📄 পরকালের নাজাত-প্রত্যাশীদের জন্য মুক্তো-সম মূল্যবান কিছু নসিহত
আবু হাজিম সালামা ইবনে দিনার রহ. বলেন,
'যে সকল কাজের কারণে তুমি মৃত্যুকে অপছন্দ করো, তা ছেড়ে দাও। এরপর "তুমি কখন মৃত্যুবরণ করবে?"—এমন প্রশ্ন তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।'১১৮
প্রিয় ভাই, একটু লক্ষ করেছেন? কিয়াসটা কেমন ছিল?
এখানে আরও একটি নসিহত পেশ করছি—মায়মুন ইবনে মিহরান রহ. বলেন,
'যে ব্যক্তি আখিরাতে আল্লাহ তাআলার নিকট তার অবস্থান সম্পর্কে অবগত হতে চায়, সে যেন তার আমলের দিকে তাকায়। কেননা, সে তার আমলের ওপর ভিত্তি করে গঠিত ব্যক্তিত্ব নিয়েই আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে।'১১৯
উক্ত নসিহতটি আল্লাহ তাআলার একটি আয়াতের সারমর্ম। আল্লাহ তাআলা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَلْتَنْظُرْ نَفْسٌ مَا قَدَّمَتْ لِغَدٍ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا تَعْمَلُونَ ﴾
'হে ইমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় করো। প্রত্যেকের ভেবে দেখা উচিত, আগামীকালের জন্য সে কী অগ্রিম পাঠিয়েছে। এবং আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয় আল্লাহ সে সম্পর্কে অবগত, তোমরা যা কিছু করছ।'১২০
আবু আইয়াশ আল-কাত্তান রহ. বলেন,
'বসরায় ইবাদতকারিণী এক মহিলা ছিলেন। নাম তার মুনাইবা। তার একটি মেয়ে ছিল, যে তার চেয়ে বেশি ইবাদতগুজার ছিল। এত ছোট বয়সে তার এমন ইবাদত দেখে হাসান বসরি রহ. খুবই আশ্চর্য হলেন। হাসান রহ. একবার এক মজলিসে বসা ছিলেন, এমতাবস্থায় তার কাছে এক লোক এসে বলল, "আপনি কি জানেন, সেই মেয়েটি এখন অন্তিম মুহূর্তে মৃত্যুর অপেক্ষায়?” এ শুনে হাসান রহ. তৎক্ষণাৎ মেয়েটিকে দেখতে গেলেন। হাসান রহ. মেয়েটির নিকট আসলেন। মেয়েটি তার দিকে তাকিয়ে কেঁদে ফেলল। তখন হাসান রহ. তাকে বললেন, “কাঁদছ কেন?” মেয়েটি বলল, "হে আবু সায়িদ, মাটি আমার তারুণ্যকে ঢেকে দেবে; অথচ আমি এখনো আল্লাহর ইবাদত করে তৃপ্ত হইনি। হে আবু সাইদ, আপনি আমার মাকে দেখেন, তিনি আমার বাবাকে বলছেন, আমার মেয়ের জন্য প্রশস্ত কবর খুঁড়বেন এবং তাকে সুন্দর কাপড়ে কাফন দেবেন। আল্লাহর শপথ, আমাকে যদি মক্কায় প্রেরণ করা হতো, তাহলেও আমার ক্রন্দন অনেক দীর্ঘ হতো। তাহলে আমি কীভাবে এমন অন্ধকার নির্জন কবরের দিকে রওয়ানা করব, যা অন্ধকার আর পোকামাকড়ের ঘর?”১২১
আমরা মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াসি' রহ.-এর নসিহত নিয়ে একটু চিন্তা-ভাবনা করি। মৃত্যুর সময় তিনি এ নসিহত করেছিলেন। এ নসিহত তিনি সত্য অন্তরে, বিশুদ্ধ হৃদয়ে করেছিলেন। মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ বলেন,
'মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াসি' রহ.-এর মৃত্যুর আগে আমরা তার নিকট গেলাম। তখন তিনি বলেন, “হে আমার ভাইয়েরা, আমরা সকলে আল্লাহ তাআলার নিকট প্রত্যাবর্তন চেয়েছিলাম। অতঃপর তিনি তোমাদের তা দিয়েছেন আর আমাকে তা দেননি। সুতরাং তোমরা নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত কোরো না।”১২২
হ্যাঁ, আমি, তুমি, আমরা সকলেই আল্লাহ তাআলার নিকট প্রত্যাবর্তন চেয়েছি।
