📄 ভুল সংশোধনের নিমিত্তে ভুল পদ্ধতি
• ছেলে বাইরে থেকে বাসায় ঢুকতে না ঢুকতেই—'জানিস, তোর বউ আজ কী করেছে!' ব্যস শুরু হয়ে গেল এক ঘণ্টার ...।
• সামান্য ঘরটা ঝাড়ু দিতে পারে না, অপয়া একটা!
• তরকারিতে লবণ কম বা বেশি হলে—কী যে রাঁধে, মুখে তোলা যায় না! আর নিচে পুড়ে গেলে তো কথাই নেই! সব ধ্বংস করে ফেলবে, সংসারটা উচ্ছন্নে যাবে!
• বাপ-মা কিছুই শেখায়নি নাকি? আনকালচার্ড!
এই ধরনের বাঁকা কথাগুলো শাশুড়িরা যে শুধু খোঁচা দেয়ার জন্যই বলেন তা না; বরং তারা চান তার জীবদ্দশাতেই বউ-মা যেন সংসারের সবকিছু ঠিকঠাক মতো বুঝে নিতে পারে। ভুলগুলো যেন শুধরে নিতে পারে। কারণ ভবিষ্যতে এই সংসারের হাল তো তাকে ধরতে হবে। বউ-মার যোগ্যতা বাড়ানোর জন্য শাশুড়িরা তাকে নিখুঁত করার মিশনে নামেন।
নিঃসন্দেহে কোনো মানুষই নিখুঁত না, সবারই কিছু না কিছু ভুল হয়। আর অভিজ্ঞ চোখে আনাড়ির ভুল খুবই স্পষ্ট দেখা যায়। নজর করে দেখলে আনাড়ি বউ-মার অনেকগুলো ভুল চোখে আসে। আচরণের ভুলভাল দিকগুলো চোখে আসার পর শুরু হয় ভুল সংশোধন পর্ব। ভুল দেখলে সেগুলোর সংশোধন তো ভালো কথা; কিন্তু এই সংশোধনের পদ্ধতিতে যদি সমস্যা থাকে তখন ভুল দূর করা খুব কঠিন হয়ে যায়।
ভুল সংশোধনের জন্য ভুল পদ্ধতির প্রয়োগ বা পুত্রবধূর সমালোচনায় ইসলামি রীতিনীতি না জানা বা না মানা শাশুড়ি-মায়ের একটি ভুল। ভুলের বিষয়গুলো সরাসরি না বলে বাঁকা কথায় বলা, ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে বলা, আগে বউ-মাকে না বলে ছেলের কানে বউ-মার বিরুদ্ধে কথা লাগানো, কথায় কথায় 'মা-বাবা কিছুই শেখায়নি' বলা, ভুল সংশোধনের জন্য বউ-মাকে সময় না দিয়ে ভুল নিয়ে বেশি মাতামাতি করা, পরিবারের বাইরের মানুষজনের কাছে বউ-মার বদনাম করে বেড়ানো ইত্যাদি বউ-মার ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে এই সমস্ত পদ্ধতি অনুসরণ করা নিঃসন্দেহে শাশুড়ি-মায়ের একটি ভুল।
অনেকে শুধু অপদস্থ করার জন্যই ভুল ধরেন, তাদের কথা আলাদা। কিন্তু যারা বউ-মার সত্যিই ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে ভুল ধরেন, তাদেরকে অবশ্যই সংশোধনের পদ্ধতির দিকে নজর দিতে হবে। পদ্ধতি হবে বুদ্ধিবৃত্তিক ও কার্যকরী, যেন বউ-মার শাশুড়ির প্রতি শ্রদ্ধার অনুভূতিটুকুও অটুট থাকে এবং সে সংসারের মারপ্যাঁচগুলোও দ্রুত শিখে নিতে পারে। সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবে না।
ঘরের ভেতর আরেকটি বিষয় দেখা যায়, ঘরে বউ আসার পরে ঘরের সবাই বউয়ের ভুল ধরতে উঠেপড়ে লেগে যায়। তাদের নিজেদের কী ভুল হচ্ছে সেদিকে খেয়ালটা খুব কম থাকে। নিজের ভুলগুলো না দেখে অন্যের ভুল ধরায় ব্যস্ত হয়ে ওঠা নিঃসন্দেহে ভুল দৃষ্টিভঙ্গি। শাশুড়ি হিসেবে شাশুড়ি-মায়ের কোনো ভুল হচ্ছে কি না সে ব্যাপারে সচেতনতা কম দেখা যায়; বরং বউ-মা হিসেবে বউ এর কী কী ভুল হচ্ছে সেটা নিয়েই জটলা বেশি হয়। 'অপরের দিকে আঙুল উঁচিয়ে ধরা' দৃষ্টিভঙ্গি বউ-মার ভুল সংশোধনে এক বড়সড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।
বউ-মার ভুল সংশোধন করতে যাওয়াটা কোনো অন্যায় না; কিন্তু এই ভুল সংশোধন করতে যে সমস্ত অন্যায় পথ অনুসরণ করছি, সেগুলো অন্যায়।
তবে এক কাঠিতে ঢোল বাজে না। ভুল সংশোধনে শাশুড়ির সচেতনতার পাশাপাশি বউ-মারও সচেতনতা প্রয়োজন। ভুল সংশোধনের সঠিক পদ্ধতির প্রতি শাশুড়ির চেষ্টা-মেহনতের পাশাপাশি প্রয়োজন ভুল কাটিয়ে উঠতে বউ-মার দৃঢ় ইচ্ছা।
📄 বউ-মাকে মেয়ের মতো মনে করা
- তোমাকে মেয়ের মতো মনে করি, কিন্তু তোমার মধ্যে কখনো আমাদের প্রতি কোনো সহানুভূতি দেখি না!
