📄 হযরত ঈসা (আ.)-এর জন্ম তারিখ
হযরত মরিয়মের গর্ভে যে সন্তান জন্মগ্রহণ করেন, তিনিই হচ্ছেন হযরত ঈসা (আ.)। হযরত সালমান (রা.) কর্তৃক বুখারী শরীফের হাদিস মতে বিশ্ব নবীর জন্মের দুইশত বছর পূর্বে ২৪/২৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দিবালোকে হযরত ঈসা (আ.) জন্মগ্রহণ করেন। কারো কারো মতে তখন হযরত মরিয়মের বয়স ছিল' বিশ বছর। এই পর্যন্ত তাঁর মাত্র দুবার ঋতুস্রাব হয়। কিন্তু অধিকাংশের মতে তাঁর বয়স ছিল তের বছর। নাম ঈসা এবং উপাধি মসীহ আল্লাহপাক কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
📄 মরিয়মের মিসর গমন
আপন সন্তানকে নিয়ে স্বীয় গোত্রের সম্মুখে হাজিরি এবং নবজাত শিশুর মুখে কথা-বার্তা প্রকাশের পর হযরত মরিয়ম কি ভূমিকা পালন করেছেন এবং এরপর তার কি 'অবস্থা হয়েছিল- এই সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য জানা যায় নি। তবে এতটুকু জানা যায় যে, এই সন্তানের সাথে তাদের রাজত্বের সমাপ্তি সাধিত হবে। এ আশংকায় তারা নবজাতক শিশুকে হত্যার পায়তারা করে। এ অবস্থায় হযরত মরিয়ম তাঁর নবজাতক শিশুকে নিয়ে মিশরে আশ্রয় গ্রহণ করেন। ইউসুফ নাজ্জার স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে তাঁদেরকে নিয়ে মিশরে গমন করেন বলেও কোনো কোনো ঐতিহাসিক উল্লেখ করেন। হযরত মরিয়ম তাঁর সন্তানকে নিয়ে পারস্য সম্রাটের মৃত্যু পর্যন্ত মিশরে অবস্থান করেন।
📄 বাইতুল মুকাদ্দাসে প্রত্যাবর্তন
পারস্য সম্রাটের মৃত্যুর পর সন্তানকে নিয়ে হযরত মরিয়ম পুনরায় বাইতুল মুকাদ্দাসে ফিরে আসেন। হযরত মরিয়ম মিসরে কত বছর অবস্থান করেন এবং ফেরার সময় সন্তানের বয়স কত ছিল এ সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের বিভিন্ন মতামত পরিলক্ষিত হয়।
📄 মরিয়মের মৃত্যু
মিসর থেকে ফেরার পর হযরত ঈসা নবুওত লাভ এবং তাঁকে স্বশরীরে আসমানে উঠিয়ে নেয়া পর্যন্ত হযরত মরিয়ম অবশ্যই জীবিত ছিলেন। কিন্তু এ সময়ের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক তথ্যাবলি নিরূপণের কোনো উপায় নেই।