📄 যয়নব তালাকপ্রাপ্তা
হযরত যয়নব যায়েদ ইবনে হারিসার সাথে জীবন যাপন করেছেন। আর তা করেছেন রাসূলের ইচ্ছানুযায়ী। এবার রাসূলের ইচ্ছার মেয়াদ শেষ হয়েছে। আর আল্লাহ পাক হযরত যয়নবের ইচ্ছা ও বাসনা পূরণের ইচ্ছা করেছেন, তাই যায়েদ ইবনে হারিসার অন্তরে যয়নবকে তালাক প্রদানের ভাব সৃষ্টি করে দেন। যায়েদ ইবনে হারিসা তাঁর মনোভাব রাসূলের দরবারে ব্যক্ত করেন এবং হযরত যয়নবকে তালাক দেন।
📄 যয়নবের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
হযরত যয়নবের বাসনা পূরণ হয়েছে। রাসূলের প্রতি আনুগত্যের যথাযথ পুরস্কার লাভে ধন্য হযরত যয়নব। ধন্য ও গৌরবময় তাঁর জীবন। তিনি আজ শ্রেষ্ঠ নবীর স্ত্রী। তিনি দুই রাকাত নামাজ আদায় করে আল্লাহ পাকের দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নতশীর হন এবং একাধারে দুই মাস রোযা পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
📄 পর্দার জন্য ওহী
হযরত যয়নব সেই ভাগ্যবতী মহিলা, যার সুবাদে মানবজাতির সমাজে ভ্রম ও জাতীয় চরিত্রের সংরক্ষণে পরিপূর্ণ পর্দার বিধান কার্যরত হয় এবং এ সম্পর্কে ওহী নাযিল হয়।
📄 দানশীলতা
রাসূলে পাক (স.) বলেন, 'দান-খয়রাত ইমানী মৃত্যু লাভের বিশেষ উপায়। যারা আত্মীয়-স্বজন ও গরীব মিসকীনদের প্রতি দানশীলতার হাত প্রশস্ত রাখেন। আল্লাহ পাক তাদের প্রতি স্বীয় ভান্ডার উন্মুক্ত করে দেন এবং তাদের জন্য স্বীয় রহমত ও ইমানী মৃত্যুর সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকেন। হযরত যয়নব রাসূলে পাকের অন্যান্য স্ত্রীদের মধ্যে সর্বাধিক দানশীলা ছিলেন। আত্মীয়-স্বজন ও গরীবদের প্রতি তাঁর হাত ছিল অত্যন্ত প্রশস্ত।