📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 ফেরেশতার আগমন

📄 ফেরেশতার আগমন


বস্তুত হযরত আছিয়ার অন্তর্দৃষ্টি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছিল। তাকে সহায়তা ও সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য ছিল অসংখ্য ফেরেশতার সমাগম। তিনি সচক্ষে জান্নাতের সুখ সামগ্রী প্রত্যক্ষ করেছিলেন। এই সুখ-শান্তি ও, আকর্ষণের সম্মুখে ফিরাউনের অত্যাচার নির্যাতন অনুভূত মোটেও হচ্ছিল না। কিন্তু ফিরাউন তা কিভাবে অনুভব করবে? তাই আছিয়াকে প্রশান্তচিত্তে ও হাস্যোজ্জ্বল দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিল। আর বলেছিল আছিয়ার উন্মাদনা দেখে দেখে তোমরা কি অবাক হচ্ছো কিনা? আমি তাকে মৃত্যুর ঘাটে পৌঁছেছি, আর সে প্রশান্ত চিত্তে খিল খিলিয়ে হাসছে?

📘 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী কেন > 📄 আছিয়ার সৌভাগ্য

📄 আছিয়ার সৌভাগ্য


(ক) পবিত্র কুরআনে যাদের প্রতি লা'নত ও অভিশাপ কুড়ানো হয়েছে, তাদের অন্যতম নমরুদ। হযরত লূত (আ.)-এর এক স্ত্রী ও ফিরাউন। আর যাদের প্রশংসা করা হয়েছে। বিশ্ব মানবতার জন্য মডেল ও নমুনা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে তাদের অন্যতম হযরত আছিয়া। তিনি সত্যিই একজন সৌভাগ্যবশতি নারী। তিনি কাফের ও যালিম স্বামীর স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও ইমানের যে নিদর্শন কায়েম করেছেন, তা বিশ্ব মানবতার চিরকাল আদর্শ হয়ে থাকবে।
(খ) পবিত্র হাদিসে যেসব মহিলাদের প্রশংসা করা হয়েছে তাদের অন্যতম হযরত আছিয়া। ইবনে আসাকিরের হাদিসে রাসূল (স.) হযরত আছিয়াকে শ্রেষ্ঠ মহিলাদের একজন হিসেবে মন্তব্য করেন। যে সমস্ত মহিলাগণ তাদের জীবনে পরিপূর্ণতা, আল্লাহ তায়ালার মারেফত ও নৈকট্য লাভের ধন্য হয়েছেন হযরত আছিয়া তাদের অন্যতম বলে মুসলিম হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। হযরত আনাস ইবনে উমর (রা.) থেকেও এরূপ হাদীস তিরমিযি ও অন্যান্য কিতাবেও বর্ণিত রয়েছে।
(গ) হযরত আছিয়া সর্বাদিক সাফল্য ও সৌভাগ্য এই যে, তিনি জান্নাতি ও জান্নাতে রাসূলে পাক (সা.) এর স্ত্রী হবার গৌরব অর্জনে ধন্য হন। স্বয়ং রাসূলে পাক (স.) তাঁর এই সম্মান ও গৌরবের কথা উল্লেখ করেন। আল্লাহ • হযরত আছিয়ার কুরবানী ও তাঁর ত্যাগের যথাযথ প্রতিদান দান করুন!

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00