- তোমাকে মেয়ের মতো মনে করি, তারপরেও তুমি এমনটা করতে পারো?
আমাদের সমাজে ভাবিকে মায়ের মতন, জামাইকে ছেলের মতো, শাশুড়িকে আপন মায়ের মতো বা বউ-মাকে মেয়ের মতো মনে করার একটা ধারা আছে। নিঃসন্দেহে এগুলো খুব শ্রুতিমধুর। হাতেগোনা কিছু পরিবার এ দাবিকে বাস্তবে রূপ দিতে পেরেছে। বাকিরা সুবিধা নিয়েছে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে এ ধরনের বুলি আওড়ানোর পেছনে লুকিয়ে থাকে স্বার্থ হাসিল বা সুবিধা আদায়।
পরিবারের একেকজন সদস্যকে একেকভাবে সম্বোধন করা হয়। তাদের পদবি ভিন্ন, অধিকার আর দায়িত্বও ভিন্ন। মায়ের দায়িত্ব শাশুড়ি থেকে ভিন্ন, মেয়ের দায়িত্ব বউ-মার থেকে ভিন্ন। এটাই সংসারের সৌন্দর্য এবং দিনশেষে এটাই বাস্তব।
পরিবারের সকল সদস্যকে তার সম্মান এর যথাযথ জায়গায় রাখতে পারলেই পরিবারগুলোকে বেশি সুন্দর দেখায়। যার জন্য যে আচরণ প্রাপ্য তার সাথে সে আচরণই উত্তম।
এ ছাড়া আমাদের পথপ্রদর্শক সাহাবায়ে কেরামের নবী-প্রেমের বিভিন্ন নজির আছে। একবার উনারা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর সম্মানার্থে সিজদা করার অনুমতি চেয়ে ছিলেন। কিন্তু নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমতি দেননি। সিজদা শুধু আল্লাহ তাআলার জন্যই।¹⁸ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শিক্ষা হলো, যার যে মর্যাদা তাকে তা-ই দিতে হবে।
বউ-মাকে বউ-মা হিসেবে মর্যাদা দিলেই সেটা যথেষ্ট। আর একজন বউ-মার জন্য মেয়ে ভূমিকা পালন করার চেয়ে বউ-মা হিসেবে ভূমিকা পালন করা বেশি সহজ ও বাস্তবসম্মত। এতে বউ-মা নতুন সংসারে তুলনামূলক চাপমুক্ত থাকে আর শাশুড়ি-মায়েরও বউ-মার প্রতি লাগামহীন আশা তৈরি হয় না।
টিকাঃ
১৮. মুসনাদু আহমাদ, হাদীস নং ২৪৪৭১। শায়খ শুআইব আরনাউতের মতে এই বর্ণনার সনদ দুর্বল। তবে সহীহ সনদে মুআজ ইবনু জাবাল রাযি.-এর ব্যাপারে এককভাবে সমার্থক ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। সুনানু ইবনি মাজাহ, হাদীস নং ১৮৫২। সহীহ লিগায়রিহি।
📄 তুলনা
- অমুকের বউ-মার কাজের ধারই আলাদা, দেখতে যেমন সুন্দর হাতের কাজও তেমন সুন্দর!
