📄 সর্বশেষ জান্নাতে প্রবেশকারী ব্যক্তি
[৩৫] ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- 'সর্বশেষ যে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে (তার অবস্থা হবে এমন)-একবার হাঁটবে, একবার পড়বে, আরেকবার আগুন তাকে ঝলসে দেবে। যখন সে জাহান্নাম পার হয়ে যাবে, তখন সেদিকে তাকিয়ে বলবে—সেই সত্তা কত বরকতময়, যিনি আমাকে তোমার থেকে মুক্ত করেছেন। তিনি আমাকে এমন কিছু দিয়েছেন-যা পূর্বাপর আর কাউকেই দেননি।
তখন তার সামনে একটি বৃক্ষ উদগত হবে। (গাছটি দেখে) সে বলবে, হে আমার রব, আমাকে এই গাছটির নিকটবর্তী করুন, যেন আমি তার ছায়া গ্রহণ করতে পারি এবং তার রস পান করতে পারি। আল্লাহ তাআলা বলবেন, হে আদম সন্তান! যদি গাছটি আমি তোমাকে দিয়ে দিই, তাহলে আমার কাছে অন্যকিছু চাইবে? সে বলবে, হে আমার রব, আর কিছু চাইব না।
সুতরাং সে আল্লাহর কাছে আর কিছু না চাওয়ার প্রতিজ্ঞা করবে। আল্লাহ তাআলাকে মাজুর সাব্যস্ত করবেন। কারণ, সে এমন কিছু দেখেছে, যার ওপর ধৈর্যধারণ করা সম্ভব নয়। সুতরাং তাকে গাছটির নিকটবর্তী করে দেবেন। অতঃপর সে গাছের ছায়া গ্রহণ করবে এবং তার রস পান করবে। তারপর তার সামনে আরেকটি বৃক্ষ উদগত হবে। (গাছটি দেখে) সে বলবে, হে আমার রব, আমাকে এই গাছটির নিকটবর্তী করুন, যেন আমি তার ছায়া গ্রহণ করতে পারি এবং তার রস পান করতে পারি। আল্লাহ তাআলা বলবেন, হে আদমসন্তান! যদি গাছটি আমি তোমাকে দিয়ে দিই, তাহলে আমার কাছে অন্যকিছু চাইবে? সে বলবে, হে আমার রব, আর কিছু চাইব না। সুতরাং সে আল্লাহর কাছে আর কিছু না চাওয়ার প্রতিজ্ঞা করবে। আল্লাহ তাআলাকে মাজুর সাব্যস্ত করবেন, কারণ, সে এমন কিছু দেখেছে, যার ওপর ধৈর্যধারণ করা সম্ভব নয়। সুতরাং তাকে গাছটির নিকটবর্তী করে দেবেন। হঠাৎ তখন জান্নাতের দরজার কাছে পূর্বের দুটির চেয়ে আরও বেশি সুন্দর বৃক্ষ উদগত হবে। গাছটি দেখে সে পূর্বেই মতোই বলবে। সুতরাং তাকে গাছটির নিকটবর্তী করা হবে। গাছের নিকট গিয়েই সে জান্নাতীদের আওয়াজ শুনতে পাবে। তখন বলবে, হে আমার রব, আমাকে জান্নাতের ভিতর প্রবেশ করিয়ে দিন। আল্লাহ বলবেন, হে আদমসন্তান! কোন বস্তু তোমাকে আমার পিছু ছাড়াবে? আমি কি তোমাকে দুনিয়া এবং তার সমান আরেকটি পৃথিবী দিলে খুশি হবে? সে বলবে, হে আমার রব, আপনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক হয়ে আমার সাথে ঠাট্টা করছেন? ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হাসলেন। তারপর বললেন, তোমরা কি জিজ্ঞেস করবে না, আপনি কেন হাসলেন? তারা বললেন, আপনি কেন হাসলেন? ইবনু মাসউদ বললেন, এভাবেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসেছিলেন। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কেন হাসলেন? জবাব নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তাআলার হাসার কারণে। তখন আল্লাহ বলবেন, আমি তোমার সাথে ঠাট্টা করছি না, বরং আমি যা চাই তাই করতে পারি।
