📄 ফিরাউনের ইতিহাস
হযরত উম্মে মূসা একজন আদর্শ নারী ছিলেন। নারী সমাজের জন্য তার জীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাথেয়। তার জীবনের সাথে জড়িত অনেক আশ্চর্য ঘটনাবলি। তাঁর জীবন রচনা করতে হলে সংক্ষিপ্তভাবে হলেও ফিরাউন ও তার জের টানা আবশ্যক। ফিরাউন ছিল সে যুগের প্রভুত্বের দাবীদার প্রভাবশালী ও ক্ষমতালোভী রাষ্ট্রপ্রধান স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করার প্রয়াসে ফিরাউনের কঠোর নির্দেশ ছিল বনী ইসরাঈলীর সন্তানদের হত্যা করা। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দেশের সর্বত্র এ নির্দেশ বলবৎ থাকা অবস্থায় ফিরাউনের ক্ষমতা ও প্রভুত্ব যে শিশুর হাতে ধ্বংস হবে, আল্লাহর অসীম কুদরতে তারই তত্ত্বাবধানে সেই শিশু ফিরাউনের স্ত্রী হযরত আছিয়ার কোলে লালিত-পালিত হয়। পরবর্তীতে বনী ইসরাঈলীর এই শিশু, উম্মে মূসার পুত্র, আল্লাহর নবী হযরত মূসা ও তাঁর জাতি বনী ইসরাঈল এর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ফিরাউন সদলবলে পানিতে ডুবে ধ্বংস হয়। তাই • ফিরাউনের ইতিহাস উম্মে মূসার জীবনের সাথে ওৎপ্রোতভাবে জড়িত।
হযরত উম্মে মূসা একজন আদর্শ নারী ছিলেন। নারী সমাজের জন্য তার জীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাথেয়। তার জীবনের সাথে জড়িত অনেক আশ্চর্য ঘটনাবলি। তাঁর জীবন রচনা করতে হলে সংক্ষিপ্তভাবে হলেও ফিরাউন ও তার জের টানা আবশ্যক। ফিরাউন ছিল সে যুগের প্রভুত্বের দাবীদার প্রভাবশালী ও ক্ষমতালোভী রাষ্ট্রপ্রধান স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করার প্রয়াসে ফিরাউনের কঠোর নির্দেশ ছিল বনী ইসরাঈলীর সন্তানদের হত্যা করা। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দেশের সর্বত্র এ নির্দেশ বলবৎ থাকা অবস্থায় ফিরাউনের ক্ষমতা ও প্রভুত্ব যে শিশুর হাতে ধ্বংস হবে, আল্লাহর অসীম কুদরতে তারই তত্ত্বাবধানে সেই শিশু ফিরাউনের স্ত্রী হযরত আছিয়ার কোলে লালিত-পালিত হয়। পরবর্তীতে বনী ইসরাঈলীর এই শিশু, উম্মে মূসার পুত্র, আল্লাহর নবী হযরত মূসা ও তাঁর জাতি বনী ইসরাঈল এর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ফিরাউন সদলবলে পানিতে ডুবে ধ্বংস হয়। তাই • ফিরাউনের ইতিহাস উম্মে মূসার জীবনের সাথে ওৎপ্রোতভাবে জড়িত।
📄 হযরত মূসা (আ.)-এর জন্ম
নিরাপত্তার বছর হযরত হারুন (আ.) জন্মগ্রহণ করেন। আর আল্লাহ পাক হযরত মূসা (আ.) এর জন্মের জন্য উম্মে মূসাকে প্রস্তুত করেন হত্যার নির্দেশ জারি থাকার বছর। যুগশ্রেষ্ঠ মহিলা উম্মে মূসা তাঁর তীক্ষ্মমেধা, লালন-পালনের কুশলতা, সভ্যতা ও আল্লাহর প্রতি দৃঢ় ঈমান ইত্যাদি গুণাবলীর কারণে প্রভুত্বের দাবীদার জালিম শাহীর মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে আল্লাহ পাকের মনোনয়ন লাভে ধন্য হয়। এই মহীয়সী নারী হযরত মূসাকে গর্ভে ধারণ করেন। কিন্তু ফিরাউন এর বাহিনী তৎপর থাকা সত্ত্বেও তারা গর্ভ সম্পর্কে অবগত হতে পারেনি।
من كتم سره بلغ مراده. অর্থ- “যে নিজের গোপন ভেদের বিষয় গোপন করতে পারে সে অবশ্যই অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়।" কিন্তু সাধারণ মহিলারা নিজেদের ভেদের বিষয় গোপন রাখতে পারে না। তবে উম্মে মূসার বিষয়টি ছিল স্বতন্ত্র। এক্ষেত্রে তিনি দূরদর্শীতার পরিচয় দেন। কিন্তু ফিরাউনের দৃষ্টি আড়াল করা সহজবোধ্য বিষয় ছিল না। শত গোপন করলেও প্রসবের যাতনা ও প্রকাশিত বিষয়কে ঢেকে রাখা সহজ নয়। উম্মে মূসা এ বিষটিকে গুরুত্বের সাথে অনুধাবন করেছিলেন। যার ফলে ফিরাউন কর্তৃক নির্ধারিত ধাত্রীর সাথে তিনি • এমন গভীর ভালোবাসা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, গর্ভ সম্পর্কে অবগত হয়ে ধাত্রী বলেছিলেন, আমার ভালোবাসা একদিন তোমার অবশ্যই কাজে আসবে। মহিলার প্রতি মহিলার দয়া-মায়া ও ভালোবাসার এক বিরল দৃষ্টান্ত কায়েম করে এই ধাত্রী পৃথিবীর ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।
