📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 ডক্টরস ফ্যাক্টরস (Doctors Factors)

📄 ডক্টরস ফ্যাক্টরস (Doctors Factors)


এই কারণগুলো বোঝার জন্য আমাদের একজন সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোলজিস্টের মধ্যকার পার্থক্যটা জানতে হবে।

একজন সাইকিয়াট্রিস্ট হলেন, যিনি এমবিবিএস পাস করেছেন এবং সাইকিয়াট্রিতে পড়াশোনা করেছেন। সাইকিয়াট্রিস্ট একজন ব্যক্তির রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম, অর্থাৎ তিনি ডায়াগনোসিস করেন এবং তিনি ওষুধ লিখতে পারেন। তিনি সাইকোথেরাপিও করতে পারেন, আবার নাও করতে পারেন। এক কথায়, সাইকিয়াট্রিস্ট মূলত ডায়াগনোসিস ও ওষুধ লেখায় পারদর্শী। অপরদিকে সাইকোলজিস্ট হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি সাইকোলজিতে উচ্চতর ডিগ্রির অধিকারী। কিন্তু তিনি ডাক্তার নন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তিনি কখনোই ওষুধ লিখতে পারবেন না। তিনি রোগীকে কাউন্সেলিং বা সাইকোথেরাপি দিতে পারেন। এবং অবশ্যই সেই বিষয়ে তিনি পারদর্শী।

এখানে আমরা সবার প্রতি সম্মান রেখে সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোলজিস্টের এমন কিছু দিক আলোচনা করব, যার কারণে তার তত্ত্বাবধানকালীন একজন আক্রান্ত ব্যক্তির বিষণ্ণতা সম্পূর্ণ ভালো না হতে পারে।

১. ডায়াগনসিস সঠিক না হওয়া
আমাদের দেশে প্রচলিত আছে, আমরা সব সময়ই জনপ্রিয় ও প্রবীণ ডাক্তার ব্যতীত অন্য চিকিৎসকদের ওপর আস্থা রাখি না। আসলে এমন অনেক চিকিৎসক আছেন, যারা বিভিন্ন কারণে বিখ্যাত নন; কিন্তু প্রফেশনালি খুবই যোগ্য। দেশের জনপ্রিয় ও প্রবীণ ডাক্তারদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই রোগীর চাপ বাকিদের তুলনায় বেশি। অনেক ক্ষেত্রেই, বিশেষ করে মানসিক রোগের ক্ষেত্রে সময় দেওয়া এবং রোগীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন বিশেষভাবে জড়িত। তাই একজন ব্যস্ত সাইকিয়াট্রিস্ট, যিনি ৫০-১০০ জন রোগী দেখেন, তার ক্ষেত্রে পাঁচ-দশ জনের রোগ নির্ণয় ভুল হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। বিশেষ মানসিক রোগের সংখ্যা তিন শতাধিক বা আরও বেশি। তাই এক সেশনেই সবার ক্ষেত্রে সব সময় রোগ ধরা সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার অনেক সময় একজন ব্যক্তির একের অধিক মানসিক রোগ একসঙ্গে হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে কোন রোগটি দিয়ে শুরু হয়েছিল, সেটি ডায়াগনসিস করে চিকিৎসা শুরু করা প্রয়োজন। যেমন, অনেক দিন ওসিডি (OCD) বা সিজোফ্রেনিয়া থাকলে তার ডিপ্রেশন হতে পারে। সেক্ষেত্রে ডিপ্রেশনের চিকিৎসার সঙ্গে ওসিডি ও সিজোফ্রেনিয়ার চিকিৎসা করতে হবে, না হলে তার বিষণ্নতা ভালো হবে না। মানুষমাত্রই ভুল করে, তাই অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসকেরও ভুল হতে পারে। বিষণ্নতা ডায়াগনসিসে ভুল হলে বিষণ্নতার চিকিৎসাও কঠিন হয়ে পড়ে।

