📘 অমুসলিমদের সাথে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচরণ > 📄 হিন্দ বিনত উতবা-র সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সদাচরণ

📄 হিন্দ বিনত উতবা-র সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সদাচরণ


হিন্দ বিনত উতবাহ-র সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সদাচরণের ঘটনাটিও উল্লিখিত ঘটনাবলীর চেয়ে কোনো অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। সে ঐ সব মহিলাদের একজন, যারা দীর্ঘকাল ইসলাম বিরোধী সংগ্রামে ব্রতী ছিল। মুসলিমদের মনে তাকে নিয়ে অনেকগুলো পীড়াদায়ক স্মৃতি জমে আছে। বিশেষ করে ব্যক্তিগতভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মনেও। সে আবু সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু-র স্ত্রী এবং প্রসিদ্ধ কুরাইশ নেতা উতবাহ ইবন রবী'আর মেয়ে। ইসলামের প্রথম দিন থেকেই সে প্রচণ্ড ইসলাম বিদ্বেষী ছিল। কিন্তু বদর যুদ্ধের পরে তা আরো বহু গুণে বেড়ে যায়। কারণ, বদর যুদ্ধে তার পিতা উতবাহ ইবন রাবী'আহ, তার চাচা শাইবাহ ইবন রবী'আহ, তার ছেলে হানযালা ইবন আবু সুফিয়ান ও তার ভাই ওয়ালীদ ইবন উতবাহ নিহত হয়েছিল। এ চারজনই তার অতি নিকটাত্মীয় এবং কুরাইশের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি। তাই এদের নিহত হওয়ার ঘটনা তার মনে অভাবনীয় ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। বদর থেকে মক্কা বিজয় পর্যন্ত সে এ ক্ষোভ লালন করে এসেছে। উহুদ যুদ্ধে কুরাইশ বাহিনীর সাথে সেও এসেছিল। সে তাদের বাহিনীকে সাধ্য অনুযায়ী মুসলিম নিধনে উত্তেজিত করতো। যুদ্ধের প্রথম দিকে যখন কুরাইশরা মুসলিমদের সামনে থেকে পালিয়ে যাচ্ছিলো তখন সে তাদের চেহারায় বালি নিক্ষেপ করছিলো এবং যুদ্ধ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করছিলো। কুরাইশ পুরুষদের মতো সে ময়দান থেকে পালিয়েও যায় নি...!! শেষের দিকে যখন কুরাইশদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় তখন সে একটি অত্যন্ত জঘন্যতম নিকৃষ্ট কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। সে একর পর এক মুসলিম শহীদদের লাশগুলোর রূপ বিকৃত করতে থাকে। একাধারে সে সকল লাশের নাক-কান কাটতে থাকে। এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা হামযা ইবন আব্দুল মুত্তালিবের লাশের সামনে গিয়ে স্থীর হয় এবং তার পেট বিদীর্ণ করে কলিজা বের করে আনে। প্রচণ্ড বিদ্বেষে উত্তেজিত হয়ে এক পর্যায়ে সে কলিজার একাংশ চাবাতে শুরু করে। পরে স্বাদ অনুভব না করায় দূরে ছুড়ে মারে..!!
এ দৃশ্য রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কঠিনভাবে প্রভাবিত করেছে এবং তার মনে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হামযাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বিকৃত লাশের নিকট দাঁড়ালেন তখন মনে হলো এর চেয়ে বেদনাদায়ক কোনো দৃশ্য তিনি আর কখনো দেখেন নি। ভারাক্রান্ত হৃদয়ে তিনি বললেন, "হে চাচা! আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া করুন, আপনি ছিলেন অধিক আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থাপনকারী এবং অধিক দান-খয়রাতকারী। "²³⁸
প্রিয় পাঠক! হিনদ বিনত উতবাহ-র ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ক্রোধের পরিমাণটা এবার আপনি একটু কল্পনা করুন। আবার সে আহযাবের যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেছিল; বরং মক্কা বিজয়ের পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত সব সময় সে ইসলামের বিরুদ্ধে লিপ্ত ছিল। এমনকি মক্কা বিজয়ের প্রাক্কালে তার স্বামী আবু সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দুর্বলতা প্রদর্শন করছিল এবং নিরাপত্তার জন্য সকলকে নিজ ঘরে প্রবেশের আহ্বান করছিল তখন সে তার বিরোধিতা করেছিল। মক্কাবাসীকে আবু সুফিয়ানের হত্যা ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল। ²³⁹
