📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 অপব্যয়ের ওয়াসওয়াসা

📄 অপব্যয়ের ওয়াসওয়াসা


শরীআতের আলোকে যে ক্ষেত্রে ব্যয় করা নিষেধ সে ক্ষেত্রে ব্যয় করাকে বলা হয় তাবযীর বা অপব্যয়। অপব্যয়ের ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণের জন্য নিম্নোক্ত চিন্তাগুলো জাগ্রত করতে হবে:
১. কুরআনে কারীম অপব্যয়কারীকে 'শয়তানের ভাই' বলে আখ্যায়িত করেছে।
২. অপব্যয় করা গোনাহে কবীরা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করা অর্থ গোনাহে ব্যয় করে নিজের অশান্তি ডেকে আনা বোকামী।

শরীআতের আলোকে যে ক্ষেত্রে ব্যয় করা নিষেধ সে ক্ষেত্রে ব্যয় করাকে বলা হয় তাবযীর বা অপব্যয়। অপব্যয়ের ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণের জন্য নিম্নোক্ত চিন্তাগুলো জাগ্রত করতে হবে:
১. কুরআনে কারীম অপব্যয়কারীকে 'শয়তানের ভাই' বলে আখ্যায়িত করেছে।
২. অপব্যয় করা গোনাহে কবীরা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করা অর্থ গোনাহে ব্যয় করে নিজের অশান্তি ডেকে আনা বোকামী।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 অমিতব্যয়ের ওয়াসওয়াসা

📄 অমিতব্যয়ের ওয়াসওয়াসা


যেসব ক্ষেত্রে ব্যয় করা জায়েয সেসব ক্ষেত্রেও প্রকৃত প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যয় করাকে বলা হয় এছরাফ বা অমিতব্যয়। শয়তানই অমিতব্যয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে থাকে। অমিতব্যয়ের চিন্তা থেকে ফিরে আসার জন্য মনে জাগ্রত করতে হবে যে:
১. আল্লাহ তাআলা আমাকে সম্পদ দান করে অনুগ্রহ করেছেন, আমি সম্পদ গোনাহে ব্যয় করে নাফরমান হতে চাই না।
২. অমিতব্যয় গোনাহে কবীরা। উপার্জন করা অর্থ অহেতুক ব্যয় করে নিজের শাস্তি ডেকে আনা ঠিক নয়।

যেসব ক্ষেত্রে ব্যয় করা জায়েয সেসব ক্ষেত্রেও প্রকৃত প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যয় করাকে বলা হয় এছরাফ বা অমিতব্যয়। শয়তানই অমিতব্যয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে থাকে। অমিতব্যয়ের চিন্তা থেকে ফিরে আসার জন্য মনে জাগ্রত করতে হবে যে:
১. আল্লাহ তাআলা আমাকে সম্পদ দান করে অনুগ্রহ করেছেন, আমি সম্পদ গোনাহে ব্যয় করে নাফরমান হতে চাই না।
২. অমিতব্যয় গোনাহে কবীরা। উপার্জন করা অর্থ অহেতুক ব্যয় করে নিজের শাস্তি ডেকে আনা ঠিক নয়।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 গীবত (অপরের দোষ চর্চা)-এর ওয়াসওয়াসা

📄 গীবত (অপরের দোষ চর্চা)-এর ওয়াসওয়াসা


কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে পশ্চাতে তার প্রকৃত দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করাকে গীবত বলে। গীবত করা হারাম, যেনার চেয়েও গুরুতর কবীরা গোনাহ। গীবতের অভ্যাস পরিত্যাগের জন্য করণীয় হল:
১. কারও গীবত করে ফেললে তার প্রশংসা করা।
২. তার জন্য দুআ ও ইস্তেগফার করা।
৩. তাকে এ বিষয়টা জানিয়ে দিয়ে তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা। তবে হিতে বিপরীত হওয়ার আশংকা থাকলে জানাবে না।
৪. কারও সম্পর্কে কিছু বলতে মনে চাইলেও চিন্তা করে নেয়া যে, এটা গীবত হয়ে যাচ্ছে না তো?
৫. গীবত হয়ে গেলে নিজে তওবা-ইস্তেগফার করা এবং ভবিষ্যতে আর গীবত না করার প্রতিজ্ঞা করা।
৬. গীবত কখনো ক্রোধ, অহংকার বা হিংসা থেকে করা হয়; যে কারণে গীবত হয় সে কারণের চিকিৎসা করা দরকার।

কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে পশ্চাতে তার প্রকৃত দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করাকে গীবত বলে। গীবত করা হারাম, যেনার চেয়েও গুরুতর কবীরা গোনাহ। গীবতের অভ্যাস পরিত্যাগের জন্য করণীয় হল:
১. কারও গীবত করে ফেললে তার প্রশংসা করা।
২. তার জন্য দুআ ও ইস্তেগফার করা।
৩. তাকে এ বিষয়টা জানিয়ে দিয়ে তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা। তবে হিতে বিপরীত হওয়ার আশংকা থাকলে জানাবে না।
৪. কারও সম্পর্কে কিছু বলতে মনে চাইলেও চিন্তা করে নেয়া যে, এটা গীবত হয়ে যাচ্ছে না তো?
৫. গীবত হয়ে গেলে নিজে তওবা-ইস্তেগফার করা এবং ভবিষ্যতে আর গীবত না করার প্রতিজ্ঞা করা।
৬. গীবত কখনো ক্রোধ, অহংকার বা হিংসা থেকে করা হয়; যে কারণে গীবত হয় সে কারণের চিকিৎসা করা দরকার।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 চোগলখোরী (কোটনামিগিরি)-এর ওয়াসওয়াসা

📄 চোগলখোরী (কোটনামিগিরি)-এর ওয়াসওয়াসা


চোগলখোরী অর্থ কারও এমন কথা বা কাজ সম্পর্কে অন্যকে অবহিত করে দেয়া, যা সে তার কাছে গোপন রাখতে চায়। শয়তান চোগলখোরীতে খুব মজা লাগায়। এই ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণের উপায় হল:
১. চোগলখোরীর চিন্তা মনে আসলেই এটা কবীরা গোনাহ— এ কথা মনে জাগ্রত করতে হবে।
২. এ কথা চিন্তা করা যে, যারা চোগলখোরী করে তারা ফ্যাসাদী।
৩. এ কথা চিন্তা করা যে, যারা চোগলখোরী করে তারা নীচ প্রকৃতির লোক।

চোগলখোরী অর্থ কারও এমন কথা বা কাজ সম্পর্কে অন্যকে অবহিত করে দেয়া, যা সে তার কাছে গোপন রাখতে চায়। শয়তান চোগলখোরীতে খুব মজা লাগায়। এই ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণের উপায় হল:
১. চোগলখোরীর চিন্তা মনে আসলেই এটা কবীরা গোনাহ— এ কথা মনে জাগ্রত করতে হবে।
২. এ কথা চিন্তা করা যে, যারা চোগলখোরী করে তারা ফ্যাসাদী।
৩. এ কথা চিন্তা করা যে, যারা চোগলখোরী করে তারা নীচ প্রকৃতির লোক।

ফন্ট সাইজ
15px
17px