📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 হযরত আয়েশার গুণাবলি

📄 হযরত আয়েশার গুণাবলি


হযরত আয়েশা আজ পৃথিবীতে নেই। কিন্তু তিনি বিশ্বাসীর অন্তরের অন্তঃস্থলে অমর হয়ে আছেন। তাঁর প্রতি সকলেই শ্রদ্ধাশীল। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ইমানের নিদর্শন। তাঁর এই মহত্ব ও বড়ত্বের পেছনে রয়েছে হযরত আয়েশার অতুলনীয় গুণাবলি ও উন্নত স্বভাব-চরিত্র। ইবাদত, রিয়াজত, ভয়ভীতি, আল্লাহর প্রতি ঈমান ও দৃঢ় বিশ্বাস। রাসূলের প্রতি আনুগত্য, স্বামীভক্তি, সমবেদনা, দয়ামায়া, পরোপকারিতা, দানশীলতা, ক্ষমা, পর্দা, ন্যায়নিষ্ঠতা ইত্যাদি বহুগুণে গুণান্বিতা হযরত আয়েশা। এ সকল গুণাবলী তাঁকে করেছে সৌভাগ্যশীলা, জান্নাতী, বিশ্বমানবের জন্য তিনি আজ পাথেয় উজ্জ্বল প্রদীপ।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 ভয়ভীতি

📄 ভয়ভীতি


আল্লাহ পাকের ভয়-ভীতি ইমানের পরিচায়ক। এ কারণেই পবিত্র কুরআন ও হাদীসে এরূপ ভয়-ভীতিকে সফলতার উপায় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ভয়-ভীতি অর্জনের জন্য বিশেষ তফীদের মূল কারণ এটাই। আর এ কারণেই হযরত আয়েশার অন্তর ছিল আল্লাহপাকের ভয়-ভীতিতে পরিপূর্ণ। কি করে আল্লাহ পাকের সম্মুখে দাঁড়াবো! কি করে তাঁকে মুখ দেখাবো। আমি তাঁর অগণিত নিয়ামতের যথাযথ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি নি, করতে পারি নি... ইত্যাদি বাসনা হযরত আয়েশাকে অস্থির করে তুলতো।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 পর্দার গুরুত্ব

📄 পর্দার গুরুত্ব


হযরত আয়েশা (রা.) পর্দাহীনা মহিলাদের দেখে অবাক হতেন। তিনি বলতেন, যদি রাসূল (স.) জীবিত থাকতেন আর এ অবস্থা অবলোকন করতেন, তাহলে মহিলাদের মসজিদে নামাযের ব্যাপারেও কঠোরভাবে নিষেধ করতেন। বনী ইসরাইলের মহিলারা পর্দাহীনতার কারণে নিজেরাও ধ্বংস হয়েছে এবং পুরো জাতিকে ডুবিয়েছিল। এই ইতিহাস বর্ণনা করে রাসূলে পাক (স.) স্বীয় উম্মতকে সতর্ক করেছেন। উম্মুল মুমেনীন হযরত আয়েশা (রা.) একাধিকবার হজব্রত পালন করেছেন। উম্মুল মুমেনীন ছিলেন মুসলিম উম্মাহর অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্রী। অথচ তিনি হজব্রত পালনের মুহূর্তেও পর্দার বিধান কঠোরভাবে পালন করতেন। হযরত আতা বলেন, হজ্বের এক সফরে আমি ও উসাইদ ইবনে হুজাইর দুইজনেই হযরত আয়েশার দরবারে হাজির হই, তখন তিনি ছাবীর পর্বত গুহায় তাবু করে আবৃতাবস্থায় স্বীয় আমলে নিমগ্ন ছিলেন। যারাই তাঁর সাথে সাক্ষাতের জন্য হাজির হতো সকলেরই জন্য কঠোর পর্দার হুকুম ছিল। অন্ধ তাবেয়ী ইসহাক হযরত আয়েশার দরবারে হাজির হলে হযরত আয়েশা পর্দার আড়ালে গমন করেন। ইসহাক বলেন, আমি অন্ধ, আমি তো আপনাকে দেখতে পাচ্ছি না, সুতরাং আপনার জন্য পর্দার আড়ালে গমন করার কি প্রয়োজন? হযরত আয়েশা বলেন, আপনি তো আমাকে দেখতে পান না, কিন্তু আমি তো অন্ধ নই। তাবেয়ী ইকরামা বলেন, আয়েশা হযরত হাসান ও হযরত হুসাইন এর সম্মুখেও পর্দা পালন করতেন।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 আয়েশার উদারতা

📄 আয়েশার উদারতা


ক্ষমা উদারতা একটি বড় গুণ। মানুষ অনেক গুণাবলীর অধিকারী হতে পারে; কিন্তু ক্ষমা ও উদারতার বেলায় হার মেনে যায়। কুস্তী লড়ে বিজয়ী হওয়া প্রকৃত বিজয় নয় বরং ক্ষমা, উদারতা, প্রতিশোধ গ্রহণে সক্ষম হয়ে ক্ষমা প্রদর্শনই হচ্ছে প্রকৃত বিজয় ও বীরত্বের পরিচায়ক। হযরত আয়েশা (রা.) স্বীয় জীবনকে ক্ষমা ও উদারতার উচ্চ আসনে সমাসীন করতে সক্ষম হন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও উদার প্রকৃতির মহিলা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00