[৩৬] আবু সাইদ আল খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, أَدْنَى أَهْلِ الْجَنَّةِ الَّذِي لَهُ ثَمَانُونَ أَلْفَ خَادِمٍ وَاثْنَتَانِ وَسَبْعُونَ زَوْجَةٌ وَتُنْصَبُ لَهُ قُبَّةٌ مِنْ لُؤْلُوْ وَزَبَرْজَدٍ وَيَاقُوتٍ كَمَا بَيْنَ الْجَابِيَةِ إِلَى صَنْعَاءَ "অতি সাধারণ মর্যাদাসম্পন্ন একজন জান্নাতীরও আশি হাজার খাদিম ও বাহাত্তর জন হূর থাকবে। আর তার জন্য মণিমুক্তা, যমরূদ ও ইয়াকুতের তাঁবু নির্মাণ করা হবে। সেটা এত বড় হবে যে, তা সিরিয়ার অন্তর্গত 'জাবিয়া' হতে ইয়ামানের 'সানআ' পর্যন্ত সমান জায়গা জুড়ে বিস্তৃত হবে।”
[৩৭] আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-জান্নাতবাসীদের থেকে নিম্নস্তরের বাসস্থান ঐ ব্যক্তির হবে, যে আল্লাহর নিকট অনেক কিছু আকাঙ্ক্ষা করবে, অতঃপর তাকে বলা হবে, এসবই তোমার এবং এর সাথে আরো সমপরিমাণ দেওয়া হলো। (এমনকি তার সাথী-সঙ্গীরা স্মরণ করিয়ে দিবে, তুমি অমুক অমুক জিনিস চাও। অতঃপর তাকে বলা হবে, এসবই তোমার, এসবই তোমার এবং এর সাথে আরো সমপরিমাণও তোমার।)
[৩৮] আবদুল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-সর্বনিম্ন জান্নাতী ব্যক্তির জন্য প্রায় এক হাজার প্রাসাদ থাকবে; প্রতি দু'প্রাসাদের মাঝে এক বৎসর পরিমাণ দুরত্ব হবে। সে এই প্রাসাদগুলোর এক পার্শ্ব থেকে অপর পার্শ্বের সবকিছু একেবারে স্পষ্ট দেখতে পাবে। প্রতি প্রাসাদেই ডাগর ডাগর চক্ষু বিশিষ্ট হুর ও উত্তম স্ত্রীগণ থাকবে। সেখানে থাকবে আরো সুন্দরী কিশোরীরা। জান্নাতী ব্যক্তি যখন যা কামনা করবে, তখন তাকে তা-ই দেওয়া হবে।
[৩৯] মুগিরা ইবনু শুবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার মুসা আলাইহিস সালাম রবকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, জান্নাতে সবচেয়ে নিম্নস্তরের লোক কে হবে? আল্লাহ তাআলা বললেন, সে হলো এমন এক ব্যক্তি, যে জান্নাতীদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানোর পর আসবে। তাকে বলা হবে, জান্নাতে প্রবেশ কর। সে বলবে, হে রব! তা কী রুপে হবে? জান্নাতীগণ তো নিজ নিজ আবাসের অধিকারী হয়ে গেছেন। তারা তাদের প্রাপ্য নিয়েছেন। তাকে বলা হবে, পৃথিবীর কোন সম্রাটের সাম্রাজ্যের সমপরিমাণ সম্পদ নিয়ে তুমি সন্তুষ্ট হবে? সে বলবে, হে রব! আমি এতেই সন্তুষ্ট ও সফলকাম। আল্লাহ বলবেন, তোমাকে উক্ত পরিমাণ সম্পদ দেয়া হলো। সাথে দেয়া হলো আরো এর সমপরিমাণ, আরো সমপরিমাণ, আরো সমপরিমাণ। পঞ্চমবারে সে বলে উঠবে, হে আমার রব! আমি সন্তুষ্ট, তিনি বলবেন, এটা তোমার জন্য এবং আরো দশগুণ দেয়া হলো। তা ছাড়া তোমার জন্য রয়েছে এমন জিনিস যা দ্বারা মন তৃপ্ত হয় এবং চোখ জুড়ায়। সে বলবে, হে আমার রব! আমি