নিরাপত্তার বছর হযরত হারুন (আ.) জন্মগ্রহণ করেন। আর আল্লাহ পাক হযরত মূসা (আ.) এর জন্মের জন্য উম্মে মূসাকে প্রস্তুত করেন হত্যার নির্দেশ জারি থাকার বছর। যুগশ্রেষ্ঠ মহিলা উম্মে মূসা তাঁর তীক্ষ্মমেধা, লালন-পালনের কুশলতা, সভ্যতা ও আল্লাহর প্রতি দৃঢ় ঈমান ইত্যাদি গুণাবলীর কারণে প্রভুত্বের দাবীদার জালিম শাহীর মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে আল্লাহ পাকের মনোনয়ন লাভে ধন্য হয়। এই মহীয়সী নারী হযরত মূসাকে গর্ভে ধারণ করেন। কিন্তু ফিরাউন এর বাহিনী তৎপর থাকা সত্ত্বেও তারা গর্ভ সম্পর্কে অবগত হতে পারেনি।
من كتم سره بلغ مراده. অর্থ- “যে নিজের গোপন ভেদের বিষয় গোপন করতে পারে সে অবশ্যই অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়।" কিন্তু সাধারণ মহিলারা নিজেদের ভেদের বিষয় গোপন রাখতে পারে না। তবে উম্মে মূসার বিষয়টি ছিল স্বতন্ত্র। এক্ষেত্রে তিনি দূরদর্শীতার পরিচয় দেন। কিন্তু ফিরাউনের দৃষ্টি আড়াল করা সহজবোধ্য বিষয় ছিল না। শত গোপন করলেও প্রসবের যাতনা ও প্রকাশিত বিষয়কে ঢেকে রাখা সহজ নয়। উম্মে মূসা এ বিষটিকে গুরুত্বের সাথে অনুধাবন করেছিলেন। যার ফলে ফিরাউন কর্তৃক নির্ধারিত ধাত্রীর সাথে তিনি • এমন গভীর ভালোবাসা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, গর্ভ সম্পর্কে অবগত হয়ে ধাত্রী বলেছিলেন, আমার ভালোবাসা একদিন তোমার অবশ্যই কাজে আসবে। মহিলার প্রতি মহিলার দয়া-মায়া ও ভালোবাসার এক বিরল দৃষ্টান্ত কায়েম করে এই ধাত্রী পৃথিবীর ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।
📄 উম্মে মূসার প্রতি এলহাম
দাইমা তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে ফিরাউনের গোয়েন্দা বাহিনী উম্মের মূসার নিকট হাজির হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। উম্মে মূসা এলহামের ইঙ্গিতে স্বীয় নবজাতক শিশুকে কাপড়ে পেঁচিয়ে চুলায় নিক্ষেপ করে দেন এবং গোয়েন্দা বাহিনীর উদ্দেশ্যে সাহসিকতার সাথে বলেন যে-দাইমা এসেছিল বটে, কিন্তু সে আমার বান্ধবী। আমার সাথে সাক্ষাতের, জন্য এসেছিল। তাই সাক্ষাত করে চলে গেছে। অন্য কোনো কিছুর জন্য আসে নি। ফলে গোয়েন্দা বাহিনী ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। উম্মে মূসা তাঁর সন্তানকে চুলা থেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পায়। আল্লাহ তায়ালা মূসা (আ.) এর জন্য আগুনকে শান্তিদায়ক করে দেন।
দাইমা তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে ফিরাউনের গোয়েন্দা বাহিনী উম্মের মূসার নিকট হাজির হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। উম্মে মূসা এলহামের ইঙ্গিতে স্বীয় নবজাতক শিশুকে কাপড়ে পেঁচিয়ে চুলায় নিক্ষেপ করে দেন এবং গোয়েন্দা বাহিনীর উদ্দেশ্যে সাহসিকতার সাথে বলেন যে-দাইমা এসেছিল বটে, কিন্তু সে আমার বান্ধবী। আমার সাথে সাক্ষাতের, জন্য এসেছিল। তাই সাক্ষাত করে চলে গেছে। অন্য কোনো কিছুর জন্য আসে নি। ফলে গোয়েন্দা বাহিনী ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। উম্মে মূসা তাঁর সন্তানকে চুলা থেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পায়। আল্লাহ তায়ালা মূসা (আ.) এর জন্য আগুনকে শান্তিদায়ক করে দেন।
📄 হযরত মূসার লালন-পালন
উম্মে মূসা তাঁর নবজাতক শিশুকে অতি সতর্কতার সাথে চার মাস কাল এভাবে লালন-পালন করেন যে, কোনো লোক আসার সম্ভাবনা থাকলে তিনি নবজাতক শিশুকে সিন্ধুকে ভরে পানিতে ভাসিয়ে দিতেন। পরে সংযুক্ত রশি দিয়ে কাছে টেনে নিয়ে আসতেন। এভাবে উম্মে মূসা তাঁর সন্তানকে লালন পালন করেন। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ভিন্ন ধরনের।
উম্মে মূসা তাঁর নবজাতক শিশুকে অতি সতর্কতার সাথে চার মাস কাল এভাবে লালন-পালন করেন যে, কোনো লোক আসার সম্ভাবনা থাকলে তিনি নবজাতক শিশুকে সিন্ধুকে ভরে পানিতে ভাসিয়ে দিতেন। পরে সংযুক্ত রশি দিয়ে কাছে টেনে নিয়ে আসতেন। এভাবে উম্মে মূসা তাঁর সন্তানকে লালন পালন করেন। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ভিন্ন ধরনের।