📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 বিবাহের জন্য ওহী

📄 বিবাহের জন্য ওহী


হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত ওমর (রাঃ) হযরত ফাতেমাকে বিবাহ করার প্রস্তাব পেশ করলে বয়সের গরমিলের সুবাদে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রস্তাব না মঞ্জুর করেন। হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত গরীব ও সহায় সম্বলহীন মানুষ। কিন্তু রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অর্থকড়ির পরোয়া না করে হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট হযরত ফাতেমাকে বিবাহ দেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ)ও এতে সম্মত থাকেন।

হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত ওমর (রাঃ) হযরত ফাতেমাকে বিবাহ করার প্রস্তাব পেশ করলে বয়সের গরমিলের সুবাদে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রস্তাব না মঞ্জুর করেন। হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত গরীব ও সহায় সম্বলহীন মানুষ। কিন্তু রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অর্থকড়ির পরোয়া না করে হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট হযরত ফাতেমাকে বিবাহ দেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ)ও এতে সম্মত থাকেন।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 বিবাহ সামগ্রী

📄 বিবাহ সামগ্রী


ইবনে সায়েবের সূত্রে হযরত আলী বলেন, খেজুরের আশের একটি তোষক, পানির একটি কলস, এবং একটি চাদর ছিল হযরত ফাতেমার বিবাহ।
সামগ্রী। হযরত আলীর বর্ণিত অন্য সূত্রে মাটির তৈরি দুটি মকটার কথাও পাওয়া যায়। ইবনে আব্বাসের সূত্রে খেজুর এর আশে তৈরি একটি চাদরের কথা উল্লেখ আছে। ইবনে আব্বাসের অপর এক সূত্রে বুহতা নামক স্থান হতে কিছু বালু-মাটি এনে ফরাশ করে দেয়ার কথা বর্ণিত আছে। হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা! দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভে ধন্য। অথচ এই ছিল তার বিবাহ সামগ্রী। কত সহজ সরল ও কম খরচে বিবাহ কার্য সম্পাদিত হয়েছিল। হে মুসলিম সমাজ! একটু চিন্তা করুন! শ্রেষ্ঠ নবীর শ্রেষ্ঠ কন্যা এমন ঘরে প্রবেশ করলেন। যে ঘরে ফরাশ হচ্ছে বালু আর মাটি। বিছানা হচ্ছে খেজুরের আশ আর পাতা। হ্যাঁ, হযরত ফাতেমার (রাঃ) এর জন্য রাসূলের দোয়া ও বরকতেই ছিল যথেষ্ট।

ইবনে সায়েবের সূত্রে হযরত আলী বলেন, খেজুরের আশের একটি তোষক, পানির একটি কলস, এবং একটি চাদর ছিল হযরত ফাতেমার বিবাহ।
সামগ্রী। হযরত আলীর বর্ণিত অন্য সূত্রে মাটির তৈরি দুটি মকটার কথাও পাওয়া যায়। ইবনে আব্বাসের সূত্রে খেজুর এর আশে তৈরি একটি চাদরের কথা উল্লেখ আছে। ইবনে আব্বাসের অপর এক সূত্রে বুহতা নামক স্থান হতে কিছু বালু-মাটি এনে ফরাশ করে দেয়ার কথা বর্ণিত আছে। হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা! দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভে ধন্য। অথচ এই ছিল তার বিবাহ সামগ্রী। কত সহজ সরল ও কম খরচে বিবাহ কার্য সম্পাদিত হয়েছিল। হে মুসলিম সমাজ! একটু চিন্তা করুন! শ্রেষ্ঠ নবীর শ্রেষ্ঠ কন্যা এমন ঘরে প্রবেশ করলেন। যে ঘরে ফরাশ হচ্ছে বালু আর মাটি। বিছানা হচ্ছে খেজুরের আশ আর পাতা। হ্যাঁ, হযরত ফাতেমার (রাঃ) এর জন্য রাসূলের দোয়া ও বরকতেই ছিল যথেষ্ট।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 ঈমানী শক্তি