পরিতৃপ্ত। মুসা আলাইহিস সালাম বললেন, জান্নাতীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী কে হবে? আল্লাহ তাআলা বলবেন, 'তারা ঐ সব লোক, যাদের মর্যাদা আমি চূড়ান্তভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছি।' তিনি আরো বলবেন, 'ওরা তারাই যাদের জন্য আমি নিজ হস্তে তাদের মর্যাদা উন্নীত করেছি ও তার উপর মোহর মেরে দিয়েছি। এমন জিনিস তাদের জন্য রেখেছি যা কোন চক্ষু কখনো দেখেনি, কোন কান কখনো শুনেনি, কারো অন্তরে কখনো কল্পনায়ও উদয় হয়নি।'
[৪০] ইবনু সিরিন রাহিমাহুল্লাহু বলেন, জান্নাতীদের মাঝে সবচেয়ে নিম্নস্তরের ঐ ব্যক্তি হবে, যাকে বলা হবে, 'তুমি চাও' জান্নাতী ব্যক্তি আদেশ পেয়ে ইচ্ছামত আল্লাহর কাছে অনেক কিছু আবেদন করবে। পরিশেষে তাকে বলা হবে, এসব তোমার এবং এর সাথে আরো অনেকগুণ তোমার জন্য দেওয়া হলো। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তাকে বলা হবে, এসব কিছু তোমার এবং এর সাথে আরো দশগুণ তোমাকে বৃদ্ধি করে দেওয়া হলো। আর আল্লাহর কাছে রয়েছে আরও অধিক।
টিকাঃ
[*] আস সুনান, তিরমিযি: ৪৪৮২; সহিহ মুসলিম: ১/১৭৪, ১৭৫। অন্য বর্ণনায় আছে—আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, لأَعْلَمُ آخِرَ أَهْلِ النَّارِ خُرُوجًا مِنْهَا وَآخِرَ أَهْلِ الْجَنَّةِ دُخُولًا الْجَنَّةَ... আমি খুব ভালোভাবেই জানি সর্বশেষ জাহান্নাম থেকে মুক্ত এবং জান্নাতে প্রবিষ্ট ব্যক্তি কে হবে। একজন মানুষ জাহান্নাম থেকে উবু হয়ে বের হবে। তখন আল্লাহ বলবেন-জান্নাতে যাও। জান্নাতে প্রবেশ করে সে ভাববে, হয়তো তার সাথে উপহাস করা হচ্ছে। যার কারণে সে ফিরে আল্লাহর কাছে এসে বলবে-ইয়া রব, আমার সাথে উপহাস করা হচ্ছে! আল্লাহ বলবেন-যাও জান্নাতে প্রবেশ করো। সে জান্নাতে প্রবেশ করে আবার মনে করবে, তার সাথে উপহাস করা হচ্ছে। সুতরাং সে আল্লাহর কাছে ফিরে এসে বলবে, ইয়া রব, আমার সাথে উপহাস করা হচ্ছে! আল্লাহ বলবেন-যাও জান্নাতে প্রবেশ করো। কেননা, তোমার জন্য বরাদ্দ দুনিয়াসম এবং দুনিয়ার দশগুন জান্নাত, অথবা তোমার জন্য বরাদ্দ দুনিয়ার দশগুণ জান্নাত। তখন সে আল্লাহকে বলবে-আপনি কি মালিক হয়েও আমার সাথে ঠাট্টা করছেন? বর্ণনাকারী বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমনভাবে হাসতে দেখেছি যে, তার মাড়ির দাঁত বের হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-এটাই হবে সর্বনিম্ন জান্নাতীর মর্যাদা। (সহিহ মুসলিম: ২৭২।)
অন্য বর্ণনায় আছে-আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-সর্বশেষ জান্নাতে প্রবিষ্ট এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে হামাগুড়ি হয়ে বের হবে। তখন তার রব তাকে বলবেন-জান্নাতে প্রবেশ করো। সে বলবে-আমার রব, জান্নাত তো পরিপূর্ণ। কথাটি আল্লাহ তাআলা তিনবার বলবেন, সেও তিনবারই বলবে-আমার রব, জান্নাত তো পরিপূর্ণ। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন-তোমার জন্য দুনিয়ার দশগুণ বড় জান্নাত রয়েছে। (সহিহ বুখারি : হাদিস : ৬৯৫৭।)-অনুবাদক।
