📄 ঈমানী শক্তি
হযরত ফাতেমার জীবন ছিল নীরব পরিশ্রম, অল্পতে তুষ্টি ও গাম্ভীর্যের প্রতীক। বয়স বৃদ্ধির সাথে তিনি অনুভব করেন যে, বংশীয় মর্যাদায় নারী জগতে তার সমকক্ষে আর কেউ নেই। সুতরাং তিনি বংশীয় মর্যাদা রক্ষা করণার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্রতী হন। নবী পরিবারের সম্মান ও মর্যাদার অধিকারীনি হতে সক্ষম হন। যৌবনকালেও তিনি আধ্যাত্মিক শক্তি বলে শারীরিক ও প্রবৃত্তির তাড়নাকে সংযত রাখতে সক্ষম হন। তার জীবনে কোন দিন শারীরিক ও আন্তরিক শান্তি একত্রিত হতে পারে নি। তিনি যেমন তার শরীরকে করে রাখতেন পরিশ্রান্ত। তেমনি প্রবৃত্তির তাড়নাকে করে রাখতেন নিবৃত। হ্যাঁ, তার জীবনে একটি মাত্র দিক ছিল শান্তির, আর তা ছিল ঈমানী শক্তির। ঈমানী শক্তির উপর ভিত্তি করেই তার আধ্যাত্মিক উন্নতি ও মানবিক উৎকর্ষ সাধিত হয়।
হযরত ফাতেমার জীবন ছিল নীরব পরিশ্রম, অল্পতে তুষ্টি ও গাম্ভীর্যের প্রতীক। বয়স বৃদ্ধির সাথে তিনি অনুভব করেন যে, বংশীয় মর্যাদায় নারী জগতে তার সমকক্ষে আর কেউ নেই। সুতরাং তিনি বংশীয় মর্যাদা রক্ষা করণার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্রতী হন। নবী পরিবারের সম্মান ও মর্যাদার অধিকারীনি হতে সক্ষম হন। যৌবনকালেও তিনি আধ্যাত্মিক শক্তি বলে শারীরিক ও প্রবৃত্তির তাড়নাকে সংযত রাখতে সক্ষম হন। তার জীবনে কোন দিন শারীরিক ও আন্তরিক শান্তি একত্রিত হতে পারে নি। তিনি যেমন তার শরীরকে করে রাখতেন পরিশ্রান্ত। তেমনি প্রবৃত্তির তাড়নাকে করে রাখতেন নিবৃত। হ্যাঁ, তার জীবনে একটি মাত্র দিক ছিল শান্তির, আর তা ছিল ঈমানী শক্তির। ঈমানী শক্তির উপর ভিত্তি করেই তার আধ্যাত্মিক উন্নতি ও মানবিক উৎকর্ষ সাধিত হয়।
📄 ফাতেমার ফযীলত
হযরত ফাতেমা (রাঃ) তার গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্যের কারণে যেমন ছিলেন আল্লাহ পাকের প্রিয় ও মাগফিরাতে অধিকারিনী। তেমনি ছিলেন মহান পিতার বিশ্ব রাসূলের সর্বাধিক প্রিয়তম কন্যা। তার শানে অসংখ্য হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিরমিযী শরীফের উদ্ধৃতি অনুসারে এক প্রশ্নের উত্তরে হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, হযরত ফাতেমা (রাঃ) রাসূলে পাক সর্বাধিক প্রিয়তমা কন্যা ছিলেন। তিনি সর্বদা রোজা পালন, এবং অধিক নফল নামাযে অভ্যস্ত ছিলেন। বুখারী, মুসলিমসহ হাদীসের অনেক কিতাবের বরাতে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ফাতেমা জান্নাতী মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রধান। হযরত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। যদি সফরের ইচ্ছা করতেন, তাহলে হযরত ফাতেমাকে দেখে সফরে যেতেন। আবার সফর থেকে ফেরার পর মসজিদে দু'রাকাত নামায আদায় করে প্রথমে হযরত ফাতেমাকে দেখতে যেতেন। তার খোঁজ খবর নিয়ে পরে স্ত্রীদের খোঁজ খবর নিতেন। এতে স্ত্রীদের মনক্ষুণ্ণতা প্রকাশ পেলেও রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, আমার পরিবার-পরিজন এর মধ্যে ফাতেমা আমার সর্বাধিক আদরের কন্যা। অনেক