📄 ঘুমের রুটিন ঠিক করা
আমি সব সময় যেটা বলি তা হলো: বিষণ্নতার চিকিৎসায় প্রথমে যদি কোনো কিছু ঠিক করতে হয় তবে তা নিঃসন্দেহে ঘুম। বিষণ্নতা থেকে বেরিয়ে আসতে—
* দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন。
* রাত ১০টার মধ্যে শুয়ে পড়ার অভ্যাস করুন。
* ঘুমের স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলুন।
📄 মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা
জীবন থেকে মানসিক চাপ ঝেড়ে ফেলতে পারলে বিষণ্নতা থেকে বেরিয়ে আসতে ওষুধ লাগে না।
* নিজের স্ট্রেসগুলো খুঁজে বের করুন。
* মানসিক চাপ সমাধানের চেষ্টা করুন。
* সম্পর্কগুলো নিয়ে কাজ করুন。
* স্বপ্ন ও বাস্তবতার মধ্যে সমন্বয় করতে শিখুন。
* কিছু জিনিস মেনে নিতে শিখুন。
* কাজের দায়িত্ব বাকিদের মধ্যে ভাগাভাগি করে দিন。
* একসঙ্গে অতিরিক্ত কাজের চাপ নেবেন না。
* না বলতে শিখুন。
* নিজেকে সময় দিন。
* ক্ষমা করতে শিখুন।
📄 নেতিবাচক সঙ্গ এড়িয়ে চলা
বিষণ্নতা বোধ করলে অনেক সময়ই আমরা চাই সম্পূর্ণ একা থাকতে। কিন্তু আসলে এই পদ্ধতি খুব একটা কার্যকর নয়。
* যারা না জেনে আপনাকে কুপরামর্শ দেয় অথবা জাজমেন্টাল মন্তব্য করে এমন সঙ্গ এড়িয়ে চলুন。
* ইতিবাচক বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান。
* পরিবারকে সময় দিন。
* এমন কারও সঙ্গে কথা বলুন, যার সঙ্গে কথা বললে আপনি হালকা বোধ করেন。
* আপনার কষ্টগুলোর সমাধান নিয়ে আলাপ করুন。
* প্রয়োজন হলে অবশ্যই একজন কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
📄 অপরকে সাহায্য করা
বিষণ্নতায় আক্রান্ত হলে আমরা বেশির ভাগ সময় শুধু নিজেকে নিয়ে চিন্তা করি। 'আমি ভালো না', 'আমাকে দিয়ে ভালো কিছু হবে না।' ঘুরেফিরে বারবার এই চিন্তাগুলোই আসতে থাকে। এমন চিন্তা থেকে দূরে থাকতে আপনি যা করতে পারেন—
* সরাসরি আপনার স্বার্থের সঙ্গে জড়িত নয়— এমন কিছু করুন。
* সমাজের বঞ্চিতদের জন্য কিছু কাজ করুন。
* প্রতিদিন অন্তত একজন গরিব মানুষকে আর্থিক বা মানসিকভাবে সাহায্য করুন。
* নিজের ভালো কাজগুলোকে নিয়ে চিন্তা করুন এবং নিজের ইতিবাচক কাজকে প্রতিদিন স্বীকৃতি দিন。
আপনি অবাক হয়ে লক্ষ করবেন, অন্যের মুখের হাসিতে আপনার মনটা অনেকখানি ভালো হয়ে যাবে। কাউকে স্বাধীনভাবে সাহায্য করাটা আসলেই আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।