- একহাতে সংসার সামলানো, বাচ্চার দেখাশোনা আবার চাকরি! কী যে গুণী মেয়ে! সচরাচর দেখা যায় না। কপাল! কপাল! তা না হলে এমন বউ পায়! অমুক আপার কপালের জোর আছে।
আর অমুকের বউটা যে কী লক্ষ্মী! এত ব্যস্ততা তারপরও সবার দিকে কত খেয়াল! বাচ্চাদের যত্নে যেমন চৌকোনা তেমনি স্বামীর যত্ন। আসলেই ঘরের লক্ষ্মী।
আমার মেয়েই কি সংসারের জন্য কম করে? কী করে না শ্বশুরবাড়ির মানুষের মন জোগাতে! আর আমার বেটার বউ!
-আমিও একসময় বাড়ির বউ ছিলাম! সারাদিন এত এত কাজ করতাম! আমার মতো এত কাজ তো তোমাদের করা লাগে না।
ওপরের উদাহরণগুলোতে পুত্রবধূর গুণের সাথে অন্যের তুলনা করা হচ্ছে। অনেক শাশুড়ি আছেন যারা কথায় কথায় তুলনা করেন। অনেকে বোঝে, বউকে উপদেশ দেয়া মানেই তুলনা করা। যাতে তার বউ-মাও অমুকের অমুক গুণ নিজের মধ্যে নিয়ে আসতে পারে। এ কারণে তুলনা করে শেখান। এই কৌশল কেমন কাজ করে উনারাই জানেন!
আবার অনেকে দমিয়ে রাখার প্রবণতা থেকেও তুলনা করেন। পুত্রবধূকে চাপের মধ্যে রাখার একটা সহজ উপায় হলো, তাকে অন্যের সাথে তুলনা করে হেয়-প্রতিপন্ন করা। এভাবে শেখালে বউ-মা কতটুকু শেখে সেটা বলা মুশকিল, তবে এটা নিশ্চিত যে সে অপমানিত বোধ করে।
এসব শুনতে শুনতে বউ-মার মনে হয়, অন্যের বউ-মা এত ভালো, এত গুণী, এত সুন্দরী, এত পরিশ্রমী—সব ভালো গুণ তাদেরই আছে, আর আমার কিছুই ভালো না। অন্যের ভালো দিক খুব চোখে পড়ে, কিন্তু আমার ভালো কোনো দিক কখনোই চোখে পড়ে না। বউ-মার মনে ক্ষোভ জমে, শাশুড়ির প্রতি বিতৃষ্ণা বাড়ে।
উৎসাহ দিলে বা প্রশংসা করলে যে কাজটা হয়, তুলনা করলে এর ঠিক বিপরীত কাজটা হয়। ছেলের বউয়ের মধ্যে যেসব বৈশিষ্ট্য নতুন করে দেখতে চান, সেগুলো সরাসরি তাকে বলুন। হয়তো বলবেন, সরাসরি বলে তেমন একটা কাজ হয় না! সরাসরি বলে যদি কাজ না হয়, তবে ইনিয়ে-বিনিয়ে বলে বা খোঁচা মেরে বললেও কাজ হবে না। তাই বাইরের কারও সাথে অসামঞ্জস্য তুলনা করে শাশুড়ির মায়ের নিজের ব্যক্তিত্বকে ছোট করার কোনো মানে হয় না।
আর তা ছাড়া আজ যাকে দেখে তুলনা করছি, কাল তার বড় কোনো খারাপ দিক আলোচনায় আসবে না—তার কি কোনো নিশ্চয়তা আছে?
📄 বউ-মাকে দায়িত্ব শেখাতে অতি ব্যস্ততা
- বাড়ির বউ হয়েও এটা করবে না? এত পড়াশোনা করেছ আর এগুলো শেখোনি?
- তুমি ঘরের বউ, তুমি থাকতে এ কাজ কেন আমার মেয়ে করবে?
- তুমি বাড়ির বউ হয়েও এত বেলা পর্যন্ত ঘুমাও! দায়িত্ব জ্ঞান নেই? দায়িত্ব জ্ঞান তো দূরের কথা, চক্ষুলজ্জা পর্যন্ত নেই।
- শ্বশুরবাড়িতে পা দিয়েছ আর জানো না কীভাবে সব সামলাতে হয়! বাপ-মা কিছুই শেখায়নি?
