📄 বিষণ্ণতার জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ
ক. মেয়েদের বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি, যা পুরুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষভাবে দেখা যায়, যে নারীদের ঘরে ছোটো সন্তান আছে, তাদের বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি।
খ. যাদের টিনএজ বয়সের আগে বাবা অথবা মা অথবা উভয়ই মারা গিয়েছেন, তাদের বিষণ্ণতার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে যদি কোনো মেয়ে ১০ বছরের আগে বাবা-মাকে হারায়, তার বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক।
গ. সামাজিকভাবে যাদের বন্ধু ও আপনজন কম ও পারিবারিক সাপোর্ট নেই, তাদের বিষণ্নতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
ঘ. দীর্ঘদিনের বেকারত্ব বিষণ্নতার ঝুঁকি বাড়ায়।
ঙ. যাদের জীবনে একের অধিক নেতিবাচক ঘটনা আছে বা একাধিক সম্পর্ক বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে, তাদের বিষণ্নতার ঝুঁকি বেশি।
চ. যাদের বাবা-মা বা বংশে কারও বিষণ্নতা আছে, তারা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
ছ. যারা শহরে থাকে এবং অধিক আত্মকেন্দ্রিক, তাদের বিষণ্নতা বেশি হয়।
বিষণ্নতার ক্ষেত্রে জানা খুবই জরুরি যে, একই পরিস্থিতি বা ঝুঁকি সবাইকে বিষণ্ন করে না। ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে বিষণ্নতার কারণ, তীব্রতা, ফলাফল ও চিকিৎসা ভিন্ন। সমাজের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজের ও আশপাশের মানুষের জন্য আমাদের বিষণ্নতার মূল বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন; কিন্তু মাঝারি, তীব্র ও কখনো মৃদু বিষণ্নতার ক্ষেত্রেও একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাহায্য প্রয়োজন হতে পারে।
কিছু নির্দিষ্ট কারণে determinados ব্যক্তিরা বিষণ্ণতার জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হন:
- **লিঙ্গ:** মেয়েদের বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার হার পুরুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষ করে جن নারীদের ঘরে ছোট সন্তান আছে, তাদের ঝুঁকি বেশি।
- **শৈশবের অভিজ্ঞতা:** টিনএজ বয়সের আগে বাবা বা মা মারা গেলে বিষণ্ণতার সম্ভাবনা বাড়ে। কোনো মেয়ে ১০ বছরের আগে বাবা-মাকে হারালে তার ঝুঁকি অনেক বেশি।
- **সামাজিক বিচ্ছিন্নতা:** যাদের বন্ধু, আপনজন কম এবং পারিবারিক সমর্থন নেই, তাদের বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
- **বেকারত্ব:** দীর্ঘদিনের বেকারত্ব বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়ায়।
- **নেতিবাচক ঘটনা:** জীবনে একাধিক নেতিবাচক ঘটনা বা সম্পর্ক বিচ্ছেদের অভিজ্ঞতা থাকলে বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়ে।
- **বংশগতি:** বাবা-মা বা বংশে কারও বিষণ্ণতা থাকলে ঝুঁকি বেশি থাকে।
- **জীবনযাত্রা:** যারা শহরে থাকেন এবং অধিক আত্মকেন্দ্রিক, তাদের মধ্যে বিষণ্ণতা বেশি দেখা যায়।
এটি মনে রাখা জরুরি যে, একই পরিস্থিতি বা ঝুঁকি সবাইকে সমানভাবে বিষণ্ণ করে না। ব্যক্তিভেদে বিষণ্ণতার কারণ, তীব্রতা এবং চিকিৎসা ভিন্ন হতে পারে।