[°] মিশকাত: ৫৬৪৮; যয়িফ জামি সগির: ২৬৬।
[°] আল মুসনাদ, আহমাদ ইবনু হাম্বাল: ২/৪৫০।
[৪১] সহিহ মুসলিম: ১৮৯।
[৩৫] ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- 'সর্বশেষ যে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে (তার অবস্থা হবে এমন)-একবার হাঁটবে, একবার পড়বে, আরেকবার আগুন তাকে ঝলসে দেবে। যখন সে জাহান্নাম পার হয়ে যাবে, তখন সেদিকে তাকিয়ে বলবে—সেই সত্তা কত বরকতময়, যিনি আমাকে তোমার থেকে মুক্ত করেছেন। তিনি আমাকে এমন কিছু দিয়েছেন-যা পূর্বাপর আর কাউকেই দেননি।
তখন তার সামনে একটি বৃক্ষ উদগত হবে। (গাছটি দেখে) সে বলবে, হে আমার রব, আমাকে এই গাছটির নিকটবর্তী করুন, যেন আমি তার ছায়া গ্রহণ করতে পারি এবং তার রস পান করতে পারি। আল্লাহ তাআলা বলবেন, হে আদম সন্তান! যদি গাছটি আমি তোমাকে দিয়ে দিই, তাহলে আমার কাছে অন্যকিছু চাইবে? সে বলবে, হে আমার রব, আর কিছু চাইব না। সুতরাং সে আল্লাহর কাছে আর কিছু না চাওয়ার প্রতিজ্ঞা করবে। আল্লাহ তাআলাকে মাজুর সাব্যস্ত করবেন। কারণ, সে এমন কিছু দেখেছে, যার ওপর ধৈর্যধারণ করা সম্ভব নয়। সুতরাং তাকে গাছটির নিকটবর্তী করে দেবেন। অতঃপর সে গাছের ছায়া গ্রহণ করবে এবং তার রস পান করবে।
তারপর তার সামনে আরেকটি বৃক্ষ উদগত হবে। (গাছটি দেখে) সে বলবে, হে আমার রব, আমাকে এই গাছটির নিকটবর্তী করুন, যেন আমি তার ছায়া গ্রহণ করতে পারি এবং তার রস পান করতে পারি। আল্লাহ তাআলা বলবেন, হে আদমসন্তান! যদি গাছটি আমি তোমাকে দিয়ে দিই, তাহলে আমার কাছে অন্যকিছু চাইবে? সে বলবে, হে আমার রব, আর কিছু চাইব না। সুতরাং সে আল্লাহর কাছে আর কিছু না চাওয়ার প্রতিজ্ঞা করবে। আল্লাহ তাআলাকে মাজুর সাব্যস্ত করবেন, কারণ, সে এমন কিছু দেখেছে, যার ওপর ধৈর্যধারণ করা সম্ভব নয়। সুতরাং তাকে গাছটির নিকটবর্তী করে দেবেন। হঠাৎ তখন জান্নাতের দরজার কাছে পূর্বের দুটির চেয়ে আরও বেশি সুন্দর বৃক্ষ উদগত হবে। গাছটি দেখে সে পূর্বেই মতোই বলবে। সুতরাং তাকে গাছটির নিকটবর্তী করা হবে। গাছের নিকট গিয়েই সে জান্নাতীদের আওয়াজ শুনতে পাবে। তখন বলবে, হে আমার রব, আমাকে জান্নাতের ভিতর প্রবেশ করিয়ে দিন। আল্লাহ বলবেন, হে আদমসন্তান! কোন বস্তু তোমাকে আমার পিছু ছাড়াবে? আমি কি তোমাকে দুনিয়া এবং তার সমান আরেকটি পৃথিবী দিলে খুশি হবে? সে বলবে, হে আমার রব, আপনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক হয়ে আমার সাথে ঠাট্টা করছেন? ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হাসলেন। তারপর বললেন, তোমরা কি জিজ্ঞেস করবে না, আপনি কেন হাসলেন? তারা বললেন, আপনি কেন হাসলেন? ইবনু মাসউদ বললেন, এভাবেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসেছিলেন। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কেন হাসলেন? জবাব নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তাআলার হাসার কারণে। তখন আল্লাহ বলবেন, আমি তোমার সাথে ঠাট্টা করছি না, বরং আমি যা চাই তাই করতে পারি।
