📄 আপনার সঙ্গীরে প্রশ্ন - তুলনা করেন
আপনার সমীপে প্রশ্ন
তুলনা করেন
পাপহীন প্রিয় নবীজির সাথে নিজেকে তুলনা করে দেখেন তো, তার তুলনায় আপনার জন্য এই দুআ কতটা বেশি প্রয়োজন?
অন্যথা আপনি কীভাবে দুর্বলতার অভিযোগ তুলতে পারেন, যেখানে আপনি নিজেই দয়াময় ও ক্ষমাকারী প্রভুকে ডাকতেই ভুলে যান?
একজন আহত ব্যক্তি সাহায্য কামনায় ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করে। অথচ আপনার ঈমান তো অনেকদিন ধরে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে আছে। তবে আপনি কেন সাহায্য চেয়ে প্রার্থনা করছেন না? কেন আশ্রয়প্রার্থী হয়ে কাকুতি-মিনতি করছেন না?
আল্লাহর কাছে সবকিছুরই ভান্ডার আছে। দৃঢ়সংকল্প, সঠিক পথ, হিদায়াত ও ঠিক পদ্ধতি অবলম্বন—সবই আছে সেই ভান্ডারে। আর এ কারনেই মানুষ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত হয়ে যায়—
* ১ম শ্রেণি : যারা দৃঢ়তার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করে। ফলে আল্লাহ তাকে তা দান করেন এবং সুপথ দেখান।
* ২য় শ্রেণি : যারা না চেয়ে ঘুমিয়ে থাকে। ফলে তারা বক্রতা এবং অবাধ্যতার মাঝেই ডুবে থাকে। কল্যাণ বঞ্চিত থেকেই নিজেদের মূল্যবান জীবন কাটিয়ে দেয়।
📄 প্রকৃত অক্ষম - তার অলসতা কতই না মারাত্মক
প্রকৃত অক্ষম
তার অলসতা কতই না মারাত্মক
যে ব্যক্তি দয়াময় রবের আশা এবং সর্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য দুআ থেকে চুপ থাকে। সে কেবল মুখে কয়েকটি বাক্য উচ্চারণেও সক্ষম হয় না।
তার উদাসীনতা কতই না নিকৃষ্ট
যে সর্বাধিক শক্তিশালী হাতিয়ার থেকে উদাসীন হয়ে থাকে। পাশাপাশি অন্তরের উপস্থিতি ছাড়া কেবল জবান নাড়ানোতে তার কোনো খারাপ লাগে না!
তার দলিল কতই না দুর্বল
যে আনুগত্যের সুউচ্চ শিখর থেকে উদাসীনতার অতল গভীরে নিপতিত হয়। এরপর আসমান-জমিনের প্রতাপশালী সত্ত্বার কাছে ফিরেও আসে না! এজন্যই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বলেছেন—
সবচেয়ে অক্ষম তো সেই ব্যক্তি, যে দুআ করতে পারে না’। ২৯
সিংহের ভয় মানুষকে নিয়ে যায় দুর্গের আশ্রয়ে; কিন্তু অলসতার আক্রমণ ঠেকাতে মহান প্রভুর তত্ত্বাবধান ভিন্ন বিকল্প কোনো পথ নেই। কেননা, সৃষ্ট সম্পর্কে স্রষ্টার চেয়ে ভালো কেউ জানেন না। শিল্প সম্পর্কে শিল্পীর মতো করে আর কেউ বোঝেন না।
টika:
২৯ হাদিসের মান: সহিহ, তাবরানী, বাইহাকিড়সহিহুল জামে : ১৯২৪।
📄 তার উদাসীনতা কতই না নিকৃষ্ট - তার দলিল কতই না দুর্বল
তার উদাসীনতা কতই না নিকৃষ্ট
যে সর্বাধিক শক্তিশালী হাতিয়ার থেকে উদাসীন হয়ে থাকে। পাশাপাশি অন্তরের উপস্থিতি ছাড়া কেবল জবান নাড়ানোতে তার কোনো খারাপ লাগে না!
তার দলিল কতই না দুর্বল
যে আনুগত্যের সুউচ্চ শিখর থেকে উদাসীনতার অতল গভীরে নিপতিত হয়। এরপর আসমান-জমিনের প্রতাপশালী সত্ত্বার কাছে ফিরেও আসে না! এজন্যই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বলেছেন—
সবচেয়ে অক্ষম তো সেই ব্যক্তি, যে দুআ করতে পারে না’। ২৯
সিংহের ভয় মানুষকে নিয়ে যায় দুর্গের আশ্রয়ে; কিন্তু অলসতার আক্রমণ ঠেকাতে মহান প্রভুর তত্ত্বাবধান ভিন্ন বিকল্প কোনো পথ নেই। কেননা, সৃষ্ট সম্পর্কে স্রষ্টার চেয়ে ভালো কেউ জানেন না। শিল্প সম্পর্কে শিল্পীর মতো করে আর কেউ বোঝেন না。
টিকাঃ
২৯ হাদিসের মান: সহিহ, তাবরানী, বাইহাকিড়সহিহুল জামে : ১৯২৪।
📄 অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন - ইবনুল জাওজির নসিহত
অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন
আমাদের পূর্ববর্তি নবীগণকে কে সাহায্য করেছেন? বিভিন্ন পরীক্ষা ও প্ররোচনার মুহূর্তে সৎকর্মশীলদের আনুগত্যের তাওফিক কে দিয়েছেন? আল্লাহ তাআলার সাথে কি আরও ইলাহ আছে?
ঐশী দয়ার আকর্ষণ এবং খোদায়ী অনুগ্রহের ধারাবাহিকতা প্রত্যেক বিমুখ ব্যক্তিকে অগ্রসর হতে আগ্রহী করে তোলে। হতাশাগ্রস্তদের জড়ো করে মুক্তির বাঁধনে। নাড়িয়ে তোলে বহু বছরের জমে যাওয়া অন্তরগুলোকে। সকল দয়াময়ের দয়াশীল যিনি, তার চেয়ে মহানুভব আর কে আছে!
ইবনুল জাউজির নসিহত
ইবনুল জাওজি রাহিমাহুল্লাহু এই বিষয়টি অনুভব করেছিলেন। তাই তিনি প্রায়ই অকর্মণ্য অলসদের ক্ষেত্রে উচ্চকণ্ঠে বলে বেড়াতেন—
সেই সত্ত্বার সামনে নিজেকে পেশ করো, যিনি তাদের (দুনিয়ার দাতাদের) দান করেন। সবকিছু তাঁর কাছেই চাও। যিনি তোমার মালিক, সেই তিনিই তো তাদের মালিক। ৩০
টিকাঃ
৩০ আল-মুদহিশ ৪২৮, ইবনুল জাওজি, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