📄 উম্মে মূসার প্রতি এলহাম
দাইমা তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে ফিরাউনের গোয়েন্দা বাহিনী উম্মের মূসার নিকট হাজির হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। উম্মে মূসা এলহামের ইঙ্গিতে স্বীয় নবজাতক শিশুকে কাপড়ে পেঁচিয়ে চুলায় নিক্ষেপ করে দেন এবং গোয়েন্দা বাহিনীর উদ্দেশ্যে সাহসিকতার সাথে বলেন যে-দাইমা এসেছিল বটে, কিন্তু সে আমার বান্ধবী। আমার সাথে সাক্ষাতের, জন্য এসেছিল। তাই সাক্ষাত করে চলে গেছে। অন্য কোনো কিছুর জন্য আসে নি। ফলে গোয়েন্দা বাহিনী ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। উম্মে মূসা তাঁর সন্তানকে চুলা থেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পায়। আল্লাহ তায়ালা মূসা (আ.) এর জন্য আগুনকে শান্তিদায়ক করে দেন।
দাইমা তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে ফিরাউনের গোয়েন্দা বাহিনী উম্মের মূসার নিকট হাজির হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। উম্মে মূসা এলহামের ইঙ্গিতে স্বীয় নবজাতক শিশুকে কাপড়ে পেঁচিয়ে চুলায় নিক্ষেপ করে দেন এবং গোয়েন্দা বাহিনীর উদ্দেশ্যে সাহসিকতার সাথে বলেন যে-দাইমা এসেছিল বটে, কিন্তু সে আমার বান্ধবী। আমার সাথে সাক্ষাতের, জন্য এসেছিল। তাই সাক্ষাত করে চলে গেছে। অন্য কোনো কিছুর জন্য আসে নি। ফলে গোয়েন্দা বাহিনী ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। উম্মে মূসা তাঁর সন্তানকে চুলা থেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পায়। আল্লাহ তায়ালা মূসা (আ.) এর জন্য আগুনকে শান্তিদায়ক করে দেন।
📄 হযরত মূসার লালন-পালন
উম্মে মূসা তাঁর নবজাতক শিশুকে অতি সতর্কতার সাথে চার মাস কাল এভাবে লালন-পালন করেন যে, কোনো লোক আসার সম্ভাবনা থাকলে তিনি নবজাতক শিশুকে সিন্ধুকে ভরে পানিতে ভাসিয়ে দিতেন। পরে সংযুক্ত রশি দিয়ে কাছে টেনে নিয়ে আসতেন। এভাবে উম্মে মূসা তাঁর সন্তানকে লালন পালন করেন। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ভিন্ন ধরনের।
উম্মে মূসা তাঁর নবজাতক শিশুকে অতি সতর্কতার সাথে চার মাস কাল এভাবে লালন-পালন করেন যে, কোনো লোক আসার সম্ভাবনা থাকলে তিনি নবজাতক শিশুকে সিন্ধুকে ভরে পানিতে ভাসিয়ে দিতেন। পরে সংযুক্ত রশি দিয়ে কাছে টেনে নিয়ে আসতেন। এভাবে উম্মে মূসা তাঁর সন্তানকে লালন পালন করেন। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ভিন্ন ধরনের।
📄 হযরত মূসার কৌশল
সুকৌশল, দূরদর্শিতা ও দৃঢ় প্রত্যয় মানুষকে অভিষ্ঠ লক্ষে যেতে সর্বাধিক সহায়তা করে থাকে। কিন্তু মানুষের মধ্যে বিশেষতঃ মহিলাদের মধ্যে এ সমস্ত গুণাবলীর যথেষ্ট অভাব পরিলক্ষিত হয়। এ কারনেই অনেকে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে যেতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে উম্মে মূসার অবস্থা লক্ষণীয়। মরিয়মের বক্তৃতব্যের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শাহী তত্ত্বাবধানে নবজাতক শিশুকে উম্মে মূসার নিকটে পরীক্ষামূলক পাঠানো হয়। নবজাতক শিশু উম্মে মূসার কোলে বলে পরিতৃপ্ত হয়ে দুগ্ধ পান করে। ফলে শাহী পরিবারে নবজাতক শিশুর ব্যাপারে অস্থিরতা দূরীভূত হয়, প্রশান্তি বিরাজ করে।