সময় রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমার বাড়িতে হাজির হয়ে তার কাজেও সহায়তাও করতেন। একবার হযরত ফাতেমা অসুস্থ হলে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হাসি খুশি করতে যান। এবং হযরত সান্ত্বনা দিয়ে বলেন হে ফাতেমা! তুমি ধন্য ও ভাগ্যবতী। কেননা তুমি জান্নাতী মহিলাদের মধ্যে প্রধান! হযরত ফাতেমা (রাঃ) বলেন তাহলে মরিয়ম এর অবস্থান কি হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বলেন, সে তার যুগের মহিলাদের প্রধান আর তুমি তোমার যুগের মহিলাদের প্রধান। অন্য এক হাদীসে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ বলেন মহিলাদের মধ্য যারা পরিপূর্ণতা অর্জন করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হচ্ছে ফাতেমা। সাহাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)র সূত্রে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, দুজন ফেরেশতা আমাকে জানিয়েছেন যে, আমার উম্মতের মহিলাদের শ্রেষ্ঠতম হচ্ছে হযরত ফাতেমা (রাঃ)।
হযরত ফাতেমা (রাঃ) তার গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্যের কারণে যেমন ছিলেন আল্লাহ পাকের প্রিয় ও মাগফিরাতে অধিকারিনী। তেমনি ছিলেন মহান পিতার বিশ্ব রাসূলের সর্বাধিক প্রিয়তম কন্যা। তার শানে অসংখ্য হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিরমিযী শরীফের উদ্ধৃতি অনুসারে এক প্রশ্নের উত্তরে হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, হযরত ফাতেমা (রাঃ) রাসূলে পাক সর্বাধিক প্রিয়তমা কন্যা ছিলেন। তিনি সর্বদা রোজা পালন, এবং অধিক নফল নামাযে অভ্যস্ত ছিলেন। বুখারী, মুসলিমসহ হাদীসের অনেক কিতাবের বরাতে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ফাতেমা জান্নাতী মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রধান। হযরত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। যদি সফরের ইচ্ছা করতেন, তাহলে হযরত ফাতেমাকে দেখে সফরে যেতেন। আবার সফর থেকে ফেরার পর মসজিদে দু'রাকাত নামায আদায় করে প্রথমে হযরত ফাতেমাকে দেখতে যেতেন। তার খোঁজ খবর নিয়ে পরে স্ত্রীদের খোঁজ খবর নিতেন। এতে স্ত্রীদের মনক্ষুণ্ণতা প্রকাশ পেলেও রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, আমার পরিবার-পরিজন এর মধ্যে ফাতেমা আমার সর্বাধিক আদরের কন্যা। অনেক সময় রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমার বাড়িতে হাজির হয়ে তার কাজেও সহায়তাও করতেন। একবার হযরত ফাতেমা অসুস্থ হলে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হাসি খুশি করতে যান। এবং হযরত সান্ত্বনা দিয়ে বলেন হে ফাতেমা! তুমি ধন্য ও ভাগ্যবতী। কেননা তুমি জান্নাতী মহিলাদের মধ্যে প্রধান! হযরত ফাতেমা (রাঃ) বলেন তাহলে মরিয়ম এর অবস্থান কি হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বলেন, সে তার যুগের মহিলাদের প্রধান আর তুমি তোমার যুগের মহিলাদের প্রধান। অন্য এক হাদীসে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ বলেন মহিলাদের মধ্য যারা পরিপূর্ণতা অর্জন করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হচ্ছে ফাতেমা। সাহাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)র সূত্রে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, দুজন ফেরেশতা আমাকে জানিয়েছেন যে, আমার উম্মতের মহিলাদের শ্রেষ্ঠতম হচ্ছে হযরত ফাতেমা (রাঃ)।
