📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 আল্লাহর প্রতি ঈমান

📄 আল্লাহর প্রতি ঈমান


হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা। বিশ্ব রাসূলের তত্ত্বাবধানেই তিনি লালিত-পালিত হন। তার জীবনের কোন অংশেই লাত-উজ্জর পূজা-পাটের স্পট লাগে নি। তিনি প্রথম জীবন থেকেই আল্লাহর প্রতি ঈমান ধারণের সৌভাগ্য অর্জন করেন। আল্লাহ পাকের প্রতি তার ঈমান ছিল অত্যন্ত গভীর ও অবিচল। একদিন, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশ গোত্রের লোকদেরকে ডেকে বলেছিল, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর দিকে আহ্বান জানাচ্ছি। তোমাদের নিজেদেরকে ভয়াবহ আগুন থেকে মুক্ত কর। তখন হযরত ফাতেমাকে একই উপদেশ দিলে হযরত ফাতেমা ধীরচিত্তে দৃঢ়কণ্ঠে উত্তর করেন, হে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা আপনি অবগত থাকুন আমি আপনার আহ্বানে পরিপূর্ণ সাড়া দিচ্ছি। হযরত ফাতেমার এই উত্তরে একদিকে যেমন আল্লাহর প্রতি তার গভীর ঈমানের পরিচায়ক, তেমনি বিশ্ব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি তার আনুগত্যের জ্বলন্ত প্রমাণ। হযরত ফাতেমার কর্ম জীবনেও এই উত্তর এর বাস্তবতা যথাযথভাবেই প্রকাশ পেয়েছে।

হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা। বিশ্ব রাসূলের তত্ত্বাবধানেই তিনি লালিত-পালিত হন। তার জীবনের কোন অংশেই লাত-উজ্জর পূজা-পাটের স্পট লাগে নি। তিনি প্রথম জীবন থেকেই আল্লাহর প্রতি ঈমান ধারণের সৌভাগ্য অর্জন করেন। আল্লাহ পাকের প্রতি তার ঈমান ছিল অত্যন্ত গভীর ও অবিচল। একদিন, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশ গোত্রের লোকদেরকে ডেকে বলেছিল, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর দিকে আহ্বান জানাচ্ছি। তোমাদের নিজেদেরকে ভয়াবহ আগুন থেকে মুক্ত কর। তখন হযরত ফাতেমাকে একই উপদেশ দিলে হযরত ফাতেমা ধীরচিত্তে দৃঢ়কণ্ঠে উত্তর করেন, হে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা আপনি অবগত থাকুন আমি আপনার আহ্বানে পরিপূর্ণ সাড়া দিচ্ছি। হযরত ফাতেমার এই উত্তরে একদিকে যেমন আল্লাহর প্রতি তার গভীর ঈমানের পরিচায়ক, তেমনি বিশ্ব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি তার আনুগত্যের জ্বলন্ত প্রমাণ। হযরত ফাতেমার কর্ম জীবনেও এই উত্তর এর বাস্তবতা যথাযথভাবেই প্রকাশ পেয়েছে।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 বিবাহের জন্য ওহী

📄 বিবাহের জন্য ওহী


হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত ওমর (রাঃ) হযরত ফাতেমাকে বিবাহ করার প্রস্তাব পেশ করলে বয়সের গরমিলের সুবাদে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রস্তাব না মঞ্জুর করেন। হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত গরীব ও সহায় সম্বলহীন মানুষ। কিন্তু রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অর্থকড়ির পরোয়া না করে হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট হযরত ফাতেমাকে বিবাহ দেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ)ও এতে সম্মত থাকেন।

হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত ওমর (রাঃ) হযরত ফাতেমাকে বিবাহ করার প্রস্তাব পেশ করলে বয়সের গরমিলের সুবাদে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রস্তাব না মঞ্জুর করেন। হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত গরীব ও সহায় সম্বলহীন মানুষ। কিন্তু রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অর্থকড়ির পরোয়া না করে হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট হযরত ফাতেমাকে বিবাহ দেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ)ও এতে সম্মত থাকেন।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 বিবাহ সামগ্রী

📄 বিবাহ সামগ্রী


ইবনে সায়েবের সূত্রে হযরত আলী বলেন, খেজুরের আশের একটি তোষক, পানির একটি কলস, এবং একটি চাদর ছিল হযরত ফাতেমার বিবাহ।
সামগ্রী। হযরত আলীর বর্ণিত অন্য সূত্রে মাটির তৈরি দুটি মকটার কথাও পাওয়া যায়। ইবনে আব্বাসের সূত্রে খেজুর এর আশে তৈরি একটি চাদরের কথা উল্লেখ আছে। ইবনে আব্বাসের অপর এক সূত্রে বুহতা নামক স্থান হতে কিছু বালু-মাটি এনে ফরাশ করে দেয়ার কথা বর্ণিত আছে। হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা! দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভে ধন্য। অথচ এই ছিল তার বিবাহ সামগ্রী। কত সহজ সরল ও কম খরচে বিবাহ কার্য সম্পাদিত হয়েছিল। হে মুসলিম সমাজ! একটু চিন্তা করুন! শ্রেষ্ঠ নবীর শ্রেষ্ঠ কন্যা এমন ঘরে প্রবেশ করলেন। যে ঘরে ফরাশ হচ্ছে বালু আর মাটি। বিছানা হচ্ছে খেজুরের আশ আর পাতা। হ্যাঁ, হযরত ফাতেমার (রাঃ) এর জন্য রাসূলের দোয়া ও বরকতেই ছিল যথেষ্ট।

