📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 যয়নবের অবস্থান

📄 যয়নবের অবস্থান


হযরত যয়নব আরবের সর্বশ্রেষ্ঠ বংশে কুরাইশী গোত্রের সচ্ছল পরিবারের পরমা সুন্দরী মহিলা। কোমল ও নিপুণ চরিত্রের অধিকারিণী হযরত যয়নবের বুদ্ধিমত্তা ছিল তাঁর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আরবের উচ্চ বংশের অনেক স্বচ্ছল যুবকই তাঁকে স্ত্রী হিসেবে লাভ করার কামনা করত। ভিন্ন গোত্রের অস্বচ্ছল অথবা কৃতদাসের স্পটযুক্ত কোনো লোক তাঁর স্বামী হতে পারে- এরূপ ধারণা যেমন সমাজের কেউ করতে পারে নি তেমনি হযরত যয়নবও কোনো দিন তা কল্পনা করেন নি।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 বিবাহ প্রস্তাব

📄 বিবাহ প্রস্তাব


হযরত যায়েদ ইবনে হারিসা রাসূলকে অত্যাধিক ভালোবাসতেন। তাঁর ভালোবাসার মূল্যায়ন করতঃ রাসূলে পাক তাঁর সাথে পুত্র সুলভ আচরণ করতেন। তিনি ইচ্ছে করলেন, যায়েদকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করতে। কিন্তু কে যায়েদকে কন্যা দিতে সম্মত হবে? কারণ সে এককালে ছিল গোলাম ও কৃতদাস। সমাজের এই অর্থহীন ভাবধারার অবসান করার ব্যাপারটিও রাসূলের অগোচরে ছিল না। তাই তিনি স্বীয় ফুফাতো বোনকে যায়েদ ইবনে হারিসার নিকট বিবাহ দিয়ে ভ্রান্ত ভাবধারার অবসান ঘটানোর সংকল্প করেন এবং হযরত যয়নবের নিকট বিবাহের প্রস্তাব রাখেন।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 বিবাহ সম্পন্ন

📄 বিবাহ সম্পন্ন


হযরত যয়নব বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কুরাইশী মহিলা, যায়েদ ইবনে হারিসার প্রতি আমার মনের আকর্ষণ নেই। রাসূল বলেন, হে যয়নব! আমি তোমাকে যায়েদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করতে ইচ্ছা করেছি। এতে তোমার মঙ্গল নিহিত রয়েছে। যয়নব বললেন, আমি স্বীয় ইচ্ছার উপর রাসূলে ইচ্ছার প্রাধান্য দিলাম। হযরত যয়নবে এ সমর্থন বাণী তাঁর ইমানী চেতনার জ্বলন্ত প্রমাণ। রাসূল সম্মতি পেয়ে যায়েদের সাথে তাঁর বিবাহ সম্পন্ন করেন।

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 যয়নব তালাকপ্রাপ্তা

📄 যয়নব তালাকপ্রাপ্তা


হযরত যয়নব যায়েদ ইবনে হারিসার সাথে জীবন যাপন করেছেন। আর তা করেছেন রাসূলের ইচ্ছানুযায়ী। এবার রাসূলের ইচ্ছার মেয়াদ শেষ হয়েছে। আর আল্লাহ পাক হযরত যয়নবের ইচ্ছা ও বাসনা পূরণের ইচ্ছা করেছেন, তাই যায়েদ ইবনে হারিসার অন্তরে যয়নবকে তালাক প্রদানের ভাব সৃষ্টি করে দেন। যায়েদ ইবনে হারিসা তাঁর মনোভাব রাসূলের দরবারে ব্যক্ত করেন এবং হযরত যয়নবকে তালাক দেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00