সুকৌশল, দূরদর্শিতা ও দৃঢ় প্রত্যয় মানুষকে অভিষ্ঠ লক্ষে যেতে সর্বাধিক সহায়তা করে থাকে। কিন্তু মানুষের মধ্যে বিশেষতঃ মহিলাদের মধ্যে এ সমস্ত গুণাবলীর যথেষ্ট অভাব পরিলক্ষিত হয়। এ কারনেই অনেকে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে যেতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে উম্মে মূসার অবস্থা লক্ষণীয়। মরিয়মের বক্তৃতব্যের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শাহী তত্ত্বাবধানে নবজাতক শিশুকে উম্মে মূসার নিকটে পরীক্ষামূলক পাঠানো হয়। নবজাতক শিশু উম্মে মূসার কোলে বলে পরিতৃপ্ত হয়ে দুগ্ধ পান করে। ফলে শাহী পরিবারে নবজাতক শিশুর ব্যাপারে অস্থিরতা দূরীভূত হয়, প্রশান্তি বিরাজ করে।
📄 উম্মে মূসার দূরদর্শিতা
যদি শাহী প্রস্তাবে সম্মত হয়ে উম্মে মূসা শাহী বাসভবনে অবস্থান গ্রহণ করতেন। তাহলে দীর্ঘ সময় সার্বক্ষনিক অবস্থানের ফলে সন্তানের প্রতি স্বভাবগত আচরন প্রকাশের দরুণ প্রকৃত ঘটনা ফাঁস হয়ে সন্তানের জীবন হুমকীর সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিত। পক্ষান্তরে দূরে থাকলে এ সম্ভাবনা অবসানের সাথে সাথে মনের আনন্দে স্বীয় সন্তানকে লালন-পালন ও তার স্নেহ মায়া প্রদর্শনের পথ সুগম হতে পারে। তাই উম্মে মূসা তার ভূমিকায় অত্যন্ত দূরদর্শিতার পরিচয় দানে সক্ষম হন।
মা-জননীর তত্ত্বাবধানে হযরত মূসা (আ.) শাহী পরিবার নিরুপায় হয়ে নবজাতককে উম্মের মূসার নিকট তাঁর তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে লালন পালনের জন্য সোপর্দ করে দিতে বাধ্য হয়। ফলে হযরত মূসা (আ.) ফিরাউন ও তার স্ত্রী আছিয়ার নিরাপত্তা লাভ করে এবং অক্ষতাবস্থায় মা জননীর কোলে ফিরে আসে। উম্মে মূসা অবশ্য কিছু কাল স্বীয় সন্তানের বিচ্ছেদ বেদনা সহ্য করেন। নবজাতক শিশুকে সমুদ্রে নিক্ষেপ ও শত্রুর হস্তগত হওয়ার কারণে স্বভাবজাত অস্থিরতা ভোগ করেন। কিন্তু তার আল্লাহ ভক্তি, ঈমানী শক্তি, ধৈর্য-সহ্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য তার নিরাপত্তা, শান্তি, ইজ্জত-সম্মান ও শাহী মর্যাদা লাভ এর পথ সুগম করে। আল্লাহর পাক এরূপ লোকদের এভাবেই সাহায্য করে থাকেন।
যদি শাহী প্রস্তাবে সম্মত হয়ে উম্মে মূসা শাহী বাসভবনে অবস্থান গ্রহণ করতেন। তাহলে দীর্ঘ সময় সার্বক্ষনিক অবস্থানের ফলে সন্তানের প্রতি স্বভাবগত আচরন প্রকাশের দরুণ প্রকৃত ঘটনা ফাঁস হয়ে সন্তানের জীবন হুমকীর সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিত। পক্ষান্তরে দূরে থাকলে এ সম্ভাবনা অবসানের সাথে সাথে মনের আনন্দে স্বীয় সন্তানকে লালন-পালন ও তার স্নেহ মায়া প্রদর্শনের পথ সুগম হতে পারে। তাই উম্মে মূসা তার ভূমিকায় অত্যন্ত দূরদর্শিতার পরিচয় দানে সক্ষম হন।
মা-জননীর তত্ত্বাবধানে হযরত মূসা (আ.) শাহী পরিবার নিরুপায় হয়ে নবজাতককে উম্মের মূসার নিকট তাঁর তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে লালন পালনের জন্য সোপর্দ করে দিতে বাধ্য হয়। ফলে হযরত মূসা (আ.) ফিরাউন ও তার স্ত্রী আছিয়ার নিরাপত্তা লাভ করে এবং অক্ষতাবস্থায় মা জননীর কোলে ফিরে আসে। উম্মে মূসা অবশ্য কিছু কাল স্বীয় সন্তানের বিচ্ছেদ বেদনা সহ্য করেন। নবজাতক শিশুকে সমুদ্রে নিক্ষেপ ও শত্রুর হস্তগত হওয়ার কারণে স্বভাবজাত অস্থিরতা ভোগ করেন। কিন্তু তার আল্লাহ ভক্তি, ঈমানী শক্তি, ধৈর্য-সহ্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য তার নিরাপত্তা, শান্তি, ইজ্জত-সম্মান ও শাহী মর্যাদা লাভ এর পথ সুগম করে। আল্লাহর পাক এরূপ লোকদের এভাবেই সাহায্য করে থাকেন।