📄 ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টস
* কিছু জনপ্রিয় ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টস (Tricyclic Antidepressants, TCAs) বা টিসিএ হলো— Amitriptyline, Nortriptyline, Clomipramine, Imipramine ইত্যাদি।
* টিসিএগুলো সাধারণত অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব করে, ওজন বা মুখ শুকিয়ে ফেলে, পায়খানা কষা করে এবং কারও আগে থেকে এ রোগ থাকলে সেই রোগ বাড়িয়ে দিতে পারে।
* টিসিএগুলোর ঘুমের ওপর প্রভাবের কারণে এই ঔষধগুলো সাধারণত রাতে দেওয়া হয়ে থাকে।
* পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলক বেশি বলে টিসিএগুলো ইদানীং সাইকিয়াট্রিস্টরা কম ব্যবহার করে থাকেন। ব্যবহার করলেও সাধারণত অল্প ডোজ করেন।
* হঠাৎ টিসিএ বন্ধ করে দিলে খারাপ লাগতে পারে। তাই অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ধীরে ধীরে এই ওষুধ বন্ধ করা উচিত।
📄 সিলেকটিভ সেরোটোনিন রিআপটেক ইনহিবিটরস
* কিন্তু সিলেকটিভ সেরোটোনিন রিয়াপটেক ইনহিবিটরস (Selective Serotonin Reuptake Inhibitors, SSRIs) বা এসএসআরআই হলো—Fluoxetine, Fluvoxamine, Citalopram, Escitalopram, Sertaline, Paroxetine ইত্যাদি।
* এসএসআরআইগুলো সেবন করলে প্রথম ৭-১৪ দিন সামান্য বমি বমি ভাব, দুর্বল লাগা, খারাপ লাগা এসব হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, সেবনের দুই সপ্তাহের মধ্যেই শরীর এগুলোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয় এবং সমস্যাগুলো কেটে যায়। তাই এ সকল উপসর্গ হলে কখনোই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বাদ দেওয়া যাবে না।
* এসএসআরআইগুলো সাধারণত সকালে দেওয়া হয়। কারণ, অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে এরা ঘুম কমায় বা ঘুমের ওপর প্রভাব বিস্তার করে।
* এসএসআরআইগুলো কাজ শুরু করতে দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগে এবং কাজ করার পরেও অন্তত ছয় থেকে বার মাস ওষুধ সেবন প্রয়োজন হতে পারে।
* এসএসআরআইগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলক কম বলে বর্তমানে বিপুলভাবে সাইকিয়াট্রিস্টরা ব্যবহার করে থাকেন।
* চিকিৎসকের মতামত ছাড়া বা হঠাৎ করে এসএসআরআইগুলো বন্ধ করাও উচিত নয়।