বিয়ের পরদিন থেকেই শুরু হয় দায়িত্ব শেখানোর জন্য উঠেপড়ে লাগা। সব শাশুড়ি বা সব শ্বশুরবাড়ি এমন না। কিছু কিছু শাশুড়ি বা শ্বশুরবাড়ির মানুষ মনে করেন, দায়িত্ব শেখানোর জন্য নতুন কালটাই একমাত্র সময়, পরে বউ-মার চোখ-কান খুলে যাবে, তখন আর কিছু শেখানো-বোঝানো যাবে না।
আবার কিছু কিছু শাশুড়ি থাকেন ভীষণ এগোসেন্ট্রিক। উনারা তাদের ইগো থেকে মনে করেন, সবাই তার প্রাপ্য ফুলফিল করবে, কিন্তু সে কারও ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না। এ ধরনের শাশুড়ি-মায়েরা নিজেদের অনেক বড় মনে করেন, আত্মতৃপ্তি অনেক বেশি, নিজেদের প্রতি ধারণা অনেক উঁচু, বোধশক্তি ও জ্ঞানে অনন্য। উনাদের সেলফ রেস্পন্সিবিলিটি থাকেই না বলতে গেলে। এই ধরনের শাশুড়ি-মায়েরা বউ-মাকে দায়িত্ব শেখাতে বড় তাড়াহুড়া করেন, ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
আবার অনেকে আছেন, চমৎকার উপায়ে বউ-মাকে নিজের মতো করে গড়ে নেন।
আর সত্যি বলতে কী, নতুন বউয়ের শেখার অনেক কিছু থাকে, অনেক কিছু।
নতুন সংসার, নতুন পরিবার, নতুন মানুষজন, এ সবকিছুই নতুন মেয়েটার কাছে নতুন। এই নতুনের সাথে তাকে পরিচিত হতে হয়, ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। নতুন পরিবেশের সাথে নতুন বউকে সম্পৃক্ত করতে শাশুড়ি-মায়ের অনেক বড় একটা ভূমিকা থাকে। বউ-মাকে দায়িত্ব-কর্তব্য শেখানো, কখন কীভাবে কী করতে হবে, সংসার কীভাবে সামলে নিতে হবে—এসব শেখানোর জন্য স্বামীর পরে শাশুড়ি-মা'ই সবচেয়ে নিরাপদ।
কথায় আছে না, 'A daughter in law cannot be perfect by herself, a beautiful mother in law helps her to be one.'
এখন প্রশ্ন হলো, শ্বশুরবাড়িতে বউ হিসেবে যথাযথ রোল প্লে করতে শাশুড়ি- মা কীভাবে বউ-মাকে সাহায্য করতে পারে? অথবা বউ-মার দায়িত্বশীলতা বাড়াতে শাশুড়ি-মা কী করতে পারে? অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে শাশুড়ি-মায়ের অবদান কেমন হতে পারে। এ উদ্দেশ্যে কিছু জানাশোনা বা মাথা খাটানোর অবকাশ কিন্তু শাশুড়ি-মায়ের আছে। জেনারেশন গ্যাপকে মাথায় রেখে সেকেলে গতানুগতিক উপায় ছাড়াও আরও কিছু উপায় বা পদ্ধতির প্র্যাকটিস করা যায় কি না?
সাধারণত আমাদের চাওয়া একটা আকাঙ্ক্ষা আর পাওয়া একটা প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে কয়েকটি বিষয় থাকে। যেমন ধরুন, আমি চাই আমার বউ-মার মধ্যে দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি পাক। তাহলে এই চাওয়াকে সামনে রেখে আমার উদ্দেশ্য, তারগীব (উৎসাহ) দেয়ার পদ্ধতি এবং শব্দ চয়ন হিকমার সাথে হতে হবে। উদ্দেশ্য, তারগীব দেয়ার পদ্ধতি এবং তারগীব দেয়ার নিমিত্তে শব্দ বাছাই যদি হিকমাতপূর্ণ হয়, তবে উদ্দেশ্য সফল হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা তৈরি হয়।
আবার শাশুড়ি-মা উনার চেষ্টা দিয়েই যে বউ-মাকে শতভাগ সব শিখিয়ে-পড়িয়ে নিতে পারেন, এমনটি সব সময় হয় না। নিঃসন্দেহে বউ-মার আন্তরিক চেষ্টাও কাম্য। গর্ত থেকে আপনি তাকে সহজে তুলতে পারবেন, যে হাত উঁচু করে আছে।
সঠিকভাবে শেখা বউ-মার দায়িত্ব, কিন্তু সঠিক সুন্দরভাবে শেখানো শাশুড়ি-মার দায়িত্ব। দায়িত্বে সে ভুল করলে বা ত্রুটি করলে সে ভুগবে, আর দুনিয়াতে যদি ভুগতে নাও হয়, তারপরও কাল হাশরের মাঠে মালিকের সামনে জবাবদিহি করতে হবে। আপনি যদি এ সম্পর্কিত আপনার দায়িত্বটুকু সুন্দর করে পালন করেন, নিঃসন্দেহে দিনশেষে এটুকু আপনাকে তৃপ্তি দেবে। আপনার এই ভালো পদক্ষেপ সমাজে 'ভালো' ছড়াবে। সমাজকে একটু হলেও এগিয়ে নিয়ে যাবে।