📄 পর্দার হুকুম
হযরত ফাতেমার বড় গুণ ছিল পর্দা পুষিদা। পর্দা-পুষিদা মত চলা কেবল ইসলামের নির্দেশ নয় বরং মানব সভ্যতা ও মনুষ্যত্বের চাহিদাও বটে। পক্ষান্তরে পর্দাহীনতা বেহায়াপনা ও অসভ্যতার পরিচায়ক। হযরত ফাতেমা (রাঃ) লজ্জা শরম ও পর্দা পুষিদা দ্বারা অনুমান করা যায় যে, তিনি নিজ বাড়ি ও সীমিত স্থানের বাহিরে যাতায়াত থেকেও বিরত থাকতেন। মৃত্যুর পর কাফন দাফনের সময় যাতে বেপর্দেগী না হয়, সে জন্য তার জীবদ্দশায় বিশেষভাবে অসীয়ত করে যান।
হযরত ফাতেমার বড় গুণ ছিল পর্দা পুষিদা। পর্দা-পুষিদা মত চলা কেবল ইসলামের নির্দেশ নয় বরং মানব সভ্যতা ও মনুষ্যত্বের চাহিদাও বটে। পক্ষান্তরে পর্দাহীনতা বেহায়াপনা ও অসভ্যতার পরিচায়ক। হযরত ফাতেমা (রাঃ) লজ্জা শরম ও পর্দা পুষিদা দ্বারা অনুমান করা যায় যে, তিনি নিজ বাড়ি ও সীমিত স্থানের বাহিরে যাতায়াত থেকেও বিরত থাকতেন। মৃত্যুর পর কাফন দাফনের সময় যাতে বেপর্দেগী না হয়, সে জন্য তার জীবদ্দশায় বিশেষভাবে অসীয়ত করে যান।
📄 ফাতেমার মৃত্যু
আবু জাফরের মতে রাসূলে পাকের তিরোধানের তিন মাস পর, ইবনে আবু সুলাইফার মতে দুই মাস পর হযরত ফাতেমা (রাঃ) মৃত্যু বরণ করেন।
কিন্তু এই মতটি তেমন নির্ভরযোগ্য নয়। নির্ভরযোগ্য মতানুসারে ছয় মাস পর ২৮ বছর বয়সে ৩রা রমজান মঙ্গলবার ১১ হিজরীতে হযরত ফাতেমা (রাঃ) মৃত্যুবরণ করেন। উম্মে সালমা বলেন, মৃত্যুশয্যায় শায়িতাবস্থায় আমি তার সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। একদিন হঠাৎ করে আমাকে গোসলের পানির ব্যবস্থা করতে বললেন আমি তা করলাম। হযরত ফাতেমা (রাঃ) খুব ভাল করে গোসল করতঃ নতুন কাপড় পরিধান করে ঘরের মধ্যখানে খাট পেতে ডান হাত গালের নীচে করে কেবলামুখী হয়ে শুয়ে আমাকে বললেন হে উম্মে সালাম! আমি মৃত্যুবরণ করতে যাচ্ছি! অতঃপর তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
আবু জাফরের মতে রাসূলে পাকের তিরোধানের তিন মাস পর, ইবনে আবু সুলাইফার মতে দুই মাস পর হযরত ফাতেমা (রাঃ) মৃত্যু বরণ করেন।
কিন্তু এই মতটি তেমন নির্ভরযোগ্য নয়। নির্ভরযোগ্য মতানুসারে ছয় মাস পর ২৮ বছর বয়সে ৩রা রমজান মঙ্গলবার ১১ হিজরীতে হযরত ফাতেমা (রাঃ) মৃত্যুবরণ করেন। উম্মে সালমা বলেন, মৃত্যুশয্যায় শায়িতাবস্থায় আমি তার সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। একদিন হঠাৎ করে আমাকে গোসলের পানির ব্যবস্থা করতে বললেন আমি তা করলাম। হযরত ফাতেমা (রাঃ) খুব ভাল করে গোসল করতঃ নতুন কাপড় পরিধান করে ঘরের মধ্যখানে খাট পেতে ডান হাত গালের নীচে করে কেবলামুখী হয়ে শুয়ে আমাকে বললেন হে উম্মে সালাম! আমি মৃত্যুবরণ করতে যাচ্ছি! অতঃপর তিনি মৃত্যু বরণ করেন।