[৩৬] আবু সাইদ আল খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, أَدْنَى أَهْلِ الْجَنَّةِ الَّذِي لَهُ ثَمَانُونَ أَلْفَ خَادِمٍ وَاثْنَتَانِ وَسَبْعُونَ زَوْجَةٌ وَتُنْصَبُ لَهُ قُبَّةٌ مِنْ لُؤْلُوْ وَزَبَرْجَدٍ وَيَاقُوتٍ كَمَا بَيْنَ الْجَابِيَةِ إِلَى صَنْعَاءَ "অতি সাধারণ মর্যাদাসম্পন্ন একজন জান্নাতীরও আশি হাজার খাদিম ও বাহাত্তর জন হূর থাকবে। আর তার জন্য মণিমুক্তা, যমরূদ ও ইয়াকুতের তাঁবু নির্মাণ করা হবে। সেটা এত বড় হবে যে, তা সিরিয়ার অন্তর্গত 'জাবিয়া' হতে ইয়ামানের 'সানআ' পর্যন্ত সমান জায়গা জুড়ে বিস্তৃত হবে।”
[৩৭] আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-জান্নাতবাসীদের থেকে নিম্নস্তরের বাসস্থান ঐ ব্যক্তির হবে, যে আল্লাহর নিকট অনেক কিছু আকাঙ্ক্ষা করবে, অতঃপর তাকে বলা হবে, এসবই তোমার এবং এর সাথে আরো সমপরিমাণ দেওয়া হলো। (এমনকি তার সাথী-সঙ্গীরা স্মরণ করিয়ে দিবে, তুমি অমুক অমুক জিনিস চাও। অতঃপর তাকে বলা হবে, এসবই তোমার, এসবই তোমার এবং এর সাথে আরো সমপরিমাণও তোমার।)
[৩৮] আবদুল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-সর্বনিম্ন জান্নাতী ব্যক্তির জন্য প্রায় এক হাজার প্রাসাদ থাকবে; প্রতি দু'প্রাসাদের মাঝে এক বৎসর পরিমাণ দুরত্ব হবে। সে এই প্রাসাদগুলোর এক পার্শ্ব থেকে অপর পার্শ্বের সবকিছু একেবারে স্পষ্ট দেখতে পাবে। প্রতি প্রাসাদেই ডাগর ডাগর চক্ষু বিশিষ্ট হুর ও উত্তম স্ত্রীগণ থাকবে। সেখানে থাকবে আরো সুন্দরী কিশোরীরা। জান্নাতী ব্যক্তি যখন যা কামনা করবে, তখন তাকে তা-ই দেওয়া হবে।
[৩৯] মুগিরা ইবনু শুবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার মুসা আলাইহিস সালাম রবকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, জান্নাতে সবচেয়ে নিম্নস্তরের লোক কে হবে? আল্লাহ তাআলা বললেন, সে হলো এমন এক ব্যক্তি, যে জান্নাতীদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানোর পর আসবে। তাকে বলা হবে, জান্নাতে প্রবেশ কর। সে বলবে, হে রব! তা কী রুপে হবে? জান্নাতীগণ তো নিজ নিজ আবাসের অধিকারী হয়ে গেছেন। তারা তাদের প্রাপ্য নিয়েছেন। তাকে বলা হবে, পৃথিবীর কোন সম্রাটের সাম্রাজ্যের সমপরিমাণ সম্পদ নিয়ে তুমি সন্তুষ্ট হবে? সে বলবে, হে রব! আমি এতেই সন্তুষ্ট ও সফলকাম। আল্লাহ বলবেন, তোমাকে উক্ত পরিমাণ সম্পদ দেয়া হলো। সাথে দেয়া হলো আরো