📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 হাসাদ (হিংসা বা পরশ্রীকাতরতা)-এর ওয়াসওয়াসা

📄 হাসাদ (হিংসা বা পরশ্রীকাতরতা)-এর ওয়াসওয়াসা


কারও জ্ঞান, বুদ্ধি, সম্পদ, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ইত্যাদি ভাল কিছু দেখে মনে কষ্ট লাগা এবং আকাঙ্ক্ষা হওয়া যে, সেটা না থাকুক বা ধ্বংস হয়ে যাক— এই মনোবৃত্তিকে বলা হয় হাসাদ (হিংসা)। শয়তানই এরূপ মনোবৃত্তি জাগিয়ে তোলে। হাসাদের চেতনা দূর করার পদ্ধতি হল:
১. হাসাদের কারণে নেক আমল নষ্ট হয়ে যায়— একথা ভাবা।
২. হিংসুক ব্যক্তি চিরকাল মনের কষ্টে কাল যাপন করে, জীবনে শান্তি পায় না।
৩. যার প্রতি হিংসা হয়, মনে না চাইলেও লোক সমাজে তার প্রশংসা করা।
৪. যার নেয়ামতের কারণে হাসাদ হয়, সেটা তার জন্য আরও বৃদ্ধি পাক আল্লাহর কাছে এই দুআ করতে থাকা।
৫. মনে না চাইলেও দেখা হলে তাকে সালাম করা এবং নম্র ব্যবহার করা।
৬. মাঝে মধ্যে তাকে হাদিয়া প্রদান করা।

কারও ভাল কিছু দেখে সেটা ধ্বংসের কামনা না করে শুধু নিজের জন্য অনুরূপ হওয়ার কামনা করা গর্হিত নয়, একে 'গেবতা' বলা হয়।

কারও জ্ঞান, বুদ্ধি, সম্পদ, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ইত্যাদি ভাল কিছু দেখে মনে কষ্ট লাগা এবং আকাঙ্ক্ষা হওয়া যে, সেটা না থাকুক বা ধ্বংস হয়ে যাক— এই মনোবৃত্তিকে বলা হয় হাসাদ (হিংসা)। শয়তানই এরূপ মনোবৃত্তি জাগিয়ে তোলে। হাসাদের চেতনা দূর করার পদ্ধতি হল:
১. হাসাদের কারণে নেক আমল নষ্ট হয়ে যায়— একথা ভাবা।
২. হিংসুক ব্যক্তি চিরকাল মনের কষ্টে কাল যাপন করে, জীবনে শান্তি পায় না।
৩. যার প্রতি হিংসা হয়, মনে না চাইলেও লোক সমাজে তার প্রশংসা করা।
৪. যার নেয়ামতের কারণে হাসাদ হয়, সেটা তার জন্য আরও বৃদ্ধি পাক আল্লাহর কাছে এই দুআ করতে থাকা।
৫. মনে না চাইলেও দেখা হলে তাকে সালাম করা এবং নম্র ব্যবহার করা।
৬. মাঝে মধ্যে তাকে হাদিয়া প্রদান করা।

কারও ভাল কিছু দেখে সেটা ধ্বংসের কামনা না করে শুধু নিজের জন্য অনুরূপ হওয়ার কামনা করা গর্হিত নয়, একে 'গেবতা' বলা হয়।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 বদগোমানী বা কু-ধারণার ওয়াসওয়াসা

📄 বদগোমানী বা কু-ধারণার ওয়াসওয়াসা


নেককার মুসলমানদের সম্পর্কে কোনো দলীল-প্রমাণ ব্যতীত কুধারণা পোষণ করা হারাম। শয়তানই অন্যের প্রতি অহেতুক বদ-গোমানী সৃষ্টি করে থাকে। বদগোমানী রোগের প্রতিকার হল:
১. নির্জনে বসে চিন্তা করা যে, দলীল-প্রমাণ ছাড়া কারও প্রতি কু-ধারণা পোষণ করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ. অর্থাৎ, হে মুমিনরা! তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক, নিশ্চয় কতক ধারণা পাপ। (সূরা হুজুরাত: ১২)
২. তওবা করা।
৩. আল্লাহর নিকট অন্তর সাফ হয়ে যাওয়ার জন্য দুআ করা।
৪. যার প্রতি কু-ধারণা হয়েছে তার সুখ-শান্তির জন্য দুআ করা।
৫. মন থেকে কু-ধারণা না গেলে যার প্রতি কু-ধারণা হয়েছে তাকে বলবে, অহেতুক আপনার প্রতি আমার বদগোমানী হয়েছে, আমাকে ক্ষমা করুন।

