📄 উম্মে মূসার দূরদর্শিতা
যদি শাহী প্রস্তাবে সম্মত হয়ে উম্মে মূসা শাহী বাসভবনে অবস্থান গ্রহণ করতেন। তাহলে দীর্ঘ সময় সার্বক্ষনিক অবস্থানের ফলে সন্তানের প্রতি স্বভাবগত আচরন প্রকাশের দরুণ প্রকৃত ঘটনা ফাঁস হয়ে সন্তানের জীবন হুমকীর সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিত। পক্ষান্তরে দূরে থাকলে এ সম্ভাবনা অবসানের সাথে সাথে মনের আনন্দে স্বীয় সন্তানকে লালন-পালন ও তার স্নেহ মায়া প্রদর্শনের পথ সুগম হতে পারে। তাই উম্মে মূসা তার ভূমিকায় অত্যন্ত দূরদর্শিতার পরিচয় দানে সক্ষম হন।
মা-জননীর তত্ত্বাবধানে হযরত মূসা (আ.) শাহী পরিবার নিরুপায় হয়ে নবজাতককে উম্মের মূসার নিকট তাঁর তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে লালন পালনের জন্য সোপর্দ করে দিতে বাধ্য হয়। ফলে হযরত মূসা (আ.) ফিরাউন ও তার স্ত্রী আছিয়ার নিরাপত্তা লাভ করে এবং অক্ষতাবস্থায় মা জননীর কোলে ফিরে আসে। উম্মে মূসা অবশ্য কিছু কাল স্বীয় সন্তানের বিচ্ছেদ বেদনা সহ্য করেন। নবজাতক শিশুকে সমুদ্রে নিক্ষেপ ও শত্রুর হস্তগত হওয়ার কারণে স্বভাবজাত অস্থিরতা ভোগ করেন। কিন্তু তার আল্লাহ ভক্তি, ঈমানী শক্তি, ধৈর্য-সহ্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য তার নিরাপত্তা, শান্তি, ইজ্জত-সম্মান ও শাহী মর্যাদা লাভ এর পথ সুগম করে। আল্লাহর পাক এরূপ লোকদের এভাবেই সাহায্য করে থাকেন।
যদি শাহী প্রস্তাবে সম্মত হয়ে উম্মে মূসা শাহী বাসভবনে অবস্থান গ্রহণ করতেন। তাহলে দীর্ঘ সময় সার্বক্ষনিক অবস্থানের ফলে সন্তানের প্রতি স্বভাবগত আচরন প্রকাশের দরুণ প্রকৃত ঘটনা ফাঁস হয়ে সন্তানের জীবন হুমকীর সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিত। পক্ষান্তরে দূরে থাকলে এ সম্ভাবনা অবসানের সাথে সাথে মনের আনন্দে স্বীয় সন্তানকে লালন-পালন ও তার স্নেহ মায়া প্রদর্শনের পথ সুগম হতে পারে। তাই উম্মে মূসা তার ভূমিকায় অত্যন্ত দূরদর্শিতার পরিচয় দানে সক্ষম হন।
মা-জননীর তত্ত্বাবধানে হযরত মূসা (আ.) শাহী পরিবার নিরুপায় হয়ে নবজাতককে উম্মের মূসার নিকট তাঁর তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে লালন পালনের জন্য সোপর্দ করে দিতে বাধ্য হয়। ফলে হযরত মূসা (আ.) ফিরাউন ও তার স্ত্রী আছিয়ার নিরাপত্তা লাভ করে এবং অক্ষতাবস্থায় মা জননীর কোলে ফিরে আসে। উম্মে মূসা অবশ্য কিছু কাল স্বীয় সন্তানের বিচ্ছেদ বেদনা সহ্য করেন। নবজাতক শিশুকে সমুদ্রে নিক্ষেপ ও শত্রুর হস্তগত হওয়ার কারণে স্বভাবজাত অস্থিরতা ভোগ করেন। কিন্তু তার আল্লাহ ভক্তি, ঈমানী শক্তি, ধৈর্য-সহ্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য তার নিরাপত্তা, শান্তি, ইজ্জত-সম্মান ও শাহী মর্যাদা লাভ এর পথ সুগম করে। আল্লাহর পাক এরূপ লোকদের এভাবেই সাহায্য করে থাকেন।