আমরা তো এখন আমলের ঘরে রয়েছি। সুতরাং এসো, দ্রুত স্বচ্ছ ও সত্য দিলে আল্লাহ তাআলার নিকট তাওবা করি। এখন থেকেই দ্রুত নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার আনুগত্য করি। কারণ, সময় বয়েই চলেছে। আমাদের নিশ্বাস ফুরিয়ে আসছে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমলের ঘরে থাকব, ততক্ষণ তা বয়েই চলবে।
জনৈক সালাফ প্রতিদিন মদিনার দেওয়ালের ওপর উঠে চিৎকার করতেন, الرحيل.. الرحيل.. 'বিদায়। বিদায়।'
একদিন তিনি মৃত্যুবরণ করলেন। আমিরুল মুমিনিন তার আওয়াজ আর শুনতে না পেয়ে তার সম্পর্কে মানুষদের জিজ্ঞেস করলেন। তাঁকে বলা হলো, সে তো ইনতেকাল করেছে। তখন তিনি বলেন,
ما زال يلهج بالرحيل وذكره • حتى أناخ ببابه الجمال فأصابه متيقظا مُتشمرًا • ذا أُهبة لم تُلهه الآمال
'সর্বদা সে বিদায় ধ্বনির আভাস দিয়ে যেত। তার সে স্মরণের ফটকে মনের লাগাম টেনে ধরত। বিদায় বেলা সে ছিল সতর্ককারী, সাবধানকারী, বৃথা-আশা তাকে ধোঁকা দিতে পারেনি, বরং তার যে ছিল সুন্দর প্রস্তুতি।'১২৩
বলা হয়ে থাকে, ইয়াকুব আ. আজরায়িল আ. কে বললেন, 'আমি তোমার কাছে একটা জিনিস চাইব?'
আজরায়িল বললেন, 'বলুন?'
ইয়াকুব আ. বললেন, 'আমার যখন জান কবজ করার সময় হবে। আপনি যখন আমার জান কবজ করতে চাইবেন। এর আগে আমাকে জানাবেন।'
আজরায়িল বললেন, 'ঠিক আছে, তাই হবে। আমি আপনার নিকট দু'তিনজন দূত প্রেরণ করব।'
একসময় ইয়াকুব আ.-এর হায়াত ফুরিয়ে এল। আজরায়িল আ. তাঁর নিকট আসলেন। ইয়াকুব আ. তাঁকে বললেন, 'আপনি কি আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন না আমার জান কবজ করতে এসেছেন?' আজরায়িল বললেন, 'জান কবজ করতে।'
ইয়াকুব আ. বললেন, 'আপনি তো আমাকে বলেছিলেন, আপনি আমার কাছে দু'তিনজন সংবাদদাতা পাঠাবেন?'
আজরায়িল বললেন, 'আমি তো এরকম করেছিও। আপনার কালো চুল সাদা হয়ে যাওয়া, আপনার শক্ত-সমর্থ শরীর দুর্বল হয়ে পড়া, আপনার সোজা-সুঠাম দেহ বাঁকা হয়ে যাওয়া—এগুলোই হলো মৃত্যুর আগে বনি আদমের কাছে আমার পাঠানো বার্তাবাহক।'১২৪
ভাই আমার সতর্ক হোন। এ সকল সংবাদদাতা আসার আগেই সতর্ক হোন। আর এটাও তো চূড়ান্ত বিষয় নয় যে, সবার নিকট এ বার্তাবাহক আসবেই। বরং কত মানুষ তো শিশু বয়সে, দুধ ছাড়ানোর আগেই মারা যায়! কত যুবক পূর্ণ যৌবনে পৌঁছে সুঠাম দেহের অধিকারী হয়ে ইনতেকাল করে। বরং আমরা তো দেখতে পাই যে, কবরের অধিবাসীদের মধ্যে দুগ্ধপায়ী শিশু, বাচ্চা ও যুবকরাই বেশি। এতেই তো রয়েছে উপদেশ প্রত্যেক এমন ব্যক্তির জন্য, যারা চিরস্থায়ী জান্নাতে নিজের ঘর নির্মাণ করতে চায়।
হে প্রিয় ভাই, সামনের নসিহত নিয়ে একটু চিন্তা করুন। এটি তো স্বর্ণাক্ষরে লিখে অন্তরের গহীনে রেখে দেওয়ার মতো একটা নসিহত।
এক লোক জুহাইর ইবনে নায়িমকে বলল, 'হে আবু আব্দুর রহমান, আমাকে কোনো কিছুর অসিয়ত করুন না!' তিনি বললেন, 'ঠিক আছে, তুমি সতর্ক হও, তোমার উদাসীনতার মধ্যেই যেন আল্লাহ তোমাকে উঠিয়ে না নেন।'১২৫
এ যে খুবই মূল্যবান একটি নসিহত। এর মধ্যে রয়েছে আল্লাহর ভালোবাসার প্রতি উৎসাহিতকরণ। রয়েছে তাঁর আনুগত্যের প্রতি উদ্বুদ্ধকরণ। রয়েছে হারাম বিষয়গুলো পরিহারের নির্দেশনা। রয়েছে আখিরাতের স্মরণ ও তার প্রস্তুতি গ্রহণের প্রতি উত্তম উপদেশ।