📄 ঈমানী শক্তি


হযরত ফাতেমার জীবন ছিল নীরব পরিশ্রম, অল্পতে তুষ্টি ও গাম্ভীর্যের প্রতীক। বয়স বৃদ্ধির সাথে তিনি অনুভব করেন যে, বংশীয় মর্যাদায় নারী জগতে তার সমকক্ষে আর কেউ নেই। সুতরাং তিনি বংশীয় মর্যাদা রক্ষা করণার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্রতী হন। নবী পরিবারের সম্মান ও মর্যাদার অধিকারীনি হতে সক্ষম হন। যৌবনকালেও তিনি আধ্যাত্মিক শক্তি বলে শারীরিক ও প্রবৃত্তির তাড়নাকে সংযত রাখতে সক্ষম হন। তার জীবনে কোন দিন শারীরিক ও আন্তরিক শান্তি একত্রিত হতে পারে নি। তিনি যেমন তার শরীরকে করে রাখতেন পরিশ্রান্ত। তেমনি প্রবৃত্তির তাড়নাকে করে রাখতেন নিবৃত। হ্যাঁ, তার জীবনে একটি মাত্র দিক ছিল শান্তির, আর তা ছিল ঈমানী শক্তির। ঈমানী শক্তির উপর ভিত্তি করেই তার আধ্যাত্মিক উন্নতি ও মানবিক উৎকর্ষ সাধিত হয়।

হযরত ফাতেমার জীবন ছিল নীরব পরিশ্রম, অল্পতে তুষ্টি ও গাম্ভীর্যের প্রতীক। বয়স বৃদ্ধির সাথে তিনি অনুভব করেন যে, বংশীয় মর্যাদায় নারী জগতে তার সমকক্ষে আর কেউ নেই। সুতরাং তিনি বংশীয় মর্যাদা রক্ষা করণার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্রতী হন। নবী পরিবারের সম্মান ও মর্যাদার অধিকারীনি হতে সক্ষম হন। যৌবনকালেও তিনি আধ্যাত্মিক শক্তি বলে শারীরিক ও প্রবৃত্তির তাড়নাকে সংযত রাখতে সক্ষম হন। তার জীবনে কোন দিন শারীরিক ও আন্তরিক শান্তি একত্রিত হতে পারে নি। তিনি যেমন তার শরীরকে করে রাখতেন পরিশ্রান্ত। তেমনি প্রবৃত্তির তাড়নাকে করে রাখতেন নিবৃত। হ্যাঁ, তার জীবনে একটি মাত্র দিক ছিল শান্তির, আর তা ছিল ঈমানী শক্তির। ঈমানী শক্তির উপর ভিত্তি করেই তার আধ্যাত্মিক উন্নতি ও মানবিক উৎকর্ষ সাধিত হয়।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 ফাতেমার ফযীলত

