📄 পর্দার হুকুম
হযরত ফাতেমার বড় গুণ ছিল পর্দা পুষিদা। পর্দা-পুষিদা মত চলা কেবল ইসলামের নির্দেশ নয় বরং মানব সভ্যতা ও মনুষ্যত্বের চাহিদাও বটে। পক্ষান্তরে পর্দাহীনতা বেহায়াপনা ও অসভ্যতার পরিচায়ক। হযরত ফাতেমা (রাঃ) লজ্জা শরম ও পর্দা পুষিদা দ্বারা অনুমান করা যায় যে, তিনি নিজ বাড়ি ও সীমিত স্থানের বাহিরে যাতায়াত থেকেও বিরত থাকতেন। মৃত্যুর পর কাফন দাফনের সময় যাতে বেপর্দেগী না হয়, সে জন্য তার জীবদ্দশায় বিশেষভাবে অসীয়ত করে যান।
হযরত ফাতেমার বড় গুণ ছিল পর্দা পুষিদা। পর্দা-পুষিদা মত চলা কেবল ইসলামের নির্দেশ নয় বরং মানব সভ্যতা ও মনুষ্যত্বের চাহিদাও বটে। পক্ষান্তরে পর্দাহীনতা বেহায়াপনা ও অসভ্যতার পরিচায়ক। হযরত ফাতেমা (রাঃ) লজ্জা শরম ও পর্দা পুষিদা দ্বারা অনুমান করা যায় যে, তিনি নিজ বাড়ি ও সীমিত স্থানের বাহিরে যাতায়াত থেকেও বিরত থাকতেন। মৃত্যুর পর কাফন দাফনের সময় যাতে বেপর্দেগী না হয়, সে জন্য তার জীবদ্দশায় বিশেষভাবে অসীয়ত করে যান।
📄 ফাতেমার মৃত্যু
আবু জাফরের মতে রাসূলে পাকের তিরোধানের তিন মাস পর, ইবনে আবু সুলাইফার মতে দুই মাস পর হযরত ফাতেমা (রাঃ) মৃত্যু বরণ করেন।
কিন্তু এই মতটি তেমন নির্ভরযোগ্য নয়। নির্ভরযোগ্য মতানুসারে ছয় মাস পর ২৮ বছর বয়সে ৩রা রমজান মঙ্গলবার ১১ হিজরীতে হযরত ফাতেমা (রাঃ) মৃত্যুবরণ করেন। উম্মে সালমা বলেন, মৃত্যুশয্যায় শায়িতাবস্থায় আমি তার সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। একদিন হঠাৎ করে আমাকে গোসলের পানির ব্যবস্থা করতে বললেন আমি তা করলাম। হযরত ফাতেমা (রাঃ) খুব ভাল করে গোসল করতঃ নতুন কাপড় পরিধান করে ঘরের মধ্যখানে খাট পেতে ডান হাত গালের নীচে করে কেবলামুখী হয়ে শুয়ে আমাকে বললেন হে উম্মে সালাম! আমি মৃত্যুবরণ করতে যাচ্ছি! অতঃপর তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
আবু জাফরের মতে রাসূলে পাকের তিরোধানের তিন মাস পর, ইবনে আবু সুলাইফার মতে দুই মাস পর হযরত ফাতেমা (রাঃ) মৃত্যু বরণ করেন।
কিন্তু এই মতটি তেমন নির্ভরযোগ্য নয়। নির্ভরযোগ্য মতানুসারে ছয় মাস পর ২৮ বছর বয়সে ৩রা রমজান মঙ্গলবার ১১ হিজরীতে হযরত ফাতেমা (রাঃ) মৃত্যুবরণ করেন। উম্মে সালমা বলেন, মৃত্যুশয্যায় শায়িতাবস্থায় আমি তার সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। একদিন হঠাৎ করে আমাকে গোসলের পানির ব্যবস্থা করতে বললেন আমি তা করলাম। হযরত ফাতেমা (রাঃ) খুব ভাল করে গোসল করতঃ নতুন কাপড় পরিধান করে ঘরের মধ্যখানে খাট পেতে ডান হাত গালের নীচে করে কেবলামুখী হয়ে শুয়ে আমাকে বললেন হে উম্মে সালাম! আমি মৃত্যুবরণ করতে যাচ্ছি! অতঃপর তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