উবাইদ ইবনে উমাইর রহ. বলেন,
'একজন মানুষের তিনজন অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিল। তাদের একজনের চেয়ে অপরজন তার কাছে আরও বেশি প্রিয়, আরও বেশি অন্তরঙ্গ। একদিন লোকটির ওপর নেমে এল এক মহাবিপদ। তখন সে সবচেয়ে কাছের ও সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুটির কাছে গেল এবং তাকে বলল, “হে বন্ধু, তুমিই তো আমার সবচেয়ে প্রিয় ও সবচেয়ে অন্তরঙ্গ বন্ধু। তাই আমার এই বিপদে আমি তোমার সাহায্যের প্রতি আশাবাদী।” তখন বন্ধুটি বলল, "আমি তোমার কোনো সাহায্য করতে পারব না।"
এরপর সে প্রিয় হওয়ার দিক থেকে যে দ্বিতীয়তে রয়েছে, তার কাছে আসলো এবং বলল, "প্রিয় বন্ধু আমার, আমার ওপর এই বিপদ নেমে এসেছে। তাই আমি তোমার সাহায্যপ্রার্থী।" তার কথা শুনে বন্ধুটি বলল, "আমি তোমার এতটুকু উপকার করতে পারি যে, তুমি যেখানে যেতে চাও, আমি তোমাকে সেখানে রেখে আসতে পারি। এর চেয়ে বেশি কিছু আমি তোমার জন্য করতে পারব না।"
তারপর সে প্রিয় হওয়ার দিক থেকে তৃতীয় বন্ধুর নিকট গেল। তাকে বলল, “হে বন্ধু, আমি বিপদগ্রস্ত! এখন আমি তোমার সাহায্য কামনা করছি।” সে বন্ধুটি উত্তর দিল, "ঠিক আছে বন্ধু। আমি তোমাকে সাহায্য করব। তুমি যেখানে যাবে, আমি তোমার সাথে যাব। তোমার সকল বিপদাপদে তোমাকে সাহায্য করব।"
উমাইর রহ. এবার গল্পের রহস্য উন্মোচন করলেন এ বলে, “প্রথম বন্ধুটি ছিল তার সম্পদ, মৃত্যুর পর যার কিছুই সাথে যাবে না; অথচ এটাই মানুষের সবচেয়ে প্রিয়। দ্বিতীয় বন্ধুটি হলো, পরিবার; যারা মৃত্যুর পর তার কবর পর্যন্ত যাবে, তাকে কবরে একা রেখে চলে আসবে। আর তৃতীয় বন্ধুটি হলো, তার আমল; যা সর্বদা তার সাথে থাকবে। সে যেখানে যাবে, আমলও তার সাথে সাথে সেখানে যাবে।”১২৬
প্রিয় ভাই, জীবন একটা সফর মাত্র। অচিরেই এ সফরের অবসান ঘটবে। জীবন-সফর যেন চোখের পলকের সমান। যেন কোনো মেঘখণ্ড একটু আগে চোখের সামনে ছিল, কিন্তু পরক্ষণেই তা আবার অদৃশ্য হয়ে গেছে। এটাই দুনিয়া। মেঘের মতো। কিছু মুহূর্ত। তারপরে নিমিষেই হাওয়া। হ্যাঁ, এটাই দুনিয়া। সামান্য কিছু মুহূর্তের সফর।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার চাটাইয়ের ওপর শোয়ার কারণে তাঁর পিঠে দাগ পড়ে গেল। তখন আমরা তাঁকে বললাম, “হে আল্লাহর রাসুল, আমরা আপনার জন্য একটি বিছানা আনতে চাই।" তখন তিনি বলেন,
مَا لِي وَلِلدُّنْيَا؟ مَا أَنَا فِي الدُّنْيَا إِلَّا كَرَاكِبِ اسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ ثُمَّ رَاحَ وَتَرَكَهَا
“দুনিয়ার সাথে আমার সম্পর্ক কী?! নিশ্চয় আমার ও দুনিয়ার উপমা হচ্ছে এক মুসাফিরের ন্যায়, যে সামান্য সময়ের জন্য কোনো গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়, তারপর সে স্থান ত্যাগ করে গন্তব্যের দিকে চলে যায়।”১২৭
প্রিয় ভাই, এতক্ষণ তুমি এ কিতাবের সাথে থাকার কারণে তোমার মধ্যে মৃত্যুর প্রতি অনেক ভয় সৃষ্টি হয়েছে। দুনিয়ার প্রতি উদ্রেক হয়েছে এক ধরনের অনীহা। কিন্তু এখন তো তুমি এই কিতাব থেকে তোমার চোখ উঠিয়ে নেবে, তখন কি তুমি ওপরের সব নসিহত ভুলে যাবে?