এর সমপরিমাণ, আরো সমপরিমাণ, আরো সমপরিমাণ। পঞ্চমবারে সে বলে উঠবে, হে আমার রব! আমি সন্তুষ্ট, তিনি বলবেন, এটা তোমার জন্য এবং আরো দশগুণ দেয়া হলো। তা ছাড়া তোমার জন্য রয়েছে এমন জিনিস যা দ্বারা মন তৃপ্ত হয় এবং চোখ জুড়ায়। সে বলবে, হে আমার রব! আমি পরিতৃপ্ত। মুসা আলাইহিস সালাম বললেন, জান্নাতীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী কে হবে? আল্লাহ তাআলা বলবেন, 'তারা ঐ সব লোক, যাদের মর্যাদা আমি চূড়ান্তভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছি।' তিনি আরো বলবেন, 'ওরা তারাই যাদের জন্য আমি নিজ হস্তে তাদের মর্যাদা উন্নীত করেছি ও তার উপর মোহর মেরে দিয়েছি। এমন জিনিস তাদের জন্য রেখেছি যা কোন চক্ষু কখনো দেখেনি, কোন কান কখনো শুনেনি, কারো অন্তরে কখনো কল্পনায়ও উদয় হয়নি।'
[৪০] ইবনু সিরিন রাহিমাহুল্লাহু বলেন, জান্নাতীদের মাঝে সবচেয়ে নিম্নস্তরের ঐ ব্যক্তি হবে, যাকে বলা হবে, 'তুমি চাও' জান্নাতী ব্যক্তি আদেশ পেয়ে ইচ্ছামত আল্লাহর কাছে অনেক কিছু আবেদন করবে। পরিশেষে তাকে বলা হবে, এসব তোমার এবং এর সাথে আরো অনেকগুণ তোমার জন্য দেওয়া হলো। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তাকে বলা হবে, এসব কিছু তোমার এবং এর সাথে আরো দশগুণ তোমাকে বৃদ্ধি করে দেওয়া হলো। আর আল্লাহর কাছে রয়েছে আরও অধিক।
টিকাঃ
[*] আস সুনান, তিরমিযি: ৪৪৮২; সহিহ মুসলিম: ১/১৭৪, ১৭৫। অন্য বর্ণনায় আছে—আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, لأَعْلَمُ آخِرَ أَهْلِ النَّارِ خُرُوجًا مِنْهَا وَآخِرَ أَهْلِ الْجَنَّةِ دুখূلاً الْجَنَّةَ... আমি খুব ভালোভাবেই জানি সর্বশেষ জাহান্নাম থেকে মুক্ত এবং জান্নাতে প্রবিষ্ট ব্যক্তি কে হবে। একজন মানুষ জাহান্নাম থেকে উবু হয়ে বের হবে। তখন আল্লাহ বলবেন-জান্নাতে যাও। জান্নাতে প্রবেশ করে সে ভাববে, হয়তো তার সাথে উপহাস করা হচ্ছে। যার কারণে সে ফিরে আল্লাহর কাছে এসে বলবে-ইয়া রব, আমার সাথে উপহাস করা হচ্ছে! আল্লাহ বলবেন-যাও জান্নাতে প্রবেশ করো। সে জান্নাতে প্রবেশ করে আবার মনে করবে, তার সাথে উপহাস করা হচ্ছে। সুতরাং সে আল্লাহর কাছে ফিরে এসে বলবে, ইয়া রব, আমার সাথে উপহাস করা হচ্ছে! আল্লাহ বলবেন-যাও জান্নাতে প্রবেশ করো। কেননা, তোমার জন্য বরাদ্দ দুনিয়াসম এবং দুনিয়ার দশগুন জান্নাত, অথবা তোমার জন্য বরাদ্দ দুনিয়ার দশগুণ জান্নাত। তখন সে আল্লাহকে বলবে-আপনি কি মালিক হয়েও আমার সাথে ঠাট্টা করছেন? বর্ণনাকারী বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমনভাবে হাসতে দেখেছি যে, তার মাড়ির দাঁত বের হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-এটাই হবে সর্বনিম্ন জান্নাতীর মর্যাদা। (সহিহ মুসলিম: ২৭২।)