২. অহেতুক ওষুধ লেখা
সব চিকিৎসকের চিকিৎসানীতি এক নয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি চেষ্টা করি, খুবই অল্প ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করতে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রেসক্রিপশনে অনেক ওষুধ লেখা, কিন্তু সব ওষুধ কম মাত্রায়। ফলে বিষণ্নতা সারতে চায় না। আবার আমাদের দেশে পঞ্চাশোর্ধ মানুষেরা অধিকাংশ সময়েই নানা শারীরিক রোগের জন্য একসঙ্গে অনেক ওষুধ খেয়ে থাকেন। সেইসব ওষুধের সঙ্গে মানসিক রোগের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে কার্যক্ষমতা কমে যায়। অনেকেই আবার ওষুধের তালিকা বড় হওয়ার কারণে ওষুধ সেবন করতে চান না। এই রোগীরা একসময় সাইকিয়াট্রিস্ট এবং ওষুধের ওপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। এটি বিষণ্ণতার চিকিৎসায় অস্থিরতা তৈরি করে। মনে রাখবেন, সব ধরনের ওষুধের কার্যকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং তা কতদিন সেবন করবেন তা জানা আপনার অধিকার। একইভাবে সকল চিকিৎসকের দায়িত্ব এই তথ্যগুলো আপনাকে জানানো।

৩. প্রয়োজন ছাড়া রেফার না করা
সবার পক্ষে কখনো সব বিষয়ে সমান পারদর্শী হওয়া সম্ভব নয়। কেউ হয়তো বিষণ্ণতা রোগের ভালো চিকিৎসা দিয়ে থাকেন, কেউ হয়তো বাচ্চাদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেন, আবার কেউ হয়তো মাদকাসক্তির ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন। সাইকিয়াট্রিস্ট হলেও তাদের প্রত্যেকের পারদর্শিতার ক্ষেত্র কিন্তু আলাদা। তাই কিছু ক্ষেত্রে রেফার করা উত্তম। যেমন—
* যদি আপনি তার রোগ ও এর চিকিৎসা সম্বন্ধে আত্মবিশ্বাসী না হন।
* যদি আপনার কাছে মনে হয়, অন্য কেউ আপনার চেয়ে ভালো চিকিৎসা দিতে পারবেন।
* যদি চিকিৎসার পাশাপাশি তার কাউন্সেলিং প্রয়োজন হয়।
* যদি রোগী অন্য কারও পরামর্শ নিতে চান।
* যদি আপনি ব্যস্ত থাকেন এবং মনে করেন যে, আপনি রোগীর জন্য যা করছেন তা যথেষ্ট নয়।
* যদি তার মানসিক রোগের পাশাপাশি শারীরিক রোগ থাকে।

৪. ক্লায়েন্টের নীতিবোধকে সম্মান না করা
আমাদের প্রত্যেকেরই একটি ব্যক্তিগত মূল্যবোধ থাকে। সেই ব্যক্তিগত মূল্যবোধকে কখনোই চিকিৎসার সময় ব্যবহার করা যাবে না। যে মানুষটি আমার কাছে তার সমস্যা কথা বলতে এসেছেন, চিকিৎসা নিতে এসেছেন, তার মূল্যবোধের সঙ্গে আমার মূল্যবোধ নাও মিলতে পারে এবং এমন নয় যে, তার মূল্যবোধ আমাকে গ্রহণ করে নিতে হবে। কিন্তু সাইকিয়াট্রিস্ট হিসেবে চিকিৎসক কখনোই এমন মন্তব্য করতে পারেন না, যে মন্তব্যের কারণে একজন রোগীর ব্যক্তিগত নীতিবোধে আঘাত লাগে এবং তার সমস্যা না কমে বরং বেড়ে যায়। একইভাবে তার নীতিবোধের পাশাপাশি প্রত্যেক ক্লায়েন্টের সংস্কৃতি, ধর্ম এবং নিজস্ব মানসিকতাকে সম্মান করে আমাদের মন্তব্য করতে হবে।

৬. উপযুক্ত ট্রেইনিংয়ের অভাব
আমাদের দেশে আগের কারিকুলামগুলোতে কাউন্সেলিংয়ের ওপর এতটা জোর দেওয়া হতো না। তাই সব সাইকিয়াট্রিস্ট বা সাইকোলজিস্ট এসব বিষয়ে সমান পারদর্শী নন। আবার সবাই দেশে-বিদেশে একই রকম ট্রেইনিংয়ের সুযোগও পান না। প্রত্যেক সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোলজিস্টের অবশ্যই দেশে- বিদেশে, বিভিন্ন ভাষায়, বিভিন্ন দলের সঙ্গে অনলাইনে এবং অফলাইনে বিভিন্ন ট্রেইনিংয়ে অংশগ্রহণ করা উচিত। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যোগ্যতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

