📘 অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ > 📄 দুই সঙ্গার মাঝে - বিচারকের দরবারে বাদানুবাদ

📄 দুই সঙ্গার মাঝে - বিচারকের দরবারে বাদানুবাদ


নবম পদক্ষেপ
দুই সঙ্গের মাঝে
প্রত্যেক এমন সঙ্গ, যা সময় সম্পর্কে উদাসীন করে অথবা রসিক বানিয়ে দেয়, যার ফলে মানুষ কী করছে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করে না, কোনো পাপকাজেই ক্লান্তিবোধ করে না; এমন সঙ্গ কাজের বরকত ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং অলসতা ও দুর্বলতার বিষক্রিয়া ছড়িয়ে দেয়। তাই এমন সঙ্গ ত্যাগ করা আবশ্যক। তাদের সাথে সময় ব্যয়কে লঘু দৃষ্টিতে দেখা বিপজ্জনক। এ ব্যাপারে ইবনুল জাওজি রাহিমাহুল্লাহ বলেন—
সংস্পর্শকে যারা লঘু দৃষ্টিতে দেখে তাদের দেখে অবাক হই। অথচ তারা ভালো করেই জানে, স্বভাব চুরি হয়ে যায়। চলাফেরা হওয়া চাই ইলম ও আমলে উঁচু এবং মহৎ ব্যক্তির সাথে। যেন তাঁর কাছ থেকে উপকার লাভ করা যায়। আর নীচু পর্যায়ের লোকদের সাথে মেলামেশা ক্ষতিই বয়ে আনে। তবে যদি উপদেশ দান এবং শিষ্টাচার শেখানোর জন্য হয় তবে ভিন্ন কথা। ১৪০
সুতরাং, কারও সাথে সম্পর্ক ছিন্ন বা বজায় রাখার মাপকাঠি হলো, সে আপনার মাধ্যমে প্রভাবিত হওয়া কিংবা আপনি তার মাধ্যমে প্রভাবিত হওয়া।
যদি আপনার হাত ওপরে থাকে, তাহলে এক্ষেত্রে আপনিই হবেন কল্যাণের আহ্বায়ক। যে সত্যপথ থেকে তারা বিচ্যুত, আপনি তাদেরকে সেই পথের দিশা দেখিয়ে দিচ্ছেন। সুতরাং, আপনার এ কাজ এক্ষেত্রে প্রশংসার দাবিদার।
তবে আপনার হাত যদি থাকে নীচে, এই সঙ্গ যদি আপনাকে দুনিয়ায় আকৃষ্ট করে ফেলে, তাদের অলসতা আপনার চেতনার মশাল নিভিয়ে দেয়, আপনার অন্তরে তাদের আগমনের গতি ঈমানি শক্তিকে পরাভূত করে ফেলে; তবে সাবধান সাবধান! এখনই পৃথক হোন, পৃথক হয়ে যান! এই কথাকেই আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাজিয়াল্লাহু আনহু এর ভাষায় ব্যক্ত করা হয়েছে এভাবে-
মানুষের সাথে মিশো ও পৃথক হও। দীনের ব্যাপারে তাদের সাথে আপোষ করতে যেয়ো না। ১৪১
স্মরণ করেন, ফিরাউনের স্ত্রী তার প্রাসাদেই থেকেছে; কিন্তু তার ভ্রান্ত মতবাদে আকৃষ্ট হয় নি; কিন্তু আমাদের মাঝে এমন কে আছে, যে নিষিদ্ধ কাজে লিপ্তদের সাথে মিশেও সাধারণ জীবন অতিবাহিত করে? আর কে সেই নিষিদ্ধ কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে?
আপনার মেলামেশার ফলে যদি তারাও আপনাকে বিভ্রান্ত করে ফেলে, সঙ্গ দিলে যদি মহামারি সংক্রমিত হয়, তাহলে দূরেই থাকেন। যারা জাহান্নামেই ভয় পায় না তাদের সঙ্গ নেওয়া লজ্জার। আর তাদের কাছ থেকে দূরে থাকতে পারা গণিমত ও গর্বের। এজন্য আমাদের প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই সংস্পর্শ থেকে পানাহ চাওয়ার জন্য আমাদেরকে এই দুআ শিক্ষা দিয়েছেন-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ يَوْمِ السُّوءِ، وَمِنْ لَيْلَةِ السُّوءِ، وَمِنْ سَاعَةِ السُّوءِ، وَمِنْ صَاحِبِ السُّوءِ، وَمِنْ جَارِ السُّوءِ فِي دَارِ الْمُقَامَةِ.
হে আল্লাহ, তোমার কাছে আশ্রয় চাই ক্ষতিকর দিন ও রাত থেকে, ক্ষতিকর সময় থেকে, ক্ষতিকর সঙ্গী থেকে এবং মন্দ প্রতিবেশী থেকে। ১৪২
সুতরাং, অলসতা হলো সংক্রামক রোগ এবং উদাসীনতা হলো লতানো উদ্ভিদসদৃশ। জিজ্ঞাসা করে দেখেন-
মাদকাসক্তদেরকে এই জীবননাশক পথের সন্ধান কে দিয়েছে? বখাটেদের পর্যন্ত এই অশ্লীলতা কে টেনে এনেছে? তরুণ সমাজে চরিত্র বিনাশকারী কিচ্ছা কাহিনী ও উপন্যাস কে ছড়িয়ে দিয়েছে? কে যুবকদের হাত ধরে মসজিদ থেকে কফিহাউজে নিয়ে যাচ্ছে? সরল সঠিক স্বভাব থেকে নিকৃষ্ট প্রবৃত্তির পথে কে টেনে নিয়ে যাচ্ছে? এর পিছনে একমাত্র কারণ হচ্ছে অসৎ সঙ্গ।
এজন্যই বলা হয়েছে-
কোনো অবস্থাতেই অলসের সঙ্গ নিয়ো না
কত ভালো মানুষ অন্যের নষ্টামিতে নষ্ট হয়ে গেছে
নির্বোধের ব্যাধি চতুরদের মাঝে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে
যেভাবে পাথর ছাইয়ে রাখা হলে তা খুব দ্রুতই নিভে যায়।
যারা আশেপাশের মন্দদের হালকা ময়লাও গায়ে মাখেনি এবং বন্ধুদের সামান্য ভ্রষ্টতায়ও প্রভাবিত হয় নি, তাদের মধ্যে একজন হলেন ইমাম হাসান আল-বান্না। তিনি ভালো কাজের কথা বলে বেড়িয়েছেন। তিনি তার আত্মজীবনীতে নিম্নোক্ত শিরোনামে যা লিখেছেন তা আমার সাথে সাথে পড়ুন।
বিচারকের দরবারে বাদানুবাদ
ইমাম হাসান আল-বান্না রাহিমাহুল্লাহ বলেন-
রমজানের কোনো এক রাতে আমি প্রধান বিচারকের দরবারে দেখা করতে গেলাম। তখন সেখানে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, স্থানীয় বিচারক, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিদর্শক, শিক্ষা সচিব, ডাক্তার, নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, আইনজীবী এবং গুপ্তচরদের বিরাট এক দল উপস্থিত ছিলেন। সেটি ছিল নৈশ আলাপচারিতার মজলিস। প্রধান বিচারপতি চা আনতে বললেন। আমাদের সামনে রুপার পাত্রে করে চা দেওয়া হলো। পরিবেশনকারী আসলে আমি তার কাছে কাঁচের গ্লাস চাইলাম। সে প্রধান বিচারকের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। তিনি বললেন, আমি তো ভেবেছিলাম, রুপার গ্লাস হওয়ায় আপনি চা-ই খাবেন না। আমি বললাম, হ্যাঁ, বিশেষত যেহেতু বিচারকের দরবারে আছি। তিনি বললেন, এই মাসয়ালাটা এখনো মতভেদপূর্ণ। এ ব্যাপারে অনেক কথাবার্তা আছে। আর কোনো বিষয়ে পাকাপোক্ত ফায়সালা হওয়া পর্যন্ত আমরা সে অনুযায়ী আমল করি না। আমি বললাম, জনাব! এই মাসয়ালায় পানাহারের ক্ষেত্রে কোনো মতবিরোধ নেই। এ ব্যাপারে সকলেই একমত এবং হাদিসেও কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-
তোমরা স্বর্ণ রুপার পাত্রে পানাহার করো না।
আরও বলেন-
যে ব্যক্তি স্বর্ণ রূপার পাত্রে পানাহার করে সে যেন তার পেটে জাহান্নামের আগুন প্রবেশ করায়।
আর স্পষ্ট ভাষ্যের সাথে কোনো যুক্তি চলে না। এ ব্যাপারে আদেশ মান্য করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। কতইনা ভালো হতো, আপনি যদি আমাদের সবাইকে কাঁচের গ্লাসে পান করার আদেশ করতেন! উপস্থিত কেউ কেউ এ ব্যাপারে নাক গলাতে চাইল। তারা বলার চেষ্টা করল, বিষয়টা যতদিন মতভেদপূর্ণ আছে ততদিন এই কাজে অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের কোনো প্রয়োজন নেই। স্থানীয় বিচারকও নিজের মতামত ব্যক্ত করতে চাইলেন। তাই তিনি প্রধান বিচারককে উদ্দেশ্য করে বললেন, মহামান্য বিচারক! যেহেতু এক্ষেত্রে হারামের স্পষ্ট বক্তব্য আছে আর এর অন্তর্নিহিত হিকমত নিয়ে আমাদের আলোচনার আবশ্যকীয়তা নেই এবং হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী আমল করার পথে কোনো বাঁধাও নেই; তাই আমাদের উচিত প্রথমত এই অনুযায়ীই আমল করা। অতঃপর যদি আমরা এর অন্তর্নিহিত কারণ সম্পর্কে জানতে পারি তাহলে তো ভালোই, অন্যথায় এটি আমাদেরই দুর্বলতা। আর সর্বাবস্থাতেই এই আমল করা আবশ্যক।
আমি এই সুযোগকে কাজে লাগালাম। তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তার আঙুলের দিকে ইশারা করে বললাম, যতদিন আপনি বিচারের আসনে থাকবেন ততদিন তবে আপনার এই আংটিটা খুলে রাখেন। কারণ, এটি স্বর্ণের। আর হাদিসের ভাষ্যনুযায়ী এটি পরিধান করা হারাম। তিনি মুচকি হেসে বললেন, উস্তাদ! আমি তো ওপর মহলের নিয়ম অনুযায়ীই ফায়সালা করি। আর প্রধান বিচারক তা যাচাই করেন কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে।
আর আমাদের সবাইকে সেই নিয়ম কানুন মানতে হয়। সুতরাং আপনি আমায় ছেড়ে প্রধান বিচারপতির প্রতি মনোযোগী হোন। আমি বললাম, আদেশ তো প্রতিজন মুসলিমের জন্যই। আপনিও তো মুসলমানদেরই একজন। এই হিসেবে এ আদেশ আপনার উপরেও বর্তাবে। তখন তিনি নিজের আংটিটা খুলে ফেললেন। এমন প্রতিকুল পরিবেশে সৎকাজের আদেশ, অসৎ কাজ থেকে নিষেধ এবং আল্লাহ তাআলার জাতের ব্যাপারে নসিহত করায় সবার মাঝে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং সবাই তাকে সাধুবাদ জানান। ১৪৩