অন্য বর্ণনায় আছে-আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-সর্বশেষ জান্নাতে প্রবিষ্ট এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে হামাগুড়ি হয়ে বের হবে। তখন তার রব তাকে বলবেন-জান্নাতে প্রবেশ করো। সে বলবে-আমার রব, জান্নাত তো পরিপূর্ণ। কথাটি আল্লাহ তাআলা তিনবার বলবেন, সেও তিনবারই বলবে-আমার রব, জান্নাত তো পরিপূর্ণ। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন-তোমার জন্য দুনিয়ার দশগুণ বড় জান্নাত রয়েছে। (সহিহ বুখারি : হাদিস : ৬৯৫৭।)-অনুবাদক।
[°] মিশকাত: ৫৬৪৮; যয়িফ জামি সগির: ২৬৬।
[°] আল মুসনাদ, আহমাদ ইবনু হাম্বাল: ২/৪৫০।
[৪১] সহিহ মুসলিম: ১৮৯।
📄 সুসংবাদ জান্নাতীদের জন্য
[৪১] কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন আল্লাহ তাআলা জান্নাতের দিকে দৃষ্টি দিয়ে বলবেন, তোমার অধিবাসীদের সুসংবাদ। তখন তাদের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।৪২
[৪২] সাদ আত তাঈ রাহিমাহুল্লাহ বলেন-আমার কাছে এই বর্ণনা পৌঁছেছে যে, আল্লাহ তাআলা জান্নাতকে বলবেন, তুমি সুসজ্জিত হও। ফলে জান্নাত সুসজ্জিত হবে। অতঃপর তিনি বলবেন, 'তুমি কথা বলো' জান্নাত এ কথা বলবে, সুসংবাদ ওই ব্যক্তির জন্য যার প্রতি আপনি সন্তুষ্ট।৪৩
[৪৩] কাতাদা রাহিমাহুল্লাহ বলেন-আল্লাহ তাআলা জান্নাত সৃষ্টি করে তাকে বললেন, 'তুমি কথা বলো', জান্নাত বলল, মুত্তাকীনদের জন্য সুসংবাদ। সুসংবাদ সৎকর্মশীলদের জন্য।
টিকাঃ
[*] হিলইয়াতুল আউলিয়া, আবু নুআইম: ৫/৩৭৯।
[*] আয যুহদ, ইবনুল মুবারক: ৫২৪।
[৪১] কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন আল্লাহ তাআলা জান্নাতের দিকে দৃষ্টি দিয়ে বলবেন, তোমার অধিবাসীদের সুসংবাদ। তখন তাদের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
[৪২] সাদ আত তাঈ রাহিমাহুল্লাহ বলেন-আমার কাছে এই বর্ণনা পৌঁছেছে যে, আল্লাহ তাআলা জান্নাতকে বলবেন, তুমি সুসজ্জিত হও। ফলে জান্নাত সুসজ্জিত হবে। অতঃপর তিনি বলবেন, 'তুমি কথা বলো' জান্নাত এ কথা বলবে, সুসংবাদ ওই ব্যক্তির জন্য যার প্রতি আপনি সন্তুষ্ট।
[৪৩] কাতাদা রাহিমাহুল্লাহ বলেন-আল্লাহ তাআলা জান্নাত সৃষ্টি করে তাকে বললেন, 'তুমি কথা বলো', জান্নাত বলল, মুত্তাকীনদের জন্য সুসংবাদ। সুসংবাদ সৎকর্মশীলদের জন্য।
টিকাঃ
[*] হিলইয়াতুল আউলিয়া, আবু নুআইম: ৫/৩৭৯।
[*] আয যুহদ, ইবনুল মুবারক: ৫২৪।
📄 জান্নাতের নরম বাতাস
[৪৪] ইবনু কায়েস রাহিমাহুল্লাহ বলেন-জান্নাতের বাতাস হবে অত্যন্ত সুখময়। তীব্র ঠান্ডা কিংবা প্রচন্ড উত্তাপিত হবে না। জান্নাতীরা যা চাইবে, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে তা দিয়ে-ই সন্তুষ্ট করবেন।
টিকাঃ
[*] আয যুহদ, ইবনুল মুবারক: ১৫২৫।
[৪৪] ইবনু কায়েস রাহিমাহুল্লাহ বলেন-জান্নাতের বাতাস হবে অত্যন্ত সুখময়। তীব্র ঠান্ডা কিংবা প্রচন্ড উত্তাপিত হবে না। জান্নাতীরা যা চাইবে, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে তা দিয়ে-ই সন্তুষ্ট করবেন।