৭. পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব
আমি যেমন সবকিছু জানি না, পৃথিবীর অনেক মানুষই হয়তো সবকিছু জানেন না। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, একজন সাইকিয়াট্রিস্টকে বই- পুস্তকের পড়াশোনার বাইরেও অনেক কিছু জানতে হয়। মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি, ধর্ম, আচার-ব্যবহার, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে সাহায্য করার জন্য আর্থিক লেনদেনের বিষয়েও আমাদের জ্ঞান থাকা জরুরি। কারণ, একজন মনোরোগবিশেষজ্ঞের কাছে মানুষ এমন অনেক স্ট্রেস নিয়ে আসেন, যার সমাধান করার জন্য অবশ্যই তার স্ট্রেসের বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকতে হবে। শেখার কখনোই কোনো শেষ নেই। আপনার চেয়ে ভালো জানেন, এমন কারও থেকে যেকোনো বিষয়ে যতই শিখবেন, জীবনে ততই এগিয়ে যাবেন।

📘 ওভারকামিং ডিপ্রেশন > 📄 ক্লায়েন্ট ফ্যাক্টরস (Client Factors)

📄 ক্লায়েন্ট ফ্যাক্টরস (Client Factors)


বিষয়টার চিকিৎসায় যে সব সময় চিকিৎসকের পক্ষ থেকেই ত্রুটি থাকবে, এমনটি কিন্তু কখনোই নয়। বরং প্রায়শই দেখা যায়, আমাদের সেবা গ্রহীতা বা ক্লায়েন্টের দিক থেকে এমন কিছু আচরণ, মানসিকতা কিংবা ব্যবহার লক্ষ করা যায়। যার কারণে, মূলত ভুক্তভোগী হয় আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেই। মূল যে বিষয়গুলো ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রে দেখা যায়—

১. ডায়াগনোসিসের গুরুত্ব অনুধাবন করতে না পারা
প্রতিটি রোগের চিকিৎসা বিষয়ে একজন সাইকিয়াট্রিস্টের চিকিৎসা পরিকল্পনা থাকে। আপনি হয়তোবা মনে করবেন, একবার ডাক্তারের কাছে গেলেই রোগ ভালো হয়ে যাবে। কিংবা ডাক্তার আপনার সম্পূর্ণ কথা শুনতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবিকভাবে আসলে সম্ভব নয়। বরং এর চেয়ে প্রথম দিনে আপনার রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করা, আপনার চিকিৎসা পদ্ধতি সম্বন্ধে একটি পরিকল্পনা করা বেশি জরুরি। একজন ক্লায়েন্টকেও সাইকিয়াট্রিস্টের দৃষ্টিভঙ্গী থেকে বিষয়টি বুঝতে হবে।

২. ঔষধনীতি, অজ্ঞতা ও অনিয়মিত সেবন
আমরা অনেকেই প্রয়োজন হলেও ঔষধ খেতে চাই না কিংবা ভয় পাই, আবার ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জানা না থাকার কারণে একটা অনিশ্চয়তায় ভুগি যে, আমার কোনো ক্ষতি হচ্ছে কি না। এসব কারণে অনেকেই বিশ্বস্ততার ঔষধগুলো সঠিক সময়ে, সঠিক নিয়মে বা নিয়মিত সেবন করেন না। যার ফলে আপনি মাঝেমাঝে ঔষধ খাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু আপনার বিশ্বস্ততার তেমন কোনো উন্নতি হচ্ছে না।

৩. মানসিকতা
অনেক ক্লায়েন্টের মানসিকতা এমন থাকে যে, সবকিছুর দ্রুত সমাধান চান। আসলে বিশ্বস্ততা এমন কোনো রোগ নয়, যা আপনি দ্রুত কয়েক দিনের মধ্যেই সমাধান করে ফেলতে পারবেন। এর জন্য আপনার ধৈর্যধারণ করতে হবে। ত্বরিত সমাধানের মানও বেশির ভাগ সময় ভালো হয় না। মানুষের মধ্যে আরেকটি মানসিকতা আমি দেখেছি। মানসিক স্বাস্থ্যের পেছনে তারা ব্যয় করতে চান না। তারা দামি জামা-কাপড় পরবেন, অনেক দামি স্মার্টফোন ব্যবহার করবেন; যখনই খরচটা মানসিক সুস্বাস্থ্যের জন্য হবে, তখন তারা পিছিয়ে যেতে থাকবেন; যদিও কোনো অর্থই মানসিক স্বাস্থ্যের তুলনায় মূল্যবান না। এ কারণে অনেক সময় বিশ্বস্ততা ভালো হতে চায় না। আবার আপনার যদি এমন মানসিকতা থেকে থাকে যে, একজন সাইকিয়াট্রিস্টের সেবার মান বা পদ্ধতি আপনার ভালো লাগেনি বলে সব সাইকিয়াট্রিস্ট বা কারও ঔষধ খেয়েই আপনি ভালো হবেন না, তাহলে এমন চিন্তা আপনার সুস্থতার পথে অন্তরায়।