টিকাঃ
১৪০ সাইদুল খাতির, ইবনুল জাওজি : ৩৪৯
১৪১ আবু সুলাইমান বলেন: অর্থাৎ শরীর দিয়ে তাদের সাথে মিশো তবে অন্তর থেকে আলাদা থাকো এটা নেফাকী নয়; বরং সৌজন্যতা আল-আযলাহ, খাত্তাবী, আল-মাকতাবাতুস সালাফিয়্যাহ
১৪২ হাদিসের মান: হাসান, উকবা ইবনু আমের রা. এর সূত্রে তবরানীতে বর্ণিত; সহিহুল জামে : ১২৯৯ নং
১৪৩ মুজাক্কিরাতুদ দাওয়াহ ওয়াদ দায়িয়াহ: ২০১

📘 অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ > 📄 এক সঙ্গা ছেড়ে আরেক সঙ্গা - সংরক্ষণ

📄 এক সঙ্গা ছেড়ে আরেক সঙ্গা - সংরক্ষণ


এক সঙ্গ ছেড়ে আরেক সঙ্গে
কিন্তু এই বিচ্ছিন্নতার মানে অসৎসঙ্গ ছেড়ে শূন্য হয়ে বসে থাকা নয়; বরং অত্যাবশ্যকীয়ভাবে অন্যের সঙ্গ গ্রহণ করা। যে সঙ্গ কল্যাণের কাজে উৎসাহিত করবে এবং জান্নাতের প্রতি আগ্রহ বাড়াবে। তাই অলসতার বিপরীতে চারটি দায়িত্ব পালন করতে হবে,
১। সংরক্ষণ
শয়তান একজনের সাথে থাকে, দুজন থেকে দূরে থাকে। দুজনের সাথে থাকে, তিনজন থেকে অনেক দূরে থাকে। শয়তানের লক্ষ্যই হলো আপনাকে পাপের ফাঁদে ফেলা। আর পাপ হচ্ছে অলসতার দরজা। সুতরাং, আপনি যদি সৎ লোকদের মজলিসে অধিক সময় ব্যয় করেন, তাহলে শয়তান আপনার কাছ থেকে দূরে সরে যাবে। আল্লাহ তাআলা আপনাকে অলসতা ও হীনম্মন্যতার অভিশাপ থেকে বাঁচাবেন।

