📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে আত্মিক বন্ধন

📄 সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে আত্মিক বন্ধন


ধার্মিক ব্যক্তিদের মধ্যে বিষণ্ণতার একটি বড়ো কারণ হলো— সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে আত্মিক বন্ধন অনুভূত না হওয়া। দেখা যায়, একজন ব্যক্তি ধর্ম থেকে অনেক দিন দূরে ছিলেন; এখন বিপদের সময় সে যখন সৃষ্টিকর্তার কাছে আশ্রয় চাইতে যান, তার কাছে মনে হয় তিনি হয়তোবা এতই খারাপ যে, সৃষ্টিকর্তা তাকে সাহায্য করবেন না। অবিশ্বাস থেকে জন্ম নেয় হতাশা, যা পরবর্তী সময়ে বিষণ্ণতায় রূপ নেয়। এটার একটি বড়ো কারণ হলো, শৈশবে আমাদের ধর্মের সঙ্গে প্রথম পরিচয় ঘটে কিছু নির্দিষ্ট রীতিনীতি অথবা আচার-আচরণের মাধ্যমে, যার অধিকাংশের অর্থই আমাদের জানা হয়ে ওঠে না। অথচ সুরা দো'হা আল্লাহ বলেন, 'আমি তোমাকে তখন সাহায্য করেছি, যখন তুমি খুঁজেছিলে এবং হারিয়ে গিয়েছিলে।' অর্থাৎ আমাদের ধর্মের শুরুটা আসলে হওয়া উচিত ছিল আল্লাহর সঙ্গে আত্মিক বন্ধন দিয়ে, যা হয়তো আমাদের অনেকেরই প্রকৃত অর্থে গড়ে ওঠে না! এর জন্য মূল যে সমস্যাগুলো দেখা দেয়—
১. কোন বিষয়টিকে ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, তা অনেক সময়ই আমরা নির্ধারণ করতে পারি না। যেমন, অনেকেই দেখা যায় নামাজ-রোজার চাইতে অন‍্যকে শোধরানো বা অন্যের পর্দার প্রতি বেশি সতর্ক: নিঃসন্দেহে ধর্মের প্রতিটি আস্তিক গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কোনটি দিয়ে শুরু করতে হবে সেটা জানা জরুরি।

২. সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে আত্মিক বন্ধনের অভাবে আরেকটি মূল সমস্যা যা হয় তা হলো, ধর্ম পালন করে আমরা অনেক সময় ভেতর থেকে সন্তুষ্টি অনুভব করি না। সৃষ্টিকর্তার জন্য কাজ করে, তার প্রতি বিশ্বাস রেখে আমাদের অন্তরে যে প্রশান্তির থাকার কথা, তা অনেক সময়ই কেন যেন আমাদের মধ্যে অনুভূত হয় না। পবিত্র কোরআনে হুযুরার 'সাকিনাহ' শব্দটি বলা আছে, যার অর্থ অন্তরের প্রকৃত প্রশান্তি। যা শুধুই একটি পবিত্র অনুভূতি, যার প্রকাশ কোনো ভাষায় সম্ভব নয়।

চরম বিপদের মুহূর্তে তাঁর যন্ত্রণার সময় সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণের মধ্যে প্রাপ্ত প্রশান্তি আমাদের বিষণ্নতা থেকে রক্ষা করতে পারে। এই কারণেই পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত হুযুরারের মধ্যে বারবার (সাকিনাহ) তখন উচ্চারিত হয়েছে, যখন তাঁর সংকটময় মুহূর্ত চলছিল। আমরা অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে, সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসের মাধ্যমে বর্তমানে প্রশান্তি অর্জন করতে পারি। কিন্তু মন থেকে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে যোগাযোগটা অনুভব করতে না পারলে আসলে এই শান্তি অনুভব করা কষ্টকর।

এক্ষেত্রে মনে রাখা খুবই জরুরি যে, সৃষ্টিকর্তা সব সময় পরম করুণাময় এবং সবচেয়ে বেশি দয়ালু। তিনি কোনো অবস্থাতেই তাঁর বান্দাকে বর্জন করেন না, সে নিজে ফিরে আসতে চায়। সকল ধর্মের কর্ণধার ব্যক্তিরাই নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে ধর্মের আলো অর্জন করেছেন। তাই চেষ্টা করলে আমাদের প্রত্যেকেরই সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে আত্মিক বন্ধন অর্জন করা সম্ভব এবং এই অনুভূতি ও বিশ্বাস অর্জন করাও নিঃসন্দেহে বিশাল বড়ো একটি নিয়ামত।

