📘 ওপারের সুখগুলো 📄 ডাগর ডাগর চোখ

📄 ডাগর ডাগর চোখ


[৩১৬] মুজাহিদ রাহিমাহুল্লাহ বলেন, হুরেইন তো তাদেরকে বলা হয়, যাদের শরীরের স্বচ্ছতা দেখে মানুষ হতবুদ্ধি হয়ে যায়। যাদের ডাগর ডাগর চোখ দেখলে হৃদয় আকৃষ্ট হয়ে যায়।

📘 ওপারের সুখগুলো 📄 চেড় মায়াবী মুখ

📄 চেড় মায়াবী মুখ


[৩১৭] হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, হুরেইন—যাদের চক্ষুগুলো হবে ডাগর ডাগর। ঢেড় মায়াবী হবে ঐ মুখ। শুভ্রতার কারণে পুরো শরীর থেকে আলো ছড়াতে থাকবে। মেঘ কালো হবে কেশ। ঠোঁটে থাকবে লাজুক লাজুক হাসি। চোখের মণিকোঠায় থাকবে রাশি রাশি মায়া।
[৩১৮] আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন—হুরেইনের চোখের একটি প্রান্ত ঈগলের ডানা থেকেও অনেক লম্বা হবে।

টিকাঃ
১৫২] তাফসিরে তাবারি: ২৭/১৭৭।
১৫৩] আল ইতহাফ: ১০/৪৫৪।

📘 ওপারের সুখগুলো 📄 হুরেইনের উজ্জ্বলতা

📄 হুরেইনের উজ্জ্বলতা


[৩১৯] আবি গিয়াছ রাহিমাহুল্লাহ বলেন—একদিন আমি কাব রাহিমাহুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছিলেন, যদি হুরেইনের কোনো একটি হাত দুনিয়াতে রাখা হত, তাহলে হুরের হাতের সৌন্দর্যে এই সমগ্র দুনিয়া আলোকিত হয়ে যেত। যেমন সকাল বেলা সূর্য পূবাকাশে উদিত হওয়ার সাথে-সাথে পুরো পৃথিবী আলোকিত হয়ে যায়। যদি তার হাতের আলোকচ্ছটায় সমগ্র পৃথিবী আলোকিত হয়ে যায়, তাহলে চেহারা এবং অন্যান্য শরীর দ্বারা কী পরিমাণ আলোকিত হয়ে যাবে! ভাবার বিষয়।
[৩২০] কাছির ইবনু মুররা রাহিমাহুল্লাহু বলেন—জান্নাতীদের উপর দিয়ে মেঘমালারা উড়ে যেতে যেতে বলবে, হে জান্নাতবাসী! আমরা কি তোমাদের উপর রহমতের বারি বর্ষণ করবো? জান্নাতবাসীদের কোনো প্রয়োজন না থাকায়, তারা বলবে, না, তবে কিছু বৃষ্টি বর্ষণ করতে পারো।
বর্ণনাকারী কাছির ইবনু মুররা রাহিমাহুল্লাহু বলেন—আমি যদি সেখানে থাকি, তাহলে বলবো, হে মেঘের দল, তোমরা আমাদের উপর সুন্দর সুন্দর হুর রমণীদেরকে বর্ষণ করো।

টিকাঃ
১৫৪] আয যুহদ, ইমাম ইবনুল মুবারক: ২৫৬।
২১৮ [*] আউলিয়া, আয যুহদ, ইমাম ইবনুল মুবারক: ২৪০।

📘 ওপারের সুখগুলো 📄 হুর স্ত্রীদের অভিযোগ

📄 হুর স্ত্রীদের অভিযোগ


[৩২১] মুআজ ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, لَا تُؤْذِي امْرَأَةٌ زَوْجَهَا فِي الدُّنْيَا إِلَّا قَالَتْ زَوْجَتُهُ مِنَ الْحُورِ الْعِينِ: لَا تُؤْذِيهِ قَاتَلَكِ اللَّهُ فَإِنَّمَا هُوَ عِنْدَكِ دَخِيلٌ يُوشِكُ أَنْ يُفَارِقَكِ
যখনই কোনো স্ত্রীলোক দুনিয়াতে তার স্বামীকে কষ্ট দেয়, তখনই জান্নাতে ঐ স্বামীর জন্য নির্ধারিত হুর বলতে থাকে, হে নারী! তুমি তাকে কষ্ট দিয়ো না। আল্লাহ তোমার ধ্বংস করুক। তিনি তো তোমার কাছে (কয়েক দিনের) জন্য মেহমান। অচিরেই তিনি তোমাকে ছেড়ে আমাদের কাছে চলে আসবেন।
[৩২২] ইকরিমা রাহিমাহুল্লাহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-হুরেইন সংখ্যার দিক থেকে তোমাদের থেকে অনেক বেশী থাকবে। তারা তাদের স্বামীদের জন্য দুআ করে বলে-হে আল্লাহ! আপনি তাকে আপনার দ্বীনের পথে চলার উপর সাহায্য করুন। এবং আপনার আনুগত্যের দিকে তার হৃদয়কে কবুল করে নিন। আর আপনার সম্মানের উসিলায় আপনি তাদেরকে আমাদের নিকট পৌঁছে দিন ইয়া আরহামার রাহিমীন।

টিকাঃ
২৯৯ [*] সহিহ। আস সুনান, ইবনু মাজাহ: ২০১৪। আস সুনান, ইমাম তিরমিযি: ১১৭৪।
২৯৮ [*] আউলিয়া, আয যুহদ, ইমাম ইবনুল মুবারক: ২৪০।
০০০ [***] আত তারগিব ওয়াত তারহিব: ৪/৫৩৫।

ফন্ট সাইজ
15px
17px