📘 অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ > 📄 সাহায্য - ধৈর্য

📄 সাহায্য - ধৈর্য


২। সাহায্য
বিশেষত, হীনম্মন্যতার আক্রমনের সময় সৎসঙ্গ আপনার কাজে আসবে। অনেক অলসতার মহৌষধ আছে এই পদ্ধতিতে যে, বান্দা অন্যের সাথে মিলিয়ে কিছু আমল নির্ধারণ করবে। তাহলে অন্য ভাই সেই কাজে ধারাবাহিক হলে সেও আর অলসতা করে পিছিয়ে থাকতে পারবে না। আমাদের মধ্যে অনেকেই কুরআন হিফজ শুরু করে থেমে যায়। ফজরের সালাতে কিছুদিন ধারাবাহিক থাকে। এরপর দুর্বল হয়ে যায়। যদি সে আল্লাহ তাআলার কাছে এমন এক সঙ্গী জুড়িয়ে দেওয়ার দুআ করে, যে তাকে দীনী কাজে সহযোগিতা করবে, তাহলে সে তার অলসতাকে আটকে দিতে পারবে, মনের সাথে যুদ্ধে তাঁকেও পাশে পাবে এবং তার লক্ষ্যগুলোও খুব সহজে পূরণ হবে।
৩। ঈর্ষা
ইবাদতের আগ্রহ ও দৃঢ়তা নিয়ে ঈর্ষা করা। এটি কেবল এই সূরতেই হতে পারে যে, আপনি নিজেকে একদল খাঁটি বিশ্বাসীদের কাতারে শামিল করবেন। এতে করে সঠিক পথে আপনার পথচলায় প্রেরণা সৃষ্টি হবে। চলতে চলতে একসময় আপনি পুরো দলের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারবেন। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলতে পারলে অন্যদেরকেও ছাড়িয়েও যাবেন কোনো এক সময়। তখন যারা আপনার সামনে সামনে চলত, তারাই পিছন পিছন হাঁটবে। আপনি হবেন তাদের নেতা। এ পথেই চলেছেন খানসার ভাই সাখর। তিনি আবৃত্তি করেন:
লোকেরা যখন সম্মানের দিকে হাত বাড়িয়েছে
সেও সেদিকে তার হাতটা বাড়িয়ে দিয়েছে
ফলে সে তাদের সবার হাতের উপরিভাগে থাকা সম্মান লুফে নিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে নিয়েছে।
কোনো এক বোন আমার কাছে আমার সম্মানিত পিতার একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। তখন আমার পিতা এমন অবস্থায় ছিলেন যে, বার্ধক্য ও তীব্র অসুস্থতায় তাঁকে খুব কষ্ট করে নড়াচড়া করতে হতো। বোনটি বলেন—
তিনি আমাদেরকে একটি পাঠ পড়াতে যাবেন। তখন আমরা দ্বিতীয় তলায় থাকতাম। তাঁর প্রবল আগ্রহ হলো, তিনি নিজেই আমাদের কাছে যাবেন। তাই তিনি দশ মিনিট সময় ব্যয় করে বিশটি সিঁড়ি বেয়ে উঠলেন!
বৈঠকের সবাই তাঁর এই উচ্চমনোবল এবং আমাদের হীনম্মন্যতার কথা ভেবে কেঁদে উঠে।

📘 অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ > 📄 উপদেশ

📄 উপদেশ


৪। উপদেশ
হয়তো আপনার বন্ধু আপনাকে উপদেশ দেবে কিংবা আপনি তার কাছে উপদেশ চাইবেন। সৎলোকদের সংস্পর্শে থাকলে তারা আপনাকে নসিহত করবেন। কারণ, তারা আপনাকে ভালোবাসে। আপনাকে বিশ্বাস করে। তারা আপনাকে নিয়ে এক ধরনের আশংকায় থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। সুতরাং, আন্তরিক ভালোবাসা এবং আল্লাহ তাআলার জন্য খাঁটি বন্ধুত্বের নিদর্শন হলো, সঠিক উপদেশ। সেই সান্নিধ্যের চেয়ে মিষ্টি আর কী হতে পারে; যা ব্যক্তিত্বে ত্রুটি সাধনে বাঁধা দেয়, অলসতার অধ্যায়ে সমাপ্তি টেনে দেয়, শয়তানকে তাড়িয়ে নিয়ে যায় এবং মহান মালিকের নিকটবর্তী করে দেয়!

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00