ধার্মিক ব্যক্তিদের মধ্যে বিষণ্ণতার একটি বড়ো কারণ হলো— সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে আত্মিক বন্ধন অনুভূত না হওয়া। দেখা যায়, একজন ব্যক্তি ধর্ম থেকে অনেক দিন দূরে ছিলেন; এখন বিপদের সময় সে যখন সৃষ্টিকর্তার কাছে আশ্রয় চাইতে যান, তার কাছে মনে হয় তিনি হয়তোবা এতই খারাপ যে, সৃষ্টিকর্তা তাকে সাহায্য করবেন না। অবিশ্বাস থেকে জন্ম নেয় হতাশা, যা পরবর্তী সময়ে বিষণ্ণতায় রূপ নেয়। এটার একটি বড়ো কারণ হলো, শৈশবে আমাদের ধর্মের সঙ্গে প্রথম পরিচয় ঘটে কিছু নির্দিষ্ট রীতিনীতি অথবা আচার-আচরণের মাধ্যমে, যার অধিকাংশের অর্থই আমাদের জানা হয়ে ওঠে না। অথচ সুরা দো'হা আল্লাহ বলেন, 'আমি তোমাকে তখন সাহায্য করেছি, যখন তুমি খুঁজেছিলে এবং হারিয়ে গিয়েছিলে।' অর্থাৎ আমাদের ধর্মের শুরুটা আসলে হওয়া উচিত ছিল আল্লাহর সঙ্গে আত্মিক বন্ধন দিয়ে, যা হয়তো আমাদের অনেকেরই প্রকৃত অর্থে গড়ে ওঠে না! এর জন্য মূল যে সমস্যাগুলো দেখা দেয়—
১. কোন বিষয়টিকে ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, তা অনেক সময়ই আমরা নির্ধারণ করতে পারি না। যেমন, অনেকেই দেখা যায় নামাজ-রোজার চাইতে অন‍্যকে শোধরানো বা অন্যের পর্দার প্রতি বেশি সতর্ক: নিঃসন্দেহে ধর্মের প্রতিটি আস্তিক গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কোনটি দিয়ে শুরু করতে হবে সেটা জানা জরুরি।

২. সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে আত্মিক বন্ধনের অভাবে আরেকটি মূল সমস্যা যা হয় তা হলো, ধর্ম পালন করে আমরা অনেক সময় ভেতর থেকে সন্তুষ্টি অনুভব করি না। সৃষ্টিকর্তার জন্য কাজ করে, তার প্রতি বিশ্বাস রেখে আমাদের অন্তরে যে প্রশান্তির থাকার কথা, তা অনেক সময়ই কেন যেন আমাদের মধ্যে অনুভূত হয় না। পবিত্র কোরআনে হুযুরার 'সাকিনাহ' শব্দটি বলা আছে, যার অর্থ অন্তরের প্রকৃত প্রশান্তি। যা শুধুই একটি পবিত্র অনুভূতি, যার প্রকাশ কোনো ভাষায় সম্ভব নয়।

চরম বিপদের মুহূর্তে তাঁর যন্ত্রণার সময় সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণের মধ্যে প্রাপ্ত প্রশান্তি আমাদের বিষণ্নতা থেকে রক্ষা করতে পারে। এই কারণেই পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত হুযুরারের মধ্যে বারবার (সাকিনাহ) তখন উচ্চারিত হয়েছে, যখন তাঁর সংকটময় মুহূর্ত চলছিল। আমরা অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে, সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসের মাধ্যমে বর্তমানে প্রশান্তি অর্জন করতে পারি। কিন্তু মন থেকে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে যোগাযোগটা অনুভব করতে না পারলে আসলে এই শান্তি অনুভব করা কষ্টকর।

এক্ষেত্রে মনে রাখা খুবই জরুরি যে, সৃষ্টিকর্তা সব সময় পরম করুণাময় এবং সবচেয়ে বেশি দয়ালু। তিনি কোনো অবস্থাতেই তাঁর বান্দাকে বর্জন করেন না, সে নিজে ফিরে আসতে চায়। সকল ধর্মের কর্ণধার ব্যক্তিরাই নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে ধর্মের আলো অর্জন করেছেন। তাই চেষ্টা করলে আমাদের প্রত্যেকেরই সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে আত্মিক বন্ধন অর্জন করা সম্ভব এবং এই অনুভূতি ও বিশ্বাস অর্জন করাও নিঃসন্দেহে বিশাল বড়ো একটি নিয়ামত।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 আশা ধরে রাখা

📄 আশা ধরে রাখা


প্রায় সকল ধর্মেই পৃথিবী ছাড়া অন্য একটি জগতের কথা বলা আছে; কখনো আখিরাত নামে, কখনোবা পুনর্জন্ম নামে। ধর্মমতে, আমাদের প্রতিটি ভালো কাজের সমপরিমাণ পুরস্কার আমরা পাব, এই জীবনে অথবা পরবর্তী জীবনে। একইভাবে প্রতিটি কষ্টের জন্য সমপরিমাণ প্রতিদান আমরা অবশ্যই পাব। অধিকাংশ সময় আমরা হতাশ হয়ে যাই এটা ভেবে যে, আমি কেন আমার ভালো কাজের জন্য প্রতিদান পাচ্ছি না। কিন্তু আমরা যদি এই বিশ্বাসে বিশ্বাসী হই যে, এই পৃথিবীতে প্রতিদান না পেলে আমি অবশ্যই কোনো না কোনো জায়গায় পুরস্কৃত হব, তাহলে অনেকখানি হতাশাই কেটে যাবে। ভালো থাকার জন্য আশা ধরে রাখা বেশ জরুরি।