সে অনেক দীর্ঘ ইতিহাস। মুসলিমদের সাথে এ মহিলার দুর্বৃত্তির উপাখ্যান অনেক বিস্তৃত। এরপরও হাজারো বাধা-বিপত্তির দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয় করে নিলেন। চতুর্দিক থেকে মক্কাবাসীরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে আসছেন আর বায়'আত গ্রহণ করছেন। অনেক দিন পর হিন্দ বিনত উতবাহও ঘোমটা পরে নিজের বেশ-ভূষা পাল্টিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে আসল। তার ইচ্ছা ছিল, সাধারণ মহিলাদের ভিড়ে সেও বায়'আত গ্রহণ করে নিবে। সে সময় মহিলাদের বায়'আত ছিল তারা এ মর্মে শপথ করবে যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, যিনা-ব্যভিচার করবে না, নিজ সন্তানদেরকে হত্যা করবে না, কারো ওপর মিথ্যা অপবাদ দেবে না এবং সৎ কাজের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবাধ্য হবে না।
হিন্দ বিনত উতবাহ-র অতীত ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত ব্যক্তি মাত্রই তার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে আগমনের কথা কল্পনাও করতে পারবে না। সবার একই ধারণা যে, সে নিশ্চিত হত্যার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু, বাস্তব অবস্থা ছিল মানুষের সকল চিন্তা-ভাবনারও অনেক ঊর্ধ্বে। চলুন, দেখি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে কী আচরণ করেন।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একসাথে অনেক মহিলার বায়'আত গ্রহণ করছিলেন। তিনি তাদেরকে বললেন,
بايعنني على ألا تشركن بالله شيئا
"তোমরা আমার হাতে এ মর্মে বায়'আত গ্রহণ কর যে, তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকে অংশীদার সাব্যস্ত করবে না।”
হিনদ বিনত উতবাহ মুখোষ পরা অবস্থাতেই বলে উঠল, (রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখনো তাকে চিনতে পারেন নি) আল্লাহর শপথ! আপনি আমাদের বেলায় এমন কিছু বাড়াবাড়ি করছেন যা পুরুষদের বেলায় করেন না। (অর্থাৎ, পুরুষরা শুধু একটি বাক্য দ্বারা মুসলিম হয়ে যায়, কিন্তু মহিলাদেরকে বিস্তারিতভাবে অনেক কথার শপথ করানো হয়)।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার আপত্তির দিকে ভ্রুক্ষেপ না করে শপথ বাক্য পূর্ণ করার দিকে এগুলেন এবং বললেন,
ولا تسرقن»
"এবং তোমরা চুরি করবে না।"
এখানে এসে হিনদ চুপ হয়ে গেল (এ বাক্য পাঠ করল না)। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আবু সুফিয়ান অত্যন্ত কৃপণ মানুষ। সে আমার ও সন্তানদের প্রয়োজনীয় খরচ দেয় না। আমি কি তার অনুমতি ব্যতীত তার সম্পদ থেকে আমাদের প্রয়োজন পরিমাণ খরচ করতে পারবো?
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "সততার সাথে তোমার ও সন্তানদের একান্ত প্রয়োজন পরিমান সম্পদ তুমি খরচ করতে পারবে।"²⁴⁰
এতক্ষণে তিনি সম্বিত ফিরে পেলেন। বুঝতে পারলেন যে, তিনি আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিনদ বিনত উতবাহ-র সাথেই এতক্ষণ কথা বলছেন। চমকে উঠে বললেন, 'তুমিই কি হিনদ বিনত উতবাহ?' সে বলল, হ্যাঁ, আমি হিনদ বিনত উতবাহ, অতীতের সব কিছুর জন্য আমাকে ক্ষমা করে দিন, আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন।
এ মুহুর্তটি হিনদ এর জীবনের বাঁচা-মরার চূড়ান্ত ফয়সালার মুহুর্ত। দেখা যাক রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সকল অতীত ইতিহাসকে স্মরণ করে বিশেষ করে চাচা হামযাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে তার কার্যকলাপের স্মৃতিচারণ করে তার ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন?
