📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 তোষামোদ বা চাটুকারিতার ওয়াসওয়াসা

📄 তোষামোদ বা চাটুকারিতার ওয়াসওয়াসা


তোষামোদ হল নিজের স্বার্থ উদ্ধারের উদ্দেশ্যে অন্যকে খুশী করার জন্য নিজের বিশ্বাসের বিপরীতে তার প্রশংসা করা। তোষামোদ বা চাটুকারিতার চিন্তা থেকে পরিত্রাণের উপায় হল:
১. তোষামোদ বা চাটুকারিতা যে প্রতারণা ও কপটতা— এই চেতনা মনে জাগ্রত করতে হবে।
২. তোষামোদ বা চাটুকারিতা যে পাপ— এই চিন্তা মনে জাগ্রত করতে হবে।
৩. এই চিন্তা মনে জাগ্রত করা যে, তোষামোদকারীদেরকে সবাই নীচ প্রকৃতির লোক মনে করে থাকে।

তোষামোদ হল নিজের স্বার্থ উদ্ধারের উদ্দেশ্যে অন্যকে খুশী করার জন্য নিজের বিশ্বাসের বিপরীতে তার প্রশংসা করা। তোষামোদ বা চাটুকারিতার চিন্তা থেকে পরিত্রাণের উপায় হল:
১. তোষামোদ বা চাটুকারিতা যে প্রতারণা ও কপটতা— এই চেতনা মনে জাগ্রত করতে হবে।
২. তোষামোদ বা চাটুকারিতা যে পাপ— এই চিন্তা মনে জাগ্রত করতে হবে।
৩. এই চিন্তা মনে জাগ্রত করা যে, তোষামোদকারীদেরকে সবাই নীচ প্রকৃতির লোক মনে করে থাকে।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 রসিকতা ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করার ওয়াসওয়াসা

📄 রসিকতা ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করার ওয়াসওয়াসা


কাউকে লোক সমক্ষে হেয় করাকে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করা বলা হয়। শয়তান বনী আদমের অপমান দেখে আনন্দিত হয় বলে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় হল:
১. এ কথা চিন্তা করা যে, কারও অন্তরে আঘাত লাগবে— এমন রসিকতা গোনাহ।
২. এ কথা চিন্তা করা যে, কাউকে অপমান করলে তার শাস্তি স্বরূপ আমারও অপমানিত হওয়ার পর্যায় আসতে পারে।

কাউকে লোক সমক্ষে হেয় করাকে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করা বলা হয়। শয়তান বনী আদমের অপমান দেখে আনন্দিত হয় বলে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় হল:
১. এ কথা চিন্তা করা যে, কারও অন্তরে আঘাত লাগবে— এমন রসিকতা গোনাহ।
২. এ কথা চিন্তা করা যে, কাউকে অপমান করলে তার শাস্তি স্বরূপ আমারও অপমানিত হওয়ার পর্যায় আসতে পারে।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 রুক্ষ কথা বলার ওয়াসওয়াসা

📄 রুক্ষ কথা বলার ওয়াসওয়াসা


কথা নরমে এবং মিষ্টভাবে বলা শরীআতের কাম্য। রুক্ষ কথার অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য নিম্নোক্ত পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে:
১. কথা বলার সময় লৌকিকতা করে হলেও নরমে এবং মিষ্টভাবে বলার চেষ্টা করা।
২. হক কথা কারও কাছে তিক্তবোধ হলেও বলব— এই মনোভাব যখন আসবে, তখন নিজে না বলে অন্যের দ্বারা বলাবে অথবা কিছুদিন নছীহত করা বন্ধ রাখবে। এভাবে তবীয়তে ভারসাম্য পয়দা হয়ে যাবে।

কথা নরমে এবং মিষ্টভাবে বলা শরীআতের কাম্য। রুক্ষ কথার অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য নিম্নোক্ত পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে:
১. কথা বলার সময় লৌকিকতা করে হলেও নরমে এবং মিষ্টভাবে বলার চেষ্টা করা।
২. হক কথা কারও কাছে তিক্তবোধ হলেও বলব— এই মনোভাব যখন আসবে, তখন নিজে না বলে অন্যের দ্বারা বলাবে অথবা কিছুদিন নছীহত করা বন্ধ রাখবে। এভাবে তবীয়তে ভারসাম্য পয়দা হয়ে যাবে।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 মিথ্যা বলার ওয়াসওয়াসা

📄 মিথ্যা বলার ওয়াসওয়াসা


যেটা বাস্তব নয় এরূপ কথা হল মিথ্যা। মিথ্যা বলা গোনাহে কবীরা। মিথ্যা বর্জনের অভ্যাস পরিত্যাগের জন্য একটা জিনিসেরই প্রয়োজন, আর তা হল "ইচ্ছা”। প্রত্যেকটা কথা বলার পূর্বে চিন্তা করা যে, এটা মিথ্যা নয়তো? হলে তা বর্জন করা। এভাবেই মিথ্যার শয়তানী ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।

যেটা বাস্তব নয় এরূপ কথা হল মিথ্যা। মিথ্যা বলা গোনাহে কবীরা। মিথ্যা বর্জনের অভ্যাস পরিত্যাগের জন্য একটা জিনিসেরই প্রয়োজন, আর তা হল "ইচ্ছা”। প্রত্যেকটা কথা বলার পূর্বে চিন্তা করা যে, এটা মিথ্যা নয়তো? হলে তা বর্জন করা। এভাবেই মিথ্যার শয়তানী ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px