নেককার মুসলমানদের সম্পর্কে কোনো দলীল-প্রমাণ ব্যতীত কুধারণা পোষণ করা হারাম। শয়তানই অন্যের প্রতি অহেতুক বদ-গোমানী সৃষ্টি করে থাকে। বদগোমানী রোগের প্রতিকার হল:
১. নির্জনে বসে চিন্তা করা যে, দলীল-প্রমাণ ছাড়া কারও প্রতি কু-ধারণা পোষণ করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ. অর্থাৎ, হে মুমিনরা! তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক, নিশ্চয় কতক ধারণা পাপ। (সূরা হুজুরাত: ১২)
২. তওবা করা।
৩. আল্লাহর নিকট অন্তর সাফ হয়ে যাওয়ার জন্য দুআ করা।
৪. যার প্রতি কু-ধারণা হয়েছে তার সুখ-শান্তির জন্য দুআ করা।
৫. মন থেকে কু-ধারণা না গেলে যার প্রতি কু-ধারণা হয়েছে তাকে বলবে, অহেতুক আপনার প্রতি আমার বদগোমানী হয়েছে, আমাকে ক্ষমা করুন।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 অপব্যয়ের ওয়াসওয়াসা

📄 অপব্যয়ের ওয়াসওয়াসা


শরীআতের আলোকে যে ক্ষেত্রে ব্যয় করা নিষেধ সে ক্ষেত্রে ব্যয় করাকে বলা হয় তাবযীর বা অপব্যয়। অপব্যয়ের ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণের জন্য নিম্নোক্ত চিন্তাগুলো জাগ্রত করতে হবে:
১. কুরআনে কারীম অপব্যয়কারীকে 'শয়তানের ভাই' বলে আখ্যায়িত করেছে।
২. অপব্যয় করা গোনাহে কবীরা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করা অর্থ গোনাহে ব্যয় করে নিজের অশান্তি ডেকে আনা বোকামী।

শরীআতের আলোকে যে ক্ষেত্রে ব্যয় করা নিষেধ সে ক্ষেত্রে ব্যয় করাকে বলা হয় তাবযীর বা অপব্যয়। অপব্যয়ের ওয়াছওয়াছা থেকে পরিত্রাণের জন্য নিম্নোক্ত চিন্তাগুলো জাগ্রত করতে হবে:
১. কুরআনে কারীম অপব্যয়কারীকে 'শয়তানের ভাই' বলে আখ্যায়িত করেছে।
২. অপব্যয় করা গোনাহে কবীরা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করা অর্থ গোনাহে ব্যয় করে নিজের অশান্তি ডেকে আনা বোকামী।

📘 নফস ও শয়তানের সাথে মোকাবেলা 📄 অমিতব্যয়ের ওয়াসওয়াসা

📄 অমিতব্যয়ের ওয়াসওয়াসা


যেসব ক্ষেত্রে ব্যয় করা জায়েয সেসব ক্ষেত্রেও প্রকৃত প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যয় করাকে বলা হয় এছরাফ বা অমিতব্যয়। শয়তানই অমিতব্যয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে থাকে। অমিতব্যয়ের চিন্তা থেকে ফিরে আসার জন্য মনে জাগ্রত করতে হবে যে:
১. আল্লাহ তাআলা আমাকে সম্পদ দান করে অনুগ্রহ করেছেন, আমি সম্পদ গোনাহে ব্যয় করে নাফরমান হতে চাই না।
২. অমিতব্যয় গোনাহে কবীরা। উপার্জন করা অর্থ অহেতুক ব্যয় করে নিজের শাস্তি ডেকে আনা ঠিক নয়।

যেসব ক্ষেত্রে ব্যয় করা জায়েয সেসব ক্ষেত্রেও প্রকৃত প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যয় করাকে বলা হয় এছরাফ বা অমিতব্যয়। শয়তানই অমিতব্যয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে থাকে। অমিতব্যয়ের চিন্তা থেকে ফিরে আসার জন্য মনে জাগ্রত করতে হবে যে:
১. আল্লাহ তাআলা আমাকে সম্পদ দান করে অনুগ্রহ করেছেন, আমি সম্পদ গোনাহে ব্যয় করে নাফরমান হতে চাই না।
২. অমিতব্যয় গোনাহে কবীরা। উপার্জন করা অর্থ অহেতুক ব্যয় করে নিজের শাস্তি ডেকে আনা ঠিক নয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px