, যেখানে এই সবকিছুর আসল হকদার আমরা কেউই নই!

নিজেদের ভেতরের অহংকারবোধ নিয়ে তাই আমাদের সচেতন হতে হবে। কারণ, অল্প পরিমাণ অহংকার আমাদের ভালো কাজ নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। অহংকার সরাসরি বিষণ্নতার সঙ্গে জড়িত। আমরা যখন নিজেকে বড়ো মনে করি, তখন স্বাভাবিকভাবেই অন্যদের ছোটো মনে হয় এবং বাকিরা ভালো কিছু অর্জন করলে গ্রহণ করতে কষ্ট হয়। তাই অহংকার দূর করা, বিষণ্নতা দূরীকরণের জন্যও জরুরি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00