📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 অ্যাক্টিভিটি শিডিউলিং (Activity Scheduling)

📄 অ্যাক্টিভিটি শিডিউলিং (Activity Scheduling)


দিনে প্রতি ঘণ্টায় যেকোনো একটি কাজকে ব্যক্তিগত আনন্দ (Pleasure) ও প্রাপ্তি (Achievement) স্কেলে ১০-এ নম্বর দেওয়া।

যে কাজগুলো ব্যক্তির আনন্দ ও প্রাপ্তির স্কেলে অধিক নম্বর অর্জন করে, সে কাজগুলো বাড়াতে আমরা তাকে উৎসাহিত করি। একজন বিষণ্ণ ব্যক্তি মনে করে থাকেন, তিনি সারাদিন কোনো কাজই করেন না। এই অনুভূতি তার আত্মবিশ্বাস আরও কমিয়ে দেয় এবং মনকে আরও বিষণ্ণ করে দেয়। অ্যাক্টিভিটি শিডিউলিংয়ের মাধ্যমে যখন সেই ব্যক্তি দেখেন যে, প্রতি ঘণ্টায় তিনি তার এই আচরণের মাধ্যমে তার চিন্তা নিজেই চ্যালেঞ্জ প্রাপ্ত হচ্ছে। আবার অনেক সময় অনেক কাজ আমাদের আনন্দ দিলেও অর্জন হিসেবে কাজগুলোকে খুব একটা বড়ো করে দেখা হয় না। এক্ষেত্রে সেই কাজগুলোকে আমরা কমিয়ে আনার চেষ্টা করি। একটি উদাহরণ দিয়ে চিন্তা করা যাক। মনে করি, একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত তিনটি কাজকে এরূপে লিপিবদ্ধ করেন—

| কাজ | কতটুকু আনন্দ দেয় | কতটুকু প্রাপ্তি দেয় |
| :--- | :--- | :--- |
| রাত জেগে ভিডিও গেম খেলা | ৮/১০ | ০/১০ |
| ভোরে উঠে পড়াশোনা করা | ১/১০ | ৯/১০ |
| মাকে ঘরের কাজে সাহায্য করা | ৭/১০ | ৮/১০ |

এক্ষেত্রে সে নিজেই ধীরে ধীরে ভিডিও গেমের পরিমাণ কমিয়ে মাকে ঘরের কাজে সাহায্য করা ও পড়ার পরিমাণ বাড়ায়। একটানা সাত দিন অন্তত অ্যাক্টিভিটি শিডিউলিং অনুশীলন করলে আমরা আচরণের পরিবর্তন আশা করতে পারি।

অনেকের জন্য আমাদের কাজ শুরুই করতে হয় বিহেভিওরাল অ্যাক্টিভেশন দিয়ে। কারণ, তারা চিন্তা নিয়ে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। আবার অনেকে চিন্তা নিয়ে কাজ করলেই তারা সুস্থ বোধ করেন। তাই ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে এর প্রয়োগ নীতিমালা আলাদা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00