টিকাঃ
[*] আয যুহদ, ইবনুল মুবারক: ১৫২৫।
📄 জান্নাতুল ফেরদাউস
[৪৫] আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, খَلَقَ اللهُ ثَلَاثَةَ أَشْيَاءَ بِيَدِهِ خَلَقَ آدَمَ بِيَدِهِ وَكَتَبَ التَّوْرَاةَ بِيَدِهِ وَغَرَسَ الْفِرْدَوْسَ بِيَدِهِ ثُمَّ قَالَ وَعِزَّتِي وَجَلَالِي لَا يَدْখُلُهَا مُدْمِنُ خَمْرٍ وَلَا الدَّيُّوثُ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ عَرَفْنَا مُدْمِنَ الْخَمْرِ فَمَا الدَّيُّوثُ قَالَ الَّذِي يُقِرُّ السُّوءَ فِي أَهْلِهِ. আল্লাহ তাআলা তিনটি জিনিস নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। (১) আদম আলাইহিস সালামকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। (২) তাওরাত কিতাব নিজ হাতে লিখেছেন। (৩) জান্নাতুল ফেরদাউসকে নিজ হাতে সজ্জিত করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেন, আমার বড়ত্ব ও মহত্বের শপথ, নেশাদার দ্রব্য পানকারী ও দাইয়ুস ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। সাহাবাগণ বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা নেশাদার দ্রব্য পান করার বিষয়টি বুঝেছি, কিন্তু দাইউস বিষয়টি কি? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি তার পরিবারে বেহায়াপনার সুযোগ দেয়।
টিকাঃ
[*] সিফাতুল জান্নাহ, আবু নুআইম: ১২৭১।
[৪৫] আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, خَلَقَ اللهُ ثَلَاثَةَ أَشْيَاءَ بِيَدِهِ خَلَقَ آدَمَ بِيَدِهِ وَكَتَبَ التَّوْرَاةَ بِيَدِهِ وَغَرَسَ الْفِرْدَوْسَ بِيَدِهِ ثُمَّ قَالَ وَعِزَّتِي وَجَلَالِي لَا يَدْخُلُهَا مُدْمِنُ خَمْرٍ وَلَا الدَّيُّوثُ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ عَرَفْنَا مُدْمِنَ الْخَمْرِ فَمَا الدَّيُّوثُ قَالَ الَّذِي يُقِرُّ السُّوءَ فِي أَهْلِهِ. আল্লাহ তাআলা তিনটি জিনিস নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। (১) আদম আলাইহিস সালামকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। (২) তাওরাত কিতাব নিজ হাতে লিখেছেন। (৩) জান্নাতুল ফেরদাউসকে নিজ হাতে সজ্জিত করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেন, আমার বড়ত্ব ও মহত্বের শপথ, নেশাদার দ্রব্য পানকারী ও দাইয়ুস ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। সাহাবাগণ বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা নেশাদার দ্রব্য পান করার বিষয়টি বুঝেছি, কিন্তু দাইউস বিষয়টি কি? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি তার পরিবারে বেহায়াপনার সুযোগ দেয়।
টিকাঃ
[*] সিফাতুল জান্নাহ, আবু নুআইম: ১২৭১।