📄 মুমিন ব্যক্তি জান্নাতে অনেক হুরেইনকে বিবাহ করতে পারবে
[৩০৫] মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াসার বলেন, আমাকে কালবি বলেছেন-মুমিন ব্যক্তি জান্নাতে চার হাজার কুমারী নারী, আট হাজার অকুমারী এবং পাঁচ হাজার হুরকে বিয়ে করবে।
[৩০৬] সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন-মুমিন ব্যক্তি যখন জান্নাতে বিয়ে করার ইচ্ছা করবে, তখনই তার সামনে কুমারী যুবতী নারীরা উপস্থিত হয়ে যাবে। অতঃপর যাকে ইচ্ছে তার সাথে সে আনন্দ-উল্লাস করতে পরবে।
[৩০৭] ইয়াযিদ আর রাক্কাসি বলেন-যদি জান্নাতী হুরের একটি কব্জি দুনিয়াতে প্রকাশ পেত, তাহলে জান্নাতী হুরের কব্জির সৌন্দর্য এবং নূরে এই দুনিয়ার সূর্যের আলো ম্লান হয়ে যেত।
[৩০৮] শাহর ইবনু হাওশাব রাহিমাহুল্লাহু বলেন-জান্নাতী প্রবেশের পরে মুমিন ব্যক্তি হুরদের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে বলতে প্রায় চল্লিশ বছর কাটিয়ে দিবে, তবুও সে টের পাবে না যে কত বছর তাদের মাঝে কেটে গেল। এরপরে মুমিন ব্যক্তি হুরের দিকে এক পলক তাকাবে। অবাক হয়ে হুরকে বলবে, তুমি কি আমার কপালে জুটবে? তোমাকে কি আমি পাবো?
[৩০৯] সাবিত আল বুনানি রাহিমাহুল্লাহু বলেন-কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের থেকে যখন হিসাব-নিকাশ নিবেন, তখন তাদের স্ত্রীগণ উপরে উঠতে থাকবে। যখন আল্লাহ তাআলা হিশাব-নিকাশ শেষ করবেন, তখন তাদেরকে ডেকে বলা হবে, অমুক, অমুকের স্ত্রী। আবার কোনো হুরেরা বলবে, এই মুমিন হলো আমার স্বামী।
[৩১০] সাবিত আল বুনানি রাহিমাহুল্লাহু বলেন-জান্নাতী ব্যক্তি জান্নাতের সিংহাসনে প্রায় সত্তর বছর পর্যন্ত হেলান দিয়ে বসে থাকবে। তার চরপাশে অনেক খাদিম এবং হুরেরা থাকবে। যখন স্বামীহীন কিছু হুরেরা এত সুন্দর ও প্রেমময় চিত্র দেখবে, তখন বলতে থাকবে-হে অমুক! আমাদের কপালে কি তোমার মত স্বামী জুটবে?
[৩১১] মুহাম্মাদ ইবনু সাদ বলেন, আবু জাবিয়া রাহিমাহুল্লাহু বলেন—জান্নাতীদের উপর মেঘমালারা ছায়া দান করে বলবে, হে জান্নাতীরা, আমি তোমাদের উপর কোন জিনিষ বর্ষণ করবো? তখন জান্নাতীদের কেউ কেউ বলবে, তুমি আমাদের উপর সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী বর্ষণ করো।
[৩১২] ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-জান্নাতী হুরদের থুথুতে কোনো দূর্গন্ধ থাকবে না। তাদের থুথু হবে অনেক মিষ্টান্ন। এমনকি যদি জান্নাতী কোনো এক হুর সাতসমুদ্রে থুথু ফেলে, তাহলে সেই সাত সমুদ্র মধু থেকেও মিষ্টান্ন হয়ে যাবে।
টিকাঃ
[২৮৬] হাদিস: গরিব। সনদ: দুর্বল। সনদে একজন রাবী মিথ্যা অপবাদে রোপিত আছে।
[২৮৭] আল মুসনাদ, ইমাম আহমাদ, আল ইতহাফ: ১০/৫৪৬১।
[২৮৮] আয যুহদ, ইমাম হান্নাদ: ১১৭।
[**] আদ দুরুরল মানসুর: ৪/২২২।
[**] আদ দুরুরল মানসুর: ৪/২২২।
[*] আয যুহদ, ইবনুল মুবারক: ২৪০।
[*] আত তারগিব ওয়াত তারহিব: ৪/৫৩৫।