প্রায় সকল ধর্মেই পৃথিবী ছাড়া অন্য একটি জগতের কথা বলা আছে; কখনো আখিরাত নামে, কখনোবা পুনর্জন্ম নামে। ধর্মমতে, আমাদের প্রতিটি ভালো কাজের সমপরিমাণ পুরস্কার আমরা পাব, এই জীবনে অথবা পরবর্তী জীবনে। একইভাবে প্রতিটি কষ্টের জন্য সমপরিমাণ প্রতিদান আমরা অবশ্যই পাব। অধিকাংশ সময় আমরা হতাশ হয়ে যাই এটা ভেবে যে, আমি কেন আমার ভালো কাজের জন্য প্রতিদান পাচ্ছি না। কিন্তু আমরা যদি এই বিশ্বাসে বিশ্বাসী হই যে, এই পৃথিবীতে প্রতিদান না পেলে আমি অবশ্যই কোনো না কোনো জায়গায় পুরস্কৃত হব, তাহলে অনেকখানি হতাশাই কেটে যাবে। ভালো থাকার জন্য আশা ধরে রাখা বেশ জরুরি।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 নিজের সঙ্গে অন্যের তুলনা না করা

📄 নিজের সঙ্গে অন্যের তুলনা না করা


আমাদের জীবনে হতাশা বা বিষণ্ণতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো তুলনা। আমরা সব সময়ই মনে করি, বাকিদের ধন-দৌলত সৌন্দর্য-জ্ঞান আমার কেন নেই? হাদিসে বলা আছে, ‘ততক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের পূর্ণ মুমিন বলা যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি নিজের জন্য যা চাও, অন্যের তা অর্জন হলে তুমি সেই পরিমাণ খুশি হও, যে পরিমাণ খুশি তুমি নিজের সেটি অর্জিত হলে হতো।' সব সময় সমপরিমাণ আনন্দ অনুভব করা সম্ভব না হলেও, আমাদের চেষ্টায় সেই উদ্দেশ্য সব সময় থাকতে হবে। আমরা যদি প্রত্যেকে এই বিশ্বাস ধারণ করতে পারি তাহলে বিষণ্ণতা অনেকাংশেই কেটে যাওয়া সম্ভব।

আমাদের জীবনে হতাশা বা বিষণ্ণতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো তুলনা। আমরা সব সময়ই মনে করি, বাকিদের ধন-দৌলত সৌন্দর্য-জ্ঞান আমার কেন নেই? হাদিসে বলা আছে, ‘ততক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের পূর্ণ মুমিন বলা যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি নিজের জন্য যা চাও, অন্যের তা অর্জন হলে তুমি সেই পরিমাণ খুশি হও, যে পরিমাণ খুশি তুমি নিজের সেটি অর্জিত হলে হতো।' সব সময় সমপরিমাণ আনন্দ অনুভব করা সম্ভব না হলেও, আমাদের চেষ্টায় সেই উদ্দেশ্য সব সময় থাকতে হবে। আমরা যদি প্রত্যেকে এই বিশ্বাস ধারণ করতে পারি তাহলে বিষণ্ণতা অনেকাংশেই কেটে যাওয়া সম্ভব।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 ক্ষমা প্রার্থনা

📄 ক্ষমা প্রার্থনা


মানুষমাত্রই ভুল করে। আমরা প্রত্যেকেই জীবনে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে থাকি। উপযুক্ত সময়ে আমরা প্রত্যেকেই আল্লাহ্‌-তাআলা-ঈশ্বর বা নিজ সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি। যেখানে আমরা আশা করি আমাদের বড়ো ভুলগুলো সৃষ্টিকর্তা ক্ষমা করে দেবেন, সেখানে অন্যের ছোটো ভুলও কেন আমরা ক্ষমা করতে পারি না? ক্ষমা আসলে আমাদের সামনের ব্যক্তির জন্য নয়; বরং এটি আমাদের নিজেদেরকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখে।

মানুষমাত্রই ভুল করে। আমরা প্রত্যেকেই জীবনে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে থাকি। উপযুক্ত সময়ে আমরা প্রত্যেকেই আল্লাহ্‌-তাআলা-ঈশ্বর বা নিজ সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি। যেখানে আমরা আশা করি আমাদের বড়ো ভুলগুলো সৃষ্টিকর্তা ক্ষমা করে দেবেন, সেখানে অন্যের ছোটো ভুলও কেন আমরা ক্ষমা করতে পারি না? ক্ষমা আসলে আমাদের সামনের ব্যক্তির জন্য নয়; বরং এটি আমাদের নিজেদেরকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00