📄 ফাতেমার ফযীলত


হযরত ফাতেমা (রাঃ) তার গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্যের কারণে যেমন ছিলেন আল্লাহ পাকের প্রিয় ও মাগফিরাতে অধিকারিনী। তেমনি ছিলেন মহান পিতার বিশ্ব রাসূলের সর্বাধিক প্রিয়তম কন্যা। তার শানে অসংখ্য হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিরমিযী শরীফের উদ্ধৃতি অনুসারে এক প্রশ্নের উত্তরে হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, হযরত ফাতেমা (রাঃ) রাসূলে পাক সর্বাধিক প্রিয়তমা কন্যা ছিলেন। তিনি সর্বদা রোজা পালন, এবং অধিক নফল নামাযে অভ্যস্ত ছিলেন। বুখারী, মুসলিমসহ হাদীসের অনেক কিতাবের বরাতে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ফাতেমা জান্নাতী মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রধান। হযরত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। যদি সফরের ইচ্ছা করতেন, তাহলে হযরত ফাতেমাকে দেখে সফরে যেতেন। আবার সফর থেকে ফেরার পর মসজিদে দু'রাকাত নামায আদায় করে প্রথমে হযরত ফাতেমাকে দেখতে যেতেন। তার খোঁজ খবর নিয়ে পরে স্ত্রীদের খোঁজ খবর নিতেন। এতে স্ত্রীদের মনক্ষুণ্ণতা প্রকাশ পেলেও রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, আমার পরিবার-পরিজন এর মধ্যে ফাতেমা আমার সর্বাধিক আদরের কন্যা। অনেক সময় রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমার বাড়িতে হাজির হয়ে তার কাজেও সহায়তাও করতেন। একবার হযরত ফাতেমা অসুস্থ হলে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হাসি খুশি করতে যান। এবং হযরত সান্ত্বনা দিয়ে বলেন হে ফাতেমা! তুমি ধন্য ও ভাগ্যবতী। কেননা তুমি জান্নাতী মহিলাদের মধ্যে প্রধান! হযরত ফাতেমা (রাঃ) বলেন তাহলে মরিয়ম এর অবস্থান কি হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বলেন, সে তার যুগের মহিলাদের প্রধান আর তুমি তোমার যুগের মহিলাদের প্রধান। অন্য এক হাদীসে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ বলেন মহিলাদের মধ্য যারা পরিপূর্ণতা অর্জন করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হচ্ছে ফাতেমা। সাহাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)র সূত্রে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, দুজন ফেরেশতা আমাকে জানিয়েছেন যে, আমার উম্মতের মহিলাদের শ্রেষ্ঠতম হচ্ছে হযরত ফাতেমা (রাঃ)।

হযরত ফাতেমা (রাঃ) তার গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্যের কারণে যেমন ছিলেন আল্লাহ পাকের প্রিয় ও মাগফিরাতে অধিকারিনী। তেমনি ছিলেন মহান পিতার বিশ্ব রাসূলের সর্বাধিক প্রিয়তম কন্যা। তার শানে অসংখ্য হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিরমিযী শরীফের উদ্ধৃতি অনুসারে এক প্রশ্নের উত্তরে হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, হযরত ফাতেমা (রাঃ) রাসূলে পাক সর্বাধিক প্রিয়তমা কন্যা ছিলেন। তিনি সর্বদা রোজা পালন, এবং অধিক নফল নামাযে অভ্যস্ত ছিলেন। বুখারী, মুসলিমসহ হাদীসের অনেক কিতাবের বরাতে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ফাতেমা জান্নাতী মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রধান। হযরত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। যদি সফরের ইচ্ছা করতেন, তাহলে হযরত ফাতেমাকে দেখে সফরে যেতেন। আবার সফর থেকে ফেরার পর মসজিদে দু'রাকাত নামায আদায় করে প্রথমে হযরত ফাতেমাকে দেখতে যেতেন। তার খোঁজ খবর নিয়ে পরে স্ত্রীদের খোঁজ খবর নিতেন। এতে স্ত্রীদের মনক্ষুণ্ণতা প্রকাশ পেলেও রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, আমার পরিবার-পরিজন এর মধ্যে ফাতেমা আমার সর্বাধিক আদরের কন্যা। অনেক সময় রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমার বাড়িতে হাজির হয়ে তার কাজেও সহায়তাও করতেন। একবার হযরত ফাতেমা অসুস্থ হলে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হাসি খুশি করতে যান। এবং হযরত সান্ত্বনা দিয়ে বলেন হে ফাতেমা! তুমি ধন্য ও ভাগ্যবতী। কেননা তুমি জান্নাতী মহিলাদের মধ্যে প্রধান! হযরত ফাতেমা (রাঃ) বলেন তাহলে মরিয়ম এর অবস্থান কি হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বলেন, সে তার যুগের মহিলাদের প্রধান আর তুমি তোমার যুগের মহিলাদের প্রধান। অন্য এক হাদীসে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ বলেন মহিলাদের মধ্য যারা পরিপূর্ণতা অর্জন করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হচ্ছে ফাতেমা। সাহাবী আবু হুরায়রা (রাঃ)র সূত্রে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, দুজন ফেরেশতা আমাকে জানিয়েছেন যে, আমার উম্মতের মহিলাদের শ্রেষ্ঠতম হচ্ছে হযরত ফাতেমা (রাঃ)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00