ইবনে সায়েবের সূত্রে হযরত আলী বলেন, খেজুরের আশের একটি তোষক, পানির একটি কলস, এবং একটি চাদর ছিল হযরত ফাতেমার বিবাহ।
সামগ্রী। হযরত আলীর বর্ণিত অন্য সূত্রে মাটির তৈরি দুটি মকটার কথাও পাওয়া যায়। ইবনে আব্বাসের সূত্রে খেজুর এর আশে তৈরি একটি চাদরের কথা উল্লেখ আছে। ইবনে আব্বাসের অপর এক সূত্রে বুহতা নামক স্থান হতে কিছু বালু-মাটি এনে ফরাশ করে দেয়ার কথা বর্ণিত আছে। হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা! দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভে ধন্য। অথচ এই ছিল তার বিবাহ সামগ্রী। কত সহজ সরল ও কম খরচে বিবাহ কার্য সম্পাদিত হয়েছিল। হে মুসলিম সমাজ! একটু চিন্তা করুন! শ্রেষ্ঠ নবীর শ্রেষ্ঠ কন্যা এমন ঘরে প্রবেশ করলেন। যে ঘরে ফরাশ হচ্ছে বালু আর মাটি। বিছানা হচ্ছে খেজুরের আশ আর পাতা। হ্যাঁ, হযরত ফাতেমার (রাঃ) এর জন্য রাসূলের দোয়া ও বরকতেই ছিল যথেষ্ট।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 ঈমানী শক্তি

📄 ঈমানী শক্তি


হযরত ফাতেমার জীবন ছিল নীরব পরিশ্রম, অল্পতে তুষ্টি ও গাম্ভীর্যের প্রতীক। বয়স বৃদ্ধির সাথে তিনি অনুভব করেন যে, বংশীয় মর্যাদায় নারী জগতে তার সমকক্ষে আর কেউ নেই। সুতরাং তিনি বংশীয় মর্যাদা রক্ষা করণার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্রতী হন। নবী পরিবারের সম্মান ও মর্যাদার অধিকারীনি হতে সক্ষম হন। যৌবনকালেও তিনি আধ্যাত্মিক শক্তি বলে শারীরিক ও প্রবৃত্তির তাড়নাকে সংযত রাখতে সক্ষম হন। তার জীবনে কোন দিন শারীরিক ও আন্তরিক শান্তি একত্রিত হতে পারে নি। তিনি যেমন তার শরীরকে করে রাখতেন পরিশ্রান্ত। তেমনি প্রবৃত্তির তাড়নাকে করে রাখতেন নিবৃত। হ্যাঁ, তার জীবনে একটি মাত্র দিক ছিল শান্তির, আর তা ছিল ঈমানী শক্তির। ঈমানী শক্তির উপর ভিত্তি করেই তার আধ্যাত্মিক উন্নতি ও মানবিক উৎকর্ষ সাধিত হয়।

হযরত ফাতেমার জীবন ছিল নীরব পরিশ্রম, অল্পতে তুষ্টি ও গাম্ভীর্যের প্রতীক। বয়স বৃদ্ধির সাথে তিনি অনুভব করেন যে, বংশীয় মর্যাদায় নারী জগতে তার সমকক্ষে আর কেউ নেই। সুতরাং তিনি বংশীয় মর্যাদা রক্ষা করণার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্রতী হন। নবী পরিবারের সম্মান ও মর্যাদার অধিকারীনি হতে সক্ষম হন। যৌবনকালেও তিনি আধ্যাত্মিক শক্তি বলে শারীরিক ও প্রবৃত্তির তাড়নাকে সংযত রাখতে সক্ষম হন। তার জীবনে কোন দিন শারীরিক ও আন্তরিক শান্তি একত্রিত হতে পারে নি। তিনি যেমন তার শরীরকে করে রাখতেন পরিশ্রান্ত। তেমনি প্রবৃত্তির তাড়নাকে করে রাখতেন নিবৃত। হ্যাঁ, তার জীবনে একটি মাত্র দিক ছিল শান্তির, আর তা ছিল ঈমানী শক্তির। ঈমানী শক্তির উপর ভিত্তি করেই তার আধ্যাত্মিক উন্নতি ও মানবিক উৎকর্ষ সাধিত হয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00