📄 জানাযার ইমামতি ও দাফন
সুন্নত মুতাবিক গোসল ও কাফন পরানোর পর জানাযার নামায অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাযে ইমামতি কে করেছিলেন- এ সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। অনেকের মতে হযরত আলী (রাঃ), অনেকের মতে হযরত আব্বাস ইমামতি করেন। কিন্তু অসংখ্য রেওয়াতের দ্বারা হযরত আবু বকর ইমামতি করেন বলে মনে করেন। ইবনে সা'আদ, বাইহাকী, কানযুল উম্মাল, রিয়াজুন্নসরা, হিলিয়া ইত্যাদি কিতাবেও হযরত আবু বকর (রাঃ)-এর ইমামতির কথা উল্লেখ আছে। অতঃপর হযরত ফাতেমার অসীয়ত মুতাবিক রাতের আধারে জান্নাতুল বাকীতে দাফন করা হয়। হযরত আব্বাস (রাঃ), হযরত আলী (রাঃ) ও ফজলে ইবনে আব্বাস কবরে অবতরণ করেন।
সুন্নত মুতাবিক গোসল ও কাফন পরানোর পর জানাযার নামায অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাযে ইমামতি কে করেছিলেন- এ সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। অনেকের মতে হযরত আলী (রাঃ), অনেকের মতে হযরত আব্বাস ইমামতি করেন। কিন্তু অসংখ্য রেওয়াতের দ্বারা হযরত আবু বকর ইমামতি করেন বলে মনে করেন। ইবনে সা'আদ, বাইহাকী, কানযুল উম্মাল, রিয়াজুন্নসরা, হিলিয়া ইত্যাদি কিতাবেও হযরত আবু বকর (রাঃ)-এর ইমামতির কথা উল্লেখ আছে। অতঃপর হযরত ফাতেমার অসীয়ত মুতাবিক রাতের আধারে জান্নাতুল বাকীতে দাফন করা হয়। হযরত আব্বাস (রাঃ), হযরত আলী (রাঃ) ও ফজলে ইবনে আব্বাস কবরে অবতরণ করেন।
📄 শোক ছায়া
হযরত ফাতেমা (রাঃ)-র মৃত্যুতে রাসূল পাকের পর আর একবার সমগ্র মুসলিম বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া। হযরত ফাতেমা মৃত্যুবরণ করেছেন বটে, কিন্তু তিনি মুসলিম মিল্লাতের হৃদয়পটে অমর হয়ে আছেন এবং থাকবেন চিরকাল। হযরত ফাতেমা (রাঃ)-র প্রতি সালাম। তার সন্তান হযরত হাসান, হযরত হুসাইন, হযরত মুহসিন, তার কন্যা হযরত যয়নব, হযরত উম্মে কুলসুম ও রুকিয়্যাহর প্রতি সালাম, তার স্বামী হযরত আলী (রাঃ)-র প্রতি সালাম, তার পিতা বিশ্ব রাসূলের প্রতি সালাম।
হযরত ফাতেমা (রাঃ)-র মৃত্যুতে রাসূল পাকের পর আর একবার সমগ্র মুসলিম বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া। হযরত ফাতেমা মৃত্যুবরণ করেছেন বটে, কিন্তু তিনি মুসলিম মিল্লাতের হৃদয়পটে অমর হয়ে আছেন এবং থাকবেন চিরকাল। হযরত ফাতেমা (রাঃ)-র প্রতি সালাম। তার সন্তান হযরত হাসান, হযরত হুসাইন, হযরত মুহসিন, তার কন্যা হযরত যয়নব, হযরত উম্মে কুলসুম ও রুকিয়্যাহর প্রতি সালাম, তার স্বামী হযরত আলী (রাঃ)-র প্রতি সালাম, তার পিতা বিশ্ব রাসূলের প্রতি সালাম।