📄 নিয়মিত ব্যায়াম করা
* বিষণ্নতা প্রতিরোধে এমনকি চিকিৎসাতেও নিয়মিত শারীরিক ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই।
* বিষণ্নতার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী হলো স্বল্প থেকে মাঝারি মাত্রার এরোবিক ব্যায়াম। যেমন: হাঁটা, দৌড়ানো, জগিং করা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো ইত্যাদি।
* সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে শারীরিক ব্যায়াম বিষণ্নতার জন্য কার্যকর।
* এই নিয়মে অন্তত এক মাস ব্যায়াম করলে আমাদের শরীরের সেরোটোনিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারের বৃদ্ধি পায়, যা কমে গেলে মূলত বিষণ্নতা দেখা দেয়।
* খুব থেকে মাঝারি মাত্রার বিষণ্নতায় শারীরিক ব্যায়াম সবচেয়ে ভালো কাজ করে।
📄 খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা
* আমরা আহার হিসেবে আসলে যা গ্রহণ করি, অধিকাংশ সময়ই সেগুলোকে খুব একটি ভালো খাবার বলা যায় না। কিন্তু বিষণ্নতার চিকিৎসায় খাদ্যাভ্যাস বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
* দিনে আট ঘণ্টা খাবার খান এবং পরবর্তী ১৬ ঘণ্টা শুধু পানি খেয়ে কাটান।
* খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে রাখুন প্রচুর পরিমাণে ফল, শাক-সবজি ও প্রোটিন জাতীয় খাবার।
* পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট, প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি জাতীয় খাবার এবং ক্যাফেইন পরিহার করুন। পরিহার সম্ভব না হলে যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।
* বিষণ্নতার চিকিৎসায় আপনার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে হলে এ খাদ্যাবিধিগুলো এক মাস মেনে চলুন।
📄 ঘুমের রুটিন ঠিক করা
আমি সব সময় যেটা বলি তা হলো: বিষণ্নতার চিকিৎসায় প্রথমে যদি কোনো কিছু ঠিক করতে হয় তবে তা নিঃসন্দেহে ঘুম। বিষণ্নতা থেকে বেরিয়ে আসতে—
* দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন。
* রাত ১০টার মধ্যে শুয়ে পড়ার অভ্যাস করুন。
* ঘুমের স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলুন।
📄 মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা
জীবন থেকে মানসিক চাপ ঝেড়ে ফেলতে পারলে বিষণ্নতা থেকে বেরিয়ে আসতে ওষুধ লাগে না।
* নিজের স্ট্রেসগুলো খুঁজে বের করুন。
* মানসিক চাপ সমাধানের চেষ্টা করুন。
* সম্পর্কগুলো নিয়ে কাজ করুন。
* স্বপ্ন ও বাস্তবতার মধ্যে সমন্বয় করতে শিখুন。
* কিছু জিনিস মেনে নিতে শিখুন。
* কাজের দায়িত্ব বাকিদের মধ্যে ভাগাভাগি করে দিন。
* একসঙ্গে অতিরিক্ত কাজের চাপ নেবেন না。
* না বলতে শিখুন。
* নিজেকে সময় দিন。
* ক্ষমা করতে শিখুন।