📄 ফাতেমার গুণাবলি
হযরত ফাতেমা (রাঃ) আজ দুনিয়াতে নেই, তিনি মহানন্দে নবীর পরশে জান্নাতী হয়ে আছেন। তবে তিনি মৃত্যুবরণ করেও অমর হয়ে আছেন। অমর হয়ে আছেন মুসলিম মিল্লাতের অন্তরের অন্তঃস্থলে। তার প্রতি মুসলিম উম্মাহ শ্রদ্ধাশীল। তার প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তি ঈমানের নিদর্শন ও রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি ঈমান ও ভালোবাসা এর প্রতীক। হযরত ফাতেমার এই মহত্ব ও মর্যাদার পিছনে রয়েছে তার অতুলনীয় গুণাবলী, মধুর চরিত্র, ঈমান আমল, ইবাদত, রিয়াজত, আল্লাহ ভীরুতা, নবী প্রেম, আধ্যাত্মিক সাধনা, আন্তরিক পরিশুদ্ধি শরীয়তের কঠোর অনুশীলন, স্বামী ভক্তি, সংযমশীলতা, ধৈর্য, সহ্য, শ্রম-মেহনত, নম্রতা-ভদ্রতা, ও শিষ্টাচারিতা। এ সমস্ত গুণাবলী তাকে করেছেন সৌভাগ্যশীলা এবং বিশ্ব মানবতার জন্য পাথেয়।
হযরত ফাতেমা (রাঃ) আজ দুনিয়াতে নেই, তিনি মহানন্দে নবীর পরশে জান্নাতী হয়ে আছেন। তবে তিনি মৃত্যুবরণ করেও অমর হয়ে আছেন। অমর হয়ে আছেন মুসলিম মিল্লাতের অন্তরের অন্তঃস্থলে। তার প্রতি মুসলিম উম্মাহ শ্রদ্ধাশীল। তার প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তি ঈমানের নিদর্শন ও রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি ঈমান ও ভালোবাসা এর প্রতীক। হযরত ফাতেমার এই মহত্ব ও মর্যাদার পিছনে রয়েছে তার অতুলনীয় গুণাবলী, মধুর চরিত্র, ঈমান আমল, ইবাদত, রিয়াজত, আল্লাহ ভীরুতা, নবী প্রেম, আধ্যাত্মিক সাধনা, আন্তরিক পরিশুদ্ধি শরীয়তের কঠোর অনুশীলন, স্বামী ভক্তি, সংযমশীলতা, ধৈর্য, সহ্য, শ্রম-মেহনত, নম্রতা-ভদ্রতা, ও শিষ্টাচারিতা। এ সমস্ত গুণাবলী তাকে করেছেন সৌভাগ্যশীলা এবং বিশ্ব মানবতার জন্য পাথেয়।
📄 আল্লাহর প্রতি ঈমান
হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা। বিশ্ব রাসূলের তত্ত্বাবধানেই তিনি লালিত-পালিত হন। তার জীবনের কোন অংশেই লাত-উজ্জর পূজা-পাটের স্পট লাগে নি। তিনি প্রথম জীবন থেকেই আল্লাহর প্রতি ঈমান ধারণের সৌভাগ্য অর্জন করেন। আল্লাহ পাকের প্রতি তার ঈমান ছিল অত্যন্ত গভীর ও অবিচল। একদিন, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশ গোত্রের লোকদেরকে ডেকে বলেছিল, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর দিকে আহ্বান জানাচ্ছি। তোমাদের নিজেদেরকে ভয়াবহ আগুন থেকে মুক্ত কর। তখন হযরত ফাতেমাকে একই উপদেশ দিলে হযরত ফাতেমা ধীরচিত্তে দৃঢ়কণ্ঠে উত্তর করেন, হে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা আপনি অবগত থাকুন আমি আপনার আহ্বানে পরিপূর্ণ সাড়া দিচ্ছি। হযরত ফাতেমার এই উত্তরে একদিকে যেমন আল্লাহর প্রতি তার গভীর ঈমানের পরিচায়ক, তেমনি বিশ্ব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি তার আনুগত্যের জ্বলন্ত প্রমাণ। হযরত ফাতেমার কর্ম জীবনেও এই উত্তর এর বাস্তবতা যথাযথভাবেই প্রকাশ পেয়েছে।
হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা। বিশ্ব রাসূলের তত্ত্বাবধানেই তিনি লালিত-পালিত হন। তার জীবনের কোন অংশেই লাত-উজ্জর পূজা-পাটের স্পট লাগে নি। তিনি প্রথম জীবন থেকেই আল্লাহর প্রতি ঈমান ধারণের সৌভাগ্য অর্জন করেন। আল্লাহ পাকের প্রতি তার ঈমান ছিল অত্যন্ত গভীর ও অবিচল। একদিন, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশ গোত্রের লোকদেরকে ডেকে বলেছিল, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর দিকে আহ্বান জানাচ্ছি। তোমাদের নিজেদেরকে ভয়াবহ আগুন থেকে মুক্ত কর। তখন হযরত ফাতেমাকে একই উপদেশ দিলে হযরত ফাতেমা ধীরচিত্তে দৃঢ়কণ্ঠে উত্তর করেন, হে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা আপনি অবগত থাকুন আমি আপনার আহ্বানে পরিপূর্ণ সাড়া দিচ্ছি। হযরত ফাতেমার এই উত্তরে একদিকে যেমন আল্লাহর প্রতি তার গভীর ঈমানের পরিচায়ক, তেমনি বিশ্ব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি তার আনুগত্যের জ্বলন্ত প্রমাণ। হযরত ফাতেমার কর্ম জীবনেও এই উত্তর এর বাস্তবতা যথাযথভাবেই প্রকাশ পেয়েছে।
📄 বিবাহের জন্য ওহী
হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত ওমর (রাঃ) হযরত ফাতেমাকে বিবাহ করার প্রস্তাব পেশ করলে বয়সের গরমিলের সুবাদে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রস্তাব না মঞ্জুর করেন। হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত গরীব ও সহায় সম্বলহীন মানুষ। কিন্তু রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অর্থকড়ির পরোয়া না করে হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট হযরত ফাতেমাকে বিবাহ দেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ)ও এতে সম্মত থাকেন।
হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত ওমর (রাঃ) হযরত ফাতেমাকে বিবাহ করার প্রস্তাব পেশ করলে বয়সের গরমিলের সুবাদে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের প্রস্তাব না মঞ্জুর করেন। হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত গরীব ও সহায় সম্বলহীন মানুষ। কিন্তু রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অর্থকড়ির পরোয়া না করে হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট হযরত ফাতেমাকে বিবাহ দেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ)ও এতে সম্মত থাকেন।
📄 বিবাহ সামগ্রী
ইবনে সায়েবের সূত্রে হযরত আলী বলেন, খেজুরের আশের একটি তোষক, পানির একটি কলস, এবং একটি চাদর ছিল হযরত ফাতেমার বিবাহ।
সামগ্রী। হযরত আলীর বর্ণিত অন্য সূত্রে মাটির তৈরি দুটি মকটার কথাও পাওয়া যায়। ইবনে আব্বাসের সূত্রে খেজুর এর আশে তৈরি একটি চাদরের কথা উল্লেখ আছে। ইবনে আব্বাসের অপর এক সূত্রে বুহতা নামক স্থান হতে কিছু বালু-মাটি এনে ফরাশ করে দেয়ার কথা বর্ণিত আছে। হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা! দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভে ধন্য। অথচ এই ছিল তার বিবাহ সামগ্রী। কত সহজ সরল ও কম খরচে বিবাহ কার্য সম্পাদিত হয়েছিল। হে মুসলিম সমাজ! একটু চিন্তা করুন! শ্রেষ্ঠ নবীর শ্রেষ্ঠ কন্যা এমন ঘরে প্রবেশ করলেন। যে ঘরে ফরাশ হচ্ছে বালু আর মাটি। বিছানা হচ্ছে খেজুরের আশ আর পাতা। হ্যাঁ, হযরত ফাতেমার (রাঃ) এর জন্য রাসূলের দোয়া ও বরকতেই ছিল যথেষ্ট।
ইবনে সায়েবের সূত্রে হযরত আলী বলেন, খেজুরের আশের একটি তোষক, পানির একটি কলস, এবং একটি চাদর ছিল হযরত ফাতেমার বিবাহ।
সামগ্রী। হযরত আলীর বর্ণিত অন্য সূত্রে মাটির তৈরি দুটি মকটার কথাও পাওয়া যায়। ইবনে আব্বাসের সূত্রে খেজুর এর আশে তৈরি একটি চাদরের কথা উল্লেখ আছে। ইবনে আব্বাসের অপর এক সূত্রে বুহতা নামক স্থান হতে কিছু বালু-মাটি এনে ফরাশ করে দেয়ার কথা বর্ণিত আছে। হযরত ফাতেমা বিশ্ব রাসূলের আদরের কন্যা! দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভে ধন্য। অথচ এই ছিল তার বিবাহ সামগ্রী। কত সহজ সরল ও কম খরচে বিবাহ কার্য সম্পাদিত হয়েছিল। হে মুসলিম সমাজ! একটু চিন্তা করুন! শ্রেষ্ঠ নবীর শ্রেষ্ঠ কন্যা এমন ঘরে প্রবেশ করলেন। যে ঘরে ফরাশ হচ্ছে বালু আর মাটি। বিছানা হচ্ছে খেজুরের আশ আর পাতা। হ্যাঁ, হযরত ফাতেমার (রাঃ) এর জন্য রাসূলের দোয়া ও বরকতেই ছিল যথেষ্ট।