কিন্তু তিনি নিজ স্বভাবজাত অবস্থানে অটল ছিলেন। অতীতের পীড়াদায়ক স্মৃতিগুলো নিয়ে একটি মন্তব্যও করলেন না; বরং সকল অপরাধ ক্ষমা করে দিয়ে তার ইসলাম গ্রহণকে আন্তরিকভাবে মেনে নিলেন এবং যেন তার সাথে কিছুই হয় নি -এমন ভঙ্গিতে অন্যান্য মহিলাদের সাথে তারও বায়'আত পূর্ণ করার দিকে এগিয়ে গেলেন, বললেন,
«ولا تزنين»
"এবং তোমরা যিনা-ব্যভিচার করবে না।"
হিনদ বিনত উতবাহ আপত্তি উত্থাপন করেই যাচ্ছে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সম্ভ্রান্ত মহিলারা কি যিনা-ব্যভিচার করে? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথায়ও কান দিলেন না। বায়'আতের পরবর্তী বাক্য বললেন,
«ولا تقتلن أولادكن» "এবং নিজ সন্তানদেরকে হত্যা করবে না।"
হিনদ বলে উঠল, সন্তানদেরকে তো আমরা ছোটকালে লালন-পালন করে দিয়েছি আর বড় হওয়ার পর আপনি তাদেরকে মেরে ফেললেন। বদরের দিন কি আপনি আমাদের কোন সন্তান বাকি রেখেছেন? আপনি বদর যুদ্ধে সন্তানদের পিতাদেরকে হত্যা করে এখন বলছেন আমরা যেন সন্তান হত্যা না করি। (হত্যা করার জন্য সন্তান আমরা পাবো কোথায়?) এখানেও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন নি। এ কথাও বলেন নি যে, বদরে আমরা তাদেরকে কেন হত্যা করেছি? তাদেরকে কি এজন্য হত্যা করা হয় নি যে, তারা ছিল মুশরিক-যাদের মধ্যে তোমার বাবা, চাচা, ভাই এবং ছেলেও ছিল। যারা দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা আমাদেরকে আমাদের দীন থেকে বিচ্যুত করার ধান্ধায় থাকতো। যারা আমাদের ওপর অত্যাচারের স্টীম-রোলার চালিয়ে ছিল। আমাদেরকে দেশান্তর করে আমাদের ঘর-বাড়ি ও ধন-সম্পদ দখল করে নিয়েছিলো?
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগুলোর কিছুই বললেন না; বরং তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল অসাধারণ। তিনি মুসকি হাঁসলেন এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত সহজভাবে নিলেন। হিনদ বিনত উতবাহ-র অবস্থান হিসেবে তার উপর আঘাত হানা ইসলামের পদক্ষেপগুলো কঠিনই ছিল। বিষয়টি তিনি বিবেচনায় নিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
ولا تأتين ببهتان تفترينه بين أيديكن وأرجلكن
"এবং তোমরা নিজেদের পক্ষ থেকে বানিয়ে কারো ওপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করবে না।"
হিনদ বিনত উতবাহ বলল, আল্লাহর শপথ! অপবাদ আরোপ করা আসলেই অত্যন্ত মন্দ কাজ।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
ولا تعصينني في معروف
"সৎ কাজের ক্ষেত্রে আমার অবাধ্য হবে না।"
হিনদ বলল, আল্লাহর শপথ! আপানার অবাধ্য হওয়ার মানসিকতা নিয়ে আমাদের কেউ এখানে বসে নি। ²⁴¹
এভাবেই মক্কার নারীরা এ বরকতময় বায়'আতের মাধ্যমে চির সুখের জান্নাত পানে যাত্রা শুরু করেন। যাদের মধ্যে হিনদ বিনত উতবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা- ও ছিলেন।
কত মহান আমার আল্লাহ যিনি অন্তরসমূহের গতি-প্রকৃতির মালিক। হিনদ বিনত উতবাহ কতইনা আন্তরিকভাবে ইসলামকে গ্রহণ ও বরণ করে নিয়েছেন। আগে যেমন কাফির সৈনিকদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য যুদ্ধে যেতেন ইসলাম গ্রহণের পর তার চেয়ে আরো অনেকগুণ বেশি আগ্রহের সাথে মুজাহিদদেরকে কাফিরদের বিরুদ্ধে উৎসাহিত করার জন্য জিহাদের ময়দানে অংশ গ্রহণ করতেন। এ ব্যাপারে তিনি সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেছেন ইয়ারমুকের দিন। দুই লক্ষ্য রোমীয় সৈন্যের মুকাবিলায় সাহাবীদের প্রলয়ংকরী সে যুদ্ধে ভিড়ের ভেতরে প্রবেশ করে মুজাহিদদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টিতে তার অসামান্য অবদান ছিল সেদিনের সফলতার কারণসমূহের মধ্যে অন্যতম।
হিন্দ বিনত উতবাহ-র মাধ্যমে উম্মতে মুসলিমার অগ্রযাত্রা আরো এক ধাপ বেড়ে গেল। যার সুচনায় ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি অমায়িক সদাচরণ। এমনিভাবে যেসব ঘোরতর শত্রুরা পরিশেষে খাঁটি বন্ধুতে পরিণত হয়েছেন তাদের অনেকেরই এ পথে আসার শুভ-সূচনা হয়েছিল তাঁর এ অনন্য গুণ-বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমেই।

টিকাঃ
238. ইবনুল আসীর: উসদুল গাবাহ (১/৬০৪)।
239. ইবন কাসীর: আল-বিদায়াহ ওয়ান-নিহায়াহ (৪/৩২৪)।
240. صحيح البخاري: كتاب البيوع، باب من أجرى أمر الأمصار على ما يتعارفون بينهم في البيوع ) والإجارة( حديث رقم ٢٠٥٩ ، صحيح مسلم: )كتاب الأقضية، باب قضية هند( حديث رقم ١٧١٤।
241. ইবন কাসীর: আল-বিদায়াহ ওয়ান-নিহায়াহ (৪/৩৫৪-৩৫৫)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00