৪. ব্যক্তিত্বের ত্রুটি
অনেকের ব্যক্তিত্বের মধ্যেই অতিরিক্ত রাগ, জেদ, অহংকার এবং অন্যের প্রশংসা পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা দেখা যায়। যদি এরূপ ব্যক্তিত্বের থেকে আপনি বের হয়ে আসতে চান, তাহলে অবশ্যই তা সম্ভব। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা মনে করেন, তিনি নিজেই ঠিক। তার ধারণার কিছু নেই। এমন ব্যক্তিত্বের অধিকারীদের বিশ্বস্ততা থেকে বের হয়ে আসা কষ্টকর হয়।

৫. মানসিক চাপের সমাধান না হওয়া
যদি আপনার সার্বক্ষণিক কোনো মানসিক চাপ থাকে, অথবা কোনো অন্তর্দ্বন্দ্ব থাকে, তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত সে অন্তর্দ্বন্দ্ব বা মানসিক চাপের সমাধান না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত ওষুধ খেলেও আপনার বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি মিলবে না। মানসিক চাপের কারণ যে সব সময় বাইরে থেকে আসতে হবে, তাও কিন্তু নয়। অনেক সময় আমাদের নিজেদের ব্যক্তিত্বই আমাদের স্ট্রেসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই নিজের ব্যক্তিগত জীবনের সমস্যাগুলোকে নিয়ে অবশ্যই কাজ করতে হবে। আমরা অনেক কিছুতেই জীবনের অনেক মূল্যবান সময় বিনিয়োগ করি। আর নিজের সমস্যার সমাধানে কি এক-দুই মাস সময় বিনিয়োগ করতে পারব না? অবশ্যই পারব। বিষণ্ণতা থেকে মুক্তির জন্য এতটুকু সময় নিজের প্রতি নিজের অধিকার।

৬. চিকিৎসা নিতে বিলম্ব করা
আমাদের মধ্যে অনেকেই এমন আছেন, যারা ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশননে ভুগছেন, কিন্তু সঠিক চিকিৎসা নিচ্ছেন না। আমরা অনেক সময় মনে করি বিভিন্ন মোটিভেশনাল ব্যক্তিত্বের কথা শুনলে বা অনুপ্রেরণার ভিডিও দেখলে আমাদের সমস্যা কেটে যাবে। এটি মৃদু বিষণ্ণতার ক্ষেত্রে কখনো কখনো সত্যি হলেও তীব্র বিষণ্নতা কখনোই এভাবে কাটবে না। এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে একজন সাইকিয়াট্রিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে।

৭. অন্যের ওপর দোষ চাপানোর প্রবণতা
প্রত্যেকের জীবনে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে, যা হয়তোবা শুধু দুঃখের নয়, অনেকখানিই সহায়তাহীন। কিন্তু আমি যদি সে ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পড়ে থাকি এবং জীবনের বর্তমান সব পরিস্থিতির জন্য সেই পূর্বের ঘটনাকে দায়ী করি, তবে কখনোই আমি আমার অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারব না। যারা সব সময় ভিকটিম হিসেবে নিজেকে দেখতে পছন্দ করেন, তাদের বিষণ্ণতা কাটানো বেশ কষ্টকর। নিজের জীবনের সমস্যার ভাগ কখনো অন্যের কাঁধে চাপিয়ে মুক্ত থাকা যায় না। যখনই আমি নিজের পরিস্থিতি মেনে নেব এবং সমাধানের চেষ্টা করব, তখনই সমস্যা অর্ধেক কেটে যাবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00