ভাই আমার, তোমাকে তাকওয়া অবলম্বনের নসিহত করছি। নিজেকে তুমি দুনিয়ার এই ময়লা-আবর্জনা থেকে দূরে সরিয়ে নাও। তোমার ওপর থেকে অলসতার চাদর উঠিয়ে ফেলো। নফসের মুজাহাদার জন্য দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করো। এই কিতাবের শেষ অক্ষরকেই তোমার তাওবার সূচনা বানাও। তুমি আল্লাহর দরবারে অশ্রুসিক্ত নয়নে, কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করো। তাওবা করো তোমার কৃত ভুলের জন্য। এতে তোমার অন্তর উন্মুক্ত হবে। আল্লাহকে ভয় করো। গ্রহণ করো আল্লাহর দেওয়া প্রতিশ্রুত দুটি জান্নাতের সুসংবাদ। আর আল্লাহর প্রতিশ্রুতি কখনো ভঙ্গ হয় না। আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন,
﴿ وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ ﴾
‘যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সামনে দণ্ডায়মান হওয়া ভয় রাখে, তার জন্য রয়েছে দুটি উদ্যান।’১২৮
প্রিয় ভাই, কিতাবটি রেখে দেওয়ার পর আমরা একাকিত্ব অনুভব করব। কিন্তু আমাদের জন্য রয়েছে রক্ষাকবচ। আমরা তা অবলম্বন করব। হাদিসের মধ্যে রয়েছে নির্দেশিকা। আমরা সে অনুযায়ী চলব। সালেহিনের মজলিসে রয়েছে ঘনিষ্ঠতা ও প্রশান্তির উপকরণ। আমরা তা গ্রহণ করব। আর প্রতিশ্রুত দিনের জন্য এগুলো কতই না উত্তম পাথেয়।
প্রিয় ভাই, আল্লাহ তাআলা আমাকে ও তোমাকে জান্নাতে একত্রিত করুন। আমাদের মৃত্যুযন্ত্রণা হালকা করুন। দুনিয়া ও আখিরাতে আমাদের অটল রাখুন হকের ওপর। কবরে আমাদের একাকিত্ব দূর করুন। কিয়ামতের দিন সহজভাবে পুলসিরাত পার করে দিন। আমাদের মা-বাবাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিন। আমাদের তাদের সাথে প্রকৃত সম্মান ও মর্যাদার স্থানে, সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী আল্লাহর নিকটে একত্রিত করুন।
الحمد لله رب العالمين
عَنْ تَمِيمِ الدَّارِيِّ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - أَنَّ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : قَالَ : الدِّينُ النَّصِيحَةُ قُلْنَا : لِمَنْ ؟ قَالَ : لِلَّهِ وَلِكِتَابِهِ وَلِرَسُولِهِ وَلِأَئِمَّةِ الْمُسْلِمِينَ وَعَامَّتِهِمْ
তামীম দারী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সা. বলেছেন, “দ্বীন হল কল্যাণ কামনা করার নাম।" আমরা বললাম, 'কার জন্য?' তিনি বললেন, “আল্লাহর জন্য, তার কিতাবের জন্য, তার রাসুলের জন্য, মুসলিমদের শাসকদের জন্য এবং মুসলিম জনসাধারণের জন্য।” - মুসলিম
টিকাঃ
১১৮. আল-আকিবাহ: ৯১
১১৯. তাজকিরাতুল হুফফাজ: ১/১৩৩
১২০. সুরা হাশর: ১৮
১২১. সিফাতুস সাফওয়াহ: ৪/২৭
১২২. সিফাতুস সাফওয়াহ : ৩/২৭1
১২৩. কুরতুবি রহ. কৃত আত-তাজকিরাহ : ৪০
১২৪. ইরশাদুল ইবাদ: ০৭
১২৫. সিফাতুস সাফওয়াহ : ৪/৯
১২৬. হিলইয়াতুল আওলিয়া : ৩/২৬৯
১২৭. সুনানে তিরমিজি: ২৩৭৭
১২